📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 দৃষ্টান্ত-১ : পৃথিবীর সকল কিছু জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্ট

📄 দৃষ্টান্ত-১ : পৃথিবীর সকল কিছু জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্ট


দুষ্টান রাগিরীর সকল কিছু গয়ড়ায় সিয়ড়ায় সুইড এচাচ ভান করাগামাটি উষ্যের কুরআন কারীমে ঘোষিত হইয়া কি সেইর ভারীকরার দারাশান-চার ৩৮৬ স্যাতে অরুণাচল কাউচাচী চয়াকস ০ কর্মী চকায়ালী।
আমি (আল্লাহ) প্রত্যেকটি গল্পের আেোমর জোয়ান রুটি কুরিয়াছি, যায়েঙ্গে কোয়রা, উপদেশ গুরুত্ব করিলে পুরে ৫১। ক্যাত কাপচে ঘীলাশ রিগচটাল চাচাচীও ভারীনি চালাত আদায় দিনাজাইক অমাকে বেখন- দাফিল হাইয়াছিরাত পঞ্চ পর্যঙ্কু মানুটাকধুশ্রাতাটুকু জানিতা যে, পারাও মাসী অর্থাৎ বিপরীত লিঙ্গেরী জোড়ায় কেবলা মানুষ্যায়ান্তাজীঅজন্তুর মধ্যেই পাওয়া যায় নীকিছু আজ কুরআর্মের ভাষ্যে কোট সীমাবদ্ধতা ছিল মাশিউজার ঘোষণী এই যোল প্রত্যেক বস্তুই জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্ট। আজ পবিজ্ঞান স্টর্চার উন্নতির সুবাদে আল কুরআনেয়া এই তত্ত্ব বিস্ময়করভাবে প্রমাণিত হইয়াছে। আজকের বিজ্ঞানিলম এই সত্যের সন্ধান পাইয়াছেন খৈ, শ্রীনাজসর্তর ডাদ্ভদ জর্ণত তো আছেই, জড়জসীমনকি স্বপ্তর দিয়মাণু জগতেষা জাছে গ্রিই জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টির বিস্ময়কর উপস্থিতি। তবে ইহা স্বতন্ত্র কথা যে, সকলপকছুর ক্ষেত্রেই এই জোড়ায় সাফাতনরীাতাম্মাসী রাঞ্চ হইকে কি না?। বরংকৈান ক্ষেত্রে এই জোড়ার মাফন্সের' ও মাদাসা পুজারীও স্ত্রী'। রাখা প্রাণীজাণতের ক্ষেত্রে মায়ের নিউক্লিয়াসের ক্ষেত্রে ইহার পরিচয় 'প্রোটনস ও নিউট্রনস জোড়া' নায়ো কয়বস্তুরী প্রতমাগুরত ইহার জামিনী প্রোটাতা'তাও
"ইলেকটুসীসই রঞ্জড়া। প্রাণীরা প্রজনন প্রক্রিয়ার ইহাকে জামরা জানি শুক্রকীটেরা কী ডিব্ধমু জোড়া নামে। কোন কোন ক্ষেত্রেঃ ইহার "পরিচয় দেওয়া হয়ী পজিটিভ ও মৌলটিভ মীম্মেল প্রাণীদেহের সর্বপ্রথম কোষ ভ্রূণের মধ্যে মধ্যে আছে ক্রোমজমের জোড়া। জোড়া ৮৬ এইভাবে সৃষ্টির সর্বত্রই বিদ্যমান রহিয়াছে জোড়ার খেলা। আল-কুরআনের অপর একটি আয়াতে এই প্রসঙ্গে আল্লাহ
فَاطِرُ السَّموتِ وَالْأَرْضِ جَعَلَ لَكُمْ مِّنْ أَنْفُسِكُمْ أَزْزَلَها وَمِنَ الْأَنْعَامِ مَاوَاهُ يُدْرَكُمْ فِي الْأَنْعَامِ مَا نَشَاءُ
'কামস্তানী আকাশমীজী উপবিবীর সৃষ্টিকর্তা, তিনি তোমাদের মধ্য হইতে তোমাদের জোড়া সৃষ্টি করিয়াছেন এবং আন'আমের (চতুষ্পদ জন্তু) মধ্য হইতে সৃষ্টি করিয়াছেন উহাদের জোড়া। এইভাবে তিনি তোমাদের বংশবিস্তার করেন। কোন কিছুই তাহার সদৃশ নহে। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা” (৪২:১১)
আল-কুরআনের অপর একটি শাক্তী দ্বাড়ই তাহালা এই প্রসঙ্গে আরও তথা প্রকাশ করিয়াছেন, তোমরা তো কিছু কিছু বস্তুর জোড়ার সন্ধান জানিতে পারিয়াছ। কিন্তু অনেক বিষয় এমনও রহিয়াছে যাহার জোড়ার সন্ধান মানুষ এখনও পাইতে সক্ষম হয় নাই। ইরশাদ হইয়াছে:
"পবিত্র ও মহান তিনি যিনি উদ্ভিদ, মানুষ এবং জারা, যাহাদিগকে জানে না তাহাদিগের প্রত্যেককে সৃষ্টি করিয়াছেন জোড়া জোড়া করিয়া” (৩৬:৩৬ উলূমুল কুরআন খ.১ পৃ.২৭৫)

