📄 লজ্জা ঈমানের অংশ
عَنْ ابن عمر، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَرَّ عَلَى رَجُلٍ، وَهُوَ يَعِظُ أَخَاهُ فِي الحَيَاءِ، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «دَعْهُ فَإِنَّ الحَيَاءَ مِنَ الإِيمَانِ».
আব্দুল্লাহ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, একদিন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তির পাশ দেয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি তার ভাইকে তখন (অধিক) লজ্জার ব্যাপারে (তা ত্যাগের জন্য) নসীহত করছিলেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, "ওকে ছেড়ে দাও। কারণ লজ্জা ঈমানের অঙ্গ”।
মুত্তাফাকুন 'আলাইহি, মুয়াত্তা মালিক, হাদীস নং ১০; সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২৪; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩৬।
عَنْ عِمْرَانَ بْن حُصَيْنٍ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الحَيَاءُ لَا يَأْتِي إِلَّا بِخَيْرٍ.
'ইমরান ইবন হুসাইন রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "লজ্জা শুধু কল্যাণই বয়ে আনে”।
মুত্তাফাকুন 'আলাইহি, সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬১১৭; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩৭। সহীহ মুসলিমের অন্য বর্ণনায় এসেছে,
إِنَّ أَبَا قَتَادَةَ حَدَّثَ، قَالَ: كُنَّا عِنْدَ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنِ فِي رَهْطٍ، وَفِينَا بُشَيْرُ بْنُ كَعْبٍ، فَحَدَّثَنَا عِمْرَانُ، يَوْمَئِذٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: الْحَيَاءُ خَيْرُ كُلُّهُ» قَالَ: أَوْ قَالَ: «الْحَيَاءُ كُلُّهُ خَيْرٌ فَقَالَ بُشَيْرُ بْنُ كَعْبٍ: إِنَّا لَتَجِدُ فِي بَعْضِ الْكُتُبِ - أَو الحِكْمَةِ - أَنَّ مِنْهُ سَكِينَةٌ وَوَقَارًا لِلَّهِ، وَمِنْهُ ضَعْفُ، قَالَ: فَغَضِبَ عِمْرَانُ حَتَّى احْمَرْنَا عَيْنَاهُ، وَقَالَ: أَلا أَرَى أُحَدِّثُكَ عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَتُعَارِضُ فِيهِ، قَالَ: فَأَعَادَ عِمْرَانُ الْحَدِيثَ، قَالَ: فَأَعَادَ بُشَيْرُ، فَغَضِبَ عِمْرَانُ، قَالَ: فَمَا زِلْنَا تَقُولُ فِيهِ إِنَّهُ مِنَّا يَا أَبَا نُجَيْدٍ، إِنَّهُ لَا بَأْسَ بِهِ.
আবু কাতাদা রহ. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা একদল ইমরান ইবন হুসাইন রাদিয়াল্লাহু 'আনহুর কাছে উপস্থিত ছিলাম। আমাদের মাঝে বুশাইর ইবন কা'বও ছিলেন। তখন 'ইমরান রাদিয়াল্লাহু 'আনহু আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে বললেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “লজ্জা মঙ্গলজনক সবটাই"। বর্ণনাকারী বলেন, কিংবা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “লজ্জা সবটাই মঙ্গলজনক"। বুশাইর ইবন কা'ব রহ. বলেন, কোনো কোনো কিতাবে বা হিকমতের গ্রন্থে আমরা পেয়েছি যে, লজ্জা থেকেই প্রশান্তি ও আল্লাহর জন্য সম্মান এবং তা থেকে দুর্বলতারও উৎপত্তি। বর্ণনাকারী বলেন, একথা শুনে 'ইমরান রাদিয়াল্লাহু 'আনহু রাগান্বিত হলেন, এমন কি তার দু চোখ লাল হয়ে গেলো। 'ইমরান রাদিয়াল্লাহু 'আনহু বলেন, সাবধান! আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীস বর্ণনা করছি; পক্ষান্তরে তুমি তার মুকাবিলায় পুঁথির কথা পেশ করছ। এরপর 'ইমরান রাদিয়াল্লাহু 'আনহু পুনরুক্তি করলেন। আর বুশাইরও তার কথার পুনরাবৃত্তি করলেন। এতে 'ইমরান রাদিয়াল্লাহু 'আনহু খুবই রাগান্বিত হলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা বলতে লাগলাম, হে আবু নুজায়দ! (ইমরান রাদিয়াল্লাহু 'আনহুর উপনাম) সে আমাদেরই লোক। তার মধ্যে ত্রুটি নেই”।
সহীহ, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩৭।
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِي، قَالَ: «كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَشَدَّ حَيَاءٌ مِنَ العَذْرَاءِ فِي خِدْرِهَا، فَإِذَا رَأَى شَيْئًا يَكْرَهُهُ عَرَفْنَاهُ فِي وَجْهِهِ».
