📄 ঘুম না এলে
বিছানায় শুয়ে ঘুম না আসার ফলে এপাশ-ওপাশ করলে এই দুআ' পড়বে--
لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ الْوَاحِدُ الْقَهَّارُ، رَبُّ السَّমَوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا الْعَزِيزُ الْغَفَّارُ.
উচ্চারণঃ- লা ইলাহা ইল্লাল্লাহুল ওয়াহিদূল কাহহার, রাব্বুস সামাওয়াতি অল আরদি অমা বায়নাহুমা জাল আজীযুল গাফফার।
অর্থঃ- আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য উপাস্য নেই যিনি একক, প্রবল প্রতাপান্বিত। আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী এবং উভয়ের মধ্যবর্তী সকল বস্তুর প্রতিপালক। যিনি পরাক্রমশালী, ক্ষমাশীল।
টিকাঃ
১০৫. সহীহ জামি' ৪/২১০
📄 রাত্রে ভয় পেলে
أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ غَضَبِهِ وَعِقَابِهِ وَشَرِّ عِبَادِهِ وَمِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ وَأَنْ يَحْضُرُونَ.
উচ্চারণঃ- আউযু বিকালিমাতিল্লাহি তাম্মাতি মিন গাদাবিহী অ ইক্বাবিহী অ শাররি ইবাদিহী অমিন হামাযাতিশ শায়াত্বীনি অ আঁই ইয়াযহুরুন।
অর্থঃ- আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ বাণীসমূহের অসীলায় তাঁর ক্রোধ ও শান্তি হতে, তাঁর বান্দাদের অনিষ্ট হতে, শায়তানের প্ররোচনাদি এবং আমার নিকট ওদের হাজির হওয়া থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
টিকাঃ
১০৬. সহীহ তিরমিযী ৩/১৭২
📄 দুঃস্বপ্ন দেখলে
সুস্বপ্ন আল্লাহর তরফ থেকে এবং দুঃস্বপ্ন শায়তানের তরফ থেকে হয়। দুঃস্বপ্ন দেখলে নিম্নলিখিত কাজ করবে:
(১) বাম দিকে তিনবার হাল্কা থুথু মারবে।
(২) শয়তান থেকে এবং যা দেখেছে তার মন্দ থেকে ৩ বার আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করবে।
(৩) সেই স্বপ্ন কাউকে বলবে না।
(৪) যে পার্শ্বে স্বপ্ন দেখেছে তার বিপরীত পার্শ্বে ফিরে শয়ন করবে।
(৫) চাইলে উঠে নামায পড়বে।
টিকাঃ
১০৭. বুখারী ৭/২৭১, মুসলিম ৪/১৭১২-১৭১৩
📄 রাত্রিকালে ইবাদাতের ফদীলত
আল্লাহ তাআলা বলেন, “হে বস্ত্র আচ্ছাদনকারী (নবী)! উপাসনার জন্য রাত্রিতে উঠ (জাগরণ কর); রাত্রির কিছু অংশ বাদ দিয়ে; অর্ধরাত্রি অথবা তদপেক্ষা অল্প। অথবা তদপেক্ষা বেশি। কুরআন তিলাওয়াত কর ধীরে ধীরে স্পষ্ট ও সুন্দরভাবে। আমি তোমার উপর অবতীর্ণ করেছি গুরুত্বপূর্ণ বাণী। ইবাদাতের জন্য রাত্রি জাগরণ গভীর অভিনিবেশ ও হৃদয়ঙ্গম করার পক্ষে অত্যন্ত অনুকূল।” (সূরা মুয্যাম্মিল ৭৩: ১-৫)
“আর রাত্রির কিছু অংশে তাহাজ্জুদের নামায পড়বে --- এ তোমার জন্য এক অতিরিক্ত কর্তব্য। আশা করা যায় তোমার প্রতিপালক তোমাকে এক প্রশংসিত স্থানে প্রতিষ্ঠিত করবেন।” (সূরা বানী ইসরাঈল ১৭: ৭৯)
“রাত্রিতে তাঁর প্রতি সিজদাবনত হও এবং রাত্রির দীর্ঘ সময় তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর।” (সূরা দাহর ৭৬: ২৬)
আল্লাহ তাআলা প্রত্যহ রাত্রির শেষ তৃতীয়াংশে নীচের আসমানে অবতরণ করেন এবং বলেন, “কে আমাকে ডাকে? আমি তার ডাকে সাড়া দেব। কে আমার নিকট প্রার্থনা করে? আমি তাকে দান করব। এবং কে আমার নিকট ক্ষমা চায়? আমি তাকে ক্ষমা করব।”¹০⁸
মধ্য রাত্রির শেষাংশে আল্লাহ বান্দার অতি নিকটবর্তী হন। তাই ঐ সময়ে বান্দার উচিত তাঁর উদ্দেশ্যে নামায পড়া ও যিক্র করা।
প্রত্যেক রাত্রে এমন এক মুহূর্ত আছে যাতে আল্লাহর কাছে বান্দা যা চায়, তাই পেয়ে থাকে। রাত্রিতে ঘুম থেকে জেগে কেউ যদি নিম্নের দুআ’ পড়ে আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করে, তাহলে তা মঞ্জুর করা হয়।
لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، سُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ، وَلَا حَوْলَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ.
