📘 সমকালীন কুসংস্কার ও সামাজিক প্রথা > 📄 প্রতি বছর বিবাহ বার্ষিকীতে স্ত্রীকে উপহার দেয়া

📄 প্রতি বছর বিবাহ বার্ষিকীতে স্ত্রীকে উপহার দেয়া


স্ত্রীকে কোন কিছু দেয়ার দুটি অবস্থা হতে পারে। (১) প্রয়োজন অনুপাতে দেয়া। (২) প্রয়োজনাতিরিক্ত দেয়া।
প্রথম অবস্থায় যখনই স্ত্রীর প্রয়োজন হবে তখনই স্ত্রীকে তা প্রদান করবে। কারণ, এটাই হলো, তাকে দেয়ার নির্ধারিত সময়। আর দ্বিতীয় অবস্থায় স্ত্রীকে যা কিছু দেয়া হবে তা হাদিয়া বা উপহার হিসাবে গণ্য। আর উপহার দেয়ার নির্ধারিত কোন সময় নেই; যে কোন সময় দেয়া যেতে পারে।
কাজেই, প্রথম অবস্থায় যদি স্ত্রীর প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও না দিয়ে বিবাহ বার্ষিকীতে দেয়ার অপেক্ষা করা হয় তবে তা জায়েয হবেনা। আর দ্বিতীয় অবস্থায় বিষয়টি হাদিয়া হওয়ায় তার জন্যে কোন দিন নির্দিষ্ট করা অনুচিৎ। এতদসত্তেও বিবাহ বার্ষিকী বা অন্য কোন সময় এর জন্য নির্ধারিত করা হলে তা বদ রসম হিসাবে গণ্য হওয়ায় পরিত্যায্য।

সূত্র: ফাতাওয়া মাহমুদিয়া ৬/১৪৫৬-১৪৬, তাবলীগুল হক পৃ:২৪, ৮৯৭

📘 সমকালীন কুসংস্কার ও সামাজিক প্রথা > 📄 স্থায়ী বা অস্থায়ী পদ্ধতিতে জন্ম নিয়ন্ত্রণ করা

