📘 সহীহ শামায়েলে তিরমিযী > 📄 রাসূলুল্লাহ্ ﷺ কে স্বপ্নযোগে দর্শন

📄 রাসূলুল্লাহ্ ﷺ কে স্বপ্নযোগে দর্শন


স্বপ্ন এমন কিছু কল্পনা, যা আল্লাহ তা'আলা ঘুমন্ত অবস্থায় মানুষের অন্তরে সৃষ্টি করে দেন। অথবা ফেরেশতার মাধ্যমে কল্পনার উদ্রেক করান। আবার কখনো শয়তানের মাধ্যমে কল্পনার উদ্রেক হয় তাকে স্বপ্ন বলে। রাসূলুল্লাহ বলেন, স্বপ্ন তিন প্রকার- ১. ভালো স্বপ্ন তা আল্লাহর পক্ষ থেকে শুভ সংবাদ। ২. ভীতিকর স্বপ্ন যা শয়তানের প্রভাবে মানুষ দেখে। ৩. ঐ সমস্ত ধারণা, যা মানুষ জাগ্রত অবস্থায় করে থাকে ঘুমের ঘোরে তার পুনরাবৃত্তি ঘটে।
যে নবী কে স্বপ্নে দেখল যে বাস্তবেই নবীকে দেখল:
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ : مَنْ رَانِي فِي الْمَنَامِ فَقَدْ رَانِي فَإِنَّ الشَّيْطَانَ لَا يَتَمَثَّلُ بِي
৩১৩. আবদুল্লাহ ইবনে মাস'উদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ বলেন, যে ব্যক্তি আমাকে স্বপ্নে দেখল, সে যেন আমাকেই দেখল। কারণ, শয়তান আমার আকৃতি ধারণ করতে পারে না। ৩১৬
ব্যাখ্যা: রাসূলুল্লাহ জাগ্রত অবস্থায় যেমন শয়তানের প্রভাব থেকে মুক্ত, তেমনিভাবে ঘুমন্ত অবস্থাতেও তিনি শয়তানের প্রভাব থেকে মুক্ত। এমনকি তাঁর সুরতও শয়তানের প্রভাব থেকে সংরক্ষিত।
শয়তান রাসূলুল্লাহ এর রূপ ধারণ করতে পারে না:
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ : مَنْ رَآنِي فِي الْمَنَامِ فَقَدْ رَآنِي فَإِنَّ الشَّيْطَانَ لَا يَتَصَوَّرُ أَوْ قَالَ : لَا يَتَشَبَّهُ بِي
৩১৪. আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ বলেছেন, যে ব্যক্তি আমাকে স্বপ্নে দেখল, সে যেন আমাকেই দেখল। কারণ, শয়তান আমার স্বরূপ ধারণ করতে পারে না। ৩১৭
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ يَقُولُ : قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ : مَنْ رَآنِي فِي الْمَنَامِ فَقَدْ رَآنِي فَإِنَّ الشَّيْطَانَ لَا يَتَمَثَّلُنِي قَالَ أَبِي : فَحَدَّثْتُ بِهِ ابْنَ عَبَّاسٍ ، فَقُلْتُ : قَدْ رَأَيْتُهُ ، فَذَكَرْتُ الْحَسَنَ بْنَ عَلِي فَقُلْتُ : شَبَّهْتُهُ بِهِ ، فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ : إِنَّهُ كَانَ يُشْبِهُهُ
৩১৫. আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ বলেছেন, যে ব্যক্তি আমাকে স্বপ্নে দেখল, সে যেন আমাকেই দেখল। কারণ শয়তান আমার আকৃতি ধারণ করতে পারে না। (আসিম বর্ণনা করেন) আমার পিতা কুলায়ব বলেন, আমি এ হাদীস ইবনে আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলাম এবং বললাম, আমি রাসূলুল্লাহ -কে স্বপ্নে দেখেছি। তখন হাসান ইবনে আলী (রাঃ) এর কথা আমার স্মরণ হলে আমি বললাম, স্বপ্নের আকৃতিকে হাসানের আকৃতির সাথে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ পেলাম। ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ তাঁর সাদৃশই ছিলেন। ৩১৮
