📄 ইন্তিকালের পর পর্দার বিধান লঙ্ঘন করা
ইন্তিকালের পরও পর্দার বিধান বহাল থাকে। তাই জীবদ্দশায় যাদের সাথে দেখা সাক্ষাত করা নাজায়েয ছিল মৃত্যুর পরও তা অব্যাহত থাকে। সুতরাং যেমনি ভাবে, কোন বেগানা মহিলার লাশ অন্য বেগানা পুরুষের জন্য দেখা নিষেধ, ঠিক তেমনি ভাবে, বেগানা পুরুষের লাশ অন্য বেগানা মহিলার জন্য দেখা নিষেধ। আমাদের সমাজে সাধারণত এ বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখা হয় না।
সূত্র: শামী ২/১৯৫, ১৯৮, আহসানুল ফাতাওয়া, ৪/২১৯, ফাতাওয়া মাহমূদিয়া ২/৩৯৮
📄 মৃত ব্যক্তির ছবি তোলা
অনেক সময় দেখা যায়, মৃত ব্যক্তির ছবি উঠানো হয় তা সংরক্ষণ করার জন্য অথবা পত্র পত্রিকায় দেওয়ার জন্য। এটা অত্যন্ত গর্হিত কাজ। তাই, ইহা থেকে কঠোর ভাবে বেঁচে থাকা জরুরী।
সূত্র: আহসানুল ফাতাওয়া ৪/২১৯
📄 মায়েতের চোখে কাজল, সুরমা লাগানো
মুর্দারের চোখে সুরমা বা কাজল লাগানো শরীয়ত সম্মত নয়। কারণ, সুরমা, কাজল ইত্যাদি সাধারণত: ব্যবহার করা হয় সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য যা মৃত্যুর পর জায়েয নেই। কাজেই, যে বা যারা মাইয়্যেতের চোখে কাজল বা সুরমা লাগায় তাদের একাজ থেকে বিরত থাকা উচিৎ।
সূত্র: আদ্দুররুল মুখতার ২/১৯৮, তাতারখানিয়া ৩/২৯, আল মুহীতুল বুরহানী ৩/৬৬, ফাতাওয়ায়ে দারুল উলূম দেওবন্দ ৫/২৪৮, আহকামে মাইয়্যেত পৃ: ৩৭১
📄 মৃত ব্যক্তির নখ, গোঁফ বা অবাঞ্চিত লোম পরিষ্কার করা
মৃত ব্যক্তির নখ, গোঁফ ও শরীরের অন্যান্য অবাঞ্চিত লোম পরিস্কার করা উচিৎ নয়। অনুরূপ ভাবে, তার চুল দাড়ি আচড়ানোও নিষেধ। অথচ সমাজের কোন কোন মুর্খ লোক মৃত ব্যক্তির নাভীর নীচের পশম কাটাকেও পর্যন্ত সুন্নত মনে করে। তাদের এ ধারণা ঠিক নয়।
সূত্র: ফতাওয়া শামী ২/১৯৮ নী ৩/৬৬, তাতারখানিয়া ৩/২৯, আদ্দুররুল মুখতার ২/১৯৮