📘 সম্পদ গড়ার কৌশল > 📄 ভাগের ভাগাভাগি

📄 ভাগের ভাগাভাগি


দলবদ্ধ থাকার উপায় হলো সকলের জন্য একক একটি লক্ষ্য তৈরি করা। এভাবে দলের সবাই ছুটে চলতে পারে একই দিকপানে। রোধ করা যায় দলের ভাঙন। একক লক্ষ্য তৈরি করার পরের কাজ হলো একসাথে চলা। নির্দিষ্ট একটি বিষয়ে সবার মত না-ও মিলতে পারে, কিন্তু সার্বিকভাবে সবাই থাকবে একটি দল হয়ে। দলগতভাবে শেষমেশ যে সিদ্ধান্ত আসবে, মেনে নিন সেটা। কারণ ব্যক্তির চেয়ে দল সব সময়ই শক্তিশালী। শুরুতে ভুল মনে হলেও পথ চলতে চলতে হয়তো প্রয়োজনীয় সংশোধনী চলে আসবে তাতে। একাকী চললে তো ভুল ধরিয়ে দেওয়ারও কেউ থাকত না। প্রতিযোগীদের ধাক্কায় আগেই ছিটকে পড়তেন।

টাটা গ্রুপের মালিক শহিদ টাটা। পারিবারিক ব্যবসাকে ঐক্যবদ্ধ রাখার দায়িত্ব তখন তার ঘাড়ে। গৎবাঁধা চিন্তার বিরুদ্ধে গেলেন তিনি। তার পোশাক কারখানা তখন চলছিল পুরোনো আমলের রাশিয়ান মেশিনারি দিয়ে। মানুষ ভেবেছিল আর টিকবে না এ কোম্পানি। নিজের লক্ষ্যের সাথে পুরো কোম্পানির ব্যবস্থাপনাকে এক কাতারে নিয়ে আসেন শহিদ টাটা। এক দশকের মধ্যে সম্পূর্ণ আধুনিকায়িত কোম্পানিটি পুনরায় লাভজনক হয়ে ওঠে। সুদৃঢ় লক্ষ্যের ফলাফল এমনই। সব বাধা-বিপত্তি ভেঙেচুরে যায়।

এরপর যে বিষয়টি মনে রাখতে হবে, তা হলো সকলেই আইডিয়াবাজ। ইমাম আশরাফের দেওয়া আরেকটি শিক্ষা এটি। আপনিও এমন মানুষ দেখে থাকবেন, যারা সারাক্ষণ নতুন নতুন বুদ্ধি বের করছে। কিন্তু জীবনেও বাস্তবায়িত করতে পারে না সেসব। কী হতাশাজনক! এই দুষ্টচক্র থেকে বের হবেন কীভাবে? দলবদ্ধ হয়ে। নিজের বুদ্ধি অন্যদের সাথে ভাগাভাগি করুন। লুকিয়ে রাখবেন না। খুঁজে নিন উত্তম অংশীদার। আগেও এক আইডিয়াবাজ উদ্যোক্তার কথা বলা হয়েছে, যে ইমাম আশরাফের কাছে এসে নিজের ব্যবসায়িক আইডিয়ার কথা জানায়। কিন্তু পরামর্শ-শ্রম-সময়-অর্থ সবকিছুর বিনিময়ে লভ্যাংশ দিতে চাচ্ছিল মাত্র ৫%। কারণ নিজের আইডিয়ার ফলাফল নিজের পকেটেই রাখতে চায় সে। স্বভাবতই অভিজ্ঞ ও সফল ব্যবসায়ী ইমাম আশরাফ তাতে আগ্রহ পাননি। তরুণ উদ্যোক্তা তারপরও বলতে থাকে যে, ওটা নাকি দারুণ আইডিয়া, এতটুকু কষ্ট করাই যায়। ইমামের জবাব, ‘আইডিয়া সবার মাথাতেই থাকে।’

এখান থেকে শিক্ষা হলো বিনিয়োগকারীর ব্যাপারে অবাস্তব আশা পোষণ না করা। বাস্তবসম্মতভাবে স্বপ্নের দিকে এগোনো। কীভাবে? অভিজ্ঞ ও দক্ষ পরামর্শদাতা খুঁজুন। আর তাদেরকে দিন তাদের যথাযোগ্য প্রাপ্য অংশ। দিনশেষে আপনারই লাভ হবে। কমবে না তা থেকে কিছু।

