📘 সমকালীন কুসংস্কার ও সামাজিক প্রথা 📄 পীরের নামে পশু যবেহ করা

📄 পীরের নামে পশু যবেহ করা


কোন মাযারে বা কোন পীরের নামে বা তাদের মৃত্যু দিবসে কোন নির্দিষ্ট দিনে প্রতি বছর ওরশ করা, ঈসালে ছাওয়াব ও শিরনী করা নাজায়েয ও বিদ'আত। তদুপরি, কোন পীরের নামে, খাজা বাবার নামে অথবা আল্লাহ ব্যতীত অন্য যে কোন মানুষ বা প্রাণীর নামে জানোয়ার যবেহ করলে তা খাওয়া সম্পূর্ণ হারাম। কারণ, গাইরুল্লাহর নামে জানোয়ার যবেহ করলে তা মুর্দা সমতুল্য। আর মুর্দা খাওয়া হারাম। সুতরাং আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নামে উৎসর্গকৃত প্রাণীর গোশত খাওয়া হারাম হবে। এমনকি যবেহ করার সময় আল্লাহর নামের সাথে মিলিত করে অন্য কিছুর নাম উল্লেখ করলে সেটা খাওয়াও হারাম। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা'আলা বলেন, মুর্দা, প্রবাহিত রক্ত, শুকরের গোশত ও যে প্রাণী আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নামে যবেহ করা হয়েছে, তা ভক্ষণ করা তোমাদের জন্য সম্পূর্ণ হারাম করা হলো। সূত্র: সূরা মায়িদা, আয়াত-৩
অন্য আয়াতে আল্লাহ তা'আলা বলেন, "যে সমস্ত প্রাণী আল্লাহর নামে যবেহ করা না হয়, অর্থাৎ যবেহ করার সময় আল্লাহর নাম উল্লেখ করা হয়নি, সেগুলোর গোশত তোমরা ভক্ষণ করো না।” সূত্র: সুরা আনয়াম, আয়াত-১১৯
আয়াতদ্বয় দ্বারা বুঝা গেল, কোন প্রাণী গাইরুল্লাহর নামে যবেহ করলে, তার গোশত খাওয়া মুসলমানদের জন্য সম্পূর্ণ হারাম। সুতরাং বিভিন্ন মাযারে বা পীরের নামে জানোয়ার যবেহ করে শিরনী বিতরণ করা সম্পূর্ণ নাজায়েয। এতে কোন মুসলমানের অংশ গ্রহণ করা বৈধ নয়。

📘 সমকালীন কুসংস্কার ও সামাজিক প্রথা 📄 পীর/ফকীরকে সিজদা করা

📄 পীর/ফকীরকে সিজদা করা


আমাদের দেশে বর্তমানে পীর-মুরীদীর ব্যবসা বেশ জমজমাট। তাইতো দেখা যায়, পীরের নামে কতিপয় অসাধু, ভন্ড, প্রতারক দেশের বিভিন্ন স্থানে পীরালী ব্যবসা খুলে বসেছে। তারা কতিপয় দালাল নিয়োগ করে রেখেছে, যারা পীরের গুণ কীত্তন করে মুরীদ সংগ্রহের কাজ করে। এছাড়া, তারা মুরীদদেরকে দরবারে প্রবেশের আদব শিখায় যে, মাথা ঝুঁকিয়ে পীর বাবার দরবারে প্রবেশকরতে হবে এবং বাবার নৈকট্য পেতে হলে তাকে সিজদাও করতে হবে।
অথচ আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে সিজদা করা হারাম। যে উদ্দেশ্যেই তা করা হোকনা কেন সেটা হারাম হিসাবেই গণ্য হবে। কারণ, কাউকে সিজদা করার দুটি উদ্দেশ্য হতে পারে। (১) সিজদায়ে তাজিমী তথা সম্মান সূচক সিজদা করা। (২) সিজদায়ে ইবাদত তথা ইবাদতের উদ্দেশে সিজদা করা।
আর কোন মাখলুককে করা উভয় প্রকার সিজদাই হারাম। উপরন্তু, দ্বিতীয় প্রকার সিজদা কুফরও বটে।
আর যদি কাউকে মাধ্যম বানিয়ে আল্লাকে সিজদা করা জায়েয হতো, তাহলে এর সবচেয়ে বেশী হকদার ছিলেন রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। অথচ কুরআন হাদীসের কোথাও এতদসংক্রান্ত কোন বর্ণনা নেই। শুধু তাই নয়; বরং এ ব্যাপারে প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কঠোর ভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে গেছেন। সুতরাং গাইরুল্লাকে সিজদা করার ব্যাপারে যত যুক্তিই দেয়া হোকনা কেন সবগুলো শয়তানী যুক্তি। এর দ্বারা হারাম ও কুফরী কাজ কখনো হালাল হবেনা।