উচ্চারণঃ- “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহওয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদীর। সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদু লিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার, ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আযীম।
এর পর উঠে যদি অযু করে নামায পড়ে তবে নামায কবুল হয়। অনুরূপভাবে রাত্রিকালে তাহাজ্জুদ পড়তে উঠে সূরা আল ইমরানের ১৯০ আয়াত থেকে শেষ আয়াত পর্যন্ত পাঠ করা উত্তম।
টিকাঃ
১০৮. বুখারী, মুসলিম মিশকাত ১২২৩নং
আল্লাহ তাআলা বলেন, “হে বস্ত্র আচ্ছাদনকারী (নবী)! উপাসনার জন্য রাত্রিতে উঠ (জাগরণ কর); রাত্রির কিছু অংশ বাদ দিয়ে; অর্ধরাত্রি অথবা তদপেক্ষা অল্প। অথবা তদপেক্ষা বেশি। কুরআন তিলাওয়াত কর ধীরে ধীরে স্পষ্ট ও সুন্দরভাবে। আমি তোমার উপর অবতীর্ণ করেছি গুরুত্বপূর্ণ বাণী। ইবাদাতের জন্য রাত্রি জাগরণ গভীর অভিনিবেশ ও হৃদয়ঙ্গম করার পক্ষে অত্যন্ত অনুকূল।” (সূরা মুয্যাম্মিল ৭৩: ১-৫)
“আর রাত্রির কিছু অংশে তাহাজ্জুদের নামায পড়বে --- এ তোমার জন্য এক অতিরিক্ত কর্তব্য। আশা করা যায় তোমার প্রতিপালক তোমাকে এক প্রশংসিত স্থানে প্রতিষ্ঠিত করবেন।” (সূরা বানী ইসরাঈল ১৭: ৭৯)
“রাত্রিতে তাঁর প্রতি সিজদাবনত হও এবং রাত্রির দীর্ঘ সময় তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর।” (সূরা দাহর ৭৬: ২৬)
আল্লাহ তাআলা প্রত্যহ রাত্রির শেষ তৃতীয়াংশে নীচের আসমানে অবতরণ করেন এবং বলেন, “কে আমাকে ডাকে? আমি তার ডাকে সাড়া দেব। কে আমার নিকট প্রার্থনা করে? আমি তাকে দান করব। এবং কে আমার নিকট ক্ষমা চায়? আমি তাকে ক্ষমা করব।”¹০⁸
মধ্য রাত্রির শেষাংশে আল্লাহ বান্দার অতি নিকটবর্তী হন। তাই ঐ সময়ে বান্দার উচিত তাঁর উদ্দেশ্যে নামায পড়া ও যিক্র করা।
প্রত্যেক রাত্রে এমন এক মুহূর্ত আছে যাতে আল্লাহর কাছে বান্দা যা চায়, তাই পেয়ে থাকে। রাত্রিতে ঘুম থেকে জেগে কেউ যদি নিম্নের দুআ’ পড়ে আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করে, তাহলে তা মঞ্জুর করা হয়।
لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، سُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ، وَلَا حَوْলَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ.
উচ্চারণঃ- “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহওয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদীর। সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদু লিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার, ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আযীম।
এর পর উঠে যদি অযু করে নামায পড়ে তবে নামায কবুল হয়। অনুরূপভাবে রাত্রিকালে তাহাজ্জুদ পড়তে উঠে সূরা আল ইমরানের ১৯০ আয়াত থেকে শেষ আয়াত পর্যন্ত পাঠ করা উত্তম।
টিকাঃ
১০৮. বুখারী, মুসলিম মিশকাত ১২২৩নং