📘 সময়ের মূল্য বুঝতেন যারা > 📄 হাদীছের জন্য তাঁর অস্থিরতা

📄 হাদীছের জন্য তাঁর অস্থিরতা


স্মৃতিশক্তির এত প্রখরতা সত্ত্বেও হাদীছের হেফাযত ও সংরক্ষণের জন্য ও পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তা অবিকৃতরূপে পৌঁছে দেয়ার জন্য তিনি অত্যন্ত সজাগ ও সতর্ক ছিলেন। তাই তাঁর শ্রুত হাদীছগুলোর অনুলিপি তাঁর কাছে পৌঁছতে দেরী হওয়ায় তিনি অস্থির হয়ে পড়েছিলেন এবং তা হাতে পাওয়া পর্যন্ত অস্থির-উদ্বিগ্ন ছিলেন। এ সম্পর্কিত একটি ঘটনা বর্ণনা করে তাঁর পুত্র হাফেজ আবু মুহাম্মাদ আল-কাসেম বলেন, আমার আব্বা এমন বহু হাদীছ, এমন অনেক কিতাব শুনেছেন যেগুলো তিনি নিজে লিখে রাখেননি এবং সেগুলোর কোন অনুলিপি সংগ্রহ করেন নি। সে ক্ষেত্রে তিনি তার সফরসঙ্গী আবু আলী ইবন ওযীরের অনুলিপির উপর নির্ভর করতেন। কারণ তাদের দু'জনের মাঝে এমন একটা সমঝোতা ছিল যে, যা ইবন ওযীর নকল করতেন সেগুলো আমার আব্বা করতেন না। আর যেগুলো আমার আব্বা নকল করতেন সেগুলো ইবন ওযীর করতেন না।
একবার আমি কোন এক চাঁদনী রাতে জামে মসজিদে বসে আব্বার কথা শুনতে পেলাম, তিনি তাঁর এক সাথীকে আফসোসের সাথে বলছেন, আমার অনেক সফর তো এমন, যেগুলো আমি করেও যেন করিনি। অনেক হাদীছ ও হাদীছের গ্রন্থ এমন, যেগুলো আমি শুনেও যেন শুনিনি। কেননা, সেগুলোর কোন অনুলিপি বা কপি আমার সংগ্রহে নেই। আমি ভেবেছিলাম, আমার সফরসঙ্গী ইবন ওযীর বুখারী, মুসলিম, বায়হাকী ইত্যাদি কিতাব ও বিভিন্ন কিতাবের অংশ বিশেষসহ আমার শ্রুত অন্যান্য হাদীছের অনুলিপি আমার কাছে নিয়ে আসবেন। কিন্তু আফসোস, ঘটনাক্রমে তিনি 'মারভে' বসবাস করতে লাগলেন এবং সেখানের স্থায়ী বাসিন্দা হয়ে গেলেন।
