📘 সমকালীন কুসংস্কার ও সামাজিক প্রথা > 📄 মসজিদের মেহরাবে বা পশ্চিম দিকের দেয়ালে কাবা শরীফ বা অন্য কোন নকশাযুক্ত টাইলস লাগানো

📄 মসজিদের মেহরাবে বা পশ্চিম দিকের দেয়ালে কাবা শরীফ বা অন্য কোন নকশাযুক্ত টাইলস লাগানো


বর্তমানে আমাদের দেশে অনেক মসজিদের মেহরাব বা সামনের দিকের দেয়ালে কাবা শরীফ বা অন্য কোন নকশাযুক্ত টাইলস লাগাতে বা ছবি ঝুলাতে দেখা যায়।
অথচ শরীয়তের বিধান হলো, মসজিদের সামনের দেয়ালে বা মেহরাবে এমন নকশা করা বা নকশাযুক্ত টাইলস বা ঘড়ি লাগানো মাকরূহ যাতে নামাযী ব্যক্তির দৃষ্টি পতিত হয়ে তার নামাযের খুশু খুজু নষ্ট হয়ে যায়।
সুতরাং মসজিদের সামনের দেয়ালে এমন কিছু লাগানো থেকে বিরত থাকা কর্তব্য যেগুলোর কারণে নামাযীর মনযোগ বিঘ্নিত হতে পারে।

সূত্র: সহীহ বুখারী ১/৫৪, রদ্দুল মুহতার ১/৬৫৮, ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী ৫/৩১৯, আল বাহরুর রায়েক ২/৬৫

📘 সমকালীন কুসংস্কার ও সামাজিক প্রথা > 📄 কুরআনের আয়াত ফ্রেমে বাঁধাই করে ঝুলিয়ে রাখা

📄 কুরআনের আয়াত ফ্রেমে বাঁধাই করে ঝুলিয়ে রাখা


যদি কুরআন মাজীদের অমর্যাদা হওয়ার আশংকা না থাকে, তাহলে কুরআনের আয়াত ফ্রেমে বাঁধাই করে ঝুলিয়ে রাখা জায়েয আছে।
যদি ঐ বাসা বাড়ী বা দোকানে টেলিভিশন বা প্রাণীর ছবি থাকে তাহলে সেখানে তা ঝুলানো কুরআন মাজীদের অমর্যাদা ও অসম্মানী হওয়ার কারণে নাজায়েয হবে।
উল্লেখিত, কুরআনের আয়াত ফ্রেমবন্দী করে দেয়ালে ঝুলানোর পর খেয়াল রাখতে হবে, এতে যেন কোন ধুলা-ময়লা না লাগে। ধুলা- ময়লা লাগলে পরিষ্কার করে ফেলতে হবে।
এছাড়া, ঐ ফ্রেম পুরাতন হয়ে কুরআনের আয়াত যেন খসে এদিক সেদিক ছিটকে পড়ে কুরআনের আয়াতের অবমাননা না হয় সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে।

সূত্র: ফাতাওয়া হিন্দিয়া ৫/৩২৩, রদ্দুল মুহতার ১/১৭৯, আহসানুল ফাতাওয়া ৮/২৩, আপকে মাসায়েল আওর উনকা হলো ৮/৬৮১

📘 সমকালীন কুসংস্কার ও সামাজিক প্রথা > 📄 রমজান মাসে দিনের বেলা হোটেল রেস্তোরা খোলা রাখা

📄 রমজান মাসে দিনের বেলা হোটেল রেস্তোরা খোলা রাখা


ইফতার প্রস্তুত করার জন্য যদি ইফতারের পূর্বে হোটেল খোলা রাখা হয়, তাতে কোন অসুবিধা নেই। আর যদি দিনের বেলা হোটেল খোলা রেখে মানুষের খানা-পিনার ব্যবস্থা করে তবে হোটেল মালিক প্রকাশ্য ফাসেক হবে এবং শান্তির উপযুক্ত বিবেচিত হবে। রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো, এমন ব্যক্তিকে জন সম্মুখে এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দেওয়া। সাধারণ মুসলমান এমন ব্যক্তির সাথে শান্তি মূলক ভাবে তার সাথে সর্বপ্রকার সম্পর্ক ছিন্ন করে দিবে। তার কোন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবে না।
অবশ্য, যদি নিজের এহেন অপকর্ম থেকে তওবা করে নেয় এবং ভবিষ্যতে কখনো এমন কাজ করবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেয় তাহলে তার সাথে সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করবে।

সূত্র: আহসানুল ফতাওয়া ৮/২২৫

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00