📘 সময়ের মূল্য বুঝতেন যারা > 📄 সময়ের সাথে মানুষের অবহেলার আচরণ

📄 সময়ের সাথে মানুষের অবহেলার আচরণ


(ইবনুল জাওযী র. আরও বলেন) আমি তো দেখি, প্রায় সকল মানুষই সময়ের সাথে বড় অবহেলার আচরণ করে, ঘোর উন্মাদনার সাথে এর অপচয় করে। যখন রাত বড় থাকে তখন তা কাটায় বেহুদা কথা-বার্তা ও আলাপ-আড্ডায় কিংবা প্রেম-প্রণয় বা গল্প গুজবের বই পড়ে। আর যখন দিন বড় থাকে তখন রাতটা তো ঘুমেই কাটিয়ে দেয়। আর দিনের এক বৃহৎ অংশ তারা দজলার পাড়ে বিনোদনে বা হাট-বাজারে অনর্থক কাটিয়ে দেয়। তাদের অবস্থাতো অকূল দরিয়ায় ভাসমান আরোহীদের মত, যারা বসে আড্ডায় মত্ত, তাদের না আছে গন্তব্যের চিন্তা আর না আছে পাথেয়ের ভাবনা।
জীবনকে মূল্যায়ন করে, অস্তিত্বকে উপলব্ধি করে এবং শেষ সফরের জন্য পাথেয় সংগ্রহ করে প্রস্তুত থাকে, এমন মানুষের সংখ্যা আজ অতি অল্প, প্রায় দুষ্প্রাপ্য।
আল্লাহর ওয়াস্তে তোমরা সময়ের পরিচয় অর্জন ও উপলব্ধি কর। হাতছাড়া হওয়ার আগে তার যথার্থ মূল্যায়ন কর। এ থেকে সর্বোচ্চ উপকার লাভের চেষ্টা কর। আমি তো বলতে চাই যে, তোমরা এর সদ্ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমে পড়। আর আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা কর, ইনশাআল্লাহ সফলতা আসবেই।