সূত্র: সহীহ মুসলিম হাদীস নং ৫৩২, মুসনাদে আহমদ হাদীস নং ৭৩৫৮, রাহে সুন্নত পৃ: ২৮১

📘 সমকালীন কুসংস্কার ও সামাজিক প্রথা 📄 কাদিয়ানীদের ব্যাপারে শরীয়তের ফয়সালা

📄 কাদিয়ানীদের ব্যাপারে শরীয়তের ফয়সালা


বিশ্বের সমস্ত হক্কানী উলামায়ে কিরাম ও মুফতীগণের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হলো, গোলম আহমদ কাদিয়ানী ও তার অনুসারী গোষ্ঠী খতমে নবুওয়াত তথা হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর শেষ নবী হওয়াকে অস্বীকার করার দরুন কাফের এবং একটি অমুসলিম বাতিল ফিরকাহ। সূত্র: ফাতাওয়ায়ে দারুল উলূম ১২/৩৩৪
কোন মুসলমান তাদের এ ভ্রান্ত বিশ্বাসের সাথে ঐক্যমত পোষণ করলে সাথে সাথে তার ঈমান চলে যাবে। বর্তমানে বাংলাদেশে এদের প্রাদুর্ভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধভাবে এসব কাফের ও ঈমান ধ্বংসকারীদের প্রতিহত করা জরুরী ও ঈমানী দায়িত্ব। এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানার জন্য কাদিয়ানীদের সম্পর্কে হক পন্থী উলামায়ে কিরামের লিখা বই পুস্তক পড়া জরুরী।
এছাড়াও, এর জন্য প্রয়োজন খতমে নবুওয়াত, ইসমতে আম্বিয়া ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর শেষ নবী হওয়াসহ অন্যান্য সকল সহীহ আকায়েদের ব্যাপক প্রচার ও প্রসার। বাস্তবক্ষেত্রে এটা প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ আন্দোলনের চেয়ে বেশী কার্যকর। এজন্য প্রত্যেক মসজিদে 'আকীদাতুত ত্বহাবী' নামক কিতাব অথবা হযরত থানবীর রহ. 'বেহেস্তী যেওর' বা 'তালীমুদ্দীনের আকায়েদ' অধ্যায়ের তা'লীমের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। হক্কানী উলামায়ে কিরাম তাঁদের ওয়ায মাহফিল সমূহে আকায়েদ বিষয়ক বয়ান বেশী বেশী করবেন।
এভাবে মুসলমানদের মাঝে সহীহ আকায়েদের প্রচার ব্যাপক করার দ্বারা বাতিল আকীদা ও আন্দোলন সমূহ নিজে নিজেই দূরীভূত হতে বাধ্য। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, রাতের অন্ধকারে যদি ইঁদুর, ব্যাঙ, সাপ ইত্যাদি বিড়ম্বনার শিকার হয়ে গৃহস্বামী একটি একটি করে মারতে থাকে, তাহলে সারা রাত জেগেও সেগুলো মেরে শেষ করতে পারবে না। কিন্তু যদি ঘরে বাতি জালানো হয়, তাহলে এক নিমিষেই সবগুলো লেজ গুটিয়ে এদিক সেদিক পালিয়ে যেতে বাধ্য হবে। তেমনিভাবে, দিকে দিকে হকের মশাল প্রজ্জ্বলিত করা হলে সমস্ত বাতিল মতবাদ ও বাতিল প্রচারকারী সংস্থা বা সংগঠনগুলোও জনসমর্থন না পেয়ে আপন আপন লেজ গুটিয়ে নিতে বাধ্য হবে। চাই তা যত বড় শক্তিশালী ও সুসংগঠিত হোক না কেন।
যেমন: সহীহ আকায়েদের তা'লীম চালু করা হলে, তাতে সর্ব প্রথমেই কুফরী কথা ও কাজ, শিরকী কথা ও কাজ এবং বিদ'আত সহ সর্বপ্রকার কুসংস্কারমূলক কাজ, ধ্যান ধারণা ও ভ্রান্ত বিশ্বাস সমূহ এক এক করে সবিস্তারে আলোচনা করা হবে। তাতে সর্ব প্রকার ভন্ডামী, ভন্ডপীরদের অবৈধ ব্যবসা, মাযার পূজা, দরগাহ পূজা ও মসজিদ পূজা ইত্যাদি বন্ধ হবে। তারপর খতমে নবুওয়াত তথা মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ই সর্বশেষ নবী তাঁর পরে আর কোন নবী আসবে না। এ আলোচনাও আসবে। এভাবে জনমনে এ বিশ্বাস বদ্ধমূল করে দিতে পারলে অমুসলিম কাদিয়ানী আন্দোলন মাটিতে মিশে যাবে।
খতমে নবুওয়াতের একটি দলীল হলো, স্বয়ং আল্লাহ তা'আলা (যার হাতে নবুওয়াতের উৎস এবং যিনি সমস্ত নবীর প্রেরক) তাঁর কালামে পাকে স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাদের কোন পুরুষের পিতা নন; বরং তিনি আল্লহর রাসূল ও সর্ব শেষ নবী। সূত্র: সূরাহ আহযাব ৪০, মুফতী শফী রহ. তার লিখিত 'খতমে নবুওয়ত' নামক কিতাবে খতমে নবুওয়াত সম্পর্কে শতাধিক আয়াত ও দুই শতাধিক সহীহ হাদীস একত্রিত করেছেন। হাদীসে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন আমি সর্বশেষ নবী, আমার পর আর কোন নবী আসবেনা। সূত্র: তিরমিযী হাদীস নং ২৩৬৬ সাথে সাথে তিনি এ বলেও সতর্ক করে গেছেন যে, আমার পরে একাধিক মিথ্যা নবুওয়তের দাবীদারের আবির্ভাব ঘটবে। তোমরা তাদের থেকে সতর্ক থেকো।

