📘 সিয়াম ও যাকাত > 📄 মাসিক সংক্রান্ত কতিপয় মাসআলা

📄 মাসিক সংক্রান্ত কতিপয় মাসআলা


১. যে মহিলার ইস্তেহাযা হয় সে রোযা ভাঙবে না এবং সালাতও কাযা করবে না। ইস্তেহাযা হলো, মাসিকের নির্ধারিত সময়ের পরে অথবা সন্তান প্রসবের ৪০ দিনের পরে যে রক্ত আসে।
২. কোন মহিলা রোযা থাকা অবস্থায় যদি তার ঋতুর রক্ত আসে, তাহলে তার রোযা নষ্ট হয়ে যাবে।
৩. ফজরের পরপরই কোন মহিলা ঋতুস্রাবমুক্ত হলে ঐ দিনের খানাপিনা ইত্যাদি থেকে বিরত থাকতে হবে না। কেননা সে ঐ দিনের শুরুতে ঋতুবতী থাকার কারণে সেদিনের রোযা তার জন্য শুদ্ধ নয়। আর রোযা যেহেতু শুদ্ধ নয়, সেহেতু খানাপিনা থেকে বিরত থাকারও কোন অর্থ নেই। ঐ দিনের বাকি অংশে সে খানাপিনা থেকে বিরত থাক বা না থাক তাকে পরবর্তীতে ঐ দিনের রোযার কাযা আদায় করতে হবে।
৪. ঋতুবতী মহিলা যদি ফজরের এক মিনিট আগে হলেও নিশ্চিতভাবে ঋতুস্রাব থেকে মুক্ত হয়, তাহলে রমাযান মাস হলে তাকে ঐ দিনের রোযা আদায় করতে হবে এবং তার ঐ দিনের রোযা শুদ্ধ রোযা হিসেবে পরিগণিত হবে এবং তাকে কাযা করতে হবে না। তার ফজরের পূর্বে গোসল করার সুযোগ না পেলেও সমস্যা নেই। যেমনিভাবে কোন পুরুষ সহবাসজনিত কারণে অথবা স্বপ্নদোষের কারণে যদি অপবিত্র থাকে এবং ঐ অবস্থায় সাহারী করে নেয়, তাহলে ফজরের আগে গোসল না করলেও তার রোযা শুদ্ধ হবে। আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ সহবাসজনিত কারণে ফজরের সময় আরম্ভ হওয়ার পর গোসল করতেন এবং রোযা রাখতেন।
৫. কোন মহিলার ইফতারের পর অথবা সূর্যাস্তের পরপরই ঋতুস্রাব আসলে তার সেদিনের রোযা শুদ্ধ হবে।
৬. কোন মহিলা যদি রোযা অবস্থায় ঋতুস্রাব আসার চিহ্ন অনুভব করতে পারে এবং সূর্যাস্তের পর রক্ত বের হয়, তাহলেও তার ঐ দিনের রোযা শুদ্ধ হয়ে যাবে।
৭. সদ্য সন্তান প্রসবকারিণী নারী ৪০ দিনের আগে যখনই পবিত্র হবে তখনই তার উপর রোযা রাখা অপরিহার্য হয়ে যাবে- যদি তখন রমাযান মাস চলে। অনুরূপভাবে তার উপর সালাত আদায়ও ফরয হবে এবং তার স্বামীর জন্য তার সাথে সহবাস করাও বৈধ হবে। কেননা সে একজন পবিত্র নারী হিসেবে বিবেচিত হবে। যার মধ্যে সালাত, সিয়াম ও সহবাসের বৈধতায় বাধাদানকারী কোন কিছু অবশিষ্ট নেই।
