📄 যতটুকু পারেন
সাফল্য শেখান! অপর মুসলিম ভাইকে সুপরামর্শ দিন। উপদেশ দিন নিজস্ব ব্যবসা শুরু করার। জনাব মুজীবুর রহমানের মতে প্রত্যেক মুসলিমের উচিত ব্যবসায়ী হওয়া। একেই বলে উৎসাহ। উৎসাহদানের আরেকটি পদ্ধতি মানুষের দোষ গোপন করা। বাইয়্যিনাহ’র সিইও উস্তাদ নুমান আলি খান আমাকে এ উপদেশ দিয়েছেন। মানুষের ব্যাপারে সেরাটা ধারণা করেন তিনি সব সময়। সত্যিকার অর্থে বিশ্বাস করেন যে, মুসলিমরা উত্তম এবং তাদের কাছ থেকে প্রত্যাশাও করেন উত্তম কিছু। পেয়ে যান ফলাফলও!
বাইয়্যিনাহ ড্রিম প্রোগ্রামে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতিবছরই এমন কেউ না কেউ থাকে, যারা টিউশন ফি প্রদানে অসমর্থ। তিনি তাদের বলেন যতটুকু সম্ভব, ততটুকুই দিতে। পরে যখন সামর্থ্য হয়, তখন টাকা দিলেই হবে। আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, অসমর্থ শিক্ষার্থীদের ৯৯ শতাংশই পুরো টাকা পরিশোধ করে দেয় প্রোগ্রাম শেষে। কারণ উস্তাদ নুমান বিশ্বাস করেন মানুষ প্রকৃতিগতভাবে ভালো। বিনে পয়সায় ফায়দা নিয়ে চম্পট দেবে না কেউ। তাই উত্তম আশার উত্তম ফল পান তিনি। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল লাভের এটিই সত্যিকার উপায়। আয়ের প্রধান উৎসের ব্যাপারে এতটা সংশয়হীনতা সত্যিই অভাবনীয়।
উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রেও খাটে এ কথা। ক্রেতা ও অংশীদারদের বিশ্বাস করুন, মূল্য দিন। তাদেরকে স্রেফ কিছু সংখ্যা হিসেবে দেখবেন না। তাহলেই প্রশস্ত হয়ে খোলা থাকবে সাফল্যের দুয়ার। তবে সেইসাথে পরিহার করতে হবে অতিসারল্য। মুসলিম কখনও একই গর্তে দুইবার পড়ে না। যেটাতে কাজ হচ্ছে না, কোম্পানিকে যা কিছু পেছনে টেনে ধরছে, সেগুলো থেকে দ্রুত মুক্ত হতে হবে।
সাফল্য শেখান! অপর মুসলিম ভাইকে সুপরামর্শ দিন। উপদেশ দিন নিজস্ব ব্যবসা শুরু করার। জনাব মুজীবুর রহমানের মতে প্রত্যেক মুসলিমের উচিত ব্যবসায়ী হওয়া। একেই বলে উৎসাহ। উৎসাহদানের আরেকটি পদ্ধতি মানুষের দোষ গোপন করা। বাইয়্যিনাহ’র সিইও উস্তাদ নুমান আলি খান আমাকে এ উপদেশ দিয়েছেন। মানুষের ব্যাপারে সেরাটা ধারণা করেন তিনি সব সময়। সত্যিকার অর্থে বিশ্বাস করেন যে, মুসলিমরা উত্তম এবং তাদের কাছ থেকে প্রত্যাশাও করেন উত্তম কিছু। পেয়ে যান ফলাফলও!
বাইয়্যিনাহ ড্রিম প্রোগ্রামে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতিবছরই এমন কেউ না কেউ থাকে, যারা টিউশন ফি প্রদানে অসমর্থ। তিনি তাদের বলেন যতটুকু সম্ভব, ততটুকুই দিতে। পরে যখন সামর্থ্য হয়, তখন টাকা দিলেই হবে। আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, অসমর্থ শিক্ষার্থীদের ৯৯ শতাংশই পুরো টাকা পরিশোধ করে দেয় প্রোগ্রাম শেষে। কারণ উস্তাদ নুমান বিশ্বাস করেন মানুষ প্রকৃতিগতভাবে ভালো। বিনে পয়সায় ফায়দা নিয়ে চম্পট দেবে না কেউ। তাই উত্তম আশার উত্তম ফল পান তিনি। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল লাভের এটিই সত্যিকার উপায়। আয়ের প্রধান উৎসের ব্যাপারে এতটা সংশয়হীনতা সত্যিই অভাবনীয়।
উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রেও খাটে এ কথা। ক্রেতা ও অংশীদারদের বিশ্বাস করুন, মূল্য দিন। তাদেরকে স্রেফ কিছু সংখ্যা হিসেবে দেখবেন না। তাহলেই প্রশস্ত হয়ে খোলা থাকবে সাফল্যের দুয়ার। তবে সেইসাথে পরিহার করতে হবে অতিসারল্য। মুসলিম কখনও একই গর্তে দুইবার পড়ে না। যেটাতে কাজ হচ্ছে না, কোম্পানিকে যা কিছু পেছনে টেনে ধরছে, সেগুলো থেকে দ্রুত মুক্ত হতে হবে।