📄 বংশীয় গুণ
বংশে বিদ্যমান সাফল্যের নকশা গবেষণার মাধ্যমে কাজ শুরু করতে হবে, তা আগেও উল্লেখ করেছি। এখন বিস্তারিত আলোচনা আসবে এ ব্যাপারে। বংশের শক্তির জায়গা কোথায়? কোথায় দুর্বলতা? পরিবারের কোন দক্ষতাটি নিজের কাজে ব্যবহার করা সম্ভব? তার একটি ছক কষে ফেলুন।
জনাব হামদি উলুকায়া ঠিক এ কাজটিই করেছেন। তিনি আমেরিকায় এসেছেন বেশ বয়সকালে। ইংরেজি শিখেছেন দেশান্তরিত হওয়ার পর। ছোট একটি কুর্দি গ্রামের গড়পড়তা তুর্কি হিসেবে তার পরিবারের ছিল দইয়ের ব্যবসা। কিছু গবাদি পশু ছিল, যার দুধ বেচে কিছু আয় হতো। সরল পরিবার, সরল ব্যবসা। যুক্তরাষ্ট্রে এসেও তিনি একটি খামারে শিক্ষানবিস কর্মী হিসেবে কাজ করতে থাকেন। একদিন আমেরিকায় ছেলেকে দেখতে আসেন তার বাবা। নতুন এই খামারের দই মুখে দিয়ে দেখেন তিনি। স্বাদ চেখে একেবারেই অসন্তুষ্ট। তুরস্কের ওই খামারের দইয়ের ধারেকাছেও নেই! ছেলেকে পরামর্শ দেন নিজস্ব ব্যবসা শুরু করার। জনাব উলুকায়া তা-ই করেন। দুই বছরের মধ্যে স্থাপন করে ফেললেন দরকারি সরঞ্জাম-সহ নিজস্ব দই উৎপাদন কারখানা। মোটামুটি সাফল্য আসে এখান থেকে। একসময় একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ কারখানা কিনে নেন, যা চক্রবৃদ্ধিহারে বড় হতে থাকে। চোবানি ইয়োগার্ট নামের এই ব্র্যান্ড এখন কয়েক বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা। এত বিখ্যাত যে, যুক্তরাষ্ট্রে থাকাকালে এটা খুঁজে পেতে আমাকে একেবারেই বেগ পেতে হয়নি। এ থেকেই বোঝা যায় যে, পারিবারিক শক্তির কত গুরুত্ব। এই ঘটনায় যেমন ছিল দুধের ব্যবহার ও তা থেকে দই বানানোর বিদ্যে। দই-বিশেষজ্ঞ উলুকায়া কোনো সফটওয়্যার কোম্পানি চালু করার উদ্যোগ নেননি। তিনি যা জানতেন, তা-ই করেছেন শুধু।
আপনিও করতে পারেন একই কাজ। পারিবারিক সামর্থ্য যদি তেমন আহামরি কিছু না-ও হয়, তবুও তা থেকে তুলে আনা সম্ভব বিপুল সাফল্য।
বংশে বিদ্যমান সাফল্যের নকশা গবেষণার মাধ্যমে কাজ শুরু করতে হবে, তা আগেও উল্লেখ করেছি। এখন বিস্তারিত আলোচনা আসবে এ ব্যাপারে। বংশের শক্তির জায়গা কোথায়? কোথায় দুর্বলতা? পরিবারের কোন দক্ষতাটি নিজের কাজে ব্যবহার করা সম্ভব? তার একটি ছক কষে ফেলুন।
জনাব হামদি উলুকায়া ঠিক এ কাজটিই করেছেন। তিনি আমেরিকায় এসেছেন বেশ বয়সকালে। ইংরেজি শিখেছেন দেশান্তরিত হওয়ার পর। ছোট একটি কুর্দি গ্রামের গড়পড়তা তুর্কি হিসেবে তার পরিবারের ছিল দইয়ের ব্যবসা। কিছু গবাদি পশু ছিল, যার দুধ বেচে কিছু আয় হতো। সরল পরিবার, সরল ব্যবসা। যুক্তরাষ্ট্রে এসেও তিনি একটি খামারে শিক্ষানবিস কর্মী হিসেবে কাজ করতে থাকেন। একদিন আমেরিকায় ছেলেকে দেখতে আসেন তার বাবা। নতুন এই খামারের দই মুখে দিয়ে দেখেন তিনি। স্বাদ চেখে একেবারেই অসন্তুষ্ট। তুরস্কের ওই খামারের দইয়ের ধারেকাছেও নেই! ছেলেকে পরামর্শ দেন নিজস্ব ব্যবসা শুরু করার। জনাব উলুকায়া তা-ই করেন। দুই বছরের মধ্যে স্থাপন করে ফেললেন দরকারি সরঞ্জাম-সহ নিজস্ব দই উৎপাদন কারখানা। মোটামুটি সাফল্য আসে এখান থেকে। একসময় একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ কারখানা কিনে নেন, যা চক্রবৃদ্ধিহারে বড় হতে থাকে। চোবানি ইয়োগার্ট নামের এই ব্র্যান্ড এখন কয়েক বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা। এত বিখ্যাত যে, যুক্তরাষ্ট্রে থাকাকালে এটা খুঁজে পেতে আমাকে একেবারেই বেগ পেতে হয়নি। এ থেকেই বোঝা যায় যে, পারিবারিক শক্তির কত গুরুত্ব। এই ঘটনায় যেমন ছিল দুধের ব্যবহার ও তা থেকে দই বানানোর বিদ্যে। দই-বিশেষজ্ঞ উলুকায়া কোনো সফটওয়্যার কোম্পানি চালু করার উদ্যোগ নেননি। তিনি যা জানতেন, তা-ই করেছেন শুধু।
আপনিও করতে পারেন একই কাজ। পারিবারিক সামর্থ্য যদি তেমন আহামরি কিছু না-ও হয়, তবুও তা থেকে তুলে আনা সম্ভব বিপুল সাফল্য।