📄 পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উচ্চ মনোবলের অধিকারী ও সফল যারা
কিছু কিছু পরিকল্পনা সফলতার সাথে সম্পন্ন করার জন্য শক্তিশালী মনোবলের প্রয়োজন হয়। এ ব্যাপারে কিছু চমকপ্রদ দৃষ্টান্ত পেশ করছি পাঠক সমীপে।
• জুলকারনাইন ও তার পৃথিবী আবাদের পরিকল্পনা
আল্লাহ তাআলা বলেন :
إِنَّا مَكَّنَّا لَهُ فِي الْأَرْضِ وَآتَيْنَاهُ مِن كُلِّ شَيْءٍ سَبَبًا
'আমি তাকে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত করেছিলাম এবং প্রত্যেক বিষয়ের কার্যোপকরণ দান করেছিলাম। '৭২
আল্লাহ তাআলা জুলকারনাইনকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাকে সবকিছুর উপকরণ দান করেছেন। তাই আল্লাহ তাআলা তাকে যে উপকরণ দিয়েছেন, সেগুলো তিনি কাজে লাগিয়েছেন। নিজের লক্ষ্য বাস্তবায়নে ও গন্তব্যে পৌঁছতে এগুলো ব্যবহার করেছেন। তিনি নিজের চলা অব্যাহত রাখতে ও জিহাদ চালিয়ে যেতে বিশাল শ্রম ব্যয় করেছেন। তার সেনাবাহিনী গঠন করেছেন। তাদের প্রস্তুত ও সজ্জিত করেছেন। অর্থ ও শক্তির যা কিছু পেরেছেন সংগ্রহ করেছেন। এ সবই এ কারণেই করেছেন যে, তিনি উপলব্ধি করতে পেরেছেন—উপকরণ সংগ্রহ করা, শ্রম ব্যয় করা, সবকিছু প্রস্তুত করা তার নিজের উদ্দেশ্য সাধনে জরুরি।
জুলকারনাইন পৃথিবীকে আবাদ করতে চেয়েছেন এবং তাকে সমৃদ্ধ ও সুন্দর করতে চেয়েছেন। এমনকি তিনি এ জন্য নিজের সর্বোচ্চ শক্তি ও সামর্থ্য ব্যয় করেছেন। তিনি তৎকালীন সময়ের কারও চেয়ে সম্মানে কম থাকুক-সেটাতে সন্তুষ্ট ছিলেন না, যদিও সে সম্মান দুনিয়াবিও হোক না কেন। তিনি কোনো সীমায় এসে থেমে থাকেননি। তিনি কোনো অবস্থানে গিয়ে থেমে যাননি। বরং পুরো পৃথিবী ভ্রমণের ইচ্ছা করেছেন এবং শেষ পর্যন্ত সূর্যাস্তের স্থান পর্যন্ত পৌঁছেছেন। অতঃপর নিজ বাহিনী নিয়ে ভ্রমণ শুরু করেছেন এবং সূর্যোদয়ের স্থান পর্যন্ত পৌঁছেছেন। তারপর তিনি এমন এক পথ অবলম্বন করলেন, যার ফলে দুপ্রাচীর বেষ্টিত এলাকায়ও পৌঁছলেন। এরপর সে পুরো অঞ্চলটি নিজের রাজত্বের অন্তর্ভুক্ত করে নিলেন। সেখানে শাসন করলেন। প্রভাব বিস্তার করলেন। নির্যাতিতদের জন্য একটি আশ্রয়স্থল ও ভীতসন্ত্রস্তদের জন্য নিরাপদ একটি জায়গা তৈরি করে গেছেন।
কাসিমি রহ. বলেন :
