📘 সিয়াম ও যাকাত > 📄 ভাড়াকৃত জমিতে উৎপাদিত ফসলের যাকাত

📄 ভাড়াকৃত জমিতে উৎপাদিত ফসলের যাকাত


ভাড়া গ্রহীতাকে ভাড়াকৃত জমিতে উৎপাদিত ফসলের উপর যাকাত প্রদান করতে হবে। আর জমির মালিক জমির ভাড়াকে তার মালিকানাধীন নগদ অর্থসহ অন্যান্য সম্পদের মূল্যের সাথে যোগ করে যাকাত প্রদান করবে。

📘 সিয়াম ও যাকাত > 📄 ভাগে চাষাবাদকৃত জমিতে উৎপাদিত ফসলের যাকাত

📄 ভাগে চাষাবাদকৃত জমিতে উৎপাদিত ফসলের যাকাত


যদি জমির মালিক নিজেই চাষ করে, তাহলে মালিকই উৎপাদিত ফসলের যাকাত প্রদান করবে। কিন্তু যদি কেউ অপরের জমি নির্দিষ্ট চুক্তিতে ভাগে চাষাবাদ করে, তাহলে উৎপাদিত ফসল থেকে উভয়ের অংশ পৃথক করার পর যার অংশ নিসাব পরিমাণ হবে তাকে যাকাত প্রদান করতে হবে এবং যার অংশ নিসাব পরিমাণ হবে না, তাকে যাকাত প্রদান করতে হবে না。

📘 সিয়াম ও যাকাত > 📄 খাজনার জমিতে উৎপাদিত ফসলের যাকাত

📄 খাজনার জমিতে উৎপাদিত ফসলের যাকাত


যেসব জমির খাজনা দিতে হয়, সেসব জমিতে চাষাবাদ করা হলে তা হতে উৎপাদিত ফসলেরও যাকাত দিতে হবে। কেননা খাজনা ও যাকাত দুটি পৃথক পৃথক বিষয়। খাজনার কারণে যাকাত রহিত হবে না। একদা উমর ইবনে আব্দুল আযীয (রহ.) কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, 'খাজনা হল জমির উপর এবং যাকাত (ওশর) হল ফসলের উপর।'
উল্লেখ্য যে, 'মুসলিমদের উপর একই সাথে খাজনা ও ওশর একত্রিত হয় না'- মর্মে বর্ণিত হাদীসটি জাল।

টিকাঃ
২৩৭. সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী, হা/৭৭৪৬।

📘 সিয়াম ও যাকাত > 📄 খনিজ সম্পদের উপর যাকাত

📄 খনিজ সম্পদের উপর যাকাত


(ক) ভূ-গর্ভ বা সমুদ্রতল থেকে উত্তোলিত বিভিন্ন রকম খনিজ দ্রব্যকে খনিজ সম্পদ বলে। তরল পেট্রোলিয়াম, কয়লা বা লবণ, বায়বীয় গ্যাস, ধাতব পদার্থ ও লৌহ সবই খনিজ সম্পদ বলে বিবেচিত হয়।
(খ) যাকাতের জন্য খনিজ সম্পদের নিসাবের পরিমাণ স্বর্ণের বা রৌপ্যের পরিমাণের ভিত্তিতে নিরূপিত হবে।
(গ) খনিজ সম্পদের উপর যাকাত বার্ষিক ভিত্তিতে প্রদান করা হয় না। খনিজ দ্রব্যের উত্তোলিত ও পরিশোধিত অংশের মূল্য নিসাব পরিমাণ পৌছলে তাৎক্ষণিকভাবে যাকাত আদায় করতে হবে।
(ঘ) খনিজ সম্পদের উপর যাকাতের হার ২.৫%।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00