📄 ব্যক্তির উত্তম ইসলাম সম্পর্কে
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا أَحْسَنَ أَحَدُكُمْ إِسْلَامَهُ: فَكُلُّ حَسَنَةٍ يَعْمَلُهَا تُكْتَبُ لَهُ بِعَشْرِ أَمْثَالِهَا إِلَى سَبْعِ مِائَةِ ضِعْفٍ، وَكُلُّ سَيِّئَةٍ يَعْمَلُهَا تُكْتَبُ لَهُ بِمِثْلِهَا».
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "তোমাদের মধ্যে কেউ যখন উত্তমরূপে ইসলামের ওপর কায়েম থাকে তখন সে যে ভালো আমল করে তার প্রত্যেকটির বিনিময়ে সাতশ গুণ পর্যন্ত (সাওয়াব) লেখা হয়। আর সে যে মন্দ কাজ করে তার প্রত্যেকটির বিনিময়ে তার জন্য ঠিক ততটুকুই মন্দ লেখা হয়”।
মুত্তাফাকুন 'আলাইহি, সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৪২; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১২৯।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنْ مِنْ حُسْنِ إِسْلَامِ الْمَرْءِ تَرْكُهُ مَا لَا يَعْنِيهِ».
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "ব্যক্তির ইসলামী সৌন্দর্য ও গুণের অন্যতম হলো অনর্থক বিষয় পরিত্যাগ করা”।
হাসান, তিরমিযী, হাদীস নং ২৩১৭; ইবন মাজাহ, হাদীস নং ৩৯৭৬; ইবন হিব্বান, হাদীস নং ২২৯।
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا أَسْلَمَ الْعَبْدُ فَحَسُنَ إِسْلَامُهُ، كَتَبَ اللَّهُ لَهُ كُلَّ حَسَنَةٍ كَانَ أَزْلَفَهَا، وَمُحِيَتْ عَنْهُ كُلُّ سَيِّئَةٍ كَانَ أَزْلَفَهَا، ثُمَّ كَانَ بَعْدَ ذَلِكَ الْقِصَاصُ الْحَسَنَةُ بِعَشْرَةِ أَمْثَالِهَا إِلَى سَبْعِ مِائَةِ ضِعْفٍ، وَالسَّيِّئَةُ بِمِثْلِهَا إِلَّا أَنْ يَتَجَاوَزَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ عَنْهَا».
আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "যখন কোনো ব্যক্তি উত্তমরূপে ইসলাম গ্রহন করে, তখন আল্লাহ তা'আলা তার ঐ সকল সৎকর্ম লিখে নেন, যা সে পূর্বে করেছিল, আর সেই সকল পাপ মুছে ফেলেন যাতে অতীতে লিপ্ত হয়েছিল। এরপর তার হিসাব এইভাবে লিখিত হয় যে, তার প্রত্যেক সাওয়াবের পরিবর্তে দশ হতে সাতশত গুণ পর্যন্ত সাওয়াব লেখা হয়। আর প্রত্যেক পাপ শুধু অতটুকুই লেখা হয়, যা সে করে; যদি আল্লাহ ক্ষমা না করেন”।
সহীহ, নাসায়ী, হাদীস নং ৪৯৯৮।
📄 নসিহত দীনের মূলস্তম্ভ ও ভিত্তি
عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: بَايَعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى إِقَامِ الصَّلَاةِ وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ، وَالنُّصْحِ لِكُلِّ مُسْلِمٍ».
জারীর ইবন আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, "আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাতে বায়'আত গ্রহণ করেছি সালাত কায়েম করার, যাকাত দেওয়ার এবং সকল মুসলিমের কল্যাণ কামনা করার ওপর”।
মুত্তাফাকুন 'আলাইহি, সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৭; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৬।
عَنْ جَرِيرٍ، قَالَ: «بَايَعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى السَّمْعِ وَالطَّاعَةِ - فَلَقَنَنِي - فِيمَا اسْتَطَعْتُ، وَالنَّصْحِ لِكُلِّ مُسْلِمٍ».