📄 স্থায়ী বা অস্থায়ী পদ্ধতিতে জন্ম নিয়ন্ত্রণ করা


প্রথমত: জন্ম নিয়ন্ত্রণ শব্দটাই আপত্তিকর। কারণ, জন্ম নিয়ন্ত্রণের অধিকার মানুষের নেই। যেমনিভাবে মৃত্যু নিয়ন্ত্রণের অধিকার মানুষের নেই; বরং জন্ম মৃত্যু উভয়টিই একমাত্র আল্লাহ তা'আলার নিয়ন্ত্রণে।
বস্তুত: জন্ম নিয়ন্ত্রণ ইসলামের দুশমনদের একটা গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। তারা মুসলমানদের সংখ্যাধিক্য নিয়ে শংকিত। তাই জনসংখ্যা বিস্ফোরণের কথা বলে এ ব্যাপারে উৎসাহ করে। তারা মূলত: ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়। তারা চায় মুসলিম সমাজে এ পদ্ধতির মাধ্যমে যিনা ব্যভিচারের জোয়ার বইয়ে দিয়ে তাদেরকে আল্লাহর আযাবে নিক্ষিপ্ত করতে।
তাছাড়া, তথাকথিত জন্ম নিয়ন্ত্রণ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অভাব অনটন ও দরিদ্রতার ভয়ে এবং সুখী পরিবার গড়ার স্বপ্নে করা হয়ে থাকে। অথচ এটা ইসলামী আকীদার সুস্পষ্ট পরিপন্থী। কেননা, রিযিক দাতা একমাত্র আল্লাহ তা'আলা সমস্ত মাখলুকের রিযিকের যিম্মাদারী তিনি নিজেই গ্রহণ করেছেন। তিনি এমন কোন নিয়ম নির্ধারণ করেননি যে, সন্তান কম থাকলে তাকে বেশী রিযিক প্রদান করা হবে। আর বেশী থাকলে কম দেওয়া হবে; বরং সন্তান বেশী হওয়া স্বত্বেও তিনি পর্যাপ্ত রিযিক দান করতে পারেন। সুতরাং জন্ম নিয়ন্ত্রণের প্রচলিত ধ্যান ধারণা ঈমানের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
পবিত্র কুরআনে কারীমে আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ ফরমান, “তোমরা সন্তানদেরকে দারিদ্রতার ভয়ে ধ্বংস করো না। আমি তোমাদেরও রিযিকের ব্যবস্থা করব এবং তাদেরও রিযিকের ব্যবস্থা করব”। সূত্র: সূরা আন'আম, আয়াত-১৫১
অপর এক আয়াতে আল্লাহ তা'আলা ঘোষণা করেন, “তোমরা দারিদ্রতার আগাম আশংকায় তোমাদের সন্তানদেরকে ধ্বংস করোনা। আমিই তাদের এবং তোমাদের রিযিকের ব্যবস্থা করব"। সূত্র: সূরা বনী ইসরাঈল, আয়াত- ৩১
তাছাড়া, সন্তান বৃদ্ধি করা আখেরী উম্মতের উপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বিশেষ অসিয়্যাত। এক হাদীসে প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ ফরমান, “তোমরা এমন বংশের মেয়েদেরকে বিবাহ কর যে বংশের মেয়েরা অধিক সন্তান জন্ম দেয়। কেননা, কিয়ামতের দিন আমি তোমাদের আধিক্য দিয়ে অন্যান্য উম্মতের উপর গর্ভবোধ করব।” সূত্র: আবু দাউদ, হাদীস নং ২০৫০
সুতরাং কুরআনের উল্লেখিত আয়াত ও হাদীসের ভাষ্য দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, প্রচলিত জন্ম নিয়ন্ত্রণ শরীয়তে হারাম ও নাজায়েয।
তবে অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, কিছু কিছু সরকারী নামধারী আলেম হাদীসে বর্ণিত আযলকে বিকৃত করে প্রচলিত জন্ম নিয়ন্ত্রণ জায়েয করে জনসাধারণকে গুমরাহ করার অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে। অথচ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগের আযল আর প্রচলিত জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি এক নয়। কারণ, আযলতো নিশ্চিত কোন পদ্ধতি নয়।
তদুপরি, প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আযলকে কখনো পছন্দ করেনি; বরং তিনি ঘোষণা করেছেন, কোন মুসলমান এরূপ করে বলে আমার ধারণা ছিল না। সূত্র: মু'জামুত তাবরানী হাদীস নং ৯৮ এক হাদীসে তিনি আযলকে গোপন যিন্দা কবর দান করার নামান্তর বলে উল্লেখ করেছেন। সূত্র: সহীহ মুসলিম ১/৪৬৬
অন্যত্র তিনি ইরশাদ করেছেন, “তোমরা যদি আযল না কর তাহলে তো তোমাদের কোন সমস্যা নেই।”
সারকথা, প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আযল (একটি সাময়িক ব্যবস্থা) সম্পর্কে অনুমতি দিয়েছিলেন ঈমান দুরস্ত করে; নষ্ট করে নয়। আবার সাথে সাথে এ ব্যাপারে অনুৎসাহিতও করেছেন। আর অনুমতি প্রদানও ছিল ব্যক্তিগত পর্যায়ে সাময়িক ব্যবস্থা হিসেবে। এখন এই আযলের অনুমতি দেখে তো জন্ম নিয়ন্ত্রণের ন্যায় স্থায়ী ব্যবস্থাকে জায়েয বলা কোন ক্রমেই ঠিক হবে না।
তাছাড়া, বর্তমানে মেয়াদী ও সাময়িক অন্যান্য পদ্ধতি গুলোকেও এই আযলের উপর ঢালাওভাবে কিয়াস করা বা অনুমান করা ঠিক হবে না। কেননা, বর্তমানে প্রচলিত এসব পদ্ধতি গুলোকে ব্যক্তিগত পর্যায়ে সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি; বরং এটাকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়া হয়েছে এবং এর জন্য অনুৎসাহিত নয়; বরং উৎসাহিত করা হচ্ছে। অধিকন্তু, বাধ্যতামুলক করার চিন্তা ভাবনা চলছে। সর্বোপরি, এসব পদ্ধতি গ্রহণের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে এমন সব বক্তব্য দিয়ে যা ঈমানী চেতনা বিরোধী।
অতএব, বুঝা গেল, হাদীসে আযলের অনুমতি দেয়া হয়েছিল যে আঙ্গিকে এবং যে মানসিকতার ভিত্তিতে, প্রচলিত জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিতে তার সম্পূর্ণ ভিন্ন আঙ্গিকে ও ভিন্ন মানসিকতায় গ্রহণ করা হয়েছে। সুতরাং হাদীসে আযলের অনুমতি থেকে বর্তমানে প্রচলিত জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি সমূহকে ঢালাও ভাবে অনুমোদন দেওয়ার কোনই অবকাশ নেই।
অবশ্য, যদি শরঈ কোন উজর যেমন: মুসলমান দ্বীনদার অভিজ্ঞ ডাক্তার যদি কোন বিশেষ মহিলার ব্যাপারে এ মতামত দেয় যে, এ দুর্বল মহিলার স্বাস্থ্য গর্ভ ধারণের কারণে অধিক খারাপ হয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। তাহলে এমন মহিলার জন্য সাময়িক ভাবে গর্ভরোধ করা জায়েয আছে। তবে শর্ত হলো, এ ক্ষেত্রে এমন কোন পন্থা অবলম্বন করতে হবে, যাতে হারাম কাজের আশ্রয় নিতে না হয়।
অনুরুপ ভাবে, কোন মহিলার যদি বিশেষ কোন কারণে গর্ভ ধারণ ক্ষমতাই না থাকে; বরং গর্ভ ধারণের কারণে মৃত্যুর আশংকা থাকে এবং স্থায়ী ভাবে গর্ভরোধ করা ছাড়া অন্য কোন উপায় না থাকে তবে সেক্ষেত্রে মুসলিম দ্বীনদার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ ক্রমে অপারেশন কিংবা অন্য কোন উপায়ে স্থায়ী ভাবে গর্ভরোধ করাও জায়েয আছে।