৮. যদি রমাযান মাসে দিনের বেলায় কোন মহিলার সামান্য রক্তের ফোটা পড়ে এবং সারা রমাযান এই রক্ত চালু থাকা অবস্থায় সে রোযা রাখে, তাহলে তার রোযা শুদ্ধ হবে। আর এই রক্ত তেমন কোন বিষয় না। কারণ, এটা শিরা থেকে আসে।
৯. কোন মহিলা যদি রক্ত দেখতে পায় কিন্তু সে নিশ্চিত নয় যে, সেটা ঋতুস্রাবের রক্ত। তাহলে ঐ দিনের রোযা শুদ্ধ হবে। তবে ঋতুর বিষয়টা স্পষ্ট হলে রোযা শুদ্ধ হবে না।
১০. ঋতুবতী এবং ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলা রমাযানে দিনের বেলায় খানাপিনা করবে। তবে উত্তম হলো, খানাপিনা গোপনে করা।
১১. কোন মহিলা অসুস্থ হয়ে থাকলে এবং রোযা কাযা আদায় করতে সক্ষম না হলে যখনই সক্ষম হবে তখনই কাযা আদায় করবে। এ ক্ষেত্রে পরবর্তী রমাযান এসে গেলেও সমস্যা নেই। কিন্তু যদি তার ওজর না থাকে এবং অজুহাত দেখায় এবং বিষয়টা তুচ্ছজ্ঞান করে তাহলে তার জন্য এক রমাযানের কাযা রোযা অন্য রমাযান পর্যন্ত বিলম্ব করা বৈধ নয়। আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার উপর রোযা কাযা থাকত এবং আমি তা শা'বান মাসে ছাড়া কাযা আদায় করতে পারতাম না।
এই হাদীস প্রমাণ করে যে, এক রমাযানের রোযা পরবর্তী রমাযানের পর পর্যন্ত বিলম্ব করা উচিত নয়। সুতরাং যে মহিলা পরবর্তী রমাযানে পদার্পণ করেছে অথচ বিগত রমাযানের কয়েক দিনের রোযা রাখেনি তাকে তার কৃতকর্মের দরুণ তওবা করতে হবে এবং দ্বিতীয় রমাযানের পর ছেড়ে দেয়া রোযাগুলোর কাযা আদায় করতে হবে।
১২. কোন মহিলা ইস্তেহাযাগ্রস্ত অবস্থা থেকে পবিত্র হওয়ার দু'মাস পর রক্তের ছোট ছোট কিছু বিন্দু দেখতে পেলে এ ক্ষেত্রে সাধারণ নিয়ম হচ্ছে, মহিলা যখন ঋতুস্রাব ও ইস্তেহাযা অবস্থা থেকে নিশ্চিতভাবে পবিত্র হয়ে যাবে এরপর ঘোলা বা হলুদ রঙের, যা বের হবে অথবা ২/১ ফোটা যে রক্ত আসবে অথবা সামান্য যে সিক্ততা অনুভূত হবে, সেগুলো আসলে ঋতুস্রাব নয়। সে কারণে এগুলো তাকে সালাত আদায় করা ও সিয়াম পালন করা থেকে বিরত রাখবে না এবং স্বামীকে সহবাস থেকেও বাধা দেবে না। উম্মে আত্বিয়া (রাঃ) বলেন, ঘোলা বা হলুদ রঙের যা বের হয় তাকে আমরা কিছুই গণ্য করতাম না।
কিন্তু পবিত্রতা অর্জনের পূর্বে বিষয়গুলো নিয়ে তাড়াহুড়া না করা আবশ্যক। কেননা কতিপয় মহিলা রক্ত শুকিয়ে গেলে নিশ্চিত পবিত্রতা অর্জনের আগেই তাড়াহুড়া করে গোসল করে নেয়।

