📘 সম্পদ গড়ার কৌশল > 📄 পারিবারিক অংশীদারত্ব

📄 পারিবারিক অংশীদারত্ব


ব্যবসায়িক অংশীদার খুঁজে বের করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। কে হতে পারে সেরা পার্টনার? একক কোনো উত্তর নেই এর। কখনও কখনও পরিবারের সদস্যদের মাঝে ব্যবসায়িক বনিবনা হয়ে ওঠে না। বিশেষত যদি চরিত্রের পার্থক্য থাকে। কিন্তু সাধারণত একসাথে বেড়ে ওঠা মানুষদের চিন্তাচেতনা একইরকম হয়। একসাথে কাজও করতে পারে তারা ভালোমতো। আমার নেওয়া সাক্ষাৎকারে আমি এরকম উদাহরণ পেয়েছি। যেমন: জগলুল ভ্রাতৃদ্বয় ও মির্জা ভ্রাতৃদ্বয়। চল্লিশ বছরের বেশি বয়সি যেসকল উদ্যোক্তার সাথে কথা বলেছি, তাদের অন্তত ৩০% সাফল্য পেয়েছেন পারিবারিক অংশীদারত্বের মাধ্যমে।

এসব সম্পর্কের ব্যাপারে আশার পারদ ঠিক রাখতে হবে। অতিরিক্ত কথা দিয়ে বসবেন না। তবে ব্যবসা যদি ভালোমতো চলে, তাহলে পারিবারিক অংশীদারি রাখা যায় এতে। পরস্পরকে সাহায্য করার পাশাপাশি সকলেই যেন ভাগাভাগি করে নিতে পারে ফলাফল। জগলুল ভ্রাতৃদ্বয়ের মতো কিছু পরিবারে বড় ভাই ছোট ভাইকে পথ দেখান। অনুজকে তিনি শিখিয়েছেন পুঁজিবাজারের নানা দিক এবং কোম্পানি দাঁড় করানোর নিয়ম। তাদের যৌথ প্রচেষ্টায় তারপর উপকৃত হয়েছে পুরো পরিবার।

মনে রাখবেন, কোনোকিছুই ত্রুটিহীন নয়। কিন্তু ইহসান সহকারে চেষ্টা করে তা থেকে সম্ভাব্য সর্বোচ্চ ফলাফল তুলে আনা সম্ভব। তাই পারিবারিক অংশীদারিকে সফল করার আরেকটি উপায় হলো সন্তানদের ভবিষ্যতের সম্ভাব্য অংশীদার হিসেবে প্রশিক্ষিত করে তোলা। সন্তান লালনের আলোচনা চলে আসে এখানে। নিজে কীভাবে পরিবারের মাঝে বেড়ে উঠেছেন, তা দেখুন। ভাইবোনদের সাথে মিলমিশ ও সহযোগিতার পরিবেশ ছিল কি? এ শিক্ষা কিন্তু একদম ছোট বয়স থেকেই দিতে হয়। কখনও কি মনে হয়েছে যে, একজনের ওপর অবিচার করে আরেকজনকে বেশি দেওয়া হচ্ছে? কখনও কি নিজেকে বঞ্চিত মনে হয়েছে অন্যদের তুলনায়? যদি হয়ে থাকে, তাহলে নিজের সন্তানদের ক্ষেত্রে আর এই ভুলের পুনরাবৃত্তি করবেন না। দায়িত্বশীল পিতামাতা ইসলামের নির্দেশানুযায়ী ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে সব সন্তানকে সমান আদর-যত্ন দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। কন্যাসন্তানের প্রতি ন্যায়পরায়ণ, দয়ালু ও ভারসাম্যপূর্ণ হওয়ার সাওয়াব তো আরও বেশি। সন্তানের প্রতি ভারসাম্যপূর্ণ আচরণই হবে ভবিষ্যৎ পারিবারিক অংশীদারি গড়ে তোলার ভিত্তি।

ব্যবসায়িক অংশীদার খুঁজে বের করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। কে হতে পারে সেরা পার্টনার? একক কোনো উত্তর নেই এর। কখনও কখনও পরিবারের সদস্যদের মাঝে ব্যবসায়িক বনিবনা হয়ে ওঠে না। বিশেষত যদি চরিত্রের পার্থক্য থাকে। কিন্তু সাধারণত একসাথে বেড়ে ওঠা মানুষদের চিন্তাচেতনা একইরকম হয়। একসাথে কাজও করতে পারে তারা ভালোমতো। আমার নেওয়া সাক্ষাৎকারে আমি এরকম উদাহরণ পেয়েছি। যেমন: জগলুল ভ্রাতৃদ্বয় ও মির্জা ভ্রাতৃদ্বয়। চল্লিশ বছরের বেশি বয়সি যেসকল উদ্যোক্তার সাথে কথা বলেছি, তাদের অন্তত ৩০% সাফল্য পেয়েছেন পারিবারিক অংশীদারত্বের মাধ্যমে।

এসব সম্পর্কের ব্যাপারে আশার পারদ ঠিক রাখতে হবে। অতিরিক্ত কথা দিয়ে বসবেন না। তবে ব্যবসা যদি ভালোমতো চলে, তাহলে পারিবারিক অংশীদারি রাখা যায় এতে। পরস্পরকে সাহায্য করার পাশাপাশি সকলেই যেন ভাগাভাগি করে নিতে পারে ফলাফল। জগলুল ভ্রাতৃদ্বয়ের মতো কিছু পরিবারে বড় ভাই ছোট ভাইকে পথ দেখান। অনুজকে তিনি শিখিয়েছেন পুঁজিবাজারের নানা দিক এবং কোম্পানি দাঁড় করানোর নিয়ম। তাদের যৌথ প্রচেষ্টায় তারপর উপকৃত হয়েছে পুরো পরিবার।

মনে রাখবেন, কোনোকিছুই ত্রুটিহীন নয়। কিন্তু ইহসান সহকারে চেষ্টা করে তা থেকে সম্ভাব্য সর্বোচ্চ ফলাফল তুলে আনা সম্ভব। তাই পারিবারিক অংশীদারিকে সফল করার আরেকটি উপায় হলো সন্তানদের ভবিষ্যতের সম্ভাব্য অংশীদার হিসেবে প্রশিক্ষিত করে তোলা। সন্তান লালনের আলোচনা চলে আসে এখানে। নিজে কীভাবে পরিবারের মাঝে বেড়ে উঠেছেন, তা দেখুন। ভাইবোনদের সাথে মিলমিশ ও সহযোগিতার পরিবেশ ছিল কি? এ শিক্ষা কিন্তু একদম ছোট বয়স থেকেই দিতে হয়। কখনও কি মনে হয়েছে যে, একজনের ওপর অবিচার করে আরেকজনকে বেশি দেওয়া হচ্ছে? কখনও কি নিজেকে বঞ্চিত মনে হয়েছে অন্যদের তুলনায়? যদি হয়ে থাকে, তাহলে নিজের সন্তানদের ক্ষেত্রে আর এই ভুলের পুনরাবৃত্তি করবেন না। দায়িত্বশীল পিতামাতা ইসলামের নির্দেশানুযায়ী ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে সব সন্তানকে সমান আদর-যত্ন দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। কন্যাসন্তানের প্রতি ন্যায়পরায়ণ, দয়ালু ও ভারসাম্যপূর্ণ হওয়ার সাওয়াব তো আরও বেশি। সন্তানের প্রতি ভারসাম্যপূর্ণ আচরণই হবে ভবিষ্যৎ পারিবারিক অংশীদারি গড়ে তোলার ভিত্তি।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00