সূত্র: আল বাহরুর রায়েক ৩/২০০, শামী ৩/১৭৬

📘 সমকালীন কুসংস্কার ও সামাজিক প্রথা > 📄 একজনের বিবাহ বন্ধনে থাকা অবস্থায় অন্যজনের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া

📄 একজনের বিবাহ বন্ধনে থাকা অবস্থায় অন্যজনের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া


বর্তমানে প্রায়শ:ই এমন শোনা যায় যে,। অমুকের স্ত্রী অমুকের সাথে পরকিয়া করে চলে গেছে। এ বিষয়ে তাদের কাছে জানতে চাওয়া হলে তারা অকপটে বলতে থাকেন যে, তাদের স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বনাবনি না হওয়ায় মেয়ে ছেলেকে ডিভোর্স দিয়ে সে ঐ ছেলেকে বিবাহ করেছে।
অথচ শরীয়তের বিধান হলো, কোন মহিলা কোন পুরুষের বিবাহে থাকা অবস্থায় অন্য পুরুষের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারেনা। যতক্ষণনা স্বামী তার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দেয়। আর শরীয়তের দৃষ্টিতে তালাকের অধিকার একমাত্র স্বামীর; স্ত্রীর নয়। অবশ্য, স্বামীর দেয়া ক্ষমতা বলে স্ত্রী নিজের উপর তালাক গ্রহণ করতে পারে। স্বামীকে তালাক দিতে পারেনা।
অথচ বর্তমানে এভুল ধারণাটি ব্যপক ভাবে প্রচলিত যে, পরষ্পর বনিবনা না হলে তাদের দুজনের কোন একজন অপরজনকে ডিভোর্স দিয়ে বৈবাহিক বন্ধন ছিন্ন করতে পারে। এমনকি স্ত্রী তার স্বামীকে ডিভোর্স দেয়ার জন্য স্বামী কর্তৃক তালাক গ্রহণের ক্ষমতা প্রদানের কোন বাধ্যবাধকতা নেই। তাদের এ ধারণাটি সম্পূর্ণ মনগড়া ও শরীয়ত বিরোধী।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী নিকাহ নামার ১৮ নং কলামে স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে তালাক গ্রহণের ক্ষমতা দিয়েছে কিনা? তা লিখতে বলা হয়েছে।
বস্তুত এ ঘরটি বিবাহ সংঘটিত হওয়ার পর স্বামীর মতামত নিয়ে পূরণ যোগ্য।
কিন্তু বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে বিবাহের পূর্বেই এ ঘরটি পূরণ করা হয় কিংবা বিয়ের পর স্বামীকে এ বিষয়ে কোন কিছু জিজ্ঞাসা না করেই কাজী নিজে থেকে গদ বাঁধা কয়েকটি শর্ত সাপেক্ষে স্ত্রীকে তালাক গ্রহণের অধিকার প্রদানের সম্মতি সূচক কথাটি লিখে দেয়। অথচ এ বিষয়ে স্বামী কিছু জানেইনা।
এভাবে হাজার বার তালাকের অধিকার দিলেও স্ত্রী তালাক গ্রহণের অধিকার লাভ করবেনা এবং এর উপর ভিত্তি করে স্ত্রী তালাক গ্রহণ করলে বিবাহ বিচ্ছেদ হবেনা। অথচ বর্তমানে এমন ঘটনা অহরহ ঘটছে যে, স্ত্রী বিবাহের কাবিন নামায় কাজীর তরফ থেকে লিখিত ঐ কথার উপর ভিত্তি করে স্বামীকে ডিভোর্স প্রদান করে অন্য পুরুষের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে তার সাথে জীবন যাপন করছে।
অথচ শরীয়তের দৃষ্টিতে তাদের এ ঘর সংসার সম্পূর্ণ হারাম ও নাজায়েয। তাদের মেলামেশা যিনা ও ব্যাভিচার হিসাবে গণ্য। তাদের থেকে সন্তান জন্ম নিলে ঐ সন্তান জারজ ও যিনার সন্তান হবে। কারণ, এ মহিলার পূর্বের বিবাহ এখনও বহাল আছে। কাজেই, সে এখনও পূর্বের স্বামীর বৈধ স্ত্রী।