টিকাঃ
২৭. সহীহ বুখারী, হা/১৯৩১; সহীহ মুসলিম, হা/৭৫, ১১০৯।
২৮. সহীহ বুখারী, হা/১৯৫০; সহীহ মুসলিম, হা/১১৪৬।
২৯. সহীহ বুখারী, হা/৩২০।

📘 সিয়াম ও যাকাত > 📄 গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারিণী মহিলাদের রোযার বিধান

📄 গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারিণী মহিলাদের রোযার বিধান


• গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারিণী মহিলাদের যদি গর্ভাবস্থায় বা দুগ্ধদানের কারণে রোযা রাখতে কষ্ট হয় অথবা তাদের সন্তানদের প্রাণহানীর আশঙ্কা থাকে তাহলে তারা রোযা রাখবে না। পরে যখন সুবিধা হয় এবং আশঙ্কা দূর হয়ে যায় তখন কাযা করে নেবে। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, আল্লাহ তা'আলা মুসাফিরের অর্ধেক সালাত কমিয়ে দিয়েছেন এবং গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী নারীর সিয়াম না রেখে পরে আদায় করার অবকাশ দিয়েছেন।

টিকাঃ
৩০. তিরমিযী, হা/৭১৫; ইবনে মাজাহ, হা/১৬৬৭; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৯০৬৯; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/২০৪২; বায়হাকী, হা/৭৮৬৯; মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা, হা/৫৬৬; মিশকাত, হা/২০২৫।

📘 সিয়াম ও যাকাত > 📄 রোগীর অবস্থা ও তার রোযার বিধান

📄 রোগীর অবস্থা ও তার রোযার বিধান


রোগীর তিনটি অবস্থা হতে পারে:
১. তার রোগটি এমন স্বাভাবিক হবে যে, রোযা রাখাতে তার কোন সমস্যা হবে না। এমন রোগীর জন্য রোযা ভঙ্গ করা জায়েয হবে না।
২. রোগীর অবস্থা এমন হবে যে, রোযা রাখলে তার রোগ বৃদ্ধি পাবে অথবা সুস্থ হতে দেরি হবে। এমনকি রোযা রাখা তার জন্য কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। এমন রোগীর জন্য রোযা ভেঙ্গে ফেলা উত্তম। যদি কোন রোগীর সিয়াম পালনের কারণে রোগ বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তবে তার জন্য রোযা ভঙ্গ করা ওয়াজিব। কিন্তু সুস্থ হওয়ার পর রোযা কাযা আদায় করে নেবে। আল্লাহ তা'আলা বলেন, 'যদি তোমাদের মধ্যে কেউ রোযার মাসে অসুস্থ হয়ে পড়ে অথবা সফরে থাকে তাহলে পরে গুণে গুণে সেই দিনগুলো পূর্ণ করে নেবে।' (সূরা বাকারা- ১৮৪)
৩. রোগীর এমন অবস্থা হবে যে, রোযা রাখলে তার প্রাণনাশের আশঙ্কা হতে পারে। এমতাবস্থায় তার জন্য রোযা রাখা হারাম। আল্লাহ তা'আলা বলেন, 'তোমরা নিজেদেরকে ধ্বংস করো না।' (সূরা নিসা- ২৯)
স্থায়ী কারণে রোযা রাখতে অক্ষম যেমন, অতি বৃদ্ধ এবং এমন রোগী যার রোগ ভালো হওয়ার আশা করা যায় না তাদেরকে রোযা রাখতে হবে না। কারণ সে এ কাজের সামর্থ্য রাখে না। আল্লাহ তা'আলা বলেন, 'আল্লাহ তা'আলা কাউকে তার সামর্থ্যের বাইরে বোঝা চাপিয়ে দেন না।' (সূরা বাকারা- ২৮৬) তবে এ ধরনের ব্যক্তির উপর রোযার ফিদইয়া প্রদান করা ওয়াজিব।