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 দৃষ্টান্ত-২: মানবসৃষ্টি ও প্রজনন প্রক্রিয়া

📄 দৃষ্টান্ত-২: মানবসৃষ্টি ও প্রজনন প্রক্রিয়া


৪১০মানুষেরা সৃষ্ঠিয়াবাংবৃদ্ধির প্রক্রিয়া, স্ত্রীলোকের গর্ভে মানর ভ্রূণের ক্রমবিকাশ, তারলাপকদ্রাবিরি মিশ্রণ ইত্যাদি, এবং মানস প্রিজনন ভাদেহতত্ত্ব সম্পর্কিত জটিল বিষয়সমূহ আধুনিক যুগের পূর্বে মানুষের নিকট কসভঙ্গপূর্ণ অক্ষরীতা ছিল। এইগসমাপ্ত বিষয়া তৎকালের মানুয়ের রুক্ষচায়ও আসিত না। অথচ আল-কুরআন এই প্রসঙ্গে সুবিন্যস্ত আলোচনা পেশ করিয়াছে। ইহা আল-কুরআনের একটি পরম বিস্ময়। ভ্রূণের উৎপত্তি ও উহার স্ক্রীম বৃদ্ধিসম্পর্কে আল-কুরআনে
انا خلقناكم من تراب ثم من نطفة ثم من علقة مخلقة وغير مخلقة لنبين لكم ونقر في الْأَرْحَامِ مَا نَشَاءُ الأرحام من نساء إلى أجل مسمى ثُمَّ نُخْرِجُكُمْ طِفْلاً
"আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছি মৃত্তিকা হইতে, তাহার পর শুক্র হইতে, তাহার পর রক্তপিণ্ড হইতে, তাহার পর পূর্ণাকৃতি অথবা অপূর্ণাকৃতি গোল্ডপিণ্ড হইতে-তোমাদের নিকট ব্যক্ত করিবার জন্য আমি যাহা ইচ্ছা করি তাহা এক নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত মাতৃগর্ভে স্থিত রাখি, তাহার পর আমি তোমাদেরকে শিশুরূপে বাহির করি” (২২:৪৫)।
وَلَقَدْ خَلَقْنَا الْإِنْسَانَ مِنْ سُلُلَةٍ مِّنْ طِينٍ ثُمَّ جَعَلْنَهُ نُطْفَةً فِي قَرَارٍ مَّكِيْنَ . ثُمَّ خَلَقْنَا النُّطْفَةَ عَلَقَةً فَخَلَقْنَا الْعَلَقَةَ مُضْغَةً فَخَلَقْنَا الْمُضْغَةَ عِظْمًا فَكَسَوْنَا الْعِظْمَ لَحْمًا ثُمَّ انْشَأْنُهُ خَلْقًا أَخَرَ فَتَبْرَكَ اللهُ أَحْسَنُ الخُلقِينَ .
"আমি তো মানুষকে সৃষ্টি করিয়াছি মৃত্তিকার উপাদান হইতে, অতপর আমি উহাকে শুক্র বিন্দুরূপে স্থাপন করি এক নিরাপাদ আধারে, পরে আমি শুক্রবিন্দুকে পরিণত করি 'আলাকে' (রক্তপিণ্ডে)। অতঃপর রক্তপিণ্ডকে পরিণত করি গোশ্‌তপিণ্ডে এবং পিণ্ডকে পরিণত করি অস্থি-পঞ্জরে। অতঃপর অস্থি-পঞ্জরকে ঢাকিয়া দেই গোশত দ্বারা; অবশেষে উহাকে গড়িয়া তুলি অন্য এক সৃষ্টিরূপে। অতএব, সর্বোত্তম স্রষ্টা আল্লাহ কত মহান" (২৩ : ১২-১৪)।
মানব সৃষ্টির এই প্রক্রিয়া এবং মাতৃগর্ভে ইহার বিকাশ সম্বন্ধে আল-কুরআনের বিশ্লেষণ বিস্ময়কর। কারণ আজ হইতে চৌদ্দ শত বৎসর পূর্বে যখন আল-কুরআন নাযিল হইয়াছে, তখন এই তথ্য জানিবার কোন উৎস বর্তমান ছিল না (মরিস বুকায়লী, দ্যা বাইবেল, দ্যা কুরআন এণ্ড সায়েন্স, ইউ. এস. এ., ১৯৭৮ খৃ.)।
ভ্রূণ বিজ্ঞান বিশেষজ্ঞ ড. কেইথ মূর এই প্রসঙ্গে একটি নিবন্ধে লিখিয়াছেন, মানব ভ্রূণ-এর ক্রমবর্ধন সম্বন্ধে আল-কুরআনের বর্ণনার সহিত আধুনিক বিজ্ঞানের আবিষ্কারের আশ্চর্যজনক মিল রহিয়াছে। তিনি এই কথা ভাবিয়া হতবিহ্বল হইয়াছেন যে, “আল-কুরআনে কীভাবে এই সমস্ত তথ্যের উপস্থিতি সম্ভব হইল, যাহা পাশ্চাত্যবিশ্বে কেবল ১৯৪০ খৃষ্টাব্দে প্রথমবার আবিষ্কৃত হইয়াছে। ড. মূর আরও লিখিয়াছেন, তের শত বৎসর পূর্বে আল-কুরআনে ভ্রূণের বর্ধন প্রক্রিয়া সম্পর্কে এত সঠিক তত্ত্ব রহিয়াছে যে, মুসলিমগণ যুক্তিযুক্ত কারণেই আল-কুরআনকে স্রষ্টার পক্ষ হইতে নাযিলকৃত গ্রন্থ হিসাবে বিশ্বাস করিতে পারেন (সূত্র : দি সিটিজেন, ২২ নভেম্বর, ১৯৮৪ খৃ., কানাডা, হিন্দুস্তান টাইমস, ১০ ডিসেম্বর সংখ্যা, ১৯৮৪ খৃ.)। হিন্দুস্তান টাইমস এই তথ্য নিবন্ধের শিরোনাম দিয়াছিল : Qwran Scores Over Modern Science (আল-কুরআন আধুনিক বিজ্ঞানের উপর বিজয় লাভ করিয়াছে)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 দৃষ্টান্ত-৩: ফির 'আওনের মমি

