📄 ‘ওয়াফায়াতুল আ‘ইয়ান’ থেকে
ঐতিহাসিক কাযী ইবন খাল্লিকান র. আলায়ান গ্রন্থে ইবন আসাকির৩৪ র. এর জীবনী আলোচনা করতঃ উল্লেখ করেন- "তিনি ছিলেন অনন্য সাধারণ হাদীছ শাস্ত্রবিদ এবং নেতৃস্থানীয় শাফেয়ী ফকীহ। তাঁর যুগে তাকে মুহাদ্দিসুশ শাম (অর্থাৎ, শামের শ্রেষ্ঠ হাদীছবিদ) বলা হত। হাদীছ ও ফিক্হ উভয় শাস্ত্রে তাঁর দক্ষতা ও পারদর্শিতা থাকলেও হাদীছেই তিনি মেহনত মোজাহাদা বেশী করেছেন এবং এর মাধ্যমেই প্রসিদ্ধি লাভ করেছেন।
হাদীছের অন্বেষণে ও সংরক্ষণে অসাধারণ মেহনত-মোজাহাদা করেছেন। ফলে এই পরিমাণ হাদীছ তিনি জমা করেছেন, যার তাওফীক তাঁর যুগে আর কেউ পায়নি। এজন্য তিনি বহু এলাকায়, বহু শহরে, এমনকি বহু দেশে সফর করেছেন এবং বহু শায়খের দরবারে উপস্থিত হয়েছেন।
তিনি ছিলেন হাফেয আবু সা'দ আবদুল কারিম ইবন সামআ'নী র. এর রফিকে-সফর বা ভ্রমণসঙ্গী। হাদীছের সন্ধানে দেশের পর দেশ তাঁরা একত্রে সফর করেছেন। এক বর্ণনায় আছে, দারুল ইসলাম তথা ইসলামী সাম্রাজ্যের পরিধিতে যে সকল শায়খের সাথে সামআ'নী র. সাক্ষাত করেছেন, তাদের সংখ্যা প্রায় সাত হাজার।
ইবন আছাকির র. ছিলেন প্রখর স্মৃতিশক্তির অধিকারী এবং অত্যন্ত ধর্মভীরু। একাধিক সনদে লক্ষাধিক হাদীছ তিনি হাসিল করেছেন, যার প্রায় সবই ছিল তাঁর মুখস্থ। হাদীছ সংগ্রহে তিনি বহু দূর-দূরান্তে তথা, বাগদাদ, দামেস্ক, খুরাসান, নিশাপুর, হিরাত, ইস্পাহান, জিবাল ইত্যাদি অঞ্চলে সফর করেছেন।
হাদীছ শাস্ত্রে তিনি একাধিক মূল্যবান গ্রন্থ সংকলন করেছেন এবং এর উপর চমৎকার সব আলোচনা করেছেন। এছাড়া তিনি অন্যান্য বিষয়েও একাধিক গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হল التاريخ لدمشق যা তিনি খতীব বাগদাদীর تاريخ بغداد এর রীতিতে লিখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তা পরিণত হয়েছে বিশাল কলেবরের, বহু খণ্ডের এবং বহু উপকারী ও নতুন বিষয়ের সম্মেলন। তা ছিল প্রায় আশি খণ্ডের।
আমার উস্তায হাফেয আল্লামা যাকীযূদ্দীন আবু মুহাম্মাদ আবদুল আযীম মুনযিরী র. এই ইতিহাস গ্রন্থটি সম্পর্কে আলোচনা কালে তার একটি খণ্ড বের করে আমাকে দেখান এবং এর সম্পর্কে দীর্ঘ আলোচনা ও প্রশংসা করেন। এক পর্যায়ে তিনি বলেন, কিতাবটির আকৃতি ও প্রকৃতি দেখলে মনে হয় লেখক যেদিন বুঝতে শিখেছেন সেদিন থেকে তা রচনায় মশগুল হয়েছেন। নতুবা দরস-তাদরীসের দায়িত্ব আঞ্জাম দেওয়ার পর এবং প্রসিদ্ধি ও খ্যাতি অর্জনের পর এক জীবনে এত বড় কাজ আঞ্জাম দেয়া তো অসম্ভব প্রায়।
আর আমার মনে হয় তিনি এ মন্তব্যে অসত্য কিছু বলেন নি, এবং কোন অতিশায়নও করেন নি। এই কিতাব কিংবা এর লেখক সম্পর্কে যার সামান্যতমও অবগতি আছে, সে ব্যক্তি নির্দ্বিধায় এ কথার সত্যতা স্বীকার করে নেবে এবং অনুধাবন করবে, কখন ও কীভাবে সময় মানুষের জন্য বিস্তৃত ও প্রসারিত হয়ে যায় এবং জীবনের বহু ব্যস্ততার মাঝেও এমন সুবিশাল গ্রন্থ রচনার সুযোগ করে দেয়। তাও আবার এক ধাপেই নয়; কয়েক দফা বিশাল খসড়া পাণ্ডুলিপি যা একত্রকরণ ও বিন্যস্তকরণ প্রায় অসম্ভব পর্যায়ে ছিল- তা তৈরি ও সম্পাদনার পর।
