📄 সাঈর দু‘আ’
সাঈ করার সময় বিভিন্ন যিকরের সাথে এ দু'আ'ও নির্দিষ্ট করে পড়া উত্তম:
رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ، إِنَّكَ أَنْتَ الْأَعَزُّ الْأَكْرَمُ
উচ্চারণঃ- "রাব্বিগফির অরহাম, ইন্নাকা আন্তাল আ'আয্যুল আকরাম।"
অর্থ- হে আমার প্রভু! আমাকে ক্ষমা কর ও দয়া কর। নিশ্চয় তুমিই মহাসম্মানিত ও বড় দানশীল।
টিকাঃ
২১৫. মানাসিকুল হজ্জ, আলবানী ২৮ পৃঃ
📄 আরাফাতের দু‘আ’
'তাসবীহ ও তাহলীল' পরিচ্ছেদের ১নং দু'আ'।
📄 যবেহ করার সময়
بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ
“বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার।”
কুরবানীর পশু হলে পড়বে-
بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُمَّ إِنَّ هَذَا مِنْكَ وَلَكَ، اللَّهُمَّ تَقَبَّلْ مِنِّي.
উচ্চারণঃ- বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার, আল্লাহুম্মা ইন্না হাযা মিনকা ওলাক, আল্লাহুম্মা তাকাব্বাল মিন্নী।
অর্থ- আল্লাহর নাম নিয়ে শুরু করছি এবং আল্লাহ সব চেয়ে মহান। হে আল্লাহ্! এটা তোমার তরফ থেকে এবং তোমার জন্য। হে আল্লাহ্! তুমি আমার নিকট হতে কবুল কর।
পরিবারের তরফ থেকে হলে 'তাকাব্বাল মিন্নী'র পর 'অমুকিন আহলে বায়াতী' যোগ করবে। কুরবানী অন্য কারো তরফ থেকে হলে অথবা আকীকার পশু হলে 'তাকাব্বাল মিন' বলে সেই ব্যক্তির বা শিশুর নাম নেবে।
প্রকাশ যে, এই দুআ'র উপর আর কোনো অতিরিক্ত দুআ' শুদ্ধ নয়।
টিকাঃ
২১৯. ইরওয়াউল গালীল ১১১৮ নং