আবু সা'ঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, "পর্দার ভেতরে কুমারীদের চেয়েও রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেশি লাজুক ছিলেন। যখন তিনি তাঁর কাছে অপছন্দনীয় কিছু দেখতেন, তখন আমরা তাঁর চেহারাতেই এর আভাস পেয়ে যেতাম”। মুত্তাফাকুন 'আলাইহি, সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬১০২; ২৩২০।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الحَيَاءُ مِنَ الإِيمَانِ، وَالإِيمَانُ فِي الجَنَّةِ، وَالبَذَاءُ مِنَ الجَفَاءِ، وَالجَفَاء فِي النَّارِ».
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "লজ্জা ঈমানের অঙ্গ; ঈমানের স্থান হল জান্নাতে। অশ্লীলতা হলো অবাধ্যতা ও অন্যায়াচারের অঙ্গ; অন্যায়াচারণের স্থান হল জাহান্নামে”। সহীহ, তিরমিযী, হাদীস নং ২০০৯, তিনি হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন। ইবন হিব্বান, হাদীস নং ৬০৮/৬০৯; হাকেম, হাদীস নং ১/৫২।
عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الْحَيَاءُ وَالْإِيمَانُ قُرِنَا جَمِيعًا، فَإِذَا رُفِعَ أَحَدُهُمَا رُفِعَ الْآخَرُ».
ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "লজ্জা ও ঈমান একত্রে থাকে; এর কোনো একটি উঠে গেলে অপরটিও উঠে যায়”। সহীহ, হাকেম, হাদীস নং ১/২২।
📄 আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে ভালোবাসা পূর্ণাঙ্গ ঈমানের অংশ
عَنْ زِر بن حبيش، قَالَ: قَالَ عَلَى: وَالَّذِي فَلَقَ الحَبَّةَ، وَبَرَأَ النَّسَمَةَ، إِنَّهُ لَعَهْدُ النَّبِيِّ الْأُمِّيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَيَّ: أَنْ لَا يُحِبَّنِي إِلَّا مُؤْمِنٌ، وَلَا يُبْغِضَنِي إِلَّا مُنَافِقٌ».
যির ইবন হুবাইশ রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, "আলী রাদিয়াল্লাহু 'আনহু বলেছেন, সে মহান সত্তার শপথ, যিনি বীজ থেকে অঙ্কুরোদগম করেন এবং মানবকুল বা আত্মা সৃষ্টি করেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, মুমিন ব্যক্তিই আমাকে ভালোবাসবে আর মুনাফিক ব্যক্তি আমার সঙ্গে শত্রুতা পোষণ করবে”। সহীহ, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৭৮।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী, فَالِقُ الْحَبِّ এর অর্থ বীজ থেকে অঙ্কুরোদগম হওয়া।
আর بَرَأَ النَّسَمَةَ এর অর্থ মানব সৃষ্টি। কেউ কেউ বলেছেন, মানবাত্মা সৃষ্টি করেছেন।
📄 মুমিনদেরকে বন্ধুত্বরূপে গ্রহণ করা
عَنْ عَمْرُو بْنِ العَاصِ، قَالَ : سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جِهَارًا غَيْرَ سِرِّ يَقُولُ: " إِنَّ آلَ أَبِي - قَالَ عَمْرُو فِي كِتَابٍ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ بَيَاضُ - لَيْسُوا بِأَوْلِيَائِي، إِنَّمَا وَلِيَ اللَّهُ وَصَالِحُ الْمُؤْمِنِينَ ».
আমর ইবন 'আস রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, "আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে উচ্চ স্বরে বলতে শুনেছি, আস্তে নয়। তিনি বলেছেন, "অমুকের বংশ আমার ওলী বা বন্ধু নয়। 'আমর রাদিয়াল্লাহু 'আনহু বলেন, মুহাম্মাদ ইবন জা'ফরের কিতাবে বংশের পরে জায়গা খালি রয়েছে (কোন বংশের নাম উল্লেখ নাই)। আমার ওলী বা বন্ধু তো কেবল আল্লাহ ও সৎ মুমিনগণ”।
মুত্তাফাকুন 'আলাইহি, সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৯৯০; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২১৫। হাদীসের মর্ম হলো, আমার বন্ধু হলো যারা সৎলোক; যদিও তাদের বংশ আমার বংশ থেকে আলাদা। আমার বংশের কাছাকাছি লোক হলেও অসৎ লোক আমার বন্ধু নয়।
📄 ফিতনা থেকে পলায়ন পূর্ণাঙ্গ ঈমানের অংশ
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ ، أَنَّهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «يُوشِكُ أَنْ يَكُونَ خَيْرَ مَالِ المُسْلِمِ غَنَمُ يَتْبَعُ بِهَا شَعَفَ الجِبَالِ وَمَوَاقِعَ القَطْرِ، يَفِرُّ بِدِينِهِ مِنَ الفتن».