'জুলকারনাইনের বর্ণনার একটি বিশ্লেষণ এমন—প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণে উদ্যমের সাথে জেগে উঠতে হবে, হতে হবে কর্মঠ। উদ্যম ও সাহসিকতার এ প্রচেষ্টা উপকরণ ও মাধ্যমগুলোকে হাতে এনে দেয়, করে দেয় সহজলভ্য। সুতরাং সমুদ্র পাড়ি বা মরুভূমি অতিক্রম কষ্টকর বলে অজুহাত দেখিয়ে মর্যাদাহীন, দুর্বল ও নিম্নতা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা উচিত নয়। বরং উচিত হচ্ছে উদ্যমী হওয়া এবং নিজের পথ চলায় সুখ ও আনন্দের স্বাদ উপভোগ করা। যেমন জুলকারনাইন নিজের জীবন অতিবাহিত করেছেন। তার সারা জীবন কেটেছে বিজয়ের মিষ্টতা ও সফলতার স্বাদ উপভোগ করে। এমনটা এ কারণেই সম্ভব হয়েছিল যে, তিনি এমন ব্যক্তি ছিলেন না-যাকে উদ্দেশ্য অর্জনে কষ্ট-কাঠিন্য ঠেকিয়ে রাখবে।'৭৩
ইমাম নববি রহ. প্রতিদিন বারোটি দরস পাঠ করতেন। সপ্তাহে কিংবা মাসে নয়; বরং প্রতিদিন বারোটি দরস। 'আল-ওয়াসিত' কিতাবের দুই দরস। 'আল-মুহাজজাব' কিতাবের একটি দরস। (পরবর্তীকালে 'আল-মাজমু' নামক তাঁর বিশাল গ্রন্থে যার ব্যাখ্যা লিখেছেন।) 'আল-জামউ বাইনাস সহিহাইন' কিতাবের একটি দরস। 'সহিহু মুসলিম'-এর একটি দরস। নাহু নিয়ে লিখিত ইবনুজ জান্নির কিতাব 'আল-লুমউ'- এর একটি দরস। ভাষা নিয়ে লিখিত ইবনুস সিক্কিতের 'ইসলাহুল মানতিক'-এর একটি দরস। সরফবিষয়ক একটি দরস। উসুলুল ফিকহের একটি দরস; কখনো আবু ইসহাকের 'আল-লুমউ' থেকে আবার কখনো ফখরুদ্দিন রাজির 'আল-মুন্তাখাব' থেকে পড়তেন। আসমাউর রিজাল নিয়ে একটি দরস। উসুলুদ্দিন নিয়ে একটি দরস পাঠ করতেন।
তিনি বলেন, 'আমি টীকা আকারে কঠিন শব্দ, অস্পষ্ট ইবারত ও কঠিন ভাষাগুলো সমাধান করে দিয়েছি। আল্লাহ তাআলা আমার সময়ে বরকত দান করেছেন।'
তিনি দিন-রাত কখনো কোনো সময় নষ্ট করতেন না। সব সময় কাজে মগ্ন থাকতেন। এমনকি রাস্তায়ও এ নিয়ে মশগুল থাকতেন। তিনি এভাবে ধারাবাহিক ছয়টি বছর কাটিয়েছেন। এরপর লেখালেখি শুরু করেছেন।
•
জাবির বিন আব্দুল্লাহ আল-আনসারি রা.। একমাস সফর করে শামে পৌঁছলেন আব্দুল্লাহ বিন উনাইস রা. থেকে একটি হাদিস সংগ্রহ করতে।
•
আবু আইয়ুব রা. একটি হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে উকবাহ বিন আমিরের কাছে মিশর গমন করেছেন।
•
সাইদ ইবনুল মুসাইয়িব রহ. বলেন, 'আমি একটি হাদিস সংগ্রহে রাতের পর রাত ও দিনের পর দিন সফর করেছিলাম।'
•
সাইদ ইবনু জুবাইর রহ. একটি আয়াতের তাফসির জানার জন্য কুফা থেকে মদিনায় এলেন।
•
ইবনে দাইলামি আব্দুল্লাহ বিন ফাইরুজ রহ. বলেন, 'আমার কাছে আব্দুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আস রা.-এর নিকট একটি হাদিস থাকার খবর পৌঁছল। আমি সেই হাদিসটি জিজ্ঞেস করতে তায়িফ পর্যন্ত সফর করলাম।' আর ইবনে দাইলামি তখন ফিলিস্তিনে ছিলেন।'
•
ইমাম তাবারি রহ. এবং তাঁর তাফসির ও ইতিহাস গ্রন্থ সংকলন
ইবনে জারির আত-তাবারি রহ. তাঁর সঙ্গীদের বলেন, 'তোমরা কি আদম আ. থেকে আজ পর্যন্ত একটি ইতিহাস গ্রন্থ রচনায় আগ্রহ রাখো?'
তারা বলল, 'কত পৃষ্ঠায়?'