📘 সময়ের মূল্য বুঝতেন যারা > 📄 খেদমত ও সাক্ষাতের নামে সময়ের অপচয়

📄 খেদমত ও সাক্ষাতের নামে সময়ের অপচয়


তিনি (ইবনুল জাওযী র.) বলেন, প্রায়ই আমি অনেক মানুষকে দেখি, অধিক মানুষের সাক্ষাত লাভের আশায় তারা দিন-রাত আমার সাথে ছোটাছুটি করে। আর একে তারা নাম দিয়েছে 'খেদমত'। কত দীর্ঘ সময় তারা অলস বসে থাকে! কত মানুষের কত রকম কথা তারা বলে! এমনকি কখনো গীবত ও পরচর্চায়ও লিপ্ত হয়ে পড়ে।
কখনো এমনও দেখা যায় যে, লোকজন যার সাক্ষাতপ্রার্থী তিনিও এটা কামনা করেন এবং এতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। আর নীরবতা ও একাকিত্বকে অপছন্দ করেন, এতে অস্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। বিশেষ করে বিভিন্ন উৎসব বা ঈদের দিনগুলোতে, তখন তো তারা একে অপরের সাক্ষাতে যায়, একত্রে ঘুরতে বের হয়, এটাও যদি সালাম ও মোবারকবাদ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকত তবে কথা ছিল, বরং তারা এতে বহু সময় নষ্ট করে, নির্দয়ের মত সময়ের অপচয় করে। হে আল্লাহ! এই অকর্মণ্য ও বেকার মানুষগুলো থেকে আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আল্লাহ তা'আলা যেহেতু আমাকে এই বুঝ ও উপলব্ধি দান করেছেন যে, পৃথিবীতে সময় হল সবচেয়ে' গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান সম্পদ এবং তাকে কল্যাণ কাজেই ব্যবহার করা আবশ্যক, তাই তাদের এ সমস্ত কার্যকলাপকে আমি অপছন্দ করি।
তবে তাদের সাথে আমার আচরণ হয় মধ্যপন্থী। কেননা, যদি তাদেরকে একেবারে প্রত্যাখ্যান করি তবে সেটা তো আত্মীয়তা সম্পর্ক ছিন্ন করা বা পরিচিতদেরকে দূরে ঠেলে দেয়ার নামান্তর হবে। আর তাদের এসব মেনে নিলে অমূল্য সময়-সম্পদ নষ্ট হবে। তাই আমি যথাসম্ভব দেখা-সাক্ষাতকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি। যখন একান্তই বাধ্য হই, কথাকে খুবই সংক্ষিপ্ত করি যেন তাড়াতাড়ি এ পর্ব শেষ হয়ে যায়। অথবা এমন কিছু কাজ সবসময় প্রস্তুত রাখি যা করলেও সাক্ষাতকালে কথাবার্তায় কোন ব্যাঘাত ঘটে না। যেমন: কাগজ কাটা, কলম ঠিক করা, খাতা-পত্র বেঁধে রাখা; এগুলো তো আমাকে করতেই হয়, তবে চিন্তা-ভাবনা বা 'হুযুরে কালবে'র দরকার হয় না। ফলে সাক্ষাতেও আমার সময় নষ্ট হয় না, বেকার কাটে না।
সঠিক বুঝ তো শুধু ভাগ্যবানরাই লাভ করেন
দুনিয়াতে এমন মানুষ অনেক রয়েছে যারা প্রকৃতপক্ষে জীবনের অর্থই বোঝে না। এমন বহু লোককে আমি দেখেছি, যাদেরকে আল্লাহ তা'আলা অঢেল ধন-সম্পদের প্রাচুর্য দ্বারা কামাই-রোযগার থেকে বে-নিয়ায করেছেন। তার পরও তারা সারাদিন বাজারে অলস বসে থাকে, লোকদের দিকে তাকিয়ে থাকে, আর তাদের চারপাশে ঘটমান বিভিন্ন আপদ-বিপদ বা গর্হিত ও নিকৃষ্ট কাজ-কর্মের দর্শক হয়ে বসে থাকে।
