📘 সহীহ হাদীস সম্বলিত অহি ও ঈমান বিশ্বকোষ > 📄 ভানপত্নীদের ঈমানের অধিকার

📄 ভানপত্নীদের ঈমানের অধিকার


عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ، قَالَ: أَشَارَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِيَدِهِ نَحْوَ اليَمَنِ فَقَالَ الْإِيمَانُ يَمَانٍ هَا هُنَا، أَلَا إِنَّ القَسْوَةَ وَغِلَظَ القُلُوبِ فِي الفَدَّادِينَ، عِنْدَ أُصُولِ أَذْنَابِ الإِبِلِ، حَيْثُ يَطْلُعُ قَرْنَا الشَّيْطَانِ فِي رَبِيعَةَ، وَمُضَرَ».
আবু মাস'উদ রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, "রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বীয় হাতের দ্বারা ইয়ামেনের দিকে ইশারা করে বললেন, ঈমান এদিকে। দেখো কঠোরতা এবং অন্তরের কাঠিন্য ঐ সব চিৎকারকারী লোকদের মধ্যে যারা উটের লেজের কাছে অবস্থান করে; যেখান থেকে শয়তানের শিং দু'টি উদয় হবে অর্থাৎ রাবী'আ ও মুদার গোত্রদ্বয়ের মধ্যে”।
মুত্তাফাকুন 'আলাইহি, সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৩৩০২; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫১। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী, الفَدَّادِينَ শব্দটি দাল বর্ণে তাশদীদ যোগে فداد এর বহুবচন। অর্থ কঠিন আওয়াজ। অর্থাৎ যারা তাদের উট, ঘোড়া ও শস্যক্ষেতে উচ্চ স্বরে কথা বলে।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাণী, »عِنْدَ أُصُولِ أَذْنَابِ الإِبِلِ « এর অর্থ উট চরানোর সময় তারা চিরাচরিত অভ্যাস মতো চিৎকার করে থাকে; যদিও তারা উটের লেজের কাছেই থাকে। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী, ( فِي الفَدَّادِينَ * فِي رَبِيعَةَ، وَمُضَرَ حَيْثُ يَطْلُعُ قَرْنَا الشَّيْطَانِ فِي رَبِيعَةَ، وَمُضَرَ বদল হয়েছে। অর্থাৎ কঠোরতা আছে রাবী'আ ও মুদার গোত্রের রাখালদের মাঝে। আর قَرْنَا الشَّيْطَانِ এর অর্থ শয়তানের শিং। এখানে উদ্দেশ্য হলো পূর্বাঞ্চলে শয়তানের ভ্রষ্টতা ও ধোঁকা বেশি। এছাড়াও অন্য হাদীসে এসেছে, »رأس الكفر نحو المشرق« পূর্বাঞ্চল হলো কুফুরীর মূল। আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু 'আনহুর হাদীসে সামনে এ ব্যাপারে আলোচনা আসবে। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একথা তাঁর যুগে বলে গেছেন। আর পূর্বদিক থেকেই দাজ্জালের আবির্ভাব ঘটবে। (দেখুন, ইবন সালাহ লিখিত 'সিয়ানাতু সহীহ মুসলিম')।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: «الفَخْرُ، وَالخَيَلاءُ فِي الفَدَّادِينَ أَهْلِ الوَبَرِ، وَالسَّكِينَةُ فِي أَهْلِ الغَنَمِ، وَالإِيمَانُ يَمَانٍ، وَالحِكْمَةُ يَمَانِيَةٌ».
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমি বলতে শুনেছি যে, "গর্ব-অহংকার পশম নির্মিত তাঁবুতে বসবাসকারীর মধ্যে যারা উট-গরু হাঁকাতে চিৎকার করে। আর শান্তভাব বকরী পালকদের মধ্যে রয়েছে। ঈমান ইয়ামেনে আর হিকমাতও ইয়ামানবাসীদের মধ্যে বদ্ধমূল রয়েছে”।
মুত্তাফাকুন 'আলাইহি, সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৩৪৯৯; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫২: ৮৮। সহীহ মুসলিমের অন্য বর্ণনায় এসেছে,
«الْفَخْرُ وَالْخُيَلاَءُ فِي أَصْحَابِ الْإِبِلِ ، وَالسَّكِينَةُ وَالْوَقَارُ فِي أَصْحَابِ الشَّاءِ».
"গর্ব-অহংকার উটের মালিকের মধ্যে আর শান্ত-শিষ্টতা বকরী পালকদের মধ্যে রয়েছে”। সহীহ, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫২।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَتَاكُمْ أَهْلُ اليَمَنِ، هُمْ أَرَقُّ أَفْئِدَةً وَأَلْيَنُ قُلُوبًا، الإِيمَانُ يَمَانٍ وَالحِكْمَةُ يَمَانِيَةٌ، وَالفَخْرُ وَالخُيَلاءُ فِي أَصْحَابِ الإِبِلِ، وَالسَّكِينَةُ وَالوَقَارُ فِي أَهْلِ الغَنَمِ».
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "তোমাদের কাছে ইয়ামেনবাসীরা এসেছে। তারা অন্তরের দিক থেকে অত্যন্ত কোমল ও দরদী। ঈমান হলো ইয়ামানীদের, হিকমত হলো ইয়ামানীদের। আর আত্মম্ভরিতা ও অহংকার রয়েছে উট পালনকারীদের মধ্যে, প্রশান্তি ও গাম্ভীর্য আছে বকরী পালকদের মধ্যে”।
মুত্তাফাকুন 'আলাইহি, সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৪৩৮৮; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫২। সহীহ বুখারী ও মুসলিমের বর্ণনায় এসেছে,
جاءكم أَهْلُ الْيَمَنِ، هُمْ أَرَقُّ أَفْئِدَةٌ، وأضعف قلوبا "তোমাদের কাছে ইয়ামানবাসীরা এসেছে। তারা মনের দিক থেকে অত্যন্ত কোমল ও অন্তরের দিক থেকে খুব দুর্বল”।
সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৪৩৯০; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫২। সহীহ বুখারীর বর্ণনায় এসেছে,
وَالفِتْنَةُ هَا هُنَا، هَا هُنَا يَطْلُعُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ» "আর ফিতনার (বিপর্যয়ের) গোড়া হলো ওখানে, যেখানে উদিত হয় শয়তানের শিং”।
সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৪৩৮৯।