সূত্র: বুখারী, হাদীস- ৩৫৩৫, আবূ দাউদ, হাদীস নং ৪২৫৪, তাফসীরে তবারী: ২৮৭৬২, মুসলিম হাদীস ১১৯৫, দুররে মানসূর ১২/৬৩, রুহুল মা'আনী-১৪/২২

📘 সমকালীন কুসংস্কার ও সামাজিক প্রথা 📄 শীয়া ইছনা আশারিয়া ফিরকা ইসলাম থেকে খারেজ

📄 শীয়া ইছনা আশারিয়া ফিরকা ইসলাম থেকে খারেজ


শীয়া ইমামিয়া সম্প্রদায়ের অন্যতম শাখা দল ইছনা আশারিয়া সম্প্রদায়ের অনেক কুফরী আকীদা রয়েছে। তাদের কিছু গোমরাহ ও কুফরী আকীদা নিম্নে উল্লেখ করা হলো।
১. এ সম্প্রদায়ের ভিত্তি হলো, ইমামতের আকীদার উপর। ইমামগণ সম্পর্কে তাদের ধর্মীয় নেতা খোমেনী লিখেছেন যে, আমাদের ইমামগণের এমন মর্তবা ও পজিশন অর্জিত আছে, যে পর্যন্ত কোন নৈকট্যশীল ফেরেশতা ও নবী-রাসূলগণও পৌঁছতে পারেন না। সূত্র: আল হুকুমাতুল ইসলামিয়া পৃ. ৫২
উক্ত গ্রন্থের অন্য স্থানে লিখেছেন, সৃষ্টিজগতের প্রতিটি কণার উপর ইমামগণের আধিপত্য রয়েছে। (প্রাগুক্ত)
২. হযরত শাইখাইন অর্থাৎ আবূ বকর ও উমর রা. ও যিননুরাইন হযরত উসমান রা. ও অধিকাংশ সাহাবায়ে কেরাম সম্পর্কে খোমেনীর মন্তব্য হচ্ছে, আবু বকর, উমর আন্তরিক ভাবে মুসলমান ছিলেন না। রাজত্ব ও ক্ষমতা লাভের আশায় কেবল বাহ্যত ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। এ উদ্দেশ্য সফল না হলে তারা ইসলামের বিরুদ্ধেই দল তৈরী করে ফেলতেন এবং ইসলামের শত্রু হয়েই মাঠে নামতেন। সূত্র: কাশফুল আসরার: ১১৩/১১৪
তার মতে হযরত আবূ বকর রা. ও হযরত উমর রা. কুরআনের বহু আয়াতের সরাসরি বিরোধিতা করেছেন এবং নিজেদের পক্ষ থেকে হাদীস বানিয়ে বর্ণনা করেছেন। (প্রাগুক্ত)
এ ছাড়া, তিনি হযরত উসমান রা. ও হযরত মুয়াবিয়া রা. কে যালিম ও দুশ্চরিত্রবান বলে আখ্যা দিয়েছেন। সূত্র: কাশফুল আমরার পৃ. ১০৭
৩. শীয়াদের একজন ইমাম উচ্চ পর্যায়ের মুজতাহিদ বাকের মজলিসী। তার রচিত পুস্তকসমূহ পাঠ করতে স্বয়ং খোমেনী কাশফুল আসরার এর ১২১ নং পৃষ্ঠায় পাঠকগণকে অনুরোধ জানিয়েছেন। এই মজলিসী নিজ কিতাবে লিখেছেন যে, উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়েশা রা. ও হযরত হাফছা রা. মুরতাদ এবং তারা দুজন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বিষপানে শহীদ করেছেন। সূত্র: হায়াতুল কুলুব: পৃ. ৭৪৫
