📄 অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করা পূর্ণাঙ্গ ঈমানের অংশ
عن أبي سعيد الخدري قال : سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «مَنْ رَأَى مِنْكُمْ مُنْكَرًا فَلْيُغَيِّرُهُ بِيَدِهِ، فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِلِسَانِهِ، فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِقَلْبِهِ، وَذَلِكَ أَضْعَفُ الْإِيمَانِ».
আবু সা'ঈদ আল-খুদরী রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, "তোমাদের কেউ যদি অন্যায় কাজ দেখে, তাহলে সে যেন হাত দ্বারা এর সংশোধন (পরিবর্তন) করে দেয়। যদি এর ক্ষমতা না থাকে, তাহলে মুখের দ্বারা, যদি তাও সম্ভব না হয়, তাহলে অন্তর দ্বারা (উক্ত কাজকে ঘৃণা করবে ও পরিবর্তনের চেষ্টা করবে), আর এটাই ঈমানের নিম্নতম স্তর”।
সহীহ, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৪৯।
সহীহ মুসলিমে হাদীসটি এভাবে শুরু হয়েছে, أَوَّلُ مَنْ بَدَأَ بِالخُطْبَةِ يَوْمَ الْعِيدِ قَبْلَ الصَّلَاةِ مَرْوَانُ. فَقَامَ إِلَيْهِ رَجُلٌ ، فَقَالَ: الصَّلَاةُ قَبْلَ الْخُطْبَةِ، فَقَالَ: قَدْ تُرِكَ مَا هُنَالِكَ، فَقَالَ أَبُو سَعِيدٍ: أَمَّا هَذَا فَقَدْ قَضَى مَا عَلَيْهِ، سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: فذكر الحديث.
"ঈদের সালাতের পূর্বে মারওয়ান ইবন হাকাম সর্বপ্রথম খুতবা প্রদান আরম্ভ করেন। তখন এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললেন, খুতবার আগে হবে সালাত। মারওয়ান বললেন, এ নিয়ম রহিত করা হয়েছে। এতে আবু সা'ঈদ রাদিয়াল্লাহু 'আনহু বললেন, 'এ ব্যক্তি তো তার ওপরে থাকা কর্তব্য পালন করেছে'। আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি" এ বলে হাদীস বর্ণনা শুরু করেন।
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَا مِنْ نَبِيٌّ بَعَثَهُ اللَّهُ فِي أُمَّةٍ قَبْلِي إِلَّا كَانَ لَهُ مِنْ أُمَّتِهِ حَوَارِيُّونَ، وَأَصْحَابُ يَأْخُذُونَ بِسُنَّتِهِ وَيَقْتَدُونَ بِأَمْرِهِ، ثُمَّ إِنَّهَا تَخْلُفُ مِنْ بَعْدِهِمْ خُلُوفٌ يَقُولُونَ مَا لَا يَفْعَلُونَ، وَيَفْعَلُونَ مَا لَا يُؤْمَرُونَ، فَمَنْ جَاهَدَهُمْ بِيَدِهِ فَهُوَ مُؤْمِنٌ، وَمَنْ جَاهَدَهُمْ بِلِسَانِهِ فَهُوَ مُؤْمِنٌ، وَمَنْ جَاهَدَهُمْ بِقَلْبِهِ فَهُوَ مُؤْمِنٌ، وَلَيْسَ وَرَاءَ ذَلِكَ مِنَ الْإِيمَانِ حَبَّةُ خَرْدَلٍ».
আব্দুল্লাহ ইবন মাস'উদ রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "আল্লাহ তা'আলা আমার পূর্বে যখনই কোনো জাতির মাঝে নবী প্রেরণ করেছেন তখনই উম্মাতের মধ্যে তার এমন হাওয়ারী ও সাথী দিয়েছেন, যারা তার পদাংক অনুসরণ করে চলতেন ও তার নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করতেন। অনন্তর তাদের পরে এমন সব লোক তাদের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে, যারা মুখে যা বলে বেড়াত কাজে তা পরিণত করত না, আর সেসব কর্ম সম্পাদন করত যেগুলোর জন্য তারা আদিষ্ট ছিল না। এদের বিরুদ্ধে যারা হাত দ্বারা জিহাদ করবে, তারা মুমিন; যারা এদের বিরুদ্ধে মুখের কথা দ্বারা জিহাদ করবে, তারাও মুমিন এবং যারা এদের বিরুদ্ধে অন্তরে (ঘৃণা পোষণ ও পরিবর্তনের চেষ্টা করার দ্বারা) জিহাদ করবে তারাও মুমিন। এর বাইরে সরিষার দানার পরিমাণও ঈমান নেই”।
সহীহ, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫০।
📄 আনসারগণকে ভালোবাসা পূর্ণাঙ্গ ঈমানের অংশ
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ ، عَنِ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «آيَةُ الإِيمَانِ حُبُّ الأَنْصَارِ، وَآيَةُ النَّفَاقِ بُغْضُ الأَنْصَارِ».