তাদের কেউ কেউ তো দাবা-পাশা ইত্যাদি খেলায় ডুবে থাকে। কেউ তো গল্পগুজব ও আড্ডাবাজিতে দিন কাটায়; হয়ত রাজা বাদশাহদের অলীক ঘটনা বলবে কিংবা কোন মিথ্যা রটনা রটাবে অথবা জিনিসপত্রের মূল্য হ্রাস-বৃদ্ধির অনর্থক বর্ণনা দেবে। আমার তখন বুঝে আসে, জীবনের মর্যাদার অনুভূতি এবং সময়ের গুরুত্ব উপলব্ধি অনেক বড় নি'আমাত, এ নি'আমাত সবাই প্রাপ্ত হয় না। শুধু আল্লাহ যাদেরকে তাওফীক দেন, আর বুঝ ও উপলব্ধি দান করেন তারাই পায়।
আমরা শুধু আল্লাহর কাছে চাইতে পারি, আল্লাহ যেন আমাদেরকে الذين أنعمت عليهم এর দলে শামিল করেন এবং তাদের পথে পরিচালিত করেন। আমীন।
(وما يُلقاها إلا ذو حظ عظيم)


টিকাঃ
২৬ আর এটাই স্বাভাবিক যে, অলস সময় যারা কাটায় এবং অযথা আলাপ চারিতায় লিপ্ত থাকে তারা এক সময় প্রতারণা ও পরনিন্দায় লিপ্ত হয়েই পড়ে।

📘 সময়ের মূল্য বুঝতেন যারা > 📄 সময়ের হেফাযতে কৃত্রিমতা বর্জন

📄 সময়ের হেফাযতে কৃত্রিমতা বর্জন


নিজের কথা গুণে রাখতেন যিনি
সালফে সালেহীন, তথা নেককার পূর্বসূরীগণ তো সময়ের ব্যাপারে সদা-সতর্ক থাকতেন, সময়ের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহারে সচেষ্ট থাকতেন। আর সজাগ থাকতেন, যেন একটি মুহূর্তও নষ্ট না হয়।
ফুযায়ল ইবন ইয়ায বলেন, আমি তো এমন ব্যক্তি সম্পর্কেও জানি, যিনি সময় বাঁচানোর তাগাদায় এক জুম'আ থেকে পরের জুম'আ পর্যন্ত নিজের কথাগুলো গুণে রাখতেন। (হয়তবা পরবর্তী সপ্তাহে কথার পরিমাণ কমানোর জন্য এবং আমল ও কাজের পরিমাণ বাড়ানোর জন্যই এই হিসাব। বাকী আল্লাহ ভাল জানেন। - অনুবাদক)
সময়ের হেফাযতের জন্য পূর্ববর্তীগণ লৌকিকতা ও কৃত্রিমতা থেকে দূরে থাকতেন। তাদের জীবনীতে এমন বহু ঘটনার উল্লেখ রয়েছে।
এক বুযুর্গের দরবারে কিছু লোক এল তাঁর সাক্ষাত প্রত্যাশায়। (কৃত্রিমতার আশ্রয় নিয়ে) তারা বলল, আমরা বোধহয় হযরতের কাজে ব্যাঘাত ঘটালাম। তখন তিনি (নিঃসংকোচে) বললেন, সত্য বলতে কি, আমি একটি কিতাব মুতালা'আ করছিলাম, তোমাদের জন্য তা রেখে উঠে আসতে হল।
*****
এক বুযুর্গ 'সারীসাক্তী' এর কাছে এলেন। দেখতে পেলেন একদল লোক তার কাছে বসে আছে। তখন তিনি বললেন, তুমি তো অলস ও অকর্মণ্যদের আড্ডার স্থল হয়ে গেছো। একথা বলে তিনি সেখান থেকে চলে গেলেন।
মানুষ যার সাক্ষাতপ্রার্থী হয় তিনি যদি নরম মনের হন এবং কিছুটা শিথিলতা প্রদর্শন করেন তবে সেই সাক্ষাতপ্রার্থী আরও আগ্রহী হয়ে ওঠে। বলা যায়, জেঁকে বসে। দীর্ঘ সময় ধরে তার কাছে পড়ে থাকে। তখন তো সাক্ষাত প্রার্থিত ব্যক্তি কোন না কোন অসুবিধার শিকার হনই। মারূফ কারখী র.-এর দরবারে একদল লোক এসে দীর্ঘক্ষণ ধরে বসে রইল। অবশেষে তিনি (বিরক্ত হয়ে) বলেই ফেললেন, 'আল্লাহ তো সূর্যের গতিকে থামিয়ে দেননি; তাহলে তোমরা কখন উঠতে চাও?'

