📘 সবর ও শোকর > 📄 জীবনের ধৈর্য

📄 জীবনের ধৈর্য


মানুষের মতো জিনেরা যেমন নিজেদের কাজের দায়ভার বহন করে, তেমনি ধৈর্যের ক্ষেত্রে তারা মানুষের মতোই। আমাদের মতো জিনেরাও আল্লাহর নির্ধারিত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ধৈর্যের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। কারও মনে প্রশ্ন জাগতে পারে : তারা কি হুবহু আমাদের মতোই দায়বদ্ধ, নাকি তাদের রয়েছে আলাদা নিয়ম?

এর উত্তর হলো: আবেগ ও অনুভূতির বিষয়গুলোতে তাঁরা আমাদের মতোই দায়বদ্ধ। আল্লাহর জন্য কাউকে ভালোবাসা অথবা ঘৃণা করা, বিশ্বাস করা ও আস্থা রাখা, বিশ্বাসীদের বন্ধু এবং অবিশ্বাসীদের শত্রু হিসেবে গ্রহণ করার ক্ষেত্রগুলোতে তারাও আমাদের মতোই দায়বদ্ধ। তবে ওযু, গোসল, হাজ্জ, হায়েজ, নেফাস, খাতনা-এ ধরনের শারীরিক ব্যাপারগুলোতে তারা আমাদের থেকে আলাদা। তাদেরকে যে বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে সৃষ্টি করা হয়েছে, সে অনুসারেই তাদের কর্তব্য নির্ধারিত হবে (এটাই স্বাভাবিক)।

📘 সবর ও শোকর > 📄 ফেরেশতাদের ধৈর্য

📄 ফেরেশতাদের ধৈর্য


আরেকটি প্রশ্নে জাগতে পারে: ফেরেশতাদেরও কি আমাদের মতো ধৈর্য আছে?

এর উত্তর হতে পারে: ফেরেশতাদের কামনা-বাসনার কোনো পরীক্ষা নেই, যা তাদের যুক্তি এবং জ্ঞানের সাথে বিরোধ সৃষ্টি করতে পারে। তাদের জন্য আল্লাহর ইবাদাত ও আনুগত্য আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাসের মতো সহজাত।

সুতরাং ফেরেশতাদের ধৈর্যের প্রয়োজন নেই। কারণ, ধৈর্যের প্রয়োজনীয়তা তো সেখানেই হয় যেখানে কারও উদ্দেশ্য, বিবেকবুদ্ধি, ধর্মীয় মূল্যবোধের সাথে তার কামনা-বাসনার বিরোধ বাধে। এ সত্ত্বেও ফেরেশতাদের বিশেষ ধরনের ধৈর্য থাকতে পারে, যা তাদের সৃষ্টির উদ্দেশ্য পূরণে যত্নবান হতে সহায়তা করে এবং তাদের বৈশিষ্ট্যের সাথে মানানসই।

📘 সবর ও শোকর > 📄 মানবের ধৈর্য

📄 মানবের ধৈর্য


কারও ধৈর্য যদি তার প্রবৃত্তির চেয়ে শক্তিশালী হয়, তবে তার তুলনা হলো ফেরেশতাদের মতো। কিন্তু যদি তার প্রবৃত্তি ও খায়েশ ধৈর্যের চেয়ে প্রবল হয়, তবে সে যেন আস্ত এক শয়তান। খাদ্য, পানীয়, ও যৌনাকাঙ্ক্ষা যদি তার ধৈর্যের চেয়ে শক্তিমান হয়, তবে সে একটা প্রাণীর তুলনায় বিশেষ কিছুই নয়।

কাতাদাহ বলেন, "আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা ফেরেশতাদের সৃষ্টি করেছেন বোধশক্তি দিয়ে, প্রবৃত্তি দিয়ে নয়; চতুষ্পদ জন্তুদের সৃষ্টি করেছেন প্রবৃত্তি দিয়ে, বোধশক্তি দিয়ে নয়; আর মানুষকে সৃষ্টি করেছেন বোধশক্তি ও প্রবৃত্তি উভয়টাই দিয়ে। কাজেই যার বোধশক্তি তার প্রবৃত্তির ওপর প্রাধান্য বিস্তার করবে, সে হবে ফেরেশতাদের মতো। আর যার প্রবৃত্তি তার বোধশক্তির ওপর প্রাধান্য বিস্তার করবে সে হবে পশুদের মতো।"