এছাড়াও তাঁর আরও অনেক গ্রন্থ ও বহুখণ্ডের কিতাব রয়েছে, (উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, تاريخ مدينة دمشق এর কথা। যা প্রায় আশি খণ্ডের)। কেউ কেউ তাঁর গ্রন্থ সংখ্যা "পঞ্চাশ" উল্লেখ করেছেন।
টিকাঃ
৩৪ তথা ইবন আসাকীর।
📄 ‘তাযকিরাতুল হুফফায’ থেকে
দ্বিতীয় কিতাবটি হল, হাফেয যাহাবী র. এর تذكرة الحفاظ তাতে ইবন আসাকির র. এর জীবনী আলোচনা করতঃ উল্লেখ করা হয়েছে, “প্রখ্যাত হাফেয, শামের মুহাদ্দিছ, ইমামকুলের গৌরব, التاريخ الكبير সহ আরও বহু গ্রন্থ প্রণেতা আবুল কাসেম ইবন আসাকির ر., যিনি ৪৯৯ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৫০৫ হিজরীতে মাত্র ছয় বছর বয়সে তিনি তাঁর পিতা ও ভাই যিয়াউদ্দীন হিবাতুল্লার তত্ত্বাবধানে হাদীছ শ্রবণ ও সংগ্রহ শুরু করেন। বিশ বছর বয়সে হাদীছ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে সফর শুরু করেন এবং বহু দেশের বহু শায়খ থেকে হাদীছ সংগ্রহ করেন। তাঁর উস্তায সংখ্যা অর্থাৎ যাদের থেকে তিনি হাদীছ অর্জন করেছেন তাদের মাঝে রয়েছেন তেরশত পুরুষ এবং আশির কিছু বেশী নারী। الأربعين البلدانية নামে তিনি একটি গ্রন্থ সংকলন করেন যাতে তিনি এমন চল্লিশটি হাদীছ উল্লেখ করেন, যা তিনি ভিন্ন ভিন্ন শহর ও অঞ্চলের চল্লিশজন শায়খ থেকে অর্জন করেছেন।
তিনি যেমন বহুসংখ্যক শায়খ থেকে হাদীছ সংগ্রহ করেছেন তেমনি তাঁর থেকেও বহুসংখ্যক ব্যক্তি হাদীছ শ্রবণ ও অর্জন করেছেন। এমনকি তাঁর সফর সঙ্গী আবু সা'দ সামআনীও এদের অন্তর্ভুক্ত।
এরপর হাফেয যাহাবী ر. তাঁর (ইবন আসাকিরের) সংকলন সংখ্যা উল্লেখ করতে গিয়ে লিখেন, তা পঞ্চাশের কম নয়। তা ছাড়াও ইলমের বিভিন্ন অধ্যায়ে তিনি প্রায় চারশ' আশিটি মজলিসের শ্রুতলিপি লিখিয়েছেন। আর এর প্রত্যেকটিই একেকটি কিতাবতুল্য।
তাঁর ছাহেবজাদা মুহাদ্দিছ বাহাউদ্দীন কাসেম বলেন, আব্বাজান (রাহিমাহুল্লাহু তা'আলা) ছিলেন জামাত ও তেলাওয়াতের পূর্ণ পাবন্দ। স্বাভাবিকভাবে তিনি প্রতি শুক্রবারে কোরআন খতম করতেন। আর রমযানে প্রতিদিনই এক খতম হতো। গোটা রমযান দামেস্কের জামে মসজিদের পূর্ব মিনারে ই'তিকাফ করতেন। শবে বরাত ও দুই ঈদের রাত তিনি দুআ, নামায ও যিকির-আযকারে অতিবাহিত করতেন। আর সবসময়ই প্রতিটি মুহূর্তের ব্যাপারে নিজেকে আত্মজিজ্ঞাসার সম্মুখীন করতেন। চল্লিশ বছর পর্যন্ত অর্থাৎ যতদিন না শায়খগণ থেকে তিনি হাদীছ রেওয়ায়াতের অনুমতি পেয়েছেন ততদিন পর্যন্ত হাদীছ সংগ্রহ ও শ্রবণে তাঁর সময় অতিবাহিত করেছেন, অন্য কোন কাজে মশগুল হননি। হোক তা সাধারণ দিন বা উৎসব-আয়োজনের দিন। কিংবা কোলাহলের দিন বা নির্জনতার দিন।
আবুল আলা হামাদানী ر. বলেন, আবুল কাসেম ইবন আসাকিরের মেধার তীক্ষ্ণতা ও স্মৃতিশক্তির প্রখরতার কারণে তাকে (شعلة النار) অগ্নিশিখা উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল।
