📘 সম্পদ গড়ার কৌশল > 📄 গুপ্তধন

📄 গুপ্তধন


নেতৃত্বগুণ, যোগাযোগ দক্ষতা, টাকা-এগুলো সাফল্যের বিভিন্ন ধরন। এসব বিষয়ের ওপর অহরহ বই লিখা হচ্ছে। এ বইগুলো আপনাদের শেখাবে কীভাবে মুনাফা অর্জন করতে হয়, কীভাবে কীভাবে পুঁজিবাজার থেকে লাভবান হতে হয়, কিংবা যোগাযোগ বৃদ্ধি ও রক্ষা করার নিয়ম। এ সংক্রান্ত লেখার তাই কোনো অভাব নেই। কিন্তু ওইসব ক্ষেত্রে আধ্যাত্মিক তথা ইসলামী মূল্যবোধ কীভাবে রক্ষা করতে হয়, তা নিয়ে কোনো লেখালেখি একেবারেই হয়নি বলা চলে। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও উলামায়ে কিরাম অমূল্য জ্ঞানের যে ভাণ্ডার রেখে গেছেন, সেগুলোর পূর্ণ সদ্ব্যবহার করা হয়নি এখনও।

ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে কিছু বই আছে বটে। কিন্তু আজকের এই কর্পোরেট যুগে কীভাবে মুনাফা অর্জন করতে হয়, এই আলোচনা সেসকল বইয়ের আলোচ্য নয়।

পশ্চিমাদের কাজগুলোর দিকে তাকানো যাক। আধ্যাত্মিকতার ব্যাপার এলেই অনুমানভিত্তিক কথা বলে তারা। এখন এক নতুন যুগ। তাই এমন সব নতুন নতুন নতুন ধর্ম গজিয়ে উঠছে, যেগুলো ঈশ্বরের ধারণাটাকেই একপাশে সরিয়ে রাখে। সেটাকে প্রতিস্থাপিত করে 'প্রকৃতি' বা 'বিশ্বজগত' দিয়ে। প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু উপকারিতা হয়তো দেয় সেগুলো। কিন্তু আল্লাহর হিদায়াতকে অবজ্ঞা করা মানেই ভুল দরজায় কড়া নেড়ে চলার গল্প।

এজন্যই এ বইটি অনন্য। ইসলাম আমাদের উভয় জাহানের জীবনের প্রতি ন্যায়বিচার করে। আখিরাতকে লক্ষ্য বানান, সেই সাথে সফল হোন দুনিয়াতেও।

মনে রাখবেন, মক্কা ছিল ব্যবসায়ীদের নগরী। গোত্র হিসেবে কুরাইশরা ছিল ধনী। প্রচুর মুনাফা অর্জন করত তারা। নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিজেও ছিলেন এক সফল উদ্যোক্তা। তাই 'সাফল্য কী?' এবং 'কীভাবে তা অর্জন করতে হয়?'- এসব প্রশ্নের উত্তরের নিখুঁত আধ্যাত্মিক জবাব হলো ইসলাম। কোনোরকম পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই এ কথা আত্মবিশ্বাসের সাথে বলা যায়।

এজন্যই আমরা জানার চেষ্টা করছি যে, মুসলিম উদ্যোক্তারা কীভাবে সাফল্য অর্জন করছেন; জানতে চাচ্ছি তাদের চিন্তাপদ্ধতি।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00