শৈশবে একজন মানুষের মাঝে কেবল খাদ্যের আকাঙ্ক্ষাই দেখা যায়। এ অবস্থায় তার সবর হচ্ছে চতুষ্পদ জন্তুর মতো। এ অবস্থা থেকে আরও বড় হওয়ার পূর্বে তার মাঝে ঐচ্ছিক ধৈর্য থাকে না। যখন তার মধ্যে খেলার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পায়, তখন সে দুর্বলভাবে হলেও ঐচ্ছিক ধৈর্যের জন্য প্রস্তুত হতে থাকে। যখন তার মধ্যে বিয়ের আগ্রহ সৃষ্টি হয় তখন তার ধৈর্যের শক্তিশালী প্রকাশ ঘটে। আর যখন তার মাঝে দৃঢ় বোধশক্তি প্রত্যক্ষ করা যায়, তখন সবরও খুব শক্তিশালী হয়ে ওঠে। যদি হিদায়াতের নূর তার বোধ অর্জনের প্রাথমিক বছরগুলোতে চমকাতে থাকে এবং বয়ঃপ্রাপ্তির সাথে সাথে তা ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকে, তবে এই দৃঢ় বোধশক্তি ও তার আনুষঙ্গিক শক্তিসমূহ প্রবৃত্তি ও তার আনুষঙ্গিক শক্তিসমূহের বিরুদ্ধে লড়াইতে কোনো অংশেই কম নয়। এ বিষয়টা ফজরের সময়ে উদিত আলোর রেখার মতো, যা দিন বাড়ার সাথে সাথে আরও উজ্জ্বল হতে থাকে।

📘 সবর ও শোকর > 📄 বিভিন্ন পরিস্থিতিতে ধৈর্য

📄 বিভিন্ন পরিস্থিতিতে ধৈর্য


প্রবৃত্তির অনুসরণের বিপরীতে দ্বীনের অনুসরণের ক্ষেত্রে তিন প্রকার অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে:

১. দ্বীনের আহ্বান প্রাধান্য বিস্তারকারী ও শক্তিশালী হবে, ফলে প্রবৃত্তির বাহিনী পরাজিত হবে। এ অবস্থা অর্জিত হবে ধৈর্যের দৃঢ়তার মাধ্যমে। যে এই অবস্থানে পৌঁছুবে সে দুনিয়া ও আখিরাতে সাহায্যপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত। এরাই তারা, যারা বলে:

رَبُّنَا اللَّهُ ثُمَّ اسْتَقَامُوا "...আমাদের রব আল্লাহ, অতঃপর এর ওপর অটল থাকে।"

তারা তো সে সকল লোক, যাদের মৃত্যুর সময় ফেরেশতারা বলে:

أَلَّا تَخَافُوا وَلَا تَحْزَنُوا وَأَبْشِرُوا بِالْجَنَّةِ الَّتِي كُنتُمْ تُوعَدُونَ نَحْنُ أَوْلِيَاؤُكُمْ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَفِي الْآخِرَةِ...

"তোমরা ভয় কোরো না, চিন্তা কোরো না, আর জান্নাতের সুসংবাদ গ্রহণ করো, যার ওয়াদা তোমাদেরকে দেওয়া হয়েছে। পার্থিব জীবনে আর আখিরাতে আমরাই তোমাদের সঙ্গী-সাথী। "[২০]

এরা সে সকল লোক, যারা সবরকারীদের সাথে আল্লাহর সান্নিধ্য অর্জন করে এবং তার পথে প্রকৃত জিহাদ করে করে। এরা আল্লাহর বাছাইকৃত বান্দা।

২. যখন প্রবৃত্তির আহ্বান শক্তিশালী ও বিজয়ী হয় এবং দ্বীনের সাথে তার লড়াইয়ের পূর্ণ অবসানও ঘটে যায় তখন বিপর্যস্ত ব্যক্তি শয়তান ও তার বাহিনীর কাছে হীনভাবে আত্মসমর্পণ করে, তারা তাকে যেভাবে ইচ্ছে পরিচালনা করে। তাদের সাথে তার দু-রকম সম্পর্কের অবকাশ থাকে: হয় সে তাদের অনুসারী হবে এবং তাদের বাহিনীতে শামিল হবে-যা দুর্বল ব্যক্তির ক্ষেত্রে হয়ে থাকে—না হয় শয়তানই তার বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে। এটা ঘটে থাকে শক্তিশালী, কর্তৃত্বকারী, বিদআতি গুনাহগারের ক্ষেত্রে, যে বিদআতের দিকে আহ্বানকারীদের মাঝে নেতৃস্থানীয় হয়ে থাকে। ফলে ইবলিস ও তার বাহিনী এই ব্যক্তির সাহায্যকারী ও অনুগামী হয়ে যায়। এরা সেই লোক, যাদের ওপর দুর্ভাগ্য প্রাধান্য বিস্তার করে, যারা আখিরাতের বিনিময়ে দুনিয়াকে ক্রয় করে নেয়। সবর করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের এই হাল হয়েছে। এই অবস্থা হচ্ছে প্রচণ্ড বিপদ-আপদ, অত্যধিক কষ্ট, দুর্ভাগ্য ও শত্রুদের উল্লাস প্রকাশ করার অবস্থা।[২১]