📘 সময়ের মূল্য বুঝতেন যারা > 📄 পূর্বসূরীদের জীবনী ও গ্রন্থভাণ্ডার অধ্যয়ন

📄 পূর্বসূরীদের জীবনী ও গ্রন্থভাণ্ডার অধ্যয়ন


কোন কোন মনীষী তাঁর শাগরিদদেরকে উপদেশ দিয়ে বলতেন, তোমরা যখন দরস থেকে বের হবে তখন একাকী বাড়ী অভিমুখে চলবে। কেননা, একাকী হলে হয়ত তোমাদের কেউ তেলাওয়াত করতে করতে বাড়ী যাবে আবার কেউ ভাল কোন ভাবনায় সময়টা পার করবে। কিন্তু একত্রে থাকলে কথাবার্তা বলতে বলতেই সময়টা চলে যাবে।
প্রিয় পাঠক! এসব ঘটনা থেকে শিক্ষা গ্রহণ কর। একটু সজাগ হও, সতর্ক হও। বুঝতে চেষ্টা কর, সময় কিন্তু হেলায় কাটানোর মত বা অপচয় করে নষ্ট করার মত স্বল্পমূল্যের কোন বস্তু নয়। সময় হল অমূল্য রত্ন। পৃথিবীর কোন কিছুই তার বিনিময় হতে পারে না।
একটি সহীহ হাদীছে আছে; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-
من قال سبحان الله العظيم وبحمده، غُرِسَتْ لَهُ بها نخلة في الجنة
অর্থ: যে (একবার) বলবে, "সুবহানাল্লাহিল আযীম ওয়া বিহামদিহি” তার জন্য জান্নাতে একটি খেজুর গাছ রোপণ করা হবে।২৭
তাহলে একটু ভেবে দেখ, প্রতিদিন কত সময় আমরা নষ্ট করছি। কত বিশাল ছাওয়াব আমাদের হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে।
মূলত জীবনের দিনগুলো তো হল চাষ ক্ষেত্র। সুতরাং কোন জ্ঞানী লোকের জন্য কি এ সময়ে বীজ বপন না করে, তার প্রতি সজাগ ও সযত্ন না হয়ে অলস বসে থাকা উচিৎ?
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এমন কিছু কাজ রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে আমরা সহজেই সময়ের হেফাযত ও মূল্যায়ন করতে পারি। যেমন, যথা সম্ভব একাকী ও নিঃসঙ্গ থাকা। (মানুষের সাথে) সাক্ষাতকালে শুধু সালাম ও গুরুত্বপূর্ণ কথার মধ্যেই সাক্ষাতকে সংক্ষিপ্ত করা, আর কম খাদ্য গ্রহণ করা। কেননা, আহার বেশী হলে ঘুমও বেশী হবে! অলসতাও বাড়বে। ফলে রাত দিন কর্মহীনতায় কেটে যাবে।
আমাদের পূর্বসূরীদের সবর ও হিম্মত এবং ধৈর্য ও সংকল্প ছিল অনেক উচ্চস্তরের। এর সর্বোৎকৃষ্ট প্রমাণ হল- তাঁদের সুবিশাল রচনা সম্ভার। যেগুলো তাঁদের জীবনকালে অর্জিত জ্ঞান ভাণ্ডারের সারনির্যাস। তাঁদের একেকজন এত অধিক পরিমাণে লিখেছেন এবং এমন ব্যাপ্ত গ্রন্থভাণ্ডার গড়ে তুলেছেন, যা পর্বতসম মনোবল ও সমুদ্রসম অধ্যয়ন ব্যতীত কোনভাবেই সম্ভব নয়।
তবে আফসোসের বিষয় হল, তাদের সেই বিপুল গ্রন্থসম্ভার, সমৃদ্ধ জীবন ও সুব্যপ্ত জ্ঞানের নির্যাস আজ প্রায় বিলুপ্তির পথে। বলা যায়, অধিকাংশই বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এর মূল কারণ হল, বর্তমান ছাত্রদের প্রত্যয় ও মনোবলের অবস্থা।২৮ যা আজ শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। আজ তারা সংক্ষিপ্ত থেকে সংক্ষিপ্ততম কিতাবের প্রতি আগ্রহী। কত স্বল্প ও সীমিত অধ্যয়নে মূল বিষয়ে একটু জ্ঞান লাভ করতে পারে সে চিন্তায় ব্যস্ত। এতেই তারা ক্লান্ত হয়ে পড়ে। সুদীর্ঘ গ্রন্থগুলি অধ্যয়নের সাহস করা তো বহু দূরের কথা।
তাদের অধঃপতন এটুকু হলেও না হয় কোন রকম মেনে নেয়া যেত। কিন্তু এখন তারা সেই মুখতাছার ও সংক্ষিপ্ত গ্রন্থগুলোরও অংশ বিশেষ পড়ে; সম্পূর্ণ নয়। নির্দিষ্ট কয়েকটি অধ্যায় পড়ে মাত্র, কিংবা তারও অংশ বিশেষ। যার ফল এই দাঁড়িয়েছে যে, যুগের পর যুগ ছাত্রদের অবস্থানুপাতে কিতাব সংক্ষিপ্ত থেকে সংক্ষিপ্ততর হয়ে চলেছে। ফলে পূর্বসূরীদের সেই সব গ্রন্থভাণ্ডার আজ বিলুপ্ত প্রায়। যৎসামান্য আছে তা-ও কোন সংরক্ষিত গ্রন্থশালার কাচের বেষ্টনিতে দর্শনীয় বস্তু হয়ে।
এখন যদি কোন তালিবে ইলম নিজের ইলমী উন্নতি ও অগ্রগতি কামনা করে এবং উৎকর্ষ অর্জন করতে চায় তবে তার কাজ হবে, পূর্ববর্তী মনীষীগণের সেই গ্রন্থসম্ভার অন্বেষণ করা, বিরল ও বিলুপ্ত প্রায় কিতাবগুলো খুঁজে বের করা এবং অধিক থেকে অধিকতর অধ্যয়নে মগ্ন ও নিমগ্ন থাকা। তখনই সে মনীষীগণের জ্ঞানের গভীরতা ও মনোবলের উচ্চতা উপলব্ধি করতে পারবে, যা তার চিন্তা-চেতনাকে শাণিত করবে, হৃদয় ও আত্মাকে আন্দোলিত করবে এবং এপথের মেহনত ও মুজাহাদায় এবং চেষ্টা ও সাধনায় তাকে উদ্বুদ্ধ করবে।
বর্তমানে আমরা যাদের দেখি এবং যাদের সাথে চলাফেরা করি তাদের আচরণ ও উচ্চারণ এবং জীবন বৃত্তান্ত থেকে আমি নিজেও আল্লাহর আশ্রয় চাই। তাদের মাঝে না আছে দৃঢ় সংকল্প ও উচ্চ মনোবল, যার অনুসরণে তালেবে ইলমগণ ফায়দা হাসিল করতে পারে। আর না আছে তাকওয়া ও পরহেযগারী, যা থেকে দুনিয়া-বিমুখ আবেদ উপকৃত হতে পারে।
তাই আল্লাহর দোহাই দিয়ে বলছি, তোমরা পূর্ববর্তী মনীষীগণের জীবনী পাঠ কর, তাঁদের গ্রন্থগুলো অধ্যয়ন কর। কেননা, তাঁদের কিতাবগুলো অধিক হারে অধ্যয়ন করা তাঁদেরকে দেখারই নামান্তর। তাইতো কবি বলেন,
فاتني أن أرى الديار بطرفي فلعلى أرى الديار بسمعى
সেসব গৃহনিবাস আমার চোখে দেখা হয়নি, হয়তোবা শ্রবণ দ্বারাই আমি তার দর্শন পাব।২৯

টিকাঃ
২৭ জামে' তিরমিযী; ৫:১১৫
২৮ যা মূলত তলব বা অন্বেষার দুর্বলতারই নামান্তর।
২৯ অর্থাৎ, তাদের বাড়ী-ঘরের বর্ণনা শোনার দ্বারা কল্পনায় হলেও তা আমার দেখা হয়ে যাবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00