আনাস ইবন মালেক রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "ঈমানের নিদর্শন হলো আনসারগণকে ভালোবাসা এবং মুনাফিকীর আলামত হলো আনসারদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা”।
মুত্তাফাকুন 'আলাইহি, সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৭; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৭৪।
عَنْ البَرَاء بن عازب رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ ، قَالَ : سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «الْأَنْصَارُ لَا يُحِبُّهُمْ إِلَّا مُؤْمِنٌ، وَلَا يُبْغِضُهُمْ إِلَّا مُنَافِقٌ ، فَمَنْ أَحَبَّهُمْ أَحَبَّهُ اللَّهُ، وَمَنْ أَبْغَضَهُمْ أَبْغَضَهُ الله».
বারা ইবন 'আযিব রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, "মুমিন ছাড়া আনসারগণকে কেউ ভালোবাসবে না এবং মুনাফিক ছাড়া কেউ তাদের প্রতি ঘৃণা (বিদ্বেষ পোষণ) প্রকাশ করে না। যে ব্যক্তি তাদেরকে ভালোবাসবে আল্লাহ তাকে ভালোবাসবেন আর যে ব্যক্তি তাদের সাথে হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ করবে আল্লাহ তাকে ঘৃণা (অপছন্দ) করবেন”।
মুত্তাফাকুন 'আলাইহি, সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৩৭৮৩; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৭৫।
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا يُبْغِضُ الْأَنْصَارَ رَجُلٌ يُؤْمِنُ بِاللهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ».
আবু সাঈদ রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে, সে আনসারদের সাথে দুশমনী রাখতে পারে না”।
সহীহ, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৭৭।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَا يُبْغِضُ الْأَنْصَارَ رَجُلٌ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ».
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি বিশ্বাসী ব্যক্তি আনসারদের প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ করতে পারে না”।
সহীহ, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৭৬।
📄 লজ্জা ঈমানের অংশ
عَنْ ابن عمر، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَرَّ عَلَى رَجُلٍ، وَهُوَ يَعِظُ أَخَاهُ فِي الحَيَاءِ، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «دَعْهُ فَإِنَّ الحَيَاءَ مِنَ الإِيمَانِ».
আব্দুল্লাহ ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, একদিন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তির পাশ দেয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি তার ভাইকে তখন (অধিক) লজ্জার ব্যাপারে (তা ত্যাগের জন্য) নসীহত করছিলেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, "ওকে ছেড়ে দাও। কারণ লজ্জা ঈমানের অঙ্গ”।
মুত্তাফাকুন 'আলাইহি, মুয়াত্তা মালিক, হাদীস নং ১০; সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২৪; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩৬।
عَنْ عِمْرَانَ بْن حُصَيْنٍ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الحَيَاءُ لَا يَأْتِي إِلَّا بِخَيْرٍ.
'ইমরান ইবন হুসাইন রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "লজ্জা শুধু কল্যাণই বয়ে আনে”।
মুত্তাফাকুন 'আলাইহি, সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬১১৭; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩৭। সহীহ মুসলিমের অন্য বর্ণনায় এসেছে,
إِنَّ أَبَا قَتَادَةَ حَدَّثَ، قَالَ: كُنَّا عِنْدَ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنِ فِي رَهْطٍ، وَفِينَا بُشَيْرُ بْنُ كَعْبٍ، فَحَدَّثَنَا عِمْرَانُ، يَوْمَئِذٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: الْحَيَاءُ خَيْرُ كُلُّهُ» قَالَ: أَوْ قَالَ: «الْحَيَاءُ كُلُّهُ خَيْرٌ فَقَالَ بُشَيْرُ بْنُ كَعْبٍ: إِنَّا لَتَجِدُ فِي بَعْضِ الْكُتُبِ - أَو الحِكْمَةِ - أَنَّ مِنْهُ سَكِينَةٌ وَوَقَارًا لِلَّهِ، وَمِنْهُ ضَعْفُ، قَالَ: فَغَضِبَ عِمْرَانُ حَتَّى احْمَرْنَا عَيْنَاهُ، وَقَالَ: أَلا أَرَى أُحَدِّثُكَ عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَتُعَارِضُ فِيهِ، قَالَ: فَأَعَادَ عِمْرَانُ الْحَدِيثَ، قَالَ: فَأَعَادَ بُشَيْرُ، فَغَضِبَ عِمْرَانُ، قَالَ: فَمَا زِلْنَا تَقُولُ فِيهِ إِنَّهُ مِنَّا يَا أَبَا نُجَيْدٍ، إِنَّهُ لَا بَأْسَ بِهِ.