দলবদ্ধ থাকার উপায় হলো সকলের জন্য একক একটি লক্ষ্য তৈরি করা। এভাবে দলের সবাই ছুটে চলতে পারে একই দিকপানে। রোধ করা যায় দলের ভাঙন। একক লক্ষ্য তৈরি করার পরের কাজ হলো একসাথে চলা। নির্দিষ্ট একটি বিষয়ে সবার মত না-ও মিলতে পারে, কিন্তু সার্বিকভাবে সবাই থাকবে একটি দল হয়ে। দলগতভাবে শেষমেশ যে সিদ্ধান্ত আসবে, মেনে নিন সেটা। কারণ ব্যক্তির চেয়ে দল সব সময়ই শক্তিশালী। শুরুতে ভুল মনে হলেও পথ চলতে চলতে হয়তো প্রয়োজনীয় সংশোধনী চলে আসবে তাতে। একাকী চললে তো ভুল ধরিয়ে দেওয়ারও কেউ থাকত না। প্রতিযোগীদের ধাক্কায় আগেই ছিটকে পড়তেন।

টাটা গ্রুপের মালিক শহিদ টাটা। পারিবারিক ব্যবসাকে ঐক্যবদ্ধ রাখার দায়িত্ব তখন তার ঘাড়ে। গৎবাঁধা চিন্তার বিরুদ্ধে গেলেন তিনি। তার পোশাক কারখানা তখন চলছিল পুরোনো আমলের রাশিয়ান মেশিনারি দিয়ে। মানুষ ভেবেছিল আর টিকবে না এ কোম্পানি। নিজের লক্ষ্যের সাথে পুরো কোম্পানির ব্যবস্থাপনাকে এক কাতারে নিয়ে আসেন শহিদ টাটা। এক দশকের মধ্যে সম্পূর্ণ আধুনিকায়িত কোম্পানিটি পুনরায় লাভজনক হয়ে ওঠে। সুদৃঢ় লক্ষ্যের ফলাফল এমনই। সব বাধা-বিপত্তি ভেঙেচুরে যায়।

এরপর যে বিষয়টি মনে রাখতে হবে, তা হলো সকলেই আইডিয়াবাজ। ইমাম আশরাফের দেওয়া আরেকটি শিক্ষা এটি। আপনিও এমন মানুষ দেখে থাকবেন, যারা সারাক্ষণ নতুন নতুন বুদ্ধি বের করছে। কিন্তু জীবনেও বাস্তবায়িত করতে পারে না সেসব। কী হতাশাজনক! এই দুষ্টচক্র থেকে বের হবেন কীভাবে? দলবদ্ধ হয়ে। নিজের বুদ্ধি অন্যদের সাথে ভাগাভাগি করুন। লুকিয়ে রাখবেন না। খুঁজে নিন উত্তম অংশীদার। আগেও এক আইডিয়াবাজ উদ্যোক্তার কথা বলা হয়েছে, যে ইমাম আশরাফের কাছে এসে নিজের ব্যবসায়িক আইডিয়ার কথা জানায়। কিন্তু পরামর্শ-শ্রম-সময়-অর্থ সবকিছুর বিনিময়ে লভ্যাংশ দিতে চাচ্ছিল মাত্র ৫%। কারণ নিজের আইডিয়ার ফলাফল নিজের পকেটেই রাখতে চায় সে। স্বভাবতই অভিজ্ঞ ও সফল ব্যবসায়ী ইমাম আশরাফ তাতে আগ্রহ পাননি। তরুণ উদ্যোক্তা তারপরও বলতে থাকে যে, ওটা নাকি দারুণ আইডিয়া, এতটুকু কষ্ট করাই যায়। ইমামের জবাব, ‘আইডিয়া সবার মাথাতেই থাকে।’

এখান থেকে শিক্ষা হলো বিনিয়োগকারীর ব্যাপারে অবাস্তব আশা পোষণ না করা। বাস্তবসম্মতভাবে স্বপ্নের দিকে এগোনো। কীভাবে? অভিজ্ঞ ও দক্ষ পরামর্শদাতা খুঁজুন। আর তাদেরকে দিন তাদের যথাযোগ্য প্রাপ্য অংশ। দিনশেষে আপনারই লাভ হবে। কমবে না তা থেকে কিছু।

📘 সম্পদ গড়ার কৌশল > 📄 যতটুকু পারেন

📄 যতটুকু পারেন


সাফল্য শেখান! অপর মুসলিম ভাইকে সুপরামর্শ দিন। উপদেশ দিন নিজস্ব ব্যবসা শুরু করার। জনাব মুজীবুর রহমানের মতে প্রত্যেক মুসলিমের উচিত ব্যবসায়ী হওয়া। একেই বলে উৎসাহ। উৎসাহদানের আরেকটি পদ্ধতি মানুষের দোষ গোপন করা। বাইয়্যিনাহ’র সিইও উস্তাদ নুমান আলি খান আমাকে এ উপদেশ দিয়েছেন। মানুষের ব্যাপারে সেরাটা ধারণা করেন তিনি সব সময়। সত্যিকার অর্থে বিশ্বাস করেন যে, মুসলিমরা উত্তম এবং তাদের কাছ থেকে প্রত্যাশাও করেন উত্তম কিছু। পেয়ে যান ফলাফলও!