সূত্র: ফাতাওয়া শামী ৪/২৭৪, আলমগীরী ১/২৮০, বাদায়িউস সনায়ে ৩/৫৪৮, ততারখানিয়া ৪/৭৭

📘 সমকালীন কুসংস্কার ও সামাজিক প্রথা > 📄 “বিবাহ তো একবারই হয়” একথা বলা

📄 “বিবাহ তো একবারই হয়” একথা বলা


“বিবাহ তো একবারই হয়” এটি একটি শরীয়ত বিরোধী কথা। হিন্দুদের বাতিল ধর্মমতে এধরণের কথা প্রচলিত আছে। ইসলাম ধর্মে এমন কোন কথা নেই; বরং কোন মহিলা যদি একাধিক বারও বিধবা অথবা তালাক প্রাপ্তা হয় তবুও ইসলামে তাকে বিবাহ বসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং তার অভিভাবকদেরকে বিবাহের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পবিত্র কুরআনুল কারীমে আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ ফরমান, “তোমরা বিবাহহীন বিধবা অথবা তালাকপ্রাপ্তা মেয়েদের বিবাহ দিয়ে দাও।" সূত্র: সূরা নূর, আয়াত-৩২
বস্তুত: এ নির্দেশ এজন্য দেয়া হয়েছে যে, হতে পারে পরবর্তী বিবাহের বদৌলতে তার কোলে এমন সন্তান জন্ম লাভ করবে যে শুধু নিজের পিতা-মাতার চেহারাই নয়; বরং পুরা জাতীর চেহারা উজ্জল করে দিবে। আল্লাহর বান্দারা তার থেকে অনেক খিদমত ও সেবা লাভ করবে। উপরন্তু, পুন: বিবাহ না বসলে সে বাপ ভাইয়ের পেরেশানীর কারণ হবে এবং নিজের দ্বীনদারী ও ইজ্জত আবরু সংকটের সম্মুখীন করবে। আর এটা করা কারো জন্যে উচিৎ নয়; বরং দ্বীনদার পাত্র পাওয়া গেলে সাথে সাথে বিবাহে রাজী হয়ে যাওয়া উচিৎ। যদিও ঐ পাত্র আর্থিক ভাবে অসচ্ছল হোকনা কেন?
এতদভিন্ন, "বিবাহ তো একবারই হয়” এ কথার মধ্যে অতি সুক্ষভাবে আল্লাহ তা'আলাকে দোষারোপ করা হয়। তা এভাবে যে, আল্লাহ তাকে একজন স্বামী দিয়ে বিনা অপরাধে উঠিয়ে নিয়ে গেলেন। এটা তার প্রতি আল্লাহ তা'আলার ইনসাফ হলোনা। অথচ এমন কথা বলা ঈমানের জন্য বড়ই ঝুঁকিপূর্ণ।

সূত্র: তাফসীরে কুরতুবী ১২/২৩৯, আহকামুল কুরআন লিল জাস্সাস ৩/৩১৯

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00