আবু কাতাদা রহ. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা একদল ইমরান ইবন হুসাইন রাদিয়াল্লাহু 'আনহুর কাছে উপস্থিত ছিলাম। আমাদের মাঝে বুশাইর ইবন কা'বও ছিলেন। তখন 'ইমরান রাদিয়াল্লাহু 'আনহু আমাদের কাছে হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে বললেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “লজ্জা মঙ্গলজনক সবটাই"। বর্ণনাকারী বলেন, কিংবা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “লজ্জা সবটাই মঙ্গলজনক"। বুশাইর ইবন কা'ব রহ. বলেন, কোনো কোনো কিতাবে বা হিকমতের গ্রন্থে আমরা পেয়েছি যে, লজ্জা থেকেই প্রশান্তি ও আল্লাহর জন্য সম্মান এবং তা থেকে দুর্বলতারও উৎপত্তি। বর্ণনাকারী বলেন, একথা শুনে 'ইমরান রাদিয়াল্লাহু 'আনহু রাগান্বিত হলেন, এমন কি তার দু চোখ লাল হয়ে গেলো। 'ইমরান রাদিয়াল্লাহু 'আনহু বলেন, সাবধান! আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীস বর্ণনা করছি; পক্ষান্তরে তুমি তার মুকাবিলায় পুঁথির কথা পেশ করছ। এরপর 'ইমরান রাদিয়াল্লাহু 'আনহু পুনরুক্তি করলেন। আর বুশাইরও তার কথার পুনরাবৃত্তি করলেন। এতে 'ইমরান রাদিয়াল্লাহু 'আনহু খুবই রাগান্বিত হলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা বলতে লাগলাম, হে আবু নুজায়দ! (ইমরান রাদিয়াল্লাহু 'আনহুর উপনাম) সে আমাদেরই লোক। তার মধ্যে ত্রুটি নেই”।
সহীহ, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩৭।
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِي، قَالَ: «كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَشَدَّ حَيَاءٌ مِنَ العَذْرَاءِ فِي خِدْرِهَا، فَإِذَا رَأَى شَيْئًا يَكْرَهُهُ عَرَفْنَاهُ فِي وَجْهِهِ».
আবু সা'ঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, "পর্দার ভেতরে কুমারীদের চেয়েও রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেশি লাজুক ছিলেন। যখন তিনি তাঁর কাছে অপছন্দনীয় কিছু দেখতেন, তখন আমরা তাঁর চেহারাতেই এর আভাস পেয়ে যেতাম”। মুত্তাফাকুন 'আলাইহি, সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬১০২; ২৩২০।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الحَيَاءُ مِنَ الإِيمَانِ، وَالإِيمَانُ فِي الجَنَّةِ، وَالبَذَاءُ مِنَ الجَفَاءِ، وَالجَفَاء فِي النَّارِ».
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "লজ্জা ঈমানের অঙ্গ; ঈমানের স্থান হল জান্নাতে। অশ্লীলতা হলো অবাধ্যতা ও অন্যায়াচারের অঙ্গ; অন্যায়াচারণের স্থান হল জাহান্নামে”। সহীহ, তিরমিযী, হাদীস নং ২০০৯, তিনি হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন। ইবন হিব্বান, হাদীস নং ৬০৮/৬০৯; হাকেম, হাদীস নং ১/৫২।
عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الْحَيَاءُ وَالْإِيمَانُ قُرِنَا جَمِيعًا، فَإِذَا رُفِعَ أَحَدُهُمَا رُفِعَ الْآخَرُ».
ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "লজ্জা ও ঈমান একত্রে থাকে; এর কোনো একটি উঠে গেলে অপরটিও উঠে যায়”। সহীহ, হাকেম, হাদীস নং ১/২২।
📄 আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে ভালোবাসা পূর্ণাঙ্গ ঈমানের অংশ
عَنْ زِر بن حبيش، قَالَ: قَالَ عَلَى: وَالَّذِي فَلَقَ الحَبَّةَ، وَبَرَأَ النَّسَمَةَ، إِنَّهُ لَعَهْدُ النَّبِيِّ الْأُمِّيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَيَّ: أَنْ لَا يُحِبَّنِي إِلَّا مُؤْمِنٌ، وَلَا يُبْغِضَنِي إِلَّا مُنَافِقٌ».
যির ইবন হুবাইশ রাদিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, "আলী রাদিয়াল্লাহু 'আনহু বলেছেন, সে মহান সত্তার শপথ, যিনি বীজ থেকে অঙ্কুরোদগম করেন এবং মানবকুল বা আত্মা সৃষ্টি করেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, মুমিন ব্যক্তিই আমাকে ভালোবাসবে আর মুনাফিক ব্যক্তি আমার সঙ্গে শত্রুতা পোষণ করবে”। সহীহ, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৭৮।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী, فَالِقُ الْحَبِّ এর অর্থ বীজ থেকে অঙ্কুরোদগম হওয়া।
আর بَرَأَ النَّسَمَةَ এর অর্থ মানব সৃষ্টি। কেউ কেউ বলেছেন, মানবাত্মা সৃষ্টি করেছেন।