আবুল মাওয়াহিব বিন সাম্রা বলেন, আমি একদিন তাঁকে (ইবন আসাকির ر. কে) বললাম, মেধা-যোগ্যতা ও মেহনত-মোজাহাদায় হযরত কি নিজের কোন দৃষ্টান্ত খুঁজে পান? তিনি বললেন, এভাবে বলো না; আল্লাহ তাআলা বলেছেন, لا تزكوا انفسكم (অর্থ: তোমরা আত্মপ্রশংসা করো না।) আমি বললাম, আল্লাহ তা'আলা তো এও বলেছেন- وأما بنعمة ربك فحدث (অর্থ: তুমি তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহের বর্ণনা কর)। তখন তিনি আত্মগর্ব পরিহার করতে নামপুরুষের ভাষ্যে বললেন, "কেউ যদি একথা বলে যে, আমার এই দু'চোখ তাঁর মত কোন ব্যক্তি দেখেনি তবে-সে সত্যই বলবে।
এরপর আবুল মাওয়াহেব বলেন, অন্তত আমি একথা দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি যে, তাঁর মত এত গুণের আধার-আমি আর কাউকে দেখিনি। এত বৈশিষ্ট্যের সমাহার আমি আর কারো মাঝে পাইনি। তিনি একাধারে চল্লিশ বছর পর্যন্ত একই ধারায়, একই পন্থায় জীবন কাটিয়েছেন- প্রথম কাতারে নামায পড়েছেন, প্রতি রমযান ও জিলহজ্বের দশ দিন ই'তিকা'ফ করেছেন, ধন-সম্পদ অর্জন বা গৃহনির্মাণের আশা-আকাঙ্ক্ষা থেকে দূরে থেকেছেন, ইমামত ও খিতাবাতের দায়িত্বকে এড়িয়ে চলেছেন। প্রস্তাব করা হলে সবিনয়ে প্রত্যাখ্যান করেছেন। আর শুধু 'আমর বিল মা'রুফ ও নাহি আনিল মুনকার'-এর মাঝেই নিজের কাজ-কর্ম, চিন্তা-ভাবনা, মগ্নতা-ব্যস্ততাকে সীমাবদ্ধ রেখেছেন। এ পথে ও আল্লাহর ব্যাপারে কোন নিন্দা ও তিরস্কারের পরোয়া তিনি কখনো করেন নি।
📄 ‘তাবাকাতুশ শাফিইয়্যাহ আল-কুবরা’ থেকে
তৃতীয় কিতাবটি হল (ইমাম তাজউদ্দীন সুবকী ر. এর লেখা)- طبقات الشافعية الكبرى থেকে আমরা ইবন আসাকির ر. এর জীবনীর অংশ বিশেষ উল্লেখ করতে চাচ্ছি। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে- "হাদীছ শাস্ত্রের এক মহান ইমাম ও হাফেয হলেন আবুল কাসেম। যিনি ইবন আসাকির নামে পরিচিত ও প্রসিদ্ধ, যদিও আমরা ইতিহাসে অনুসন্ধান করে তাঁর পূর্বপুরুষগণের কারো নাম "আসাকির" পাইনি।
তিনি ছিলেন সুন্নাহ তথা হাদীছের প্রকৃত একজন সেবক এবং তাঁর যুগে এ শাস্ত্রের ইমাম। তাঁকে শাস্ত্র-পণ্ডিতগণের সারনির্যাসও বলা যায়। দূর-দূরান্ত থেকে তালেবে ইলমরা তাদের জ্ঞান-পিপাসা নিবারণে তাঁর কাছে আসতো। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন শাস্ত্রে পর্যাপ্ত জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করেছিলেন। ইলম ও আমলকেই তিনি একান্ত সহচর ও অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করেছিলেন। এদু'টোই ছিল তাঁর চূড়ান্ত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।
তাঁর স্মৃতিশক্তি এত প্রখর ছিল যে, অপ্রচলিত ও ব্যতিক্রমী কোন কিছুও তাঁর স্মৃতি থেকে হারিয়ে যেত না। সবকিছু তাঁর স্মৃতিতে এমনভাবে সংরক্ষিত হয়ে যেত যে, সেখানে নতুন-পুরাতন, দুর্লভ ও সুলভ কোন কিছুতেই পার্থক্য থাকতো না।