📘 সহীহ হাদীস সম্বলিত অহি ও ঈমান বিশ্বকোষ > 📄 হিজাববাসীদের মধ্যে রয়েছে ঈমান

📄 হিজাববাসীদের মধ্যে রয়েছে ঈমান


عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «غِلَظُ الْقُلُوبِ، وَالْجَفَاءُ فِي الْمَشْرِقِ، وَالْإِيمَانُ فِي أَهْلِ الْحِجَازِ».
জারির ইবন আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "মনের কঠোরতা ও গোয়ার্তুমি পূর্বাঞ্চলে আর ঈমান হিজাযবাসীদের মধ্যে”। সহীহ, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৩।

📘 সহীহ হাদীস সম্বলিত অহি ও ঈমান বিশ্বকোষ > 📄 ব্যক্তির উত্তম ইসলাম সম্পর্কে

📄 ব্যক্তির উত্তম ইসলাম সম্পর্কে


عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا أَحْسَنَ أَحَدُكُمْ إِسْلَامَهُ: فَكُلُّ حَسَنَةٍ يَعْمَلُهَا تُكْتَبُ لَهُ بِعَشْرِ أَمْثَالِهَا إِلَى سَبْعِ مِائَةِ ضِعْفٍ، وَكُلُّ سَيِّئَةٍ يَعْمَلُهَا تُكْتَبُ لَهُ بِمِثْلِهَا».
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "তোমাদের মধ্যে কেউ যখন উত্তমরূপে ইসলামের ওপর কায়েম থাকে তখন সে যে ভালো আমল করে তার প্রত্যেকটির বিনিময়ে সাতশ গুণ পর্যন্ত (সাওয়াব) লেখা হয়। আর সে যে মন্দ কাজ করে তার প্রত্যেকটির বিনিময়ে তার জন্য ঠিক ততটুকুই মন্দ লেখা হয়”।
মুত্তাফাকুন 'আলাইহি, সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৪২; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১২৯।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنْ مِنْ حُسْنِ إِسْلَامِ الْمَرْءِ تَرْكُهُ مَا لَا يَعْنِيهِ».
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "ব্যক্তির ইসলামী সৌন্দর্য ও গুণের অন্যতম হলো অনর্থক বিষয় পরিত্যাগ করা”।
হাসান, তিরমিযী, হাদীস নং ২৩১৭; ইবন মাজাহ, হাদীস নং ৩৯৭৬; ইবন হিব্বান, হাদীস নং ২২৯।
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا أَسْلَمَ الْعَبْدُ فَحَسُنَ إِسْلَامُهُ، كَتَبَ اللَّهُ لَهُ كُلَّ حَسَنَةٍ كَانَ أَزْلَفَهَا، وَمُحِيَتْ عَنْهُ كُلُّ سَيِّئَةٍ كَانَ أَزْلَفَهَا، ثُمَّ كَانَ بَعْدَ ذَلِكَ الْقِصَاصُ الْحَسَنَةُ بِعَشْرَةِ أَمْثَالِهَا إِلَى سَبْعِ مِائَةِ ضِعْفٍ، وَالسَّيِّئَةُ بِمِثْلِهَا إِلَّا أَنْ يَتَجَاوَزَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ عَنْهَا».
আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "যখন কোনো ব্যক্তি উত্তমরূপে ইসলাম গ্রহন করে, তখন আল্লাহ তা'আলা তার ঐ সকল সৎকর্ম লিখে নেন, যা সে পূর্বে করেছিল, আর সেই সকল পাপ মুছে ফেলেন যাতে অতীতে লিপ্ত হয়েছিল। এরপর তার হিসাব এইভাবে লিখিত হয় যে, তার প্রত্যেক সাওয়াবের পরিবর্তে দশ হতে সাতশত গুণ পর্যন্ত সাওয়াব লেখা হয়। আর প্রত্যেক পাপ শুধু অতটুকুই লেখা হয়, যা সে করে; যদি আল্লাহ ক্ষমা না করেন”।
সহীহ, নাসায়ী, হাদীস নং ৪৯৯৮।