عَنْ يَزِيدَ الْفَارِسِي وَكَانَ يَكْتُبُ الْمَصَاحِفَ قَالَ : رَأَيْتُ النَّبِيَّ ﷺ فِي الْمَنَامِ زَمَنَ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ : فَقُلْتُ لِابْنِ عَبَّاسٍ : إِنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ فِي النَّوْمِ ، فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ : إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ كَانَ يَقُولُ : إِنَّ الشَّيْطَانَ لَا يَسْتَطِيعُ أَنْ يَتَشَبَّهَ بِي ، فَمَنْ رَآنِي فِي النَّوْمِ فَقَدْ رَآنِي ، هَلْ تَسْتَطِيعُ أَنْ تَنْعَتَ هُذَا الرَّجُلَ الَّذِي رَأَيْتَهُ فِي النَّوْمِ ؟ قَالَ : نَعَمْ ، أَنْعَتُ لَكَ رَجُلًا بَيْنَ الرَّجُلَيْنِ ، جِسْمُهُ وَلَحْمُهُ أَسْمَرُ إِلَى الْبَيَاضِ ، اَلْحَلُ الْعَيْنَيْنِ ، حَسَنُ الضَّحِكِ ، جَمِيلُ دَوَائِرِ الْوَجْهِ . مَلَاتٌ لِحْيَتُهُ مَا بَيْنَ هُذِهِ إِلى هُذِهِ . قَدْ مَلَاتُ نَحْرَةً قَالَ عَوْفٌ : وَلَا أَدْرِي مَا كَانَ مَعَ هُذَا النَّعْتِ فَقَالَ ابْنِ عَبَّاسٍ : لَوْ رَأَيْتَهُ فِي الْيَقَظَةِ مَا اسْتَطَعْتَ أَنْ تَنْعَتَهُ فَوْقَ هُذَا
৩১৬. ইয়াযীদ আল ফারিসী থেকে বর্ণিত। ইয়াযীদ, যিনি কুরআন লিখতেন। তিনি বলেন, আমি একবার রাসূলুল্লাহ ﷺ কে স্বপ্নে দেখলাম। ইবনে আব্বাস (রাঃ) তখনও জীবিত ছিলেন। আমি ইবনে আব্বাস (রাঃ)-কে বললাম, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ কে স্বপ্নে দেখেছি। ইবনে আব্বাস (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলতেন, শয়তান আমার আকৃতি ধারণ করতে সক্ষম নয়। যে আমাকে স্বপ্নে দেখে, সে প্রকৃতপক্ষে আমাকেই দেখে। [ইবনে আব্বাস (রাঃ) বললেন], তুমি যাকে স্বপ্নে দেখেছ তাঁর কিছু বিবরণ দিতে পার? আমি বললাম, হ্যাঁ। তাঁর দেহাকৃতি মধ্যম আকারের, গায়ের রং গৌর, তাতে সাদা অংশ বেশি। সুরমা মাখা চোখ, প্রফুল্ল মুখ, হাস্যোজ্জ্বল চেহারা, মুখভর্তি দাড়ি যা বুক পর্যন্ত পরিপূর্ণ ছিল। ইবনে আব্বাস (রাঃ) বললেন, তুমি যদি জাগ্রত অবস্থায় তাঁকে দেখতে, তাহলেও এর চেয়ে বেশি বলতে সক্ষম হতে না। ৩১৯
قَالَ أَبُو قَتَادَةَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ : مَنْ رَآنِي يَعْنِي فِي النَّوْمِ فَقَدْ رَأَى الْحَقَّ
৩১৭. আবু কাতাদা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি ঘুমের মধ্যে আমাকে দেখল, সে সত্যকেই দেখল। অর্থাৎ সে আমাকেই দেখল। ৩২০
মুমিনের সত্য স্বপ্ন নবুওয়াতের ৪৬ ভাগের ১ ভাগ:
عَنْ أَنَسٍ له : أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ : مَنْ رَانِي فِي الْمَنَامِ فَقَدْ رَانِي ، فَإِنَّ الشَّيْطَانَ لَا يَتَخَيَّلُ بِي وَقَالَ : وَرُؤْيَا الْمُؤْمِنِ جُزْءٌ مِنْ سِتَّةٍ وَأَرْبَعِينَ جُزْءًا مِنَ النُّبُوَّةِ
৩১৮. আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, যে ব্যক্তি ঘুমের অবস্থায় আমাকে দেখল, সে আমাকেই দেখল। কারণ শয়তান আমার আকৃতি ধারণ করতে পারে না। তিনি আরো বলেন, মুমিনের সত্য স্বপ্ন নবুওয়াতের ৪৬ ভাগের ১ ভাগ। ৩২১
ব্যাখ্যা: এখানে স্বপ্ন দ্বারা উদ্দেশ্য হলো নেক্কার মুমিন-মুমিনার স্বপ্ন। সুতরাং কাফির ও ফাসিকের স্বপ্ন নবুওয়াতের অংশ নয়। নবুওয়াতের অংশ বলতে ইলমে নবুওয়াতের অংশ বুঝানো হয়েছে।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِي قَالَ : سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ : قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ : إِذَا ابْتُلِيْتَ بِالْقَضَاءِ فَعَلَيْكَ بِالْأَثَرِ
৩১৯. মুহাম্মদ ইবনে আলী বলেন, আমি আমার আব্বাকে বলতে শুনেছি, তোমাকে যখন বিচারকের পদে অভিষিক্ত করা হয়, তখন রিওয়ায়াতের অনুসরণ করার চেষ্টা করো। ৩২২
ব্যাখ্যা: যেকোন বিষয়ের সমাধানের জন্য যথাসম্ভব কুরআন হাদীস থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে সাহাবা, তাবেঈন ও তাবে তাবেঈনদের বাণী ও জীবনাদর্শ থেকে সমাধা খুঁজতে হবে এবং তার অনুসরণ করতে হবে।
عَنِ ابْنِ سِيرِينَ قَالَ : هُذَا الْحَدِيثُ دِيْنٌ ، فَانْظُرُوا عَمَّنْ تَأْخُذُونَ دِينَكُمْ
৩২০. ইবনে সীরীন (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হাদীস শিক্ষা করা দীনের অন্তর্ভুক্ত। অতএব তা শিক্ষার আগে একটি বিচার্য বিষয় হলো, তুমি দেখে নাও যে, কার কাছ থেকে এ দীন শিক্ষা করছ। ৩২৩
ব্যাখ্যা: দ্বীনের কোন কিছু গ্রহণ করার ক্ষেত্রে অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে যে, কার থেকে এই দীনী বিষয় গ্রহণ করা হচ্ছে। ফাসেক ফুজ্জার বা বিদআতীর কাছ থেকে দ্বীনের নামে বদ দ্বীনী যেন গ্রহণ করা না হয়। ইমাম তিরমিযী (রহঃ) বিখ্যাত দু'জন মুহাদ্দিসের দুটি গুরুত্বপূর্ণ উক্তির দ্বারা কিতাব সমাপ্ত করেছেন।
প্রথম উক্তি আবদুল্লাহ ইবনে মুবারক (রহঃ) এর। ইবনুল মুবারাক বলেন, বিচার ও ফায়সালার ক্ষেত্রে নিজের রায় ও মতের উপর নির্ভর করবে না; হাদীস, সাহাবী বরং তাবিয়ীদের উক্তির অনুসরণ করবে। এটি একটি সাধারণ উপদেশ হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে। আবার স্বপ্নের অনুচ্ছেদের সাথেও একে সম্পৃক্ততাও করা যেতে পারে। অর্থাৎ স্বপ্নের ব্যাখ্যাও এক ধরনের বিচার। তাই স্বপ্নের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে যা মন চায়, তা বলে দেয়া ঠিক হবে না; বরং পূর্বসূরীদের ব্যাখ্যার আলোকে ব্যাখ্যা করা উচিত। মুহাম্মাদ ইবনে সীরীন (রহঃ) ছিলেন একজন বিখ্যাত তাবিয়ী এবং তা'বীর শাস্ত্র তথা স্বপ্নের ব্যাখ্যায় তিনি ছিলেন প্রসিদ্ধ। তার এ উক্তির উদ্দেশ্য হলো, ইলমে হাদীস দ্বীনের অন্তর্ভুক্ত বিষয়। আর দ্বীন অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
কেননা এর উপর মানুষের নীতি-আদর্শ নির্ভর করে। কারো দীন সঠিক না হলে তার পরকালে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অতএব, দীন গ্রহণ করার পূর্বে লক্ষ্য করতে হবে, যার নিকট থেকে দীন গ্রহণ করা হচ্ছে, তিনি মুত্তাকী এবং হক্বপন্থী কি না? যে কারো থেকে দীন গ্রহণ করা ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ উস্তাদের আক্বীদা, আমল ও আখলাকের প্রভাব ছাত্রের উপর পড়াটা স্বাভাবিক।