📘 সিয়াম ও যাকাত > 📄 মুসাফিরের অবস্থা ও তার রোযার বিধান

📄 মুসাফিরের অবস্থা ও তার রোযার বিধান


মুসাফিরের তিনটি অবস্থা হতে পারে :
১. রোযা রাখা তার জন্য কষ্টকর হলে তার জন্য রোযা না রাখাই উত্তম। হাদীসে এসেছে, জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ কোন এক সফরে থাকা অবস্থায় এক জায়গায় জটলা দেখতে পেলেন। তার মধ্যে একজন লোককে দেখলেন- যাকে ছায়া দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কী হয়েছে? লোকেরা বলল, লোকটি রোযা রেখেছে। এসব শুনে তিনি বললেন, সফরে রোযা রাখা সওয়াবের কাজ নয়।
২. সফরে রোযা রাখা তার জন্য কষ্টকর হবে না এবং রোযা রাখার কারণে তাকে অন্যান্য নেক কাজ হতেও বিরত থাকতে হবে না। এমতাবস্থায় তার জন্য রোযা রাখাই উত্তম। আল্লাহ তা'আলা বলেন, 'আর যদি তোমরা রোযা রাখ, তবে সেটা তোমাদের জন্য উত্তম- যদি তোমরা বুঝতে পার।' (সূরা বাকারা- ১৮৪)
আবুদ্-দারদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, প্রচণ্ড গরমের দিনে কোন সফরে আমরা নবী ﷺ এর সাথে বের হলাম। অবস্থা এমন ছিল যে, প্রচণ্ড গরমের কারণে প্রত্যেকেই তার হাত মাথার উপর রেখেছিল (সূর্যের তাপ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য)। আর তখন নবী ﷺ ও ইবনে রাওয়াহা (রাঃ) ছাড়া আমাদের মধ্যে আর কেউ রোযাদার ছিল না।
নবী ﷺ এর স্ত্রী আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। হামযা ইবনে আমর আসলামী (রাঃ) অধিক পরিমাণে রোযা পালনে অভ্যস্ত ছিলেন। তিনি নবী ﷺ কে বললেন, আমি কি সফরেও রোযা রাখব? নবী ﷺ বললেন, তুমি যদি ইচ্ছা করো রোযা রাখো। আর যদি ইচ্ছা করো তবে ছেড়ে দাও।
৩. রোযা রাখা মুসাফিরের জন্য মারাত্মক কষ্টকর হবে, এমনকি এতে তার প্রাণনাশেরও আশঙ্কা থাকবে। এমতাবস্থায় রোযা রাখা তার জন্য হারাম হবে।
জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। মক্কা বিজয়ের বছর রমাযান মাসে সাওমরত অবস্থায় রাসূলুল্লাহ ﷺ মক্কার উদ্দেশ্যে বের হলেন। এরপর যখন তিনি "কুরা'উল গামীম” নামক স্থানে পৌঁছলেন, তখন লোকেরাও সাওমরত ছিল। এরপর তিনি একটি পানির পাত্র চাইলেন। এমনকি লোকেরা তাঁর দিকে তাকাতে লাগল। এরপর তিনি পানি পান করলেন। তখন তাঁকে বলা হলো, কতিপয় লোক সাওমরত রয়েছে। তিনি বললেন, তারা অবাধ্য, তারা অবাধ্য।
যে ব্যক্তি সফরে থাকবে, সে ইচ্ছা করলে রোযা ভঙ্গ করতে পারবে, আবার ইচ্ছা করলে রোযা রাখতেও পারে। এমতাবস্থায় রোযা ভঙ্গ করলে সফর শেষে তা পূর্ণ করে নিতে হবে। আল্লাহ তা'আলা বলেন, 'রমাযান মাস (এমন একটি মাস) যাতে কুরআন নাযিল করা হয়েছে, আর এই কুরআন হচ্ছে মানবজাতির জন্য পথপ্রদর্শক, সৎপথের সুস্পষ্ট নিদর্শন এবং (হক ও বাতিলের) পার্থক্যকারী। অতএব তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এ মাসটি পাবে, সে যেন রোযা রাখে, তবে যদি কেউ অসুস্থ হয়ে পড়ে কিংবা সফরে থাকে তবে সে পরবর্তী দিনগুলোতে গুণে গুণে সেই পরিমাণ কাযা করে নেবে। (এ সুযোগ দিয়ে) আল্লাহ তা'আলা তোমাদের জন্য সহজ করতে চান, কখনোই তোমাদের (জীবন) কঠিন করতে চান না। আল্লাহর উদ্দেশ্য হচ্ছে, তোমরা যেন গুণে গুণে (রোযার) সংখ্যাগুলো পূর্ণ করতে পার, আর আল্লাহ তোমাদেরকে (জীবন যাপনের) যে পদ্ধতি শিক্ষা দিয়েছেন সেজন্য তাঁর মাহাত্ম্য বর্ণনা করতে পার এবং তাঁর কৃতজ্ঞতা আদায় করতে পার।' (সূরা বাকারা- ১৮৫)
আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেন, রমাযানের ষোল দিন গত হওয়ার পর আমরা নবী ﷺ এর সাথে জিহাদ করেছিলাম, তখন আমাদের মধ্যে কেউ কেউ রোযা রেখেছিলেন আবার কেউ কেউ রাখেননি; কিন্তু এ কারণে কেউ কাউকে দোষারোপ করেননি।
আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা রাসূলুল্লাহ ﷺ এর সাথে রমাযান মাসের ১২ দিন বাকি থাকতে বের হলাম। আর আমরা হুনাইনের উদ্দেশ্যে বের হলাম। তখন লোকেদের একদল রোযা রেখেছিল এবং অন্য দল রোযা ভঙ্গ করেছিল। কিন্তু রোযাদারগণ রোযা ভঙ্গকারীদেরকে কোনরূপ দোষারূপ করে নাই এবং রোযাভঙ্গকারীগণও রোযাদারদেরকে কোনরূপ দোষারূপ করে নাই।
অতএব সফরে যদি রোযা রাখার পরিবেশ ভালো থাকে এবং কষ্ট না হয় তাহলে রোযা রাখাই উত্তম, আর কষ্ট হলে না রাখা উত্তম। কিন্তু অতিরিক্ত কষ্ট সত্ত্বেও রোযা রাখা মাকরূহ।
সফরে কেউ রোযা রাখা শুরু করলে অনেক কষ্ট দেখা দিলে রোযা ভঙ্গ করে ফেলবে।

