📘 সিয়াম ও যাকাত > 📄 নফল রোযার বিবরণ

📄 নফল রোযার বিবরণ


রমাযান মাস ছাড়াও বছরের অন্যান্য সময়ে কিছু কিছু রোযা রাখার অভ্যাস থাকা খুবই উত্তম এবং বিরাট সওয়াবের কাজ। আবু উমামা (রাঃ) নবী ﷺ কে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে কোন (ভালো) আমলের কথা বলে দিন। নবী ﷺ বললেন, 'তুমি অবশ্যই রোযা রাখবে, কেননা এর সমতুল্য অন্য কিছু নেই।'
রমাযান মাস ছাড়াও যে দিনগুলোতে রোযা রাখার বিশেষ ফযীলত রয়েছে হাদীসের প্রমাণসহ নিচে তা উল্লেখ করা হলো :

টিকাঃ
১৬৪. নাসাঈ, হা/২২২২; মুসনাদে আহমাদ, হা/২২৩৩০; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/১৮৯৩; মুস্তাদরাকে হাকেম, হা/১৫৩৩; মু'জামুল কাবীর লিত তাবারানী, হা/৭৩৩৭; মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা, হা/৯৮৯৯; জামেউস সগীর, হা/৭৪৯২; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/৯৮৬।

📘 সিয়াম ও যাকাত > 📄 শাওয়াল মাসের ছয়টি রোযা

📄 শাওয়াল মাসের ছয়টি রোযা


শাওয়াল মাসের ছয়টি রোযা রাখা সুন্নত। এর অনেক ফযীলত রয়েছে। যেমন- হাদীসে এসেছে,
আবু আইয়ূব আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, যে ব্যক্তি রমাযান মাসে রোযা রাখল এবং শাওয়াল মাসে আরো ছয়টি রোযা রাখল, সে যেন সারা বছর রোযা রাখল।
এ হাদীসটির উপর আমল করা সকলের উচিত। একটি নেক আমলের প্রতিদানে সর্বনিম্ন দশটি নেকী দেয়া হয়। তাই রমাযানের ত্রিশটি রোযা দিন আর শাওয়ালের ৬টি রোযা ৬০ দিনের সমান হয়। এতে ৩৬০ দিন পূর্ণ হয়ে যায়, যা একবছরের বেশি হয়; কারণ আরবি বছর ৩৫৪ দিনে হয়ে থাকে। এ রোযাগুলো শাওয়াল মাসের যেকোন দিন রাখা যায়, একসাথে না রেখে ভেঙ্গে ভেঙ্গেও রাখা যায়।

টিকাঃ
১৬৫. সহীহ মুসলিম, হা/২৮১৫; সুনানুল কুবরা লিন নাসাঈ, হা/২৮৭৯; মু'জামুল কাবীর লিত তাবারানী, হা/৩৮১১; শারহুস সুন্নাহ, হা/১৭৮০; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১০০৬; মিশকাত, হা/২০৪৭।

📘 সিয়াম ও যাকাত > 📄 আশুরার রোযা

📄 আশুরার রোযা


দশই মুহাররম অনেক ফযীলতপূর্ণ দিন। এদিন রোযা রাখার ফযীলত সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, 'রমযানের পর সর্বোত্তম রোযা হলো মুহাররম মাসের রোযা।'
নবী ﷺ আরো বলেন, 'আমি আল্লাহর নিকট আশা রাখি যে, আশুরার রোযা বিগত একবছরের গোনাহের কাফফারা হয়ে যাবে।'
আশুরার রোযার আগে বা পরে একদিন মিলিয়ে মোট দু'টি রোযা রাখা উত্তম।

টিকাঃ
১৬৬. সহীহ মুসলিম, হা/২৮১২; আবু দাউদ, হা/২৪৩১; তিরমিযী, হা/৪৩৮; নাসাঈ, হা/১৬১৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/৮৫১৫; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/১১৩৪; মুসনাদে আবু ই'আলা, হা/৬৩৯৫; মুস্তাদরাকে হাকেম, হা/১১৫৫; মুস্তাখরাজে আবু আওয়ানা, হা/২৩৭৬; বায়হাকী, হা/৮২০৪; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১০১৫; জামেউস সগীর, হা/১৯৯৬ মিশকাত, হা/২০৩৯।
১৬৭. সহীহ মুসলিম, হা/২৮০৩; আবু দাউদ, হা/২৪২৭; তিরমিযী, হা/৭৫২; ইবনে মাজাহ, হা/১৭৩৮; মুসনাদে আহমাদ, হা/৮৩; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১০১৭; জামেউস সগীর, হা/৭৩০০; শারহুস সুন্নাহ, হা/১৭৯০; মিশকাত, হা/২০৪৪।

📘 সিয়াম ও যাকাত > 📄 আইয়্যামে বীযের রোযা

📄 আইয়্যামে বীযের রোযা


প্রতি চন্দ্রমাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখের রোযাকে আইয়্যামে বীযের রোযা বলা হয়। এ রোযার অনেক গুরুত্ব রয়েছে। রাসূলুল্লাহ ﷺ আবু যর (রাঃ) কে বললেন, 'হে আবু যর! তুমি যখন প্রতি মাসে তিনদিন রোযা রাখবে তখন ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে রোযা রাখো।'
আবু যর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতি মাসে তিনদিন রোযা রাখল সে যেন সারা বছরই রোযা রাখল। এর সত্যতা স্বরূপ তিনি আল্লাহ তা'আলার কিতাবের এ আয়াতটি পাঠ করেন, 'যে ব্যক্তি একটি নেক আমল করবে এর বিনিময়ে সে দশটি নেকী পাবে।' (সূরা আনআম- ১৬০)
একদিন দশদিনের সমান এবং তিনদিন এক মাসের সমান। এভাবে প্রতি মাসে তিনটি রোযা রাখলে পূর্ণ বছর রোযা রাখার সওয়াব পাওয়া যায়।

টিকাঃ
১৬৮. তিরমিযী, হা/৭৬১; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/২১২৮; বায়হাকী, হা/৮২২৮; জামেউস সগীর, হা/৬৭৫; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১০৩৮; মিশকাত, হা/২০৫৭।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00