বাইয়্যিনাহ ড্রিম প্রোগ্রামে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতিবছরই এমন কেউ না কেউ থাকে, যারা টিউশন ফি প্রদানে অসমর্থ। তিনি তাদের বলেন যতটুকু সম্ভব, ততটুকুই দিতে। পরে যখন সামর্থ্য হয়, তখন টাকা দিলেই হবে। আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, অসমর্থ শিক্ষার্থীদের ৯৯ শতাংশই পুরো টাকা পরিশোধ করে দেয় প্রোগ্রাম শেষে। কারণ উস্তাদ নুমান বিশ্বাস করেন মানুষ প্রকৃতিগতভাবে ভালো। বিনে পয়সায় ফায়দা নিয়ে চম্পট দেবে না কেউ। তাই উত্তম আশার উত্তম ফল পান তিনি। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল লাভের এটিই সত্যিকার উপায়। আয়ের প্রধান উৎসের ব্যাপারে এতটা সংশয়হীনতা সত্যিই অভাবনীয়।

উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রেও খাটে এ কথা। ক্রেতা ও অংশীদারদের বিশ্বাস করুন, মূল্য দিন। তাদেরকে স্রেফ কিছু সংখ্যা হিসেবে দেখবেন না। তাহলেই প্রশস্ত হয়ে খোলা থাকবে সাফল্যের দুয়ার। তবে সেইসাথে পরিহার করতে হবে অতিসারল্য। মুসলিম কখনও একই গর্তে দুইবার পড়ে না। যেটাতে কাজ হচ্ছে না, কোম্পানিকে যা কিছু পেছনে টেনে ধরছে, সেগুলো থেকে দ্রুত মুক্ত হতে হবে।

সাফল্য শেখান! অপর মুসলিম ভাইকে সুপরামর্শ দিন। উপদেশ দিন নিজস্ব ব্যবসা শুরু করার। জনাব মুজীবুর রহমানের মতে প্রত্যেক মুসলিমের উচিত ব্যবসায়ী হওয়া। একেই বলে উৎসাহ। উৎসাহদানের আরেকটি পদ্ধতি মানুষের দোষ গোপন করা। বাইয়্যিনাহ’র সিইও উস্তাদ নুমান আলি খান আমাকে এ উপদেশ দিয়েছেন। মানুষের ব্যাপারে সেরাটা ধারণা করেন তিনি সব সময়। সত্যিকার অর্থে বিশ্বাস করেন যে, মুসলিমরা উত্তম এবং তাদের কাছ থেকে প্রত্যাশাও করেন উত্তম কিছু। পেয়ে যান ফলাফলও!

বাইয়্যিনাহ ড্রিম প্রোগ্রামে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতিবছরই এমন কেউ না কেউ থাকে, যারা টিউশন ফি প্রদানে অসমর্থ। তিনি তাদের বলেন যতটুকু সম্ভব, ততটুকুই দিতে। পরে যখন সামর্থ্য হয়, তখন টাকা দিলেই হবে। আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, অসমর্থ শিক্ষার্থীদের ৯৯ শতাংশই পুরো টাকা পরিশোধ করে দেয় প্রোগ্রাম শেষে। কারণ উস্তাদ নুমান বিশ্বাস করেন মানুষ প্রকৃতিগতভাবে ভালো। বিনে পয়সায় ফায়দা নিয়ে চম্পট দেবে না কেউ। তাই উত্তম আশার উত্তম ফল পান তিনি। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল লাভের এটিই সত্যিকার উপায়। আয়ের প্রধান উৎসের ব্যাপারে এতটা সংশয়হীনতা সত্যিই অভাবনীয়।

উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রেও খাটে এ কথা। ক্রেতা ও অংশীদারদের বিশ্বাস করুন, মূল্য দিন। তাদেরকে স্রেফ কিছু সংখ্যা হিসেবে দেখবেন না। তাহলেই প্রশস্ত হয়ে খোলা থাকবে সাফল্যের দুয়ার। তবে সেইসাথে পরিহার করতে হবে অতিসারল্য। মুসলিম কখনও একই গর্তে দুইবার পড়ে না। যেটাতে কাজ হচ্ছে না, কোম্পানিকে যা কিছু পেছনে টেনে ধরছে, সেগুলো থেকে দ্রুত মুক্ত হতে হবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00