📘 সহীহ দুআ ঝাড়ফুঁক ও যিকর 📄 সফরে কোন অচেনা স্থানে বিশ্রাম নিলে

📄 সফরে কোন অচেনা স্থানে বিশ্রাম নিলে


অচেনা স্থানে বিশ্রাম নিলে صبح ও সন্ধ্যার ৮নং যিকর পঠনীয়: আউযু বিকালিমাতিল্লাহিত্তা-ম্মা-তি মিন শাররি মা খালাক্ব।

টিকাঃ
৩০৯. মুসলিম ৪/২০৮০

📘 সহীহ দুআ ঝাড়ফুঁক ও যিকর 📄 সফর থেকে ফিরে এলে

📄 সফর থেকে ফিরে এলে


সফরে বের হবার সময় দুআ'টির সাথে নিম্নের দুআ'টিও যোগ করবে:

آيِبُونَ تَائِبُونَ عَابِدُونَ لِرَبِّنَا حَامِدُونَ.

উচ্চারণঃ- --------আ-য়িবূনা তা-য়িবূনা আ-বিদূনা লিরাব্বিনা হা-মিদূন।

অর্থঃ- -----(আমরা সফর থেকে) প্রত্যাবর্তনকারী, তওবাকারী, ইবাদতকারী, আমাদের প্রভুর প্রশংসাকারী। সফর থেকে ফিরে এসেও ২ রাকআত নামায পড়া সুন্নত।

টিকাঃ
৩৪০. মুসলিম ২/৯৯৮

📘 সহীহ দুআ ঝাড়ফুঁক ও যিকর 📄 জিহাদ বা হাজ্জ থেকে ফিরে এলে

📄 জিহাদ বা হাজ্জ থেকে ফিরে এলে


তাসবীহ ও তাহলীল পরিচ্ছেদের ১নং দুআ' পাঠ করে সফর থেকে ফিরে আসার উপরোক্ত (আ-য়িবূনা--) দুআ'টি পড়বে। অতঃপর এই দুআ'টি যুক্ত করবে:

صَدَقَ اللَّهُ وَعْدَهُ، وَنَصَرَ عَبْدَهُ، وَهَزَمَ الْأَحْزَابَ وَحْدَهُ

উচ্চারণঃ- সাদাকাল্লা-হু অ'দাহু। অনাসারা আ'বদাহু। অহাযামাল আহ্যাবা অহদাহু।

অর্থ- আল্লাহ তাঁর অঙ্গীকার সত্য করেছেন, তিনি তাঁর দাসকে সাহায্য করেছেন এবং একাই দলসমূহকে পরাস্ত করেছেন।

টিকাঃ
০৮১. বুখারী ৭/১৮০, মুসলিম ২/৮০

📘 সহীহ দুআ ঝাড়ফুঁক ও যিকর 📄 মহানবী (ﷺ) এর নাম শুনলে

📄 মহানবী (ﷺ) এর নাম শুনলে


মহানবী (ﷺ)-এর উপর যে ব্যক্তি ১০ বার দরূদ পাঠ করে, বিনিময়ে আল্লাহ তার উপর ১০ বার রহমত বর্ষণ করে থাকেন। রাসূল (ﷺ)-এর নাম যার কানে পৌঁছে অথচ দরূদ পাঠ করে না, সেই হল আসল বখীল। সুতরাং তাঁর নাম শোনা বা বলা মাত্র পড়তে হয়, صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)। অথবা عَلَيْهِ الصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ (আলাইহিস সালাতু আসসালাম)। অর্থাৎ আল্লাহ তাঁর উপর করুণা ও শান্তি বর্ষণ করুন।

সকাল ও সন্ধ্যায় ১০ বার করে দরূদ পাঠ করলে রোজ কিয়ামতে নবী (ﷺ)-এর শাফায়াত নসীব হবে। মহানবী (ﷺ)-এর উপর দরূদ পাঠের আরো ফযীলত এই যে, তার ফলে পাঠকারীর দুশ্চিন্তা দূর হবে, গোনাহ মাফ হবে, মহানবী (ﷺ) তার জবাব দেবেন, কিয়ামতের দিন কোনো আফসোস হবে না, দুআ' কবুল হবে, ইত্যাদি। দরূদ পাঠ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর প্রতি মহব্বতের এক উজ্জ্বল নিদর্শন।

দরূদ পাঠের স্থান হল, নামাযের তাশাহহুদ, কুনূতের শেষে, জানাযার নামাযে, খুতবায়, আযানের জওয়াব দেওয়ার পর, দুআ’র সময়, মাসজিদে প্রবেশ করতে ও সেখান হতে বের হতে, ইলমী মজলিসে, জুমুআহার দিনে ইত্যাদি। প্রকাশ থাকে যে, জামাআতী দরূদ বা কিয়াম করে দরূদ এবং মনগড়া রচিত দরূদ পাঠ করা বিদআত।

টিকাঃ
০৮২. মুসলিম ১/২৮৮
০৮৩. সহীহ তিরমিযী ৩/১৭৭
০৮৪. তাবারানী, সহীহ তারগীব ৬৮৫নং
০৮৫. জালাউল আফহাম, ইবনুল কাইয়িম ৩৬৯-৩৭০ দ্রষ্টব্য

ফন্ট সাইজ
15px
17px