📄 ৬. ড. ইয়াকুব মির্জা
"ড. ইয়াকুব মির্জাকে এরকমই আরেকজন মহান উদ্যোক্তা বলে মনে করি আমি। তিনি 'আমানাহ মিউচুয়াল ফান্ডস ইন নর্থ আমেরিকা'র পরিচালক। প্রথম যেদিন তার সাথে দেখা করি, সেদিন তার প্রশান্ত চেহারা আর কণ্ঠ আমাকে অবাক করে দেয়। তিন বিলিয়ন ডলার মূল্যমানের সম্পদ ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব তাঁর ঘাড়ে। এই দায়িত্বের বোঝা বয়েও এরকম প্রশান্তি ধরে রেখেছেন তিনি।"
তিনি স্টারলিং ম্যানেজমেন্ট গ্রুপের সিইও ও প্রেসিডেন্ট। একই সাথে তিনি আমানাহ মিউচুয়াল ফান্ড এর ট্রাস্টি বোর্ডের উপদেষ্টা। করাচি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি মাস্টার্স করেছেন, পদার্থবিদ্যায় পিএইচডি করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাস থেকে। 'ফাইভ পিলার্স অফ প্রসপারিটি— এসেনশিয়ালস অফ ফেইথ বেইসড ওয়েলথ বিল্ডিং' শিরোনামে একটি বইয়ের রচয়িতাও তিনি।
📄 ৭. ড. হানি
ড. হানি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম দাতব্য সংস্থা "ইসলামিক রিলিফে"র নেপথ্যের ব্যক্তি। তিনি মনে করেন, মানুষের জন্য খরচ করলে সম্পদ কমে না, বরং বাড়ে। তাঁর একটি বিখ্যাত উক্তি— "একটি গাছ কাটার আগে আরেকটি রোপণ করে নিন।"
📄 ৮. শাহজাদ সিদ্দিকি
"জনাব শাহযাদ সিদ্দিকির সাথে যখন প্রথমবার দেখা হয়, তার বয়স তখন ত্রিশের ঘরে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি লিংকনের জীবনী অধ্যয়ন করছিলেন এই সফল আইনজীবী। একাধিক ব্যবসায় মার খাওয়া ব্যক্তি থেকে রাষ্ট্রপতি হয়ে ওঠার পথে লিংকন কী কী মূলনীতি প্রয়োগ করেছেন, তা খুঁজে বের করার উদ্দেশ্যে বইটি পড়েন তিনি। শাহযাদ নিজেও ইসলামি অর্থনীতির ওপর তিনটি বইয়ের রচয়িতা।"
📄 ৯. মিসেস উম্মু এনডিয়াই
তিনি সেনেগাল-ভিত্তিক একটি সফটওয়্যার ডেভেলাপমেন্ট কোম্পানির মালিক। বিভিন্ন কাস্টমস কোম্পানি ও সরকারের জন্য সফটওয়্যার নির্মাণ করে কোম্পানিটি। জন্ম ও বেড়ে ওঠা সেনেগালেই। তারপর ফ্রান্সে গিয়ে পড়াশোনা করেন ফলিত গণিত বিষয়ের ওপর। দেশে ফিরে এসে শুরু করেন ব্যবসা। দেখলেন যে, তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা সকলে হয় ইউরোপের, আর নয়তো উত্তর আমেরিকার বাঘা বাঘা সব কোম্পানি। নিজেকে বললেন, “এরা যেই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছে, আমিও পড়েছি সেখানেই। কিন্তু আফ্রিকার প্রেক্ষাপট আমি ভালো জানি বিদেশী কোম্পানিগুলোর চেয়ে। আমার বিশ্বাস, আমি পারব।” দামে আর মানে প্রতিযোগীদের হারিয়ে নিজের প্রথম বড় চুক্তিটি বাগিয়ে নেন তিনি। বাকিটা ইতিহাস। আজ তিনি আফ্রিকার একাধিক দেশের সাথে ব্যবসায় নিয়োজিত। পরিকল্পনা করছেন ইউরোপ ও এশিয়ার মার্কেটেও হানা দেওয়ার।