তিনি বললেন, 'আনুমানিক ত্রিশ হাজার পৃষ্ঠায়।'
তারা বলল, 'এটি শেষ করার আগেই জীবন শেষ হয়ে যাবে।'
তিনি বললেন, 'ইন্নালিল্লাহ! সাহসিকতা তো মরে গেছে।'
তারপর তিনি তিন হাজার পৃষ্ঠায় সংক্ষেপ করেছেন সে ইতিহাসকে। তিনি যখন তাফসির গ্রন্থ লেখার ইচ্ছা করলেন, তখনও তাদের এমন কথা বললেন। অতঃপর ইতিহাস গ্রন্থের ন্যায় তাও রচনা করলেন একই পরিমাণ পৃষ্ঠায়।
তিনি বলেন, 'আমি আল্লাহ তাআলার কাছে ইসতিখারা করেছি। তিন বছরের আগেই তা সংকলন পূর্ণ করার নিয়তের ওপর তাঁর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেছি। আল্লাহ আমাকে সাহায্য করেছেন। '৭৪
•
জাপানের বিশিষ্ট প্রযুক্তিবিদ
কিছু কিছু কাফিরের কাছেও আপনি ধৈর্য, কর্ম, চেষ্টা-প্রচেষ্টা ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা দেখতে পাবেন। তার একটি উদাহরণ হলো, জাপানিরা তাদের একজন প্রজাকে জার্মানের যন্ত্রবিজ্ঞান অর্জনের এক মিশনে প্রেরণ করল। তার লক্ষ্য ছিল ইঞ্জিন তৈরি করা।
সে বলল, 'আমি এই বিষয়ে পড়াশোনা করলাম। যন্ত্রবিজ্ঞানের সবকিছু ভালোভাবে জেনে নিলাম। কিন্তু ইঞ্জিনের সামনে অক্ষম হয়ে পড়লাম।
একদা আমি নিজের পুরো বেতন দিয়ে একটি ইটালিয়ান ইঞ্জিন ক্রয় করলাম। তা বানানোর প্রক্রিয়া দেখতে লাগলাম। কেমন যেন আমি একটি মুক্তার মুকুটের দিকে তাকাচ্ছি। আমি মনে মনে বলছিলাম, এটাই ইউরোপের শক্তির গোপন রহস্য। যদি আমি এমন একটি যন্ত্র আবিষ্কার করতে পারি, তবে জাপানের ইতিহাস পাল্টিয়ে ফেলতে পারব। আমি ভাবলাম, যদি আমি এটি খুলে পুনরায় জোড়া দিতে পারতাম এবং আমি সেটা চালু করতাম এবং তা চালু হয়ে যেত। আমি ইউরোপীয় কারিগরির গোপন রহস্যের দিকে পা পা করে হেঁটে চললাম।
আমার কাছে যন্ত্রের যে নকশাটি ছিল, তা নিয়ে আসলাম। অনেকগুলো কাগজ নিলাম। কাজের যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করে কাজ চালিয়ে গেলাম। আমি প্রতিটি যন্ত্রাংশের নকশা করে নিলাম। পুরো যন্ত্রটি খুলে ফেললাম। এরপর সিরিয়াল অনুযায়ী নকশা আঁকলাম। এরপর পুনরায় জোড়া দিলাম। পরে চালু করলে সাথে সাথে তা চালু হয়ে গেল!
আমি আনন্দে স্তব্দ হয়ে গেলাম। যেন আনন্দে আমার হৃদপিণ্ড থেমে গিয়েছিল সেদিন। তিন দিনের কাজ। দিনে মাত্র একবার আহার। খুব কম সময়ের ঘুম।
আমাদের মিশনপ্রধান আমার এই বিষয়টি জানতে পারলেন। তিনি আমার জন্য একটি অকেজো মেশিন নিয়ে এসে বললেন, “এটার সমস্যাটা বের করো! যেন এটা আবার চালু হয়। আমি দশদিন যাবৎ এটা নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। এরপর ভুলগুলো বুঝতে পারলাম। পুরাতন তিনটি যন্ত্রাংশ ক্ষয় হয়ে গিয়েছিল। এ ছাড়া বাকিগুলো আমি হাতুড়ি ও রেডিয়টরের সাহায্যে ঠিক করে দিয়েছি।
মিশনপ্রধান আমাকে নিজে নিজে কিছু যন্ত্রাংশ বানিয়ে তা জোড়া দিতে বললেন। অতঃপর আমি ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন ছেড়ে লোহা মিশ্রণ, তামা মিশ্রণ ও অ্যালুমেনিয়াম মিশ্রণের কারখানায় ভর্তি হলাম। যেমনটা আমার জার্মানি স্যারেরা কামনা করেছিলেন।
সেখানে আমি একজন কর্মচারী হিসেবে থাকলাম। খনিজ কারখানায় খনিজ কর্মকর্তার কাছে লাঞ্ছনার সাথে অবস্থান করলাম। তার হুকুম তামিল করছিলাম। যেভাবে বলছিল সেভাবে করছিলাম। যেন সে একজন বিরাট কেউ। আমি খাবারের সময় তার সেবা করেছি। প্রায় আট বছর যাবৎ এভাবে থাকলাম। দৈনিক প্রায় দশ থেকে পনেরো ঘণ্টা কাজ করতাম। আমার কাজ শেষ হওয়ার পর রাতে গার্ডের দায়িত্ব পালন করতাম। রাতের বেলা সাধারণভাবে কারিগরি নিয়মগুলো নিয়ে গবেষণা করতাম।
জাপানের গভর্নর মিকাডো আমার বিষয়টি জানতে পারলেন। নিজের পারসোনাল সম্পদ থেকে আমার জন্য তিনি স্বর্ণের পাঁচ হাজার ব্রিটিশ পাউন্ড পাঠালেন। আমি তা দিয়ে কারখানার সবগুলো যন্ত্রাংশ ক্রয় করলাম। এবং সেগুলো জমা করে দেশে পাঠিয়ে দিলাম। আমি দেশে পৌঁছামাত্রই গভর্নর মিকাডো আমার সাথে সাক্ষাৎ করতে চেয়েছিলেন। আমি বললাম, “পূর্ণ ইঞ্জিনটি পরিপূর্ণ সেটিং করা ব্যতীত আমি তার সাক্ষাতের উপযুক্ত নই।”
অতঃপর আমি নয় বছর পর সহযোগীদের নিয়ে কাজ করার পর Made in Japan যুক্ত দশটি ইঞ্জিন প্রাসাদে নিয়ে গেলাম। মিকাডো আমাদের কাছে প্রবেশ করলেন এবং মুচকি হাসলেন। বললেন, “আমার জীবনে এটি সবচেয়ে বেশি মিষ্ট মিউজিক যা আমি শুনেছি। একটি খাঁটি জাপানিজ মেশিনের আওয়াজ।””
বাতিলপন্থীদের তাদের বাতিলের প্রতি দাওয়াতের আশ্চর্য অবস্থা!