📄 দৃষ্টান্ত-৩: ফির 'আওনের মমি


মিসরেরর স্বৈরাচারী বাদশাহ ফির'আউন যখন সৈন্যসমেত নদীতে ডুবিয়া মরিতেছিল, তখন সে জীবন বাঁচাইবার জন্য মৌখিকভাবে প্রতারণামূলক ঈমান আনয়নের ঘোষণা দিল। তাহার এই শঠতাপূর্ণ ঘোষণার জওয়াবে আল্লাহ তা'আলা বলিলেন।
الْآنَ وَقَدْ عَصَيْتَ قَبْلُ وَكُنْتَ مِنَ الْمُفْسِدِينَ. فَالْيَوْمَ نُنَجِّيكَ بِبَدَنِكَ لِتَكُونَ لِمَنْ خَلْفَكَ أَيَةٌ وَإِنْ كَثِيرًا مِّنَ النَّاسِ عَنْ أَيْتِنَا لَغْفِلُونَ
"এখন (ঈমান আনয়নের ঘোষণা দিতেছ), ইতোপূর্বে তো তুমি অমান্য করিয়াছ এবং তুমি অশান্তি সৃষ্টিকারীদিগের অন্তর্ভুক্ত ছিলে। আজ আমি তোমার দেহটি রক্ষা করিব, যাহাতে তুমি তোমার পরবর্তীদিগের জন্য নিদর্শন হইয়া থাক। অবশ্যই মানুষের মধ্যে অনেকে আমার নিদর্শন সম্পর্কে গাফিল” (১০ : ৯১-৯২)।
যখন এই আয়াত নাযিল হয় তখন এবং তাহারও কয়েক শতাব্দী পর পর্যন্ত কেহই এই কথা জানিত না যে, ফির'আওনের লাশ এখনও পর্যন্ত অটুট রহিয়াছে। কিন্তু কিছু কাল পূর্বে এই লাশের সন্ধান পাওয়া গেল। প্রফেসর লরেট ১৮৯৮ খৃ. মিসরের একটি পুরাতন কবরস্থানে উল্লিখিত ফির'আওনের মমিকৃত লাশের সর্বপ্রথম সন্ধান পান। ৮ জুলাই, ১৯০৭ খৃ. ইলিওট স্মিথ উক্ত লাশের উপর হইতে চাদর সরান এবং ১৯১২ খৃ. ইহার উপর একটি তথ্যবহুল গ্রন্থ প্রকাশ করেন যাহার নাম The Royal Mummies। ড. মরিস বুকাইল ১৯৭৫ খৃ. ফির'আওনের এই মমিকৃত লাশটি খুঁটিয়া খুঁটিয়া দেখেন এবং ইহার উপর একটি নিবন্ধ রচনা করেন। তিনি তাহার নিবন্ধের উপসংহারে অত্যন্ত মর্মস্পর্শী বাক্যে লিখেন, যাহারা পবিত্র গ্রন্থসমূহের সত্যতার ব্যাপারে নূতন দলীল-প্রমাণ তালাশ করেন তাহারা যেন কায়রোয় অবস্থিত মিসরীয় যাদুঘরের রাজকীয় মমি কক্ষ ঘুরিয়া দেখেন। সেখানে আল- কুরআনের ঐ সমস্ত আয়াতের চমৎকার ব্যাখ্যা পাইবেন যাহাতে ফির'আওনের লাশের ব্যাপারে আলোচনা রহিয়াছে (দি বাইবেল দি কুরআন এণ্ড সাইন্স)।
ফলকথা, সপ্তম শতাব্দীতে আল-কুরআন ঘোষণা দিয়াছে যে, ফির'আওনের দেহটি মানুষের জন্য নিদর্শনরূপে সংরক্ষিত রহিয়াছে। আর ঊনবিংশ শতাব্দীতে আসিয়া আল-কুরআনের এই ঘোষণার সত্যতা চাক্ষুষভাবে পরিস্ফুটিত হইয়া বিশ্ববাসীকে চমকাইয়া দিয়াছে। ইহা কি আল-কুরআনের সত্যতার প্রমাণ নহে? ইহা কি আল-কুরআনের মু'জিযা ও বিস্ময় নহে?

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 দৃষ্টান্ত-৪: মহাবিশ্বের সূচনা

