📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 দৃষ্টান্ত-৪: মহাবিশ্বের সূচনা

📄 দৃষ্টান্ত-৪: মহাবিশ্বের সূচনা


মহাবিশ্বের শুরু বা সূচনা প্রসঙ্গে আল-কুরআনে ইরশাদ হইয়াছে:
أَوَلَمْ يَرَ الَّذِينَ كَفَرُوا أَنَّ السَّمُوتِ وَالْأَرْضَ كَانَتَا رَتْقًا فَفَتَقْنَهُمَا وَجَعَلْنَا مِنَ الْمَاءِ كُلَّ شَيْءٍ حَىٰ أَفَلَا يُؤْمِنُونَ
"যাহারা কুফুরী করে তাহারা কি ভাবিয়া দেখে না যে, আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী পরস্পর মিশিয়া (সংযুক্ত) ছিল ওতপ্রোতভাবে, অতঃপর আমি উভয়কে পৃথক করিয়া দিলাম এবং প্রাণবান সমস্ত কিছু সৃষ্টি করিলাম পানি হইতে; তবুও কি উহারা বিশ্বাস করিবে না" (২১:৩০)?
রাতকু'ন (رتق) শব্দের অর্থ পরস্পরে সংযুক্ত অংশবিশিষ্ট কোন জিনিস অর্থাৎ কোন জিনিসের বিরাজমান সকল অংশ একটি অপরটির মধ্যে অনুপ্রবিষ্ট ও সংযুক্ত থাকা। আর ফাতকুন (فتق) শব্দের অর্থ ইহার বিপরীত, অর্থাৎ সংযুক্ত অংশসমূহকে ছিন্নভিন্ন করিয়া পৃথক করিয়া দেওয়া (ইব্‌ন কাছীর, তাফসীরুল কুরআনিল আযীম, ৩খ., পৃ. ১৬৮)। আল-কুরআনের এই আয়াতটির পৃষ্ঠীয়া নাপ্তম লতাগীতে মাফিল হয় ব্রাভাতা ইহা হইচ্ছে প্রাতীয়মান হয়াপযে, মহা বিশ্বের বিভিন্ন আসা শুরুতে ব্রীজটি আপটির সহিত সংযুক্ত ছিল্লী। তৎপর আল্লাহীর্তিা আইন ইহাকে ছিন্নভিন্ন করিয়া পৃথক পৃথক রূপর্দনক্ষরিয়াছেন। কুরআন মামিল হওয়ার পর হিইতে শতাব্দীর পর শতাব্দী অতিবাহিত হইয়া গিয়াছে, কিন্তু মানুষ উপলব্ধিকেরিজে পারেননাই কয়া স্মহাবিশ্বের সহিত কী করনের আচরণ করা এইয়াছে যাহাকে রাজকনر تق৩.ফারকুলার বলিয়া ব্যক্ত করা হইয়াছে ভুको हुकী। র‍্যাহরীচ উঠুত ত্যাগ ও কাজও শাক চাতাল চকীকে সে ভানীয় সংসর্বপ্রথমত চমৎ বীপৃঃ সালে ইহার মর্মার্থ সামনে আসে যখন বিজ্ঞানী জর্জ লিমায়াট্রে (Georges Limattre) বিগ ব্যাং (Big Bang) নামক তত্ত্ব পেশ করেন এই উল্টের সারাংঙ্গ এই যে, মহাবিশ্ব প্রথমে সংকুচিও আকারে ছিল, ইহার একাংশ অপর অংশের সহিউ খুব কঠিনভাবে সংযুক্ত ছিল'। এই প্রাথমিক পদার্থকে অহাজীগম্ভিক ডিম্ব অথবা Cosmic Egg জবধা দেবী Atom বন্দী হয়। অতঃপর মহাজাগতিক ডিম্বে একটি দুছাবিস্ফোরন সংঘটিত ইয়া ইহাকে বিজ্ঞানীদের ভাষায় 'বিগ ব্যাং বলা হয়। ইহার ফলে মহাবিশ্বের মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ কার্যক্রম আর হয়। তদ্বন হইতে মহাবিশ্ব প্রতি মুহূর্তে সম্প্রসারিত হইতেছে। এই কার মহাবিশ্বকে "প্রসারমান মহাবিশ্ব (Expanding Universe) বলা হয়। আল-কুরআনে মহাবিশ্বের এই সম্প্রসারণ প্রসঙ্গেও আলোকপাত করা হইয়াছে। (করান ৩৫ পাতার নী ফারাক নী)
সাত আর আমি! আকাশী সৃষ্টি করিয়াছি আর্থার নিজ ক্ষমতাবলে এবং আছিই উহার্কে প্রসারিত করিতেছির বৃকরাকরী রির অতীক্বদীপ চ্যাভচক্কার তোতার চাক
আধুনিক বিজ্ঞানের স্ত্রই আবিষ্কার এই কথীই প্রমাণ করে বে, কুরআন কারীম এক মহাবিস্ময়। ইহা কোন মানব রচিত গ্রন্থ নহে। ইহা এমন এক সরার মুমিনরায় যুগ্ম মায়ের নিকট অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের ঘটনাপঞ্জী সমভাবে দৃশ্যমান (ইনসাইক্লোপেডিয়া ব্রিটানিকা, ১৯৮৪ খৃ. সংস্করণ, সংশ্লিষ্ট শিরোঃ দ্যা বাইবেল, দ্যা কুরআনি এই সায়েন্স, মরিস বাইকারণ
চিজলকুরআন কারীম প্লেতে মু'জিয়া হাওয়ার ষষ্ঠু কারণ এই যে এরআন কারীয়ে পূর্বরর্তী উম্মাত, তাহাদের, গরী আত ও তাহাদের ইতিহাস এমন নিখুঁতভাবে আলোচিত হইয়াছে, যে সেক্লাবের ইয়াহুদী নাসারাদের প্রঞ্জিত ব্যক্তিবর্গ, ভাষদেরকে পূর্ববর্তী আসমানী কিতারসমূহের বিশেষজ্ঞ মনে করা হইত, তাহারাও এই পরিমাণ অবগত ছিল না। অথচ রাসূলুল্লাহ (স) (যাঁহার জীবনে এই কুরয়ার রিক্সার হইয়াছে) পাল, পঞ্চান, প্রতিষ্ঠানিক শিক্ষায় ছিল না, ক্লিনি কোন শিক্ষিত লোকের রাশয্যা গ্রহঃ জেরেন্ট নারী জনন ও ক্লোর বরিতার আঃড্রেন নাই। তিনি স্লিপের, উম্মী ইত্তা লেজার ও তাঁরার প্রচারিত গ্রহে পৃপ্তিবীর, গরু হইতে তাঁহারা যুগ: প্রর্যন্ত অতীতের সকল জাতি গোষ্ঠীতারামাতের (বিশ্বারিত ইতিহালাগিয়া হালের পরকী আরবিক্ষা কর্মকারিজের বর্ণনা এরয় অন্যান্য

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00