টিকাঃ
৩১. সহীহ বুখারী, হা/১৯৪৬; সহীহ মুসলিম, হা/১৩৩৭; মুসনাদে দারেমী, হা/১৭৫০; বায়হাকী, হা/৭৯৪৩; মিশকাত, হা/২০২১।
৩২. সহীহ বুখারী, হা/১৯৪৫; সহীহ মুসলিম, হা/২৬৭৬; মুস্তাখরাজে আবু আওয়ানা, হা/২২৫৫; আবু দাউদ, হা/২৪১১; ইবনে মাজাহ, হা/১৬৬৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/২১৭৪৩; মু'জামুল কাবীর লিত তাবারানী, হা/১৭৭১; বায়হাকী, হা/৭৯৫৬; শারহুস সুন্নাহ, হা/১৭৬৫; সিলসিলা সহীহাহ, হা/৪।
৩৩. মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হা/৬৫৩; সহীহ বুখারী, হা/১৯৪৩; সহীহ মুসলিম, হা/২৬৭১; তিরমিযী, হা/৭১১; নাসাঈ, হা/২৩০৬; ইবনে মাজাহ, হা/১৬৬২; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৪২৪২; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/২০২৮; মুসনাদে আবু ই'আলা, হা/৪৬৫৪; মু'জামুল কাবীর লিত তাবারানী, হা/২৭৯২; বায়হাকী, হা/৭৯৪৫; সুনানে দারেমী, হা/১৭০৭; মিশকাত, হা/২০১৯।
৩৪. সহীহ বুখারী, হা/১৯৪৪; সহীহ মুসলিম, হা/২৬৬৬; নাসাঈ, হা/২২৬৩; তিরমিযী, হা/৭১০; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/২০১৯; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১০৫৩; মুসনাদে আবু ই'আলা, হা/১৮৮০; মিশকাত, হা/২০২৭।
৩৫. সহীহ মুসলিম, হা/২৬৭১; মুসনাদে আহমাদ, হা/১১৭২৩; মুসনাদে আবু ই'আলা, হা/১০৩৫; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১০৬২; মিশকাত, হা/২০২০।
৩৬. মুসনাদে আহমাদ, হা/১১৪৩১; মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা, হা/৩৮০৩৫।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00