📘 সহীহ হাদীস সম্বলিত অহি ও ঈমান বিশ্বকোষ > 📄 নসিহত দীনের মূলস্তম্ভ ও ভিত্তি

📄 নসিহত দীনের মূলস্তম্ভ ও ভিত্তি


عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: بَايَعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى إِقَامِ الصَّلَاةِ وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ، وَالنُّصْحِ لِكُلِّ مُسْلِمٍ».
জারীর ইবন আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, "আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাতে বায়'আত গ্রহণ করেছি সালাত কায়েম করার, যাকাত দেওয়ার এবং সকল মুসলিমের কল্যাণ কামনা করার ওপর”।
মুত্তাফাকুন 'আলাইহি, সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৭; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৬।
عَنْ جَرِيرٍ، قَالَ: «بَايَعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى السَّمْعِ وَالطَّاعَةِ - فَلَقَنَنِي - فِيمَا اسْتَطَعْتُ، وَالنَّصْحِ لِكُلِّ مُسْلِمٍ».
জারীর ইবন আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, "আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে তাঁর কথা শোনা, তাঁর আনুগত্য করা ও প্রত্যেক মুসলিমের জন্য কল্যাণ কামনার ব্যাপারে বায়'আত গ্রহণ করলাম। তিনি আমাকে এ কথা বলতে শিখিয়ে দিলেন যে, আমার সাধ্যের আওতাভুক্ত বিষয়ে (অর্থাৎ একথাটি যেন বলি)"।
সহীহ বুখারীতে এসেছে, عَلَيْكُمْ بِاتَّقَاءِ اللَّهِ وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ، وَالْوَفَّارِ، وَالسَّكِينَةِ، حَتَّى يَأْتِيَكُمْ أَمِيرُ، فَإِنَّمَا يَأْتِيكُمُ الآنَ. ثُمَّ قَالَ: اسْتَعْفُوا لِأَمِيرِكُمْ، فَإِنَّهُ كَانَ يُحِبُّ العَفْوَ ، ثُمَّ قَالَ: أَمَّا بَعْدُ، فَإِنِّي أَتَيْتُ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُلْتُ: أَبَايِعُكَ على الإسلام فَشَرَطَ عَلَى: وَالنِّصْحِ لِكُلِّ مُسْلِمٍ فَبَايَعْتُهُ عَلَى هَذَا، وَرَبَّ هَذَا المَسْجِدِ إِنِّي لَنَاصِحُ لَكُمْ، ثُمَّ اسْتَغْفَرَ وَنَزَلَ».
"তোমাদের ওপর কর্তব্য হচ্ছে তাকওয়া অবলম্বন করা এক আল্লাহর ব্যাপারে যাঁর কোনো শরীক নাই এবং নতুন কোনো আমীর না আসা পর্যন্ত শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, অনতিবিলম্বে তোমাদের আমীর আসবেন। এরপর জারীর রাদিয়াল্লাহু 'আনহু বললেন, তোমাদের আমীরের জন্য মাগফিরাত কামনা করো; কেননা তিনি ক্ষমা করা ভালোবাসতেন। তারপর বললেন, একবার আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বললাম, আমি আপনার কাছে ইসলামের বায়'আত গ্রহণ করতে চাই। তিনি (অন্যান্য বিষয়ের সাথে) আমার উপর শর্ত আরোপ করলেন, আর সকল মুসলিমের কল্যাণ কামনা করবে। তারপর আমি তাঁর কাছে এ শর্তের উপর বায়'আত গ্রহণ করলাম। এ মসজিদের রবের কসম! আমি তোমাদের কল্যাণকামী। এরপর তিনি আল্লাহর কাছে মাগফিরাত কামনা করলেন এবং (মিম্বার থেকে) নেমে গেলেন”।
সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৮।
عَنْ تَمِيمِ الدَّارِيَّ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «الدِّينُ النَّصِيحَةُ» قُلْنَا: لِمَنْ؟ قَالَ: «لِلَّهِ وَلِكِتَابِهِ وَلِرَسُولِهِ وَلِأَئِمَّةِ الْمُسْلِمِينَ وَعَامَّتِهِمْ».
তামীম আদ-দারী রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "কল্যাণ কামনাই দীন। আমরা বললাম, কার জন্য কল্যাণ কামনা? তিনি বললেন, আল্লাহর, তাঁর কিতাবের, তাঁর রাসূলের, মুসলিম শাসক এবং মুসলিম জনগণের”।
সহীহ, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৫।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00