📘 সমরবিদ হিসাবে মুহাম্মাদ সা > 📄 খাদ্য গ্রহণের উপর অনুমান করে শত্রু সংখ্যা নির্ধারণ

📄 খাদ্য গ্রহণের উপর অনুমান করে শত্রু সংখ্যা নির্ধারণ


এর মাধ্যমে রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামরিক জীবনের কূটনীতির প্রমাণ পাওয়া যায়। নবী করীম সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম গ্রেফতারকৃত সেনাদেরকে ব্যক্তিগতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করলেন। “তোমরা কে? “আমরা মক্কী বাহিনীর লোক” তোমরা কতজন? “আমরা জানি না।” “তোমাদের লোকের জন্য প্রতিদিন কয়টি উট জবাই হয়? “একদিন নয়টি জবাই হলেও পরের দিন ১০ টি। একটি উটের গোশত ১০০ জনের আহার চলে। এ থেকে নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুমান করলেন যে, তাদের সংখ্যা হবে ৯০০ থেকে ১০০০ সৈন্য। বাস্তবে তারা ছিল ৯৫০ জন।⁵

টিকাঃ
৫. ড.মুহাম্মদ হামীদুল্লাহ, জিহাদের ময়দানে রাসূল মুহাম্মদ (সা) অনু: মুহাম্মদ লুতফুল হক, ১ম প্রকাশ, ঢাকা:ই,ফা,বা ১৯৯১।

📘 সমরবিদ হিসাবে মুহাম্মাদ সা > 📄 যুদ্ধ উপকরণ

📄 যুদ্ধ উপকরণ


নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম তৎকালে যুদ্ধের জন্য যেসব উপকরণ ব্যবহার করেছিলেন তা হল অশ্ব, বর্ম, উট, তলোয়ার, তীর। সহীহ বর্ণনা অনুযায়ী বদর যুদ্ধে মুসলিম সৈন্য সংখ্যা ছিল ৩১৩ জন। অশ্ব ছিল মাত্র ২ টি, উট ছিল ৭০ টি, বর্ম ছিল ১২ টি, সৈন্যরা পালাক্রমে এগুলোর উপর সওয়ার হয়ে যুদ্ধ করার পরিকল্পনা করে।

📘 সমরবিদ হিসাবে মুহাম্মাদ সা > 📄 সৈন্যদের শ্রেণীবিন্যাস ও অধিনায়ক নির্বাচন

📄 সৈন্যদের শ্রেণীবিন্যাস ও অধিনায়ক নির্বাচন


১৭ রমজান ফজরের পর তিনি মুসলিম বাহিনীর সামনে জিহাদ সম্পর্কে এক উদ্দীপক ভাষণ দেন। অত:পর যুদ্ধের নিয়ম অনুসারে সৈন্যদের শ্রেণী বিন্যাস করলেন। প্রত্যেক শ্রেণীর জন্যে অধিনায়ক নির্বাচন করলেন।

📘 সমরবিদ হিসাবে মুহাম্মাদ সা > 📄 যুদ্ধের ময়দান পর্যবেক্ষণ ও সামরিক দপ্তর স্থাপন

📄 যুদ্ধের ময়দান পর্যবেক্ষণ ও সামরিক দপ্তর স্থাপন


বাহিনীর নিরাপত্তা ও ঝুঁকি থেকে মুক্তির জন্য সম্ভাব্য সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিলেন। পাহাড়ের চূড়ায় ছোট ঘর তৈরি করা হলো নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম- যাতে গোটা যুদ্ধ ময়দান স্পষ্টভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারেন এবং অধিনায়কগণকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে পারেন। সেজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হলো। বস্তুত পক্ষে এ কুড়ো ঘরটি ছিল মুসলিম বাহিনীর প্রধান সামরিক দপ্তর। প্রধান সেনাপতির দায়িত্ব তিনি এখান থেকেই পালন করেন। যেটি ছিল শত্রু সেনাদের দৃষ্টির বাইরে এবং মক্কী বাহিনীর তীরন্দাজদের তীরও এ ঘরে আঘাত হানতে পারতো না। দ্রুতগামী দু'টি মাদী উটকে সদর দপ্তরের পাশে বেধে রাখা হলো। এটা করা হলো দুর্যোগ মুহুর্তে ব্যবস্থা গ্রহণের সুবিধার্থে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00