ডক্টর আব্দুল ওয়াদুদ শালবি বলেন :
'আমি দ্বিধায় পড়ে যাই মাদ্রিদে যখন ধর্মপ্রচারকদের প্রস্তুতি দেখি। বিশাল একটা ভবনের আঙিনায়, বড় একটি ফলকে লিখে রেখেছে, হে ধর্মপ্রচারক যুবক, আমরা তোমাকে কোনো পেশা বা কাজ, বিছানা বা জাজিমের জন্য প্রস্তুত করছি না। আমরা তোমাকে সতর্ক করছি যে, তোমার ধর্মপ্রচার-জীবনে শুধু দুঃখ-কষ্টই পাবে। আমরা তোমার সামনে যা পেশ করতে পারব তা হলো—জ্ঞান, রুটি ও ছোট কুটিরে শুষ্ক বিছানা। আর এর সবকিছুর বিনিময় তুমি আল্লাহ তাআলার কাছে পাবে। যখন তুমি মাসিহের পথে থাকবে, তুমি ভাগ্যবানদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করবে।'
এই বাণীগুলো ডাক্তারি, অস্ত্রোপচার ও ফার্মাসিউটিক্যালস ও অন্যান্য ডিগ্রিধারী বহু লোককে মরুভূমির শুষ্ক প্রান্তরে নিয়ে গেছে। যেখানে একটি তাঁবু ছাড়া আর কিছুই মিলে না। এমন দুর্গন্ধ জলাভূমিতেও নিয়ে গেছে যেখানে জীবাণু ছড়িয়ে আছে। সেখানে তারা দীর্ঘকাল বিনা বেতনে অবস্থান করছে। অবস্থান করেছে বিনা পদমর্যাদায়। যদি তাদের কেউ নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করত, তবে লাখ লাখ ডলার অর্জন করতে পারত। কিন্তু সে তা বিসর্জন দিয়েছে এক বাতিল মতবাদের জন্য, যাকে সে সঠিক ধারণা করেছে।
আশ্চর্য! অতি আশ্চর্য! এই জাতির হৃদয়গুলো বাতিলের প্রতি জমে যাওয়ার ওপর আশ্চর্য হতে হয়। তোমাদের হক দ্বীন থেকে তোমাদের বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার ওপর আশ্চর্য হতে হয়।
টিকাঃ
৭২. সুরা আল-কাহফ : ৮৪
৭৩. মাহাসিনুত তা'বিল: ১১/৮৭
৭৪. সিয়ারু আ'লামিন নুবালা: ১৪/২৭৪-২৭৫
📄 পরিশিষ্ট
উদ্দেশ্যহীন পথচলা জীবনের অপচয়, সময় বিনষ্টকরণ। কোনো মানুষ যদি নিজের গন্তব্য না চেনে, তবে সে পৌঁছতেও পারবে না। এলোমেলো হবে তার জীবন। উদ্ভ্রান্তের ন্যায় জীবনযাপন করবে সে। তাই প্রতিটি মুসলিমের জীবনেই এক বা একাধিক পরিকল্পনা থাকা উচিত। আমাদের এই পুস্তিকাটি যেন লক্ষ্য স্থির করতে ও পরিকল্পনা সাজাতে সাহায্য করে-আল্লাহ তাআলার কাছে এ কামনা।
হে আল্লাহ, আমাদেরকে কল্যাণের তাওফিক দিন। কল্যাণের প্রতি পথ প্রদর্শন করুন। আমাদের ও মন্দের মাঝে দূরত্ব তৈরি করে দিন। হে জগতের প্রতিপালক!
وصلى الله وسلم على نبينا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين
- মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