হাদীছ বর্ণনার ক্ষেত্রে নির্ভরতা ও বিশ্বস্ততায় পূর্বসূরীদের ছাড়িয়ে যাননি, কিন্তু তিনি তাঁদের থেকে খুব পিছেয়ে নন। আর ইলমের গভীরতা ও ব্যাপকতায় তিনি ছিলেন এতটাই সমৃদ্ধ যে, পরবর্তী প্রজন্মের জন্য তিনি অনিবার্য ও অপরিহার্য ব্যক্তিত্ব। বহু জন থেকে তিনি হাদীছ শুনেছেন এবং সংগ্রহ করেছেন। তাঁর শায়খগণের তালিকায় রয়েছেন প্রায় এক হাজার তিনশ' পুরুষ এবং আশিজনের মত নারী। আর এসকল হাদীছ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে সফর করেছেন বহুদেশ, বহু এলাকা। বহু দূর-দূরান্তে ও জনশূন্য মরু প্রান্তরে তিনি বাহন চালিয়েছেন একাকী-নিঃসঙ্গ অবস্থায়। তাঁর সঙ্গী ছিল শুধু তাকওয়া ও খোদাভীতি, যা তিনি একান্ত গভীর ও নিবিড়ভাবে ধারণ করেছিলেন এবং 'যাকে' সার্বক্ষণিক সহচররূপে গ্রহণ করেছিলেন।
আর তাঁর ছিল দৃঢ় সংকল্প ও প্রত্যয় এবং দুর্দমনীয় উদ্যম; শেষ গন্তব্যে ও অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছা ছাড়া যা ক্ষান্ত হতো না। তাঁর শায়খ খতীব আবুল ফযল আত-তুসী ر. বলেন, বর্তমান যুগে ইবন আসাকির ছাড়া "হাফেয" উপাধি পাওয়ার যোগ্য আর কেউ আছে বলে আমার জানা নেই। ইবন নাজ্জার ر. বলেন, তিনি ছিলেন তাঁর যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিছ আর হিফয ও ইতকানে, নির্ভরতা ও স্মৃতির প্রখরতায় এবং হাদীছ শাস্ত্রে জ্ঞানের পূর্ণতায় এবং চমৎকার ও অভিনব সব বিষয়ে কলম চালনায় সিদ্ধহস্ত। তাঁর যুগে কিংবা পরবর্তীকালে এ শাস্ত্রে আর কেউ এরূপ জ্ঞান ও এমন অবস্থান অর্জন করতে পারেনি।
ইবন নাজ্জার ر. বলেন, আমি আমার শায়খ আবদুল ওয়াহহাব ইবন আমীন ر. কে বলতে শুনেছি যে, একদিন আমি হাফেয আবুল কাসেম ইবন আসাকির ও আবু সাঈদ বিন সামআনীর সাথে ছিলাম। এসময় আমরা জনৈক শায়খের সাক্ষাতে এবং তার থেকে হাদীছ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলাম, যখন শায়খের সাক্ষাত লাভ হল, ইবন সামআনী তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে কিছু পড়তে চাইলেন। তাই তার হাদীছের পাণ্ডুলিপির সূচীপত্রে এই শায়খ থেকে শ্রুত একটি জুয বা খণ্ডের সন্ধান করতে লাগলেন। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ খোঁজা-খুঁজির পরও তিনি তা পেলেন না। ফলে তাঁর মন খারাপ হয়ে গেল। তখন ইবন আসাকির (দ্বিধাহীন কণ্ঠে) জিজ্ঞেস করলেন, তাঁর থেকে শ্রুত কোন খণ্ডটি তুমি খুঁজছ? তিনি বললেন, ইবন আবু দাউদের البعث والنشور খণ্ডটি, যা তিনি আবু নাসের যায়নবী থেকে শুনেছেন। ইবন আসাকির বললেন, ঠিক আছে, ঐ খণ্ডটি আমি তোমাকে পড়ে শুনাচ্ছি। একথা বলে তিনি গোটা কিতাবটিই তাকে মুখস্থ শুনিয়ে দিলেন।
শায়খ মুহযুদ্দীন নববী ر. তো ইবন আসাকির ر. সম্পর্কে এই মন্তব্য করেছেন-
هو حافظ الشام، بل هو حافظ الدنيا، الإمام مطلقا، الثقة والثبت
তিনি হলেন (হাদীছ শাস্ত্রে) শাম দেশের শ্রেষ্ঠ হাফেয, বরং পৃথিবীর অন্যতম হাফেযে হাদীছ ও এবং নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত মুহাদ্দিছ।