আর এ ধরণের লোকেদের সঙ্গী হচ্ছে ধোঁকাবাজি, অসততা, বাতিলের সংরক্ষণ, অহংকার, আমলে বিলম্ব করা, দীর্ঘ আশা পোষণ করা ও আখিরাতের ওপর দুনিয়াকে প্রাধান্য দান করা।

এদের ব্যাপারেই নবিজি বলেছেন, العاجز من أتبع نفسه هواها وتمنى على الله الأماني "সে ব্যক্তি অক্ষম, যে তার নফসের অনুসরণ করে আর আল্লাহর কাছে (পরকালীন) নিরাপত্তার আকাঙ্ক্ষা করে।”[২২]

এই হতভাগা লোকেরা কয়েক কিসিমের : কেউ কেউ আল্লাহ ও রাসূল -এর বিরুদ্ধে যুদ্ধের দামামা বাজায়, রাসূল -এর আনীত দ্বীনকে ধ্বংসের নীলনকশা আঁকে, (মানুষকে) আল্লাহর রাস্তায় যেতে বাধা দেয়, রাসূল -এর আনীত দ্বীনকে বিকৃত করে ও এর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে যাতে করে মানুষ এ পথে আসতে বাধাপ্রাপ্ত হয়। এদের মধ্যে কেউ কেউ রাসূল -এর আনীত দ্বীনকে মেনে নেয় ও কবুল করে নেয়, ফলে তার প্রবৃত্তির তাড়না দূর হয়ে যায়। কেউ-বা আবার দু-মুখো মুনাফিক শ্রেণির, যারা কুফর ও ইসলাম উভয়টি দ্বারা প্রতিপালিত হয়। এদের মাঝে কেউ আছে খেলাধুলাকারী ভাঁড়, যে তার সত্বাকে হাশি-তামাশা, মজা নেওয়া আর খেলাধুলা দ্বারা ধ্বংস করে ফেলে। তাদের মাঝে এমন অনেকে আছে যাদের উপদেশ দেওয়া হলে কিংবা তাওবাহ করতে বলা হলে সে বলে—এটা তো আমার পক্ষে অসম্ভব, আমাকে দয়া করে এদিকে ডাকবেন না। কিছু লোক বলে, আল্লাহ তো আমাদের সালাত ও সিয়ামের মুখাপেক্ষী নন, আর আমিও আমার নিজের আমল দ্বারা নাজাত পাব না, আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল ও অসীম দয়ালু। তাদের কেউ কেউ বলে, গুনাহ পরিত্যাগ করাটা তো আল্লাহর ক্ষমা ও দয়ার তুলনায় তুচ্ছ। কেউ-বা বলে, আমি এত এত অন্যায় করার পর আমার ইবাদাত কী কাজে দেবে? সেই ডুবন্ত ব্যক্তির জন্য কী করার আছে, যার আঙুলের অগ্রভাগ পানির ওপরে আর সারাদেহ পানির অতলে নিমজ্জিত? কেউ তো বলে, মৃত্যুর সময় তাওবাহ করে নেব...।

অজুহাতের এই লম্বা ফিরিস্তির কারণ হলো, প্রবৃত্তিই তাদের বিবেকবুদ্ধির একমাত্র নিয়ন্ত্রক এবং তারা একের পর এক মনের খায়েশ চরিতার্থের ফাঁকফোকর তালাশে নিজেদের বিবেকের অপব্যবহার করে। তাদের বিবেক শয়তানের কারাবন্দী এবং তার কুমতলব হাসিলের তাঁবেদারিতে ব্যস্ত। যেমন: কোনো মুসলিম যুদ্ধবন্দী হয়ে কাফিরদের হাতে থাকা অবস্থায় নির্যাতিত হয় এবং বাধ্য হয় শূকর পরিপালনে, মদ অথবা ক্রুশ বহনে। যে নিজের বিবেকবুদ্ধিকে শয়তানের নিয়ন্ত্রণাধীন করে দেয়, তার অবস্থান আল্লাহর নিকট সে ব্যক্তির মতো, যে একজন মুসলিমকে অন্যায়ভাবে পাকড়াও করল এবং তাকে বন্দী করার জন্য কাফিরদের হাতে সোপর্দ করল আর কাফিররা তাকে বন্দী বানিয়ে নিল।

৩. দ্বীন ও প্রবৃত্তির মাঝে প্রনিয়ত প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক যুদ্ধ চলে, কখনো দ্বীন জয়লাভ করে, কখনো-বা প্রবৃত্তি বিজয়ী হয়। উভয়ের এই জয়লাভের ব্যাপারটা খুব ঘন ঘন ঘটে। এটাই অধিকাংশ মুমিনের অবস্থা, যারা নেক আমল ও বদ আমলকে মিশ্রিত করে ফেলে।