📄 দৃষ্টান্ত-৪: মহাবিশ্বের সূচনা


মহাবিশ্বের শুরু বা সূচনা প্রসঙ্গে আল-কুরআনে ইরশাদ হইয়াছে:
أَوَلَمْ يَرَ الَّذِينَ كَفَرُوا أَنَّ السَّمُوتِ وَالْأَرْضَ كَانَتَا رَتْقًا فَفَتَقْنَهُمَا وَجَعَلْنَا مِنَ الْمَاءِ كُلَّ شَيْءٍ حَىٰ أَفَلَا يُؤْمِنُونَ
"যাহারা কুফুরী করে তাহারা কি ভাবিয়া দেখে না যে, আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী পরস্পর মিশিয়া (সংযুক্ত) ছিল ওতপ্রোতভাবে, অতঃপর আমি উভয়কে পৃথক করিয়া দিলাম এবং প্রাণবান সমস্ত কিছু সৃষ্টি করিলাম পানি হইতে; তবুও কি উহারা বিশ্বাস করিবে না" (২১:৩০)?
রাতকু'ন (رتق) শব্দের অর্থ পরস্পরে সংযুক্ত অংশবিশিষ্ট কোন জিনিস অর্থাৎ কোন জিনিসের বিরাজমান সকল অংশ একটি অপরটির মধ্যে অনুপ্রবিষ্ট ও সংযুক্ত থাকা। আর ফাতকুন (فتق) শব্দের অর্থ ইহার বিপরীত, অর্থাৎ সংযুক্ত অংশসমূহকে ছিন্নভিন্ন করিয়া পৃথক করিয়া দেওয়া (ইব্‌ন কাছীর, তাফসীরুল কুরআনিল আযীম, ৩খ., পৃ. ১৬৮)। আল-কুরআনের এই আয়াতটির পৃষ্ঠীয়া নাপ্তম লতাগীতে মাফিল হয় ব্রাভাতা ইহা হইচ্ছে প্রাতীয়মান হয়াপযে, মহা বিশ্বের বিভিন্ন আসা শুরুতে ব্রীজটি আপটির সহিত সংযুক্ত ছিল্লী। তৎপর আল্লাহীর্তিা আইন ইহাকে ছিন্নভিন্ন করিয়া পৃথক পৃথক রূপর্দনক্ষরিয়াছেন। কুরআন মামিল হওয়ার পর হিইতে শতাব্দীর পর শতাব্দী অতিবাহিত হইয়া গিয়াছে, কিন্তু মানুষ উপলব্ধিকেরিজে পারেননাই কয়া স্মহাবিশ্বের সহিত কী করনের আচরণ করা এইয়াছে যাহাকে রাজকনر تق৩.ফারকুলার বলিয়া ব্যক্ত করা হইয়াছে ভুको हुकী। র‍্যাহরীচ উঠুত ত্যাগ ও কাজও শাক চাতাল চকীকে সে ভানীয় সংসর্বপ্রথমত চমৎ বীপৃঃ সালে ইহার মর্মার্থ সামনে আসে যখন বিজ্ঞানী জর্জ লিমায়াট্রে (Georges Limattre) বিগ ব্যাং (Big Bang) নামক তত্ত্ব পেশ করেন এই উল্টের সারাংঙ্গ এই যে, মহাবিশ্ব প্রথমে সংকুচিও আকারে ছিল, ইহার একাংশ অপর অংশের সহিউ খুব কঠিনভাবে সংযুক্ত ছিল'। এই প্রাথমিক পদার্থকে অহাজীগম্ভিক ডিম্ব অথবা Cosmic Egg জবধা দেবী Atom বন্দী হয়। অতঃপর মহাজাগতিক ডিম্বে একটি দুছাবিস্ফোরন সংঘটিত ইয়া ইহাকে বিজ্ঞানীদের ভাষায় 'বিগ ব্যাং বলা হয়। ইহার ফলে মহাবিশ্বের মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ কার্যক্রম আর হয়। তদ্বন হইতে মহাবিশ্ব প্রতি মুহূর্তে সম্প্রসারিত হইতেছে। এই কার মহাবিশ্বকে "প্রসারমান মহাবিশ্ব (Expanding Universe) বলা হয়। আল-কুরআনে মহাবিশ্বের এই সম্প্রসারণ প্রসঙ্গেও আলোকপাত করা হইয়াছে। (করান ৩৫ পাতার নী ফারাক নী)
সাত আর আমি! আকাশী সৃষ্টি করিয়াছি আর্থার নিজ ক্ষমতাবলে এবং আছিই উহার্কে প্রসারিত করিতেছির বৃকরাকরী রির অতীক্বদীপ চ্যাভচক্কার তোতার চাক
আধুনিক বিজ্ঞানের স্ত্রই আবিষ্কার এই কথীই প্রমাণ করে বে, কুরআন কারীম এক মহাবিস্ময়। ইহা কোন মানব রচিত গ্রন্থ নহে। ইহা এমন এক সরার মুমিনরায় যুগ্ম মায়ের নিকট অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের ঘটনাপঞ্জী সমভাবে দৃশ্যমান (ইনসাইক্লোপেডিয়া ব্রিটানিকা, ১৯৮৪ খৃ. সংস্করণ, সংশ্লিষ্ট শিরোঃ দ্যা বাইবেল, দ্যা কুরআনি এই সায়েন্স, মরিস বাইকারণ
চিজলকুরআন কারীম প্লেতে মু'জিয়া হাওয়ার ষষ্ঠু কারণ এই যে এরআন কারীয়ে পূর্বরর্তী উম্মাত, তাহাদের, গরী আত ও তাহাদের ইতিহাস এমন নিখুঁতভাবে আলোচিত হইয়াছে, যে সেক্লাবের ইয়াহুদী নাসারাদের প্রঞ্জিত ব্যক্তিবর্গ, ভাষদেরকে পূর্ববর্তী আসমানী কিতারসমূহের বিশেষজ্ঞ মনে করা হইত, তাহারাও এই পরিমাণ অবগত ছিল না। অথচ রাসূলুল্লাহ (স) (যাঁহার জীবনে এই কুরয়ার রিক্সার হইয়াছে) পাল, পঞ্চান, প্রতিষ্ঠানিক শিক্ষায় ছিল না, ক্লিনি কোন শিক্ষিত লোকের রাশয্যা গ্রহঃ জেরেন্ট নারী জনন ও ক্লোর বরিতার আঃড্রেন নাই। তিনি স্লিপের, উম্মী ইত্তা লেজার ও তাঁরার প্রচারিত গ্রহে পৃপ্তিবীর, গরু হইতে তাঁহারা যুগ: প্রর্যন্ত অতীতের সকল জাতি গোষ্ঠীতারামাতের (বিশ্বারিত ইতিহালাগিয়া হালের পরকী আরবিক্ষা কর্মকারিজের বর্ণনা এরয় অন্যান্য

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00