জারীর ইবন আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, "আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে তাঁর কথা শোনা, তাঁর আনুগত্য করা ও প্রত্যেক মুসলিমের জন্য কল্যাণ কামনার ব্যাপারে বায়'আত গ্রহণ করলাম। তিনি আমাকে এ কথা বলতে শিখিয়ে দিলেন যে, আমার সাধ্যের আওতাভুক্ত বিষয়ে (অর্থাৎ একথাটি যেন বলি)"।
সহীহ বুখারীতে এসেছে, عَلَيْكُمْ بِاتَّقَاءِ اللَّهِ وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ، وَالْوَفَّارِ، وَالسَّكِينَةِ، حَتَّى يَأْتِيَكُمْ أَمِيرُ، فَإِنَّمَا يَأْتِيكُمُ الآنَ. ثُمَّ قَالَ: اسْتَعْفُوا لِأَمِيرِكُمْ، فَإِنَّهُ كَانَ يُحِبُّ العَفْوَ ، ثُمَّ قَالَ: أَمَّا بَعْدُ، فَإِنِّي أَتَيْتُ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُلْتُ: أَبَايِعُكَ على الإسلام فَشَرَطَ عَلَى: وَالنِّصْحِ لِكُلِّ مُسْلِمٍ فَبَايَعْتُهُ عَلَى هَذَا، وَرَبَّ هَذَا المَسْجِدِ إِنِّي لَنَاصِحُ لَكُمْ، ثُمَّ اسْتَغْفَرَ وَنَزَلَ».
"তোমাদের ওপর কর্তব্য হচ্ছে তাকওয়া অবলম্বন করা এক আল্লাহর ব্যাপারে যাঁর কোনো শরীক নাই এবং নতুন কোনো আমীর না আসা পর্যন্ত শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, অনতিবিলম্বে তোমাদের আমীর আসবেন। এরপর জারীর রাদিয়াল্লাহু 'আনহু বললেন, তোমাদের আমীরের জন্য মাগফিরাত কামনা করো; কেননা তিনি ক্ষমা করা ভালোবাসতেন। তারপর বললেন, একবার আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বললাম, আমি আপনার কাছে ইসলামের বায়'আত গ্রহণ করতে চাই। তিনি (অন্যান্য বিষয়ের সাথে) আমার উপর শর্ত আরোপ করলেন, আর সকল মুসলিমের কল্যাণ কামনা করবে। তারপর আমি তাঁর কাছে এ শর্তের উপর বায়'আত গ্রহণ করলাম। এ মসজিদের রবের কসম! আমি তোমাদের কল্যাণকামী। এরপর তিনি আল্লাহর কাছে মাগফিরাত কামনা করলেন এবং (মিম্বার থেকে) নেমে গেলেন”।
সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৮।
عَنْ تَمِيمِ الدَّارِيَّ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «الدِّينُ النَّصِيحَةُ» قُلْنَا: لِمَنْ؟ قَالَ: «لِلَّهِ وَلِكِتَابِهِ وَلِرَسُولِهِ وَلِأَئِمَّةِ الْمُسْلِمِينَ وَعَامَّتِهِمْ».
তামীম আদ-দারী রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "কল্যাণ কামনাই দীন। আমরা বললাম, কার জন্য কল্যাণ কামনা? তিনি বললেন, আল্লাহর, তাঁর কিতাবের, তাঁর রাসূলের, মুসলিম শাসক এবং মুসলিম জনগণের”।
সহীহ, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৫।
📄 মৃত্যুর সময় উপস্থিত হলে ইসলাম গ্রহণ করলে সহীহ হওয়ার দলিল, যতক্ষণ মৃত্যুর বড় নিশ্বাস শুরু না হয়
عَنْ المُسَيِّب بن حزن، قَالَ: لَمَّا حَضَرَتْ أَبَا طَالِبِ الوَفَاةُ دَخَلَ عَلَيْهِ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَعِنْدَهُ أَبُو جَهْلٍ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي أُمَيَّةَ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " أَيْ عَمَّ، قُلْ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ أَحَاجُ لَكَ بِهَا عِنْدَ اللَّهِ " ، فَقَالَ أَبُو جَهْلٍ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي أُمَيَّةَ: يَا أَبَا طَالِبٍ أَتَرْغَبُ عَنْ مِلَّةِ عَبْدِ المُطَّلِبِ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: الْأَسْتَغْفِرَنَّ لَكَ مَا لَمْ أَنْهَ عَنْكَ، فَنَزَلَتْ: مَا كَانَ لِلنَّبِيِّ وَالَّذِينَ ءَامَنُوا أَن يَسْتَغْفِرُوا لِلْمُشْرِكِينَ وَلَوْ كَانُوا أُوْلِي قُرْبَى مِنْ بَعْدِ مَا تَبَيَّنَ لَهُمْ أَنَّهُمْ أَصْحَابُ الْجَحِيمِ) [التوبة: ١١٣]
