📄 উদাহরণ-৩
অতীতের পবিত্র গ্রন্থসমূহের বাণীতে বহিসংঘাতের একটি উদাহরণ উল্লেখ করা যায়। বনী ইসরাঈল মিসরে প্রবেশ করে। হযরত ইউসুফ (আ)-এর শাসনামলে পরবর্তীতে খৃ. পূ. ত্রয়োদশ শতাব্দীতে হযরত মূসা (আ)-এর যুগে তাহারা মিসর হইতে বাহির হইয়া সীনাই উপত্যাকায় পৌঁছে। ইতিহাসের এতটুকু বর্ণনা কুরআন ও বাইবেল উভয় গ্রন্থেই বর্ণিত রহিয়াছে। কিন্তু ইহার পরে বাইবেলের বর্ণনা বহির্সংঘাতে আক্রান্ত, ঐতিহাসিক সত্যতা বিবর্জিত। পক্ষান্তরে আল-কুরআনের বর্ণনাসমূহ আদ্যপান্ত ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত এবং বাস্তব সম্মত। একজন বাইবেল পাঠককে এই সমস্যার সম্মুখীন হইতে হইবে যে, সে বাইবেলের বর্ণনা মানিয়া লইবে, না ঐতিহাসিক বর্ণনা মানিয়া লইয়া পবিত্র গ্রন্থ বাইবেলকে অস্বীকার করিবে? কারণ দুইটি বর্ণনাকে তো আর একই সঙ্গে মানিয়া লওয়া সম্ভব নহে। ইতিহাস বলে যে, 'ফির 'আওন' খেতাবধারী বাদশাহদের শাসন হযরত মূসা (আ)-এর যুগে ছিল। হযরত মূসা (আ)-এর পূর্বে হযরত ইউসুফ (আ)-এর যুগে মিসরে ছিল Hyksos Kings-দের শাসন। ইহারা আরব বংশোদ্ভূত এবং মিসরে বহিরাগত। ইহাদের শাসনামল খৃষ্টপূর্ব ২০০০ সাল হইতে খৃস্ট পূর্ব ১৫০০ শতাব্দী পর্যন্ত প্রতিষ্ঠিত ছিল। ইহার পর মিসরে বহিরাগত বাদশাহদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ দানা বাঁধিয়া উঠে এবং Hyksos রাজাদের শাসনামলের পরিসমাপ্তি ঘটে। Hyksos রাজত্বের অবসানের পর মিসরে স্বদেশী রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়, ইহাদের খেতাব ছিল 'ফির'আওন', 'ফির'আওন'-এর শাব্দিক অর্থ 'সূর্য দেবতার সন্তান'। সেকালে মিসরীয় জনগণ সূর্যের পূজা করিত। তাই ইহারা ক্ষমতায় আরোহণ করিয়া নিজদেরকে 'সূর্য দেবতার সন্তান' তথা আশীর্বাদপুষ্ট বলিয়া দাবি করিল।
মোটকথা, কুরআনের বর্ণনানুসারে হযরত ইউসুফ (আ)-এর যুগে মিসরের শাসক ছিল Hyksos রাজন্যবর্গ। ফির'আওনের শাসন ছিল হযরত মূসা (আ)-এর যুগে। কিন্তু বাইবেলের বর্ণনানুসারে হযরত ইউসুফ (আ) ও হযরত মূসা (আ) উভয়ের যুগের শাসন ছিল ফির'আওন। মিসরের ইতিহাসের অতীত ও বর্তমানের গবেষণা এবং ঐতিহাসিক সূত্র উপাত্ত যেমন প্রত্নতত্ত্ব গবেষণা ইত্যাদি হইতেও কুরআনের বর্ণনার যথার্থতা প্রমাণিত হইয়াছে। পক্ষান্তরে বাইবেলের বর্ণনাগুলি সংঘাতপূর্ণ (ইসলামী বিশ্বকোষ, নিবন্ধ ফির'আওন, ইউসুফ (আ), মুসা (আ); দি বাইবেল দি কুরআন এন্ড সাইন্স, পৃ. ২১১-২৪১)।
📄 একটি আপত্তি ও উহার সমাধান
আল-কুরআনের বিরুদ্ধ চারণকারীদের কেহ কেহ একটি আয়াত দ্বারা আল-কুরআনের আন্ত-সংঘাত প্রমাণ করিবার চেষ্টা করিয়াছেন। কিন্তু একটু মনোযোগ সহকারে লক্ষ্য করিলেই ব্যাপারটা পরিষ্কার হইয়া যায়। আয়াতটি এই:
يَأَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِّنْ نَّفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَتْ مِنْهُمَا رِجَالاً كَثِيرًا وَنِسَاءً
"হে মানব। তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ভয় কর, যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি হইতেই সৃষ্টি করিয়াছেন এবং যিনি তাহা হইতে তাহার সংগিনী সৃষ্টি করিয়াছেন এবং যিনি তাহাদের দুইজন হইতে বহু নর-নারী ছড়াইয়া দিয়াছেন" (৪:১)।