বাকের মজলিসীর মতে তিনজন ব্যতীত সকল সাহাবা মুরতাদ হয়ে গিয়েছিলেন। ঐ তিন জন হলেন, হযরত সালমান ফারসী, হযরত মিকদাদ ও হযরত আবু যর রা.। সূত্র: হায়াতুল কুলুব: ২/৮৩৭
৪. শীয়া ইছনা আশারিয়া সম্প্রদায়ের বহু কুফরী আকীদার মধ্যে একটি হচ্ছে, কুরআন পরিবর্তনের আকীদা। বাকের মজলিসী নিজ গ্রন্থে লিখেছেন যে, আল কুরআনে পরিবর্তন সাধিত হয়েছে এবং এ সম্পর্কিত দুই হাজারেরও বেশী রেওয়ায়েত রয়েছে, যেগুলো মশহুর পর্যায়ের। সূত্র: ফযলুল খেতাব পৃ. ২২৭
খোমেনী ও তার ইছনা আশারিয়া সম্প্রদায়ের এ সকল ভ্রান্ত আকীদার মাধ্যমে কুরআনের বহু আয়াত ও হাদীসে মুতাওয়াতিরকে মিথ্যা সাব্যস্ত করা হয়েছে। এ কারণে প্রত্যেকযুগের উলামায়ে কেরাম শীয়া ইছনা আশারিয়া ফেরকাকে কাফের বলে ফাতাওয়া দিয়েছেন। যেমন: ইবনে তাইমিয়া হাম্বলী রহ. কাজী ইয়াজ মালেকী রহ. বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানী রহ. কামাল ইবনে হুমাম হানাফী রহ. আল্লামা ইবনে আবেদীন শামী রহ. শাহ ওয়ালীউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলোবী রহ. এবং মুফতী মাহমূদ দেওবন্দী রহ. প্রমূখ উল্লেখযোগ্য।
মোটকথা, খোমেনী ও ইছনা আশারিয়া সম্প্রদায়ের উল্লেখিত বাতিল আকীদাসমূহের কারণে কুরআন, হাদীস ও ইজমায়ে উম্মতের দৃষ্টিতে ইছনা আশারিয়া সম্প্রদায় ইসলাম থেকে খারেজ এবং ইরানের বিপ্লব কোন ইসলামী বিপ্লব নয়; বরং সেটা নির্ভেজাল শিয়া বিপ্লব।
উপরে আমরা তাদের ভ্রান্ত আকীদাসমূহ হতে মাত্র হাতেগোনা কয়েকটি আকীদা উল্লেখ করেছি। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে পড়ুন:
হেদায়াতুশ শীয়া, লেখক: আল্লামা রশীদ আহমদ গাঙ্গুহী রহ.
ইরানী ইনকেলাব ইমাম খোমেনী ও শিয়া মতবাদ, লেখক: আল্লামা মনযূর নোমানী রহ.। বঙ্গানুবাদ মাওলানা মুহিউদ্দীন খান রহ.। জাওয়াহিরুল ফাতাওয়া, লেখক: মুফতী আব্দুস সালাম চাটগামী), ১/৩৬৮-৫০৫, তোহফায়ে ইছনা আশারিয়া, লেখক: শাহ আব্দুল আযীয মুহাদ্দিসে দেহলোবী রাহ., ফাতাওয়া শামী ৬/৩৭৮, ফতহুল কাদীর ১/৩০৪, ফাতাওয়া আলমগীরী ২/২৬৪, আল ফছল লি-ইবনে হাযাম ২/৭৮।

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية