📄 নবী ﷺ ডান হাতে আংটি পরিধান করতেন
রাসূলুল্লাহ ﷺ আংটি ডান ও বাম হাতে পরিধান করতেন- এ সম্পর্কে উভয় ধরনের হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম বুখারী (রহঃ) ও ইমাম তিরযিমী (রহঃ) এর মতে ডান হাতে আংটি পরিধান করার হাদীস প্রাধান্যযোগ্য। তবে এ অধ্যায়ে ইমাম তিরমিযীর শিরোণাম থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায়, তিনি ডান হাতে পরিধান করার হাদীসসমূহকে প্রাধান্য দিয়েছেন।
নবী ﷺ ডান হাতে আংটি পরিধান করতেন:
عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ لَهُ : أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ كَانَ يَلْبَسُ خَاتَمَهُ فِي يَمِينِهِ
৭৫. আলী ইবনে আবু তালেব (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী ﷺ ডান হাতে আংটি পরিধান করতেন। ৭৭
সাহাবীগণও তাঁর অনুসরণে ডান হাতে আংটি পরিধান করতেন:
عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ ، قَالَ : رَأَيْتُ ابْنَ أَبِي رَافِعٍ ، يَتَخَتَّمُ فِي يَمِينِهِ فَسَأَلْتُهُ عَنْ ذُلِكَ فَقَالَ : رَأَيْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ جَعْفَرٍ يَتَخَتَّمُ فِي يَمِينِهِ ، وَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ : كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ يَتَخَتَمُ فِي يَمِينِهِ
৭৬. হাম্মাদ ইবনে সালামা (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবু রাফি'কে ডান হাতে আংটি পরিধান করতে দেখে কারণ জিজ্ঞেস করলাম। জবাবে তিনি বললেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনে জাফরকে ডান হাতে আংটি পরিধান করতে দেখেছি। আর আবদুল্লাহ ইবনে জাফর (রাঃ) বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ কে ডান হাতে আংটি পরিধান করতে দেখেছেন। ৭৮
عَنِ الصَّلَتِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ : كَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ ، يَتَخَتَمُ فِي يَمِينِهِ وَلَا إِخَالُهُ إِلَّا قَالَ : كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ يَتَخَتَمُ فِي يَمِينِهِ
৭৭. সালত ইবনে আবদুল্লাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনে আব্বাস (রাঃ) তাঁর ডান হাতে আংটি পরিধান করতেন। আমার যতদূর মনে পড়ে তিনি শুধু বলেছিলেন, রাসূলুল্লাহ ডান হাতে আংটি পরিধান করতেন।
রাসূলুল্লাহ এর আংটির পাথরটি হাতের তালুর দিকে সন্নিহিত করে রাখতেন :
عَنِ ابْنِ عُمَرَ : أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ اِتَّخَذَ خَاتَمًا مِنْ فِضَّةٍ ، وَجَعَلَ فَضَةً مِمَّا يَلِي كَفَّهُ ، وَنَقَشَ فِيْهِ مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللهِ ، وَنَهَى أَنْ يَنْقُشَ أَحَدٌ عَلَيْهِ وَهُوَ الَّذِي سَقَطَ مِنْ مُعَيُقِيبٍ فِي بِثْرِ أَرِيسٍ
৭৮. ইবনে উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ একটি রৌপ্যের আংটি তৈরি করান, যার পাথর স্থাপিত দিকটি তাঁর হাতের তালুর দিকে সন্নিহিত করে রাখেন। এ আংটিতে তিনি 'মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ' অংকিত করান। তবে অন্য কাউকে তা অংকিত করার ব্যাপারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। ঐ আংটিটি মু'আয়কীবের হাত থেকে আরীস কূপে পড়ে যায়। ১৭৯
হাসান ও হুসাইন (রাঃ) বাম হাতে আংটি পরিধান করতেন :
عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ ، عَنْ أَبِيْهِ قَالَ : كَانَ الْحَسَنُ وَالْحُسَيْنُ يَتَخَتَمَانِ فِي يَسَارِهِمَا
৭৯. জাফর ইবনে মুহাম্মাদ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি তাঁর পিতার হতে বর্ণনা করেন যে, হাসান ও হুসাইন (রাঃ) বাম হাতে আংটি পরিধান করতেন।৮০
স্বর্ণের আংটি ব্যবহার করা যাবে না :
عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، قَالَ : اتَّخَذَ رَسُولُ اللهِ ﷺ خَاتَمًا مِنْ ذَهَبٍ ، فَكَانَ يَلْبَسُهُ فِي يَمِينِهِ . فَاتَّخَذَ النَّاسُ خَوَا تِيمَ مِنْ ذَهَبٍ فَطَرَحَهُ وَقَالَ : لَا الْبَسُةَ أَبَدًا فَطَرَحَ النَّاسُ خَوَاتِيْمَهُمْ
৮০. ইবনে উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ একটি স্বর্ণের আংটি তৈরি করান। তিনি তা ডান হাতে পরিধান করতেন। সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ)ও তাঁর দেখাদেখি স্বর্ণের আংটি তৈরি করান। এক পর্যায়ে তিনি স্বর্ণের আংটিটি খুলে ফেলেন এবং বলেন, আমি কখনো তা পরিধান করব না। অতঃপর সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ)ও তাঁদের আংটি খুলে ফেলেন।১
ব্যাখ্যা: ইসলামের প্রাথমিক যুগে স্বর্ণের ব্যবহার বৈধ ছিল। এজন্য রাসূলুল্লাহ প্রথমে স্বর্ণের আংটি তৈরি করান এবং পরিধান করেন। অতঃপর সাহাবীগণও তাঁর অনুসরণে স্বর্ণের আংটি তৈরি করান। যখন স্বর্ণের ব্যবহার পুরুষের জন্য নিষিদ্ধ হয়, রাসূলুল্লাহ তখন সে আংটিটি খুলে ফেলেন এবং সাহাবীগণও খুলে ফেলেন।
টিকাঃ
৭৭ আবু দাউদ, হা/৪২২৮: সুনানে নাসাঈ, হা/৫২০৩; সুনানে কুবরা লিন নাসাঈ, হা/৯৪৫৮; ইবনে হিব্বান, হা/৫৫০১।
৭৮ মুসনাদে আহমাদ, হা/১৭৪৬; শারহুস সুন্নাহ, হা/৩১৪২।
১৭৯ সহীহ মুসলিম, হা/৫৫৯৮; মুস্তাখরাজে আবু 'আওয়ানা, হা/৬৯৮৬; শারহুস সুন্নাহ, হা/১৩৩৩; মুসনাদে হুমায়দী, হা/৭০৯।
৮০ মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা, হা/২৫৬৭৩; শারহুস সুন্নাহ, হা/৩১৪৭।
৮১ শারহুস সুন্নাহ, হা/৩১২৯।
📄 রাসূলুল্লাহ্ ﷺ এর তরবারির বিবরণ
রাসূলুল্লাহ সবসময় যে তরবারি ব্যবহার করতেন, তার নাম ছিল যুলফিকার বা যুলফাকার। এ ছাড়াও রাসূলুল্লাহ এর আরো কয়েকটি তরবারি ছিল। সেগুলো হলো, ১. আল মাসূর (উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত)।৮২ ২. আল কাযীব (মারাত্মক ধারাল)। ৩. আল বাত্তার (সর্বাধিক কর্তনকারী)। ৪. আল লাহীফ (বেষ্টনকারী)।
عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : كَانَتْ قَبِيعَةُ سَيْفِ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ مِنْ فِضَّةٍ
৮১. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ এর তরবারির বাটের অগ্রভাগ ছিল রৌপ্যের দ্বারা তৈরিকৃত।৮৩
ব্যাখ্যা: উল্লেখিত তরবারিটি ছিল যুলফিকার। মক্কা বিজয়ের দিন এটা রাসূলুল্লাহ এর সাথে ছিল।
টিকাঃ
৮২ এটি তিনি পিতার উত্তরাধিকারসূত্রে লাভ করেন। এ তরবারিটি তাঁর প্রথম তরবারি ছিল।
৮৩ আবু দাউদ, হা/২৫৮৫: সুনানে কুবরা লিল বায়হাকী, হা/৭৮২০।
📄 রাসূলুল্লাহ্ ﷺ এর যুদ্ধের পোশাকের বিবরণ
بَابُ مَا جَاءَ فِي صِفَةِ دِرْعِ رَسُولِ اللهِ ﷺ
অধ্যায়- ১৫: রাসূলুল্লাহ এর যুদ্ধের পোশাকের বিবরণ
রাসূলুল্লাহ এর যুগে যুদ্ধের পোশাক বলতে লৌহবর্মকেই বুঝানো হতো। লৌহবর্ম হচ্ছে, এক ধরনের লোহার জামা, যা তরবারির ও তীরের আঘাত থেকে বাঁচার জন্য যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহার করা হতো। বর্তমানে এগুলো অনেক যাদুঘরেই সচরাচর দেখতে পাওয়া যায়।
عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ ﷺ قَالَ : كَانَ عَلَى النَّبِيِّ ﷺ يَوْمَ أُحُدٍ دِرْعَانِ ، فَنَهَضَ إِلَى الصَّخْرَةِ فَلَمْ يَسْتَطِعْ ، فَأَقْعَدَ طَلْحَةَ تَحْتَهُ ، وَصَعِدَ النَّبِيُّ ﷺ حَتَّى اسْتَوَى عَلَى الصَّخْرَةِ قَالَ : سَمِعْتُ النَّبِيَّ ﷺ يَقُولُ : أَوْجَبَ طَلْحَةُ
৮২. যুবায়ের ইবনে আওয়াম (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উহুদ যুদ্ধের দিন নবী ﷺ দুটি লৌহবর্ম পরিহিত ছিলেন। তিনি পর্বত শৃঙ্গে উঠতে চাইলেন কিন্তু (মারাত্মক জখম হওয়ায়) তা পারলেন না। তাই তিনি তালহা (রাঃ) এর উপর ভর করে পর্বত শৃঙ্গে উঠলেন। বর্ণনাকারী বলেন, এ সময় আমি নবী ﷺ-কে বলতে শুনেছি, তালহা (আমার শাফায়াত অথবা জান্নাত) ওয়াজিব করে নিল।
ব্যাখ্যা: তালহা (রাঃ) এর উহুদ যুদ্ধে অসাধারণ আত্মত্যাগে সন্তুষ্ট হয়ে রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, তালহা এমন কাজ করল, যার দ্বারা তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে গেল। সে কাজটি ছিল এই যে, তিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ কে পাথরে উঠতে সহায়তা করে ছত্রভঙ্গ মুসলমানদেরকে একত্র করার সুযোগ করে দিলেন। তাছাড়া তিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে শত্রুদের আঘাত থেকে রক্ষা করতে গিয়ে শত্রুর তীরের আঘাতে জর্জরিত হন। তাঁর শরীরে আশিটিরও বেশি আঘাতের চিহ্ন ছিল। তাঁর একটি হাতও অবশ হয়ে যায়।
عَنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ ﷺ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ كَانَ عَلَيْهِ يَوْمَ أُحُدٍ دِرْعَانِ ، قَدْ ظَاهَرَ بَيْنَهُمَا
৮৩. সায়িব ইবনে ইয়াযীদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উহুদ যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর দেহে দুটি লৌহবর্ম ছিল। তিনি ঐ দুটির একটিকে অপরটির উপর পরিধান করেছিলেন।
টিকাঃ
⁸⁴ সহীহ ইবনে হিব্বান, হা/৬৯৭৯; মুসনাদুল বাযযার, হা/৩৭২; মুস্তাদরাকে হাকেম, হা/৫৬০২; সিলসিলা সহীহাহ, হা/৯৪৫; মিশকাত, হা/৬১১২।
⁸⁵ ইবনে মাজাহ, হা/২৮০৬; শারহুস সুন্নাহ, হা/২৬৫৮; মিশকাত, হা/৩৮৮৬।
📄 রাসূলুল্লাহ্ ﷺ এর হেলমেট (শিরস্ত্রাণ) এর বিবরণ
بَابُ مَا جَاءَ فِي صِفَةٍ مِغْفَرِ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ
অধ্যায়-১৬: রাসূলুল্লাহ ﷺ এর হেলমেট (শিরস্ত্রাণ) এর বিবরণ
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ الله : أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ دَخَلَ مَكَّةَ وَعَلَيْهِ مِغْفَرْ ، فَقِيلَ لَهُ : هَذَا ابْنُ خَطَلٍ مُتَعَلِّقَ بِأَسْتَارِ الْكَعْبَةِ ، فَقَالَ : اقْتُلُوهُ
৮৪. আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী শিরস্ত্রাণ পরিহিত অবস্থায় মক্কায় (বিজয়ী বেশে) প্রবেশ করেন। তখন তাঁকে বলা হলো, ঐ যে ইবনে খাতাল কাবাগৃহের গিলাফ ধরে ঝুলছে। তিনি বললেন, তোমরা তাকে হত্যা করো।
ব্যাখ্যা: ইবনে খাতালকে যে কারণে হত্যা করা হয়: জাহেলী যুগে তার নাম ছিল আবদুল উজ্জা। সে মদিনায় এসে ইসলাম কবুল করলে তার নাম রাখা হয় আবদুল্লাহ। রাসূলুল্লাহ তাকে এক এলাকায় যাকাত আদায় করার জন্য নিযুক্ত করেন। তার সহযোগী একজন মুসলিম গোলাম ছিল। খাবার তৈরি করতে একটু দেরী হওয়ায় সে ক্ষিপ্ত হয়ে গোলামটিকে মেরে ফেলে এবং পালিয়ে মক্কায় গিয়ে ধর্মত্যাগী বা মুরতাদ হয়ে যায়। তাই মক্কা বিজয়ের দিন এ পাপিষ্ঠের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। তৎকালীন সময়ে আরবের মুশরিকরা কাবা ঘরের প্রতি পরম সম্মান প্রদর্শন করত। কোন অপরাধী কাবা ঘরের চাদর ধরে থাকলে তাকে নিরাপত্তা দেয়া হতো। নিয়মানুযায়ী নিরাপত্তার আশায় ইবনে খাতাল ঐ সময় কাবার গিলাফ ধরে থাকে। রাসূলুল্লাহ তাকে হত্যার আদেশ দিলে সাহাবীগণ তাকে যম্যম্ কূপ ও মাকামে ইব্রাহীমের মধ্যবর্তী স্থানে এনে হত্যা করেন।
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ دَخَلَ مَكَّةَ عَامَ الْفَتْحِ ، وَعَلَى رَأْسِهِ الْمِغْفَرُ قَالَ : فَلَمَّا نَزَعَهُ جَاءَهُ رَجُلٌ ، فَقَالَ لَهُ : ابْنُ خَطَلٍ مُتَعَلِّقٌ بِأَسْتَارِ الْكَعْبَةِ فَقَالَ : اقْتُلُوهُ. قَالَ ابْنُ شِهَابٍ : وَبَلَغَنِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ لَمْ يَكُنْ يَوْمَئِذٍ مُحْرِمًا
৮৫. আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মক্কা বিজয়ের বছর রাসূলুল্লাহ তাঁর মাথায় হেলমেট পরিধান করে মক্কায় প্রবেশ করেন। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর তিনি তা খুলে রাখেন। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে সংবাদ দিল যে, ইবনে খাতাল কাবা ঘরের গিলাফ ধরে ঝুলছে। তিনি বললেন, তোমরা তাকে হত্যা করো।
ইবনে শিহাব (রহঃ) বলেন, এ মর্মে আমার নিকট হাদীস পৌঁছেছে যে, রাসূলুল্লাহ সে দিন ইহরাম অবস্থায় ছিলেন না।
টিকাঃ
⁸⁶ সহীহ বুখারী, হা/১৮৪৬; সহীহ মুসলিম, হা/৩৩৭৪; আবু দাউদ, হা/২৬৮৭; নাসাঈ, হা/২৮৬৭; মুসনাদে আহমাদ, হা/১২০৮৭; ইবনে খুযাইমা, হা/৩০৬৩; ইবনে হিব্বান, হা/৩৭১৯; মুসনাদে বাযযার, হা/৬২৯০।
⁸⁷ মুয়াত্তা মালেক, হা/৯৪৬; সহীহ বুখারী, হা/৪২৪৬; মুসnaদে আহমাদ, হা/১০৯৫৫।