উপরন্তু বিদায় হজ্জের ভাষণে রাসূলুল্লাহ (স) বলিয়াছেন, "মানুষ আদম হইতে, আদম মাটি হইতে"। এই দুইটি বাণীতে নারী ও পুরুষের মাঝে সমতা এবং মানুষে মানুষে কোন পার্থক্য নাই ইহাই প্রমাণিত হয়। কিন্তু বাস্তাবে তাহা হয় নাই। আল-কুরআন একদিকে নারী-পুরুষের সমতার কথা বলে, অপরদিকে আল-কুরআন নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক দৃষ্টি রাখে। কারণ সাক্ষ্য প্রদানের ক্ষেত্রে আল-কুরআন দুইজন নারীকে একজন পুরুষের সমান বলিয়াছে।
উক্ত আপত্তির সমাধান এই যে, দুইজন নারীর সাক্ষ্য একজন পুরুষের সাক্ষ্যের সমান সাব্যস্ত করা হইয়াছে, ইহা ঠিক; তবে ইহার ভিত্তি নারী-পুরুষে শ্রেণীগত বৈষম্য সৃষ্টি করা নহে; বরং ইহার প্রকৃত কারণ অন্যখানে। এই নির্দেশটি আল-কুরআনের যেই আয়াতে আসিয়াছে, সেখানেই ইহার প্রকৃত কারণ বর্ণনা করিয়া বলা হইয়াছে:
কাচারীচ তুর্কী। কিছু চাল (গ) তার নিরী মার মতো চকী। কিচাদাচ তুর্কী। কিছু চালাচাক 2021 নিতে হুকুম দেয়। Salaam চলা (গ) তার নিরী মার মতো চকী। কিচাদাচ 2022 - (2) 9 695 1) לישוב( সততণহে মু'মিনগণ! তোমরী যখন একে অন্যের সহিত নির্ধারিত সময়ের জন্য ঋণের কারবার কর, তখন উহা লিখিয়া রাখিও। তোমাদের মধ্যে কোন লেখক যেন যেন ন্যায্যভাবে লিখিয়া দেয়। লেখক লিখিতে অস্বীকার করিবে না। যেহেতু আল্লাহ তাহাকে শিক্ষা দিয়াছেন, সুতরাং সে যেন লিখে; এবং ঋণগ্রহীতা যেন লিখার বিষয়বস্তু বলিয়া দেয় এবং তাহার প্রতিপালক আল্লাহকে ভয় করে, আর উহার কিছু যেন না কমায়; কিন্তু ঋণ গ্রহীতা যদি নিধোদ্ধা অধিবী দুবলা হয় ঊদ্বিধা লিখার বিষয়বস্তু বলিয়া দিতে না পারে তবে যেন তাহার আউভাবক ন্যায্যভাষে নিধীর বিষয়বস্তু বলিয়া দেয়। সাক্ষীদের মধ্যে যাহাদের উপর তোমরা স্বাধী, তাহাদের মধ্যে দুইজন পুরুষ সাক্ষী রাখিবে; যদি দুইজন পুরুষ না থাকে, তবে একজন পুরুষ ও দুইজন স্ত্রীলোক সাক্ষী রাখিবে, যাহাতে স্ত্রীলোকদের মধ্যে একজন ভুল করিলে তাহাদের অপরজন স্মরণ করাইয়া দিবে" (২:২৮২)।
এই আয়াতের শব্দগুলি অত্যন্ত পরিষ্কারভাবে ব্যক্ত করিয়াছে যে, সাক্ষ্যের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের এই পার্থক্যের কারণ বৈষম্যমূলক নহেই বরং স্মরণ থাকা না থাকার ভিত্তিতে। নারীর স্মরণশক্তি পুরুষের তুলনীয় কম। আধুনিক গবেষণাও অনুসন্ধান এই বিষয়ীট প্রতিষ্ঠিত করিয়াছে যে, নারীর স্মরণশক্তি তুলনামূলকভাবে পুরুষের চাইতে কম। সূত্রঃ স্টাইমস অব ইন্ডিয়া, ১৮ জানুয়ারী, ১৯৮৫ ফু মায়াবীচ (স) কাড়াকার ফ্যাত গঞ্জার দানচী ভুদা।
অতএব আল-কুরআনের সাক্ষ্য সংক্রান্ত নির্দেশ ইহাই প্রমাণ করে ঘর, আল-কুরজীস শ্রীমন এক স্রষ্টার প্রত্যাদিষ্ট স্বাণী মিদি সফল বাস্তবতা সম্পর্কে সুপরিজ্ঞাতসাগীদার চীরই চান কোঠা। স্ত্রীর কামনাচোচা তীক্ষ্ণ চাচীন দাতাচকু-গোতে কালীীগপতকচ কক চাতালের চকমকা-চাঁদ। চতুর্থ কারণ মামার চাচাকার দরকার ক্যাচার দরুইন চালাচক-মোত কাকা চালানাও কোন চাক। স্যাচ। আল-কুরআন মু'জিযা হওয়ার চতুর্থ কারণ এই যে, ভবিষ্যতে ঘটিবে এমন অনেক টিজার আগাম সংবাদ কুরআন কারীমে বিকৃত হইয়াছে, যাহয় পরবর্তীতে অবিকল রংপদ্যিত হইয়াছে। আল্লাহ তা সুমালার হিরন্তর নীতি এই যে তিনি নৃবী রাসুলগণের স্বততার প্রমাগনকের তাঁহাদের মাধ্যমে ভবিষ্যতে সংঘটিতরা রিয়য়াময়ের আগাম সংবাদ প্রকাশ করেন যাত্রা সখসেময়ে বাস্তবায়িত হইয়া তাঁহাদের দাবির সত্যাহা ময়রাত করে। মানুরসমাজে গণক ও জ্যোতিষীরাও