মুসাইয়্যিব রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, "যখন আবু তালিবের মৃত্যুর আলামত দেখা দিলো তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কাছে গেলেন। এ সময় আবু জাহাল এবং আব্দুল্লাহ ইবন আবু উমাইয়াও সেখানে বসা ছিলো। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে চাচা! আপনি পড়ুন 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ'। আপনার মুক্তির জন্য আল্লাহর নিকট আবেদন পেশ করবো। এ কথা শুনে আবু জাহাল ও আব্দুল্লাহ ইবন আবু উমাইয়া বলল, হে আবু তালিব! তুমি কি মৃত্যুর সময় (তোমার পিতা) আব্দুল মুত্তালিবের ধর্ম ত্যাগ করতে চাও? রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে চাচা! আমি আপনার জন্য আল্লাহর তরফ থেকে যতোক্ষণ আমাকে নিষেধ না করা হবে ততোক্ষণ ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকবো। তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয়।
"নবী ও মুমিনদের জন্য উচিত নয় যে, তারা মুশরিকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবে। যদিও তারা আত্মীয় হয়। তাদের নিকট এটা স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার পর যে, নিশ্চয় তারা প্রজ্বলিত আগুনের অধিবাসী”। [সূরা আত-তাওবাহ, আয়াত: ১১৩]
মুত্তাফাকুন 'আলাইহি, সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৪৬৭৫; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৪/৪০। হাদীসের শব্দ বুখারীর চয়নকৃত।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِعَمِّهِ عِنْدَ الْمَوْتِ: " قُلْ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، أَشْهَدُ لَكَ بِهَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ، فَأَبَى، فَأَنْزَلَ اللهُ: «إِنَّكَ لَا تَهْدِي مَنْ أَحْبَبْتَ [القصص: [৫৬
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, "রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার চাচা আবু তালিবের অন্তিমকালে তাকে বলেছিলেন, আপনি 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলুন, কিয়ামত দিবসে আমি আপনার জন্য এর সাক্ষ্য দিবো; কিন্তু তিনি অস্বীকার করলেন। তখন আল্লাহ নাযিল করেন, "নিশ্চয় আপনি যাকে ভালোবাসেন তাকে হিদায়াত দিতে পারবেন না”। [সূরা আল-কাসাস, আয়াত: ৫৬] সহীহ, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৫। সহীহ মুসলিমের অন্য বর্ণনায় এসেছে, আবু তালিব বলল, لَوْلَا أَنْ تُعَيَّرَنِي قُرَيْشُ، يَقُولُونَ: إِنَّمَا حَمَلَهُ عَلَى ذَلِكَ الْجَزَعُ لَأَقْرَرْتُ بِهَا عَيْنَكَ».
আবু তালিব বললেন, "কুরাইশ কর্তৃক এরূপ দোষারোপ করার আশঙ্কা যদি না থাকত, তাহলে আমি কালিমা তাওহীদ পাঠ করে তোমার চোখ জুড়াতাম”। সহীহ, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৫।
📄 ঈমানের স্বাদ অন্তরের সাথে মিশে গেলে কেউ তা অপছন্দ করে না
عن عَبْدِ اللهِ بن عَبَّاسٍ أَخْبَرَ أَنَّ أَبَا سُفْيَانَ أَخْبَرَهُ، أَنَّ هِرَقْلَ، قَالَ لَهُ: سَأَلْتُكَ هَلْ يَزِيدُونَ أَمْ يَنْقُصُونَ؟ فَزَعَمْتَ أَنَّهُمْ يَزِيدُونَ، وَكَذَلِكَ الإِيمَانُ حَتَّى يَتِمَّ، وَسَأَلْتُكَ هَلْ يَرْتَدُّ أَحَدٌ سَخْطَةٌ لِدِينِهِ بَعْدَ أَنْ يَدْخُلَ فِيهِ؟ فَزَعَمْتَ أَنْ لاَ ، وَكَذَلِكَ الإِيمَانُ، حِينَ تُخَالِطُ بَشَاشَتُهُ القُلُوبَ لَا يَسْخَطُهُ أَحَدٌ».
আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সুফিয়ান আমার কাছে বর্ণনা করেন যে, "হিরাকল তাকে বলেছিলেন, আমি তোমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম তারা (ঈমানদারগণ) সংখ্যায় বাড়ছে না কমছে? তুমি উত্তর দিয়েছিলে, তারা সংখ্যায় বাড়ছে। প্রকৃতপক্ষে ঈমানের ব্যাপার এরূপই থাকে যতক্ষণ তা তা পূর্ণতা লাভ করে। আর আমি তোমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, কেউ তাঁর দীন গ্রহণ করার পর তা অপছন্দ করে মুরতাদ হয়ে যায় কি-না? তুমি জবাব দিয়েছো, 'না।' প্রকৃত ঈমান এরূপই, ঈমানের স্বাদ অন্তরের সাথে মিশে গেলে কেউ তা অপছন্দ করে না”। মুত্তাফাকুন 'আলাইহি, সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫১।