ওপরের বর্ণনার আলোকে আখিরাতে মানুষের চূড়ান্ত পরিণতি তিনটি অবস্থার সমানুপাতে হবে-কিছু মানুষ জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং কখনোই জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে না; কিছু মানুষ জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে এবং কখনোই জান্নাতে প্রবেশ করবে না; আর কিছু মানুষ জান্নাতে প্রবেশের অনুমোদন পাবার পূর্বে কিছু দিনের জন্য জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে।

কিছু মানুষ রয়েছে যারা খুব কষ্টের সময় কিংবা চাপের মুখে ধৈর্য ধরতে পারে, আর কিছু মানুষ রয়েছে যারা স্বল্প চাপে থাকলে ধৈর্য ধরতে সক্ষম। প্রথম দৃষ্টান্তটি সেই লোকের মতো, যে একজন শক্তিশালী ব্যক্তির সাথে লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছে আর প্রচণ্ড পরিশ্রম ও কষ্ট ব্যতীত তাকে হারানো সম্ভব নয়। দ্বিতীয় দৃষ্টান্তটি ওই ব্যক্তির মতো, যে একজন দুর্বল লোকের সাথে লড়াই করতে নেমেছে আর সে অনায়াসেই তাকে ধরাশায়ী করে ফেলবে। রহমানের বাহিনী আর শয়তানের চেলাদের মধ্যকার যুদ্ধের ধরন এমনই। যে শয়তানের চেলাপান্ডাদের পরাজিত করতে জানে, সে খোদ শয়তানকেও নাস্তানাবুদ করতে পারে। আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ বর্ণনা করেন:

"এক ব্যক্তি জিনদের একজনের সাথে কুস্তি লাগল এবং তাকে পরাজিত করল। এরপর জিজ্ঞাসা করল: 'তুমি এত দুর্বল কেন?' জিন উত্তর দিল: 'আমি জিনদের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী।' আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ -কে জিজ্ঞাসা করা হল : 'সে ব্যক্তি কি উমার ইবনুল খাত্তাব?' তিনি উত্তরে বললেন: 'সে ছাড়া আর কে হতে পারে?'"

কিছু সাহাবা বলেন, "একজন মুমিন তার (সাথে থাকা) শয়তানকে এমনভাবে দুর্বল করে ফেলে যেভাবে কেউ সফরকালে তার গাধাকে দুর্বল করে।”

ইবনু আবিদ-দুনইয়া কোনো এক সালাফ থেকে বর্ণনা করেন: "একবার এক শয়তান আরেক শয়তানের সাথে সাক্ষাৎ হলে জানতে চায়, "তোমাকে এত রোগা দেখাচ্ছে কেন?" অন্য শয়তান উত্তর দিল: "আমি এমন একজনের সাথে থাকি যে খাওয়ার সময় 'বিসমিল্লাহ' বলে, যে কারণে আমি তার খাবারে অংশ নিতে পারি না। সে পান করার সময়ও আল্লাহর নাম নেয়, তাই তার সাথে পানও করতে পারি না। যখন সে ঘরে ঢোকে, আল্লাহর নাম নেয়, এ জন্য আমাকে বাইরে থাকতে হয়।" প্রথম শয়তান বলে, "কিন্তু আমি যার সাথে থাকি সে পানাহারের সময় আল্লাহর নাম নেয় না, তাই আমি তার সাথে পানাহারে শরীক হই। আর যখন ঘরে প্রবেশ করে তখনো আল্লাহর নাম নেয় না, তাই আমি তার সাথে ঘরে ঢুকি।"

কাজেই যে ব্যক্তি সবরে অভ্যস্ত হবে, তার শত্রুরা তাকে ভয় করবে, আর যার জন্য ধৈর্য ধারণ কষ্টকর হয়ে যায়, তার শত্রুরা ক্ষতিসাধনে আকাঙ্ক্ষী হয়ে ওঠে আর তার থেকে তার কাঙ্ক্ষিত বস্তু ছিনিয়ে নিতে উদ্যত হয়।

টিকাঃ
২০. সূরা আল-ফুসসিলাত, ৪১:৩০-৩১
২১. এখানে মূলত একটি হাদীসের দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এসব জিনিস থেকে আশ্রয় চাইতেন। আস-সহীহ, বুখারি: ৬৩৪ (সম্পাদক)
২২. ইমাম তিরমিযি -এর সূত্রে রিয়াদুস সলিহীন: ৬৭। ইমাম তিরমিযি -এর মতে হাদীসটি হাসান।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00