📄 চক্ষুদ্বয়
তাঁহার চক্ষু মুবারকের মনি অত্যন্ত কালো ছিল। হযরত আলী (রা)-এর বর্ণনামতে তাঁহার চক্ষুদ্বয় ছিল اسود الحدقة "চক্ষুর মনি অত্যন্ত কালো” (আলবানী, সাহীহ আল-জামে আস-সাগীর ওয়া যিয়াদাতুহু, ৪খ., পৃ. ১৯৭, হা. ৪৪৯৭)।
হযরত জাবির ইবন সামুরা (রা)-এর বর্ণনামতে তাঁহার চক্ষুদ্বয় ছিল اشكل العين "লাল ডোরাযুক্ত” অর্থাৎ চক্ষুদ্বয়ের সাদা অংশ আভা মিশ্রিত ছিল (মুসলিম, ৮খ., পৃ. ১০২; হা. ২৩৩৯)।
হযরত আলী ইব্ন আবূ তালিব (রা)-এর বর্ণনামতে তাঁহার চক্ষুর পাতা ছিল أهدب الشفار "দীর্ঘ ও কোমল” (আলবানী, মুখতাসারুশ শামাইলিল মুহাম্মাদিয়্যা, পৃ. ১৬)।
📄 নাসিকা
রাসূলুল্লাহ (স)-এর নাক অতি সূক্ষ্ম ও দীর্ঘ ছিল। হিনদ ইব্ন আবূ হালা-এর বর্ণনামতে ا ما اقنى العرنين له نور يعلوه يحسبه من لم تأمله اشم. উঁচু ও দীর্ঘ ছিল এবং উহাতে জ্যোতি ঝলমল করিত। কেহ গভীরভাবে না দেখিলে উহাকে উঁচু নাকবিশিষ্ট মনে হইত, কিন্তু ভালভাবে লক্ষ্য করিলে দেখা যাইত নূরের আতিশয্যে উহা উঁচু মনে হইতেছে” (ইমাম তিরমিযী শামায়েল, অনু. পৃ. ৯; আলবানী, মুখতাসারুশ শামাইলিল মুহাম্মাদিয়্যা, পৃ. ১৯)।
📄 গণ্ডদ্বয়
হিন্দ ইব্ন আবূ হালাহ-এর বর্ণনামতে তাঁহার গণ্ডদ্বয় ছিল مهل الخدين "সমতল এবং হালকা মাংসল” (ইমাম তিরমিযীর শামায়েল, অনু. পৃ. ৯; আলবানী, মুখতাসারুশ শামাইল, পৃ. ১৯)।
📄 মুখগহ্বর
হিন্দ ইব্ন আবু হালাহ-এর বর্ণনামতে রাসূলুল্লাহ (স)-এর মুখ গহব্বর ضليع الفم "যথোপযুক্ত প্রশস্ত ও বৃহৎ ছিল" যাহা সুস্পষ্ট আলোচনার প্রতীক হিসাবে আরবে প্রশংসিত ছিল (ইমাম তিরমিযী, শামায়েল, অনু. পৃ. ৯; আলবানী, পৃ. ১৯)। হযরত জাবির ইবন সামুরা (রা) বলেন:
كان رسول الله ﷺ ضليع الفم.
"রাসূলুল্লাহ (স) ছিলেন যথোপযুক্ত প্রশস্ত মুখ গহ্বরের অধিকারী" (মুসলিম, ৮খ., পৃ. ১০২, হা. ২৩৩৯)।