উপসংহার রাসূলুল্লাহ এর একটি উদাহরণ: জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী নিদ্রিত ছিলেন, এমতাবস্থায় তাঁর নিকট কয়েকজন ফেরেশতা আগমন করলেন। তারা পরস্পরে বলাবলি করতে লাগলেন। কেউ বলল, তিনি নিদ্রিত, আর কেউ বলল, তাঁর চক্ষু নিদ্রিত, কিন্তু হৃদয় জাগ্রত। অতঃপর কয়েকজন বলল, তোমাদের এ সাথীর (নবী এর) একটি উদাহরণ আছে। কেউ বলল, তাহলে সে উদাহরণটি বর্ণনা করুন। তাদের কেউ বলল, তিনি তো নিদ্রিত, আবার কেউ বলল, তাঁর চক্ষু নিদ্রিত কিন্তু অন্তর জাগ্রত। অতঃপর তারা বলল, তাঁর উদাহরণ হচ্ছে ঐ ব্যক্তির ন্যায়, যে একটি গৃহ নির্মাণ করল। অতঃপর সেখানে যিয়াফাতের আয়োজন করল। আর একজন আহ্বানকারী প্রেরণ করল, অতঃপর যে সে আহ্বানকারীর দাওয়াত গ্রহণ করে উপস্থিত হলো, সে গৃহে প্রবেশ করে যিয়াফাতের খানা খেয়ে নিল। আর যে দাওয়াত গ্রহণ করল না সে গৃহেও প্রবেশ করতে পারল না, খেতেও পারল না। তারা বলল, এ উদাহরণের ব্যাখ্যা খুলে বলুন, যেন তিনি বুঝতে পারেন। কেউ বলল, তিনি তো নিদ্রায় মগ্ন আছেন (কীভাবে বুঝবেন)। আবার কেউ বলল, তাঁর শুধুমাত্র চক্ষুই নিদ্রিত, অন্তর জাগ্রত আছে। তারপর তারা ব্যাখ্যা করে বলল, গৃহ মানে জান্নাত, আর আহ্বানকারী হলেন মুহাম্মাদ। তাই যে ব্যক্তি মুহাম্মাদ এর অনুসরণ করল সে যেন আল্লাহর আনুগত্য করল। আর যে ব্যক্তি মুহাম্মাদকে অমান্য করল, বস্তুত সে আল্লাহকেই অমান্য করল। (সহীহ বুখারী, হা/৭২৮১)
سُبْحَانَ رَبِّكَ رَبِّ الْعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُوْنَ - وَسَلَامٌ عَلَى الْمُرْسَلِيْنَ - وَالْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ
সমাপ্ত

টিকাঃ
৩১৬ সহীহ বুখারী, হা/৬৯৯৪; সহীহ মুসলিম, হা/৬০৫৬; ইবনে মাজাহ, হা/৩৯০১; মুসনাদে আহমাদ, হা/৪১৯৩; দারেমী, হা/২১৮৫; জামেউস সগীর, হা/১১২০২।
৩১৭ মুসনাদে আহমাদ, হা/৯৩০৫।
৩১৮ মুসনাদে আহমাদ, হা/৮৪৮৯; মুস্তাদরাকে হাকেম, হা/৮১৮৬; মুসনাদে ইসহাক ইবনে রাহওয়াই, হা/২৬১।
৩১৯ মুসনাদে আহমাদ, হা/৩৪১০; মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা, হা/৩২৪৬৯।
৩২০ সহীহ বুখারী, হা/৬৯৯৬; সহীহ মুসলিম, হা/৬০৫৮; মুসনাদে আহমাদ, হা/৭৫৪৪; সহীহ ইবনে হিব্বান, হা/৬০৫১; দারেমী, হা/২১৪০; শারহুস সুন্নাহ, হা/৩২৮৭; জামেউস সগীর, হা/১১১৯৮।
৩২১ মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হা/১৭১৩; সহীহ বুখারী, হা/৬৯৯৪; সহীহ মুসলিম, হা/৬০৪৬; আবু দাউদ, হা/৫০২০; ইবনে মাজাহ, হা/৩৮৯৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/২২৭৭৪; জামেউস সগীর হা/৫৮৩৯।
৩২২ আল মাজালিসাতু ওয়া জাওয়াহিরুল ইলম, হা/৩২৬।
৩২৩ সহীহ মুসলিম, হা/২৬; দারেমী, হা/৪২৪।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00