এরপর আমি অনেক আশা করছিলাম একজন নতুন সফরসঙ্গী যার নাম ইউসুফ বিন ফারওয়া আল-জিয়ানী এবং পুরোনো এক সফরসঙ্গী আবুল হাসান আল-মুরাদীর সাক্ষাত লাভের। কেননা, ইলম ও হাদীছ অর্জন ও সংরক্ষণে তার আগ্রহ ছিল প্রবল। একবার তিনি আমাকে বলেছিলেন, "আমি একবার দামেস্কে সফর করলাম। পরে নিজের দেশ আন্দালুসে ফিরে দেখলাম, এ এলাকার কেউ দামেস্কে সফর করে না। অথচ সেখানে যেমনি রয়েছে হাদীছের ব্যাপক চর্চা, তেমনি রয়েছে ইলমের বিশাল বিশাল ভাণ্ডার। তখন আমার মনে হলো, আবার আমাকে দামেস্কে সফর করতে হবে, অর্জন করতে হবে বড় বড় কিতাব এবং দামেস্কের মূল্যবান ও বিরল জ্ঞান।"
আব্বাজীর এমন আফসোস ও ব্যথিত মনের এসব কথা বলার কিছু দিন পরই তাঁর এক সাথী আমাদের এলাকায় এলেন। খবর পাওয়া মাত্র আব্বা ছুটে গেলেন তাঁর কাছে। তাঁকে আমাদের ঘরে নিয়ে এলেন। তিনি আমাদের কাছে তাঁর শ্রুত হাদীছের চার থলে ভর্তি কিতাব নিয়ে এলেন, আব্বা এতে অত্যন্ত প্রীত হলেন। কষ্ট-ক্লেশহীনভাবে আল্লাহ এ সম্পদ তাঁর হাতে এনে দিয়েছেন বলে তিনি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করলেন এবং তাঁর সে সাথীর সফরের পূর্ণ ব্যয়ভার নিজেই বহন করলেন এবং সেগুলো থেকে নিজের শ্রুত হাদীছগুলো অনুলিপি করতে শুরু করলেন। একেকটি খণ্ড যখন হাতে নিতেন, তিনি এতটাই আনন্দিত ও পুলকিত হতেন, এতই তৃপ্ত ও পরিতৃপ্ত হতেন, মনে হত যেন তিনি সারা দুনিয়ার রাজত্ব হাতে পেয়ে গেছেন। (এ পর্যন্তই হল তিনটি কিতাব থেকে উদ্ধৃত হাফেয ইবন আসাকির র. এর সংক্ষিপ্ত জীবনী।)

📘 সময়ের মূল্য বুঝতেন যারা > 📄 উপযুক্ত সময়ের প্রতি গুরুত্ব প্রদান

📄 উপযুক্ত সময়ের প্রতি গুরুত্ব প্রদান


প্রিয় পাঠক! এ জীবনীতে তুমি আশ্চর্যজনক ও বিস্ময়কর যা কিছু পেয়েছো, হতবুদ্ধিকর ও প্রায় অসম্ভব যে কর্মযজ্ঞের কথা জেনেছো, তার কিছুই সম্ভবপর হত না এবং কোন কিছুই ঘটত না যদি তিনি সময়ের সদ্ব্যবহার না করতেন, প্রতিটি ক্ষণ ও মুহূর্তের মূল্যায়ন না করতেন। না হতো এতো সব হাদীছের সংরক্ষণ, আর না হতো এমন বিশাল বিশাল গ্রন্থ সংকলন, যার বিশালতাই বলে দেয়- বর্তমান যুগের কোন ইলমী একাডেমীও তা ছাপতে হিমশিম খাবে, সংকলন তো অনেক দূরের কথা।
সুতরাং হে বন্ধু! সময়ের সদ্ব্যবহার কর, জীবনের প্রতিটি মুহূর্তের যথার্থ মূল্যায়ন কর। কেননা, এই সময়ই তো হল কল্যাণ ও প্রাচুর্যের উৎস। তুমি যত পার তা থেকে প্রাচুর্য অর্জন কর, যত পার কল্যাণ সংগ্রহ কর।
সময়ের সদ্ব্যবহার ও তার যথাযথ মূল্যায়নকারী মনীষীগণের খণ্ড জীবনীর আলোচনায় কিতাবটি এখানেই সমাপ্ত হতে পারতো। কিন্তু আমি চাচ্ছি এর পরিসমাপ্তি খানিকটা বিলম্বিত করতে; সময় সংরক্ষণের কিছু কার্যকর পথ ও পন্থার আলোচনার পরে।
সময় ব্যয়ের ক্ষেত্রে যেদিকে দৃষ্টি দেয়া বিশেষ প্রয়োজন তা হল, ইলমী কাজগুলোকে সেগুলোর গুরুত্ব ও মর্যাদা হিসেবে উপযোগী সময়ে আঞ্জাম দেয়ার চেষ্টা করা।
কিছু ইলমী কাজ রয়েছে যে কোন সময়ে, যে কোন পরিস্থিতিতে সেগুলো আদায় করা যায়। সেগুলোর জন্য খুব বেশী মনোযোগ ও সতর্কতার প্রয়োজন হয় না। যেমন, কোন কিছুর অনুলিপিকরণ, কিংবা সাধারণ মুতালা'আ ও অধ্যয়ন। এসব কাজে সজাগ মস্তিষ্ক, পূর্ণ সতর্কতা কিংবা সূক্ষ্ম ও গভীর চিন্তা-ভাবনার দরকার হয় না।
পক্ষান্তরে কিছু কাজ এমন রয়েছে, যেগুলো এমন সময় ছাড়া পূর্ণরূপে আঞ্জাম দেয়া যায় না, যখন মস্তিষ্ক সজাগ ও সক্রিয় থাকে, মেধা ও মেজায প্রফুল্ল থাকে, যখন মৃদুমন্দ সমীরণ প্রবাহিত হয় আর আসমান থেকে বরকত নাযিল হয়। যেমন, খুব ভোরে, রাতের শেষ প্রহরে, কিংবা সকালে ও রাতে যখন সময়ের নীরবতা ও স্থানের নির্জনতা একাকার হয়ে যায়। কোন কিছু মুখস্থ করার জন্য, কঠিন ও জটিল বিষয় বোঝার জন্য, সূক্ষ্ম ও জটিল সমস্যার সমাধানের জন্য কিংবা ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বা সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম ভুল ও বিকৃতির সংশোধনের জন্য এসকল সময়ের সদ্ব্যবহার করা প্রয়োজন।

📘 সময়ের মূল্য বুঝতেন যারা > 📄 উপযোগী স্থান নির্বাচন

📄 উপযোগী স্থান নির্বাচন


হাফেয খতীব বাগদাদী র. তাঁর الفقيه والمتفقه নামক গ্রন্থে হেফয (মুখস্থ) করার সর্বোত্তম সময় ও তার জন্য উপযোগী স্থানের ব্যাপারে আলোচনা করতঃ উল্লেখ করেন, "জেনে রাখ! কোন কিছু মুখস্থ ও আয়ত্ত করার কতক নির্ধারিত সময় ও নির্দিষ্ট স্থান রয়েছে। যারা কোন কিছু হিফয বা মুখস্থ করতে চায় এবং অল্প সময়ে বেশী কিছু আয়ত্ত করতে চায়, তাদের উচিৎ উল্লিখিত সময়গুলোকে সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করা এবং সে স্থানগুলোতে সর্বদা অবস্থানের চেষ্টা করা।
হেফযের উপযুক্ত সময়গুলো হল, রাতের শেষ প্রহর বা সাহরীর সময়। অতঃপর দিনের প্রথম ভাগ, তারপর দিনের অন্যান্য সময়। তবে দিনের চেয়ে রাত এবং পরিতৃপ্তির মুহূর্ত থেকে ক্ষুধার মুহূর্ত, হিফযের জন্য অধিক উপযোগী। তাই হেফযকারী বা হেফয প্রত্যাশীর জন্য ক্ষুধার সময়গুলোর খোঁজে থাকা এবং সে অবস্থাকে নিজের মাঝে ধরে রাখায় সচেষ্ট থাকা উচিৎ। তবে তা হতে হবে অবশ্যই বিবেক চালিত; আবেগ-তাড়িত নয়। এ কথাটুকু বলার কারণ হল, কোন কোন মানুষ যখন তীব্র ক্ষুধাক্রান্ত হয় এবং তার পাকস্থলী শূন্য হয়ে পড়ে তখন সে পড়ার শক্তি ও মুখস্থ করার সাহস হারিয়ে ফেলে। তখন কোনকিছু না হয় তার মুখস্থ, আর না পড়ায় তার মন বসে। সে সময় সামান্য কিছু খেয়ে শুধু ক্ষুধার যন্ত্রণা দূর করবে। তবে কিছুটা ক্ষুধা যেন বাকী থাকে। কিন্তু যদি ক্ষুধার জ্বালায় পেট পুরে খায় তবে তো তার কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত, প্রত্যাশিত সময় দীর্ঘক্ষণের জন্য হাতছাড়া হয়ে গেলে।
আর সবচে' উপযোগী স্থানগুলো হল, নিরিবিলি ও নির্জন স্থান। যেমন- উপরের তলার একক কোন কামরা বা কুঠুরি, লোকালয় দূরবর্তী কোন নির্জন স্থান, যে স্থানে মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটানোর কিছু নেই। যেখানে কলব সবরকম অন্যমনষ্কতা থেকে মুক্ত হবে। তাই বৃক্ষপূর্ণ সবুজ স্থানে বা নদীর পাড়ে ও পথের ধারে কোন কিছু মুখস্থ করার জন্য বসা অনুচিত। কারণ এসব স্থানগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রে নীরব ও নির্ঝঞ্ঝাট হয় না।৩১
তবে এক্ষেত্রে মুসলিম দার্শনিক আবু নছর আল ফারাবী র. এর ছিল ভিন্ন পথ ও ভিন্ন মত, ভিন্ন চিন্তা ও ভিন্ন দর্শন। আওইয়াতে ইবন খাল্লিকান এই মহান দার্শনিকের জীবনী আলোচনা করে বলেন যে, "তিনি ছিলেন আত্মসমাহিত মানুষ। জনতার মাঝেও তিনি নির্জনতা খুঁজে পেতেন। নিজে সাধারণত কারও সাথে তেমন একটা মিশতেন না, বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া আলাপচারিতায় লিপ্ত হতেন না। তাছাড়াও রচনা ও সংকলনের মত গুরুত্বপূর্ণ কাজেও তাঁর নির্জন স্থানের প্রয়োজন হতো না। দীর্ঘকাল দামেস্কে অবস্থানের সময় প্রবহমান পানির ঝরণার পাশে বা কোন বাগানে বসে কিতাব রচনা করতেন, অথচ মানুষ একের পর এক সেখানে যাওয়া-আসা করত।
পূর্ববর্তী মনীষীগণ ইলম অন্বেষণের জন্য নির্জন ও কোলাহলমুক্ত স্থান ও পরিবেশ নির্বাচন করতেন। কেননা নীরবতা ও নির্জনতা চিন্তায় স্বচ্ছতা আনয়ন করে। আর চিন্তা-ভাবনা যখন স্বচ্ছ হয় তখন ইলমের তলবে ও জ্ঞানের অন্বেষণে উপলব্ধি ও বোধশক্তি সঠিক হয় এবং দৃষ্টিশক্তি ও পর্যবেক্ষণ একাগ্র হয়।

টিকাঃ
৩১. তেমনিভাবে বর্তমানে পার্ক বা মনোমুগ্ধকর দর্শনীয় স্থান। এসব স্থানগুলো যদিও সাহিত্যচর্চার জন্য উপযোগী কিন্তু হিফযের জন্য অনুপযোগী।

📘 সময়ের মূল্য বুঝতেন যারা > 📄 শ্রেষ্ঠ ও উৎকৃষ্টের জন্যই নিয়োজিত হও

📄 শ্রেষ্ঠ ও উৎকৃষ্টের জন্যই নিয়োজিত হও


আর পূর্বসূরীদের জ্ঞান অর্জন সর্বদা বুদ্ধি ও বিবেকের পরিমাপে নির্ণীত হতো। আর তা এমনই সূক্ষ্ম বিষয় যে, সামান্য একটু উদাসীনতা ও অন্যমনষ্কতায় তা প্রভাবিত ও বিকৃত হয়ে যায়। তখন তো তাদের ইস্তেকামাত ও অবিচলতা এবং একাগ্রতা ও নিষ্ঠা বজায় থাকবে না। তাই তাঁরা সূক্ষ্ম-জটিল বিষয়াদির ক্ষেত্রে সময় ও স্থানের প্রতি বিশেষভাবে দৃষ্টি দিতেন। যেন তাঁদের চিন্তা ও ভাবনা এবং বুঝ ও বোধ পূর্ণ ও যথার্থ হয় আর সিদ্ধান্ত গ্রহণ সঠিক হয়।
ইমাম, মুহাদ্দিস, ফকীহ ও আদীব আবু সুলায়মান হামদ বিন মুহাম্মাদ আল-খাত্তাবী র. (৩১৯-৩৮৮) ছন্দে ছন্দে বলেন-
إذا ما خلوت صفا ذهنى وعارضني خواطر كطراز البرق في الظلم وإن توالى صياح الناعقين على أذنى عَرتْني منه حُكلة العجم
অর্থ: যখন আমি নির্জনে থাকি/অন্ধকারে বিদ্যুৎ চমকের মত বহু ভাবনা আমার মনন জগতকে আলোকিত করে/পক্ষান্তরে যদি শোরগোল, হৈ চৈ ক্রমাগত কানে আসতেই থাকে/তবে যেন নির্বাকতা ও চিন্তার বন্ধ্যাত্ব আমাকে পেয়ে বসে।
এমন কিছু ইলম ও জ্ঞান রয়েছে যেগুলোর উপকারিতা ও নির্ভরতা এবং গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা খুব অল্প। সেগুলোর অর্জনে হয়তো জ্ঞান-জগতে পূর্ণতা আসে, সমৃদ্ধি ঘটে, তবে অর্জন না করলে লোকসান বা ঘাটতি হয় না কিংবা কমতি রয়ে যায় না। এ জাতীয় বিষয়ে দীর্ঘ সময় ব্যয় না করা এবং মেধা ও মস্তিষ্ককে বেশী ব্যস্ত না করা উচিৎ। কেননা অশ্রেষ্ঠ ও নিকৃষ্টে মগ্নতা তো উৎকৃষ্ট ও অত্যুৎকৃৃষ্টে পৌঁছার পথে বাধা ও প্রতিবন্ধক বৈ কিছু নয়। তা ছাড়া এতে সময়ও নষ্ট হয় এবং শারীরিক উদ্যম ও মানসিক আগ্রহও স্তিমিত হয়ে যায়। ফলে মানুষ কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে, শ্রেষ্ঠ ও উৎকৃষ্টে পৌঁছতে অক্ষম হয়ে পড়ে। এদিকে ইঙ্গিত করেই আরব কবি ছালেহ বিন আবদুল কুদ্দুছ র. বলেছেন-
و إذا طلبت العلم فاعلم أنه حمل فأبصر أي شئ تحمل وإذا علمت بأنه متفاضل فاشغل فؤادك بالذي هو أفضل
অর্থ: জ্ঞান যদি অন্বেষণ করতে চাও তবে জেনে রাখ, তা কিন্তু একটি বোঝা/সুতরাং ভেবে দেখ, কিসের বোঝা তুমি বহন করছ।/আর যখন তুমি বুঝতে পারছ তার মাঝে মর্যাদায় তারতম্য রয়েছে/তখন তোমার উচিৎ সর্বোৎकृष्टের জন্যই তোমার কলবকে মশগুল করা।
সুতরাং প্রতিটি মানুষের এবং প্রত্যেক জ্ঞানীর উচিৎ তার মন ও মস্তিষ্ককে, মেধা, মনন ও চিন্তা-ভাবনাকে এবং মূল্যবান সম্পদ সময়কে শ্রেষ্ঠতর কর্ম এবং উৎকৃষ্টতর উপার্জনে ব্যয় করা। তাহলেই সে পেতে পারে শ্রেষ্ঠত্বের সন্ধান।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00