আবু সা'ঈদ খুদুরী রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "সেদিন দূরে নয়, যেদিন মুসলিমের উত্তম সম্পদ হবে কয়েকটি বকরী, যা নিয়ে সে পাহাড়ের চুড়ায় অথবা বৃষ্টিপাতের স্থানে চলে যাবে। ফিতনা থেকে সে তার দীন নিয়ে পালিয়ে যাবে”। সহীহ, মুয়াত্তা মালেক, হাদীস নং ১৬; সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৯।
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الخُدْرِيِّ، قَالَ: جَاءَ أَعْرَابِيُّ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيُّ النَّاسِ خَيْرٌ؟ قَالَ: رَجُلٌ جَاهَدَ بِنَفْسِهِ وَمَالِهِ، وَرَجُلٌ فِي شِعْبٍ مِنَ الشَّعَابِ: يَعْبُدُ رَبَّهُ، وَيَدَعُ النَّاسَ مِنْ شَرِّهِ».
আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, একজন বেদুঈন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বললো, ইয়া রাসুলাল্লাহ্! কোন ব্যক্তি সবচাইতে উত্তম? তিনি বললেন, "সে ব্যক্তি যে নিজের জান ও মাল দিয়ে জিহাদ করে, আর সে ব্যক্তি যে ব্যক্তি পাহাড় বেষ্টিত এলাকাসমূহের কোনোটিতে তার রবের ইবাদত করতে থাকে এবং মানুষকে তার অনিষ্ট থেকে রেহাই দেয়”। মুত্তাফাকুন 'আলাইহি, সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬৪৯৪; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৮৮৮।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهُ قَالَ: «مِنْ خَيْرِ مَعَاشِ النَّاسِ لَهُمْ، رَجُلٌ مُمْسِكُ عِنَانَ فَرَسِهِ فِي سَبِيلِ اللهِ، يَطِيرُ عَلَى مَتْنِهِ، كُلَّمَا سَمِعَ هَيْعَةً، أَوْ فَزْعَةٌ طَارَ عَلَيْهِ، يَبْتَغِي الْقَتْلَ وَالْمَوْتَ مَظَانَّهُ، أَوْ رَجُلٌ فِي غُنَيْمَةٍ فِي رَأْسِ شَعَفَةٍ مِنْ هَذِهِ الشَّعَفِ، أَوْ بَطْنِ وَادٍ مِنْ هَذِهِ الْأَوْدِيَةِ، يُقِيمُ الصَّلَاةَ، وَيُؤْتِي الزَّكَاةَ، وَيَعْبُدُ رَبَّهُ حَتَّى يَأْتِيَهُ الْيَقِينُ، لَيْسَ مِنَ النَّاسِ إِلَّا فِي خَيْرٍ».
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "সর্বোত্তম জীবন যাপনকারী হচ্ছে, যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে (জিহাদের উদ্দেশ্যে) তার ঘোড়ার লাগাম ধরে রাখে, যে দিকেই ভয়ঙ্কর আওয়াজ শুনতে পায় অথবা সাহায্যের আবেদন শুনতে পায় সেদিকেই সে এর পিঠে চড়ে উড়ে চলে। সে এর পিঠে চড়ে প্রয়োজনের ক্ষেত্রে নিহত হয় বা মৃত্যুর দিকে (যুদ্ধক্ষেত্রে) ধাবিত হয় অথবা এমন ব্যক্তি যে তার মেষপাল নিয়ে নির্জনে কোনো পাহাড়ের উচ্চ শৃঙ্গে অথবা উপত্যকায় অবস্থান করে, সালাত কায়েম করে, যাকাত আদায় করে এবং তার রবের ইবাদতে মশগুল থাকে। এ অবস্থায় তার মৃত্যু এসে যায়, এ দুই ব্যক্তি মানুষের মধ্যে কেবল কল্যাণেই রত থাকে" সহীহ, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৮৮৯।