📄 উদাহরণ-১
উদাহরণ হিসাবে বাইবেলের কথা বলা যায়। বাইবেল প্রথমে মহান আল্লাহ্ প্রেরিত কিতাব ছিল। পরে মানব রচনার সংমিশ্রণে বাইবেল উহার স্বচ্ছতা হারাইয়াছে। ফলে উহাতে অনেক বৈপরীত্য, অসংলগ্নতা ও অন্তর্সংঘাতের সৃষ্টি হইয়াছে। বাইবেলের যেই অংশকে নূতন নিয়ম (New Testament) বলা হয়, উহাতে হযরত ঈসা (আ)-এর বংশপরিক্রমার বর্ণনা রহিয়াছে। এই বংশপরিক্রমা মথি লিখিত সুসমাচারে এইভাবে শুরু হইয়াছে: 'ঈসা মসীহ, পিতা-দাউদ, পিতা আব্রাহাম"। ইহা হইল সংক্ষিপ্ত বংশপরিক্রমা। ইহার পর সুসমাচারে বিস্তারিত বংশপরিক্রমা বিবৃত হইয়াছে যাহার শুরুতে আব্রাহাম এবং শেষে ঈসা মসীহ-এর পূর্বে ইউসুফ নামের জনৈক ব্যক্তির নামে উল্লেখ রহিয়াছে, যিনি বাইবেলের বর্ণনানুসারে হযরত 'মারয়াম (আ)-এর স্বামী ছিলেন বলিয়া উল্লেখ করা হইয়াছে। তাহার ঔরসে ঈসা মসীহ-এর জন্ম।
ইহার পর আপনি যদি মার্ক লিখিত সুসমাচার পড়েন, তাহা হইলে তথায় দেখিতে পাইবেন যে, ঈসা মসীহ (আ)-এর বংশপরিক্রমা এইভাবে বিবৃত রহিয়াছে: "ঈসা মসীহ, পিতা-ঈশ্বর” ইহার অর্থ দাঁড়ায়, বাইবেলের এক অধ্যায় অনুসারে ঈসা মসীহ ইউসুফ নামক জনৈক ব্যক্তির সন্তান, আবার এই বাইবেলেরই অপর অধ্যায় অনুসারে ঈসা মসীহ স্বয়ং ঈশ্বরের সন্তান। এই হইল মানব রচনার সংমিশ্রণ ঘটিত বাইবেলের বিস্ময়কর অন্তর্সংঘাত, চরম বৈপরীত্য (ইনসাইক্লোপেডিয়া ব্রিটানিকা, 'ঈসা মসীহ' শীর্ষক নিবন্ধ)।
📄 উদাহরণ-২
উপরের উদাহরণটি ধর্মীয় বাণীতে অন্তর্সংঘাতের। এবার মানবীয় বক্তব্যে অন্তর্সংঘাতের একটি উদাহরণ দেখা যায়। বর্তমান যুগে কার্ল মার্ক্সের বড়ত্ব সর্বশীর্ষে। প্রখ্যাত বৃটিশ প্রফেসর John Kenneth Galbraith কার্ল মার্কসের কথা উল্লেখ করিয়া বলেন, "আমরা যদি মানিয়া লই যে, বাইবেল কয়েকজন লেখকের সম্মিলিত কর্ম, তবে অনুরক্ত, ভক্ত ও অনুসারীদের সংখ্যার বিচারে একমাত্র মুহাম্মাদই হইবেন কার্ল মার্কসের প্রতিদ্বন্দী একক গ্রন্থকার। অবশ্য এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাস্তবের বেশ কাছাকাছি নহে। কারণ, মার্কসের অনুসারীদের সংখ্যা বিরোধী মুহাম্মদ এক অনুসারীদের তুলনায় বাড়িয়া গিয়াছে। The Age of Uncertainty British Broadcasting Corporation, London, P. ৭৮। এই ক্ষেত্রে, রাজারকারক সংখ্যা অনেক বেশি।
কিন্তু কার্ল মার্কসেরা এই সুবিস্তৃত শ্রীনপ্রিয়তা ও গ্রহণ যোগ্যতা সত্ত্বেও কঠিন বাস্তবতার এই যে, তাদের হাজার বছরের সংগ্রামসংঘাতের ভরপুরি। আর্কজোও চিন্তায়ও এক বিপরীত পে মার্কসের রচনা সংষ্কারকে অন্তর্নিহিতময় রজলাগ্র টাকরিলে প্রত্যুক্তি হইবে চুলা ও উগ্রস্বরুপায়রূপ আর্কস বলিয়াছিলেন, এই মান্তব প্রাগৈতিহ্যে সকল কুকীর্তি ও। সার্কস কার্য্যের মূল্যে শহিয়াছে সম্ভাসেফ বিভিন্ন শ্রেণীর উপস্থিতি। তাহার মান্তানুসারে, কাজিয়ালিকানা, প্রাদ্ধতির সের্গব্যবস্থাই। ইজারা মূল কারণনসমাজে বুর্জোয়া শোষন উৎপাদনে সকল মাধ্যমসমূহ কুক্ষিগত করিয়া মেহনতী জনতাকে লুটিয়া খায়, সর্বস্বান্ত করিয়া দেয়। কাজেই এই সমস্যা সমাধানের জন্য পুঁজি বাদী শ্রেণীর হাত হইতে সম্পদের মালিকানা ছিনাইয়া আনিতে হইবে এবং ইহা মজদূর শ্রেণীকে দিতে হইবে।
তরীত্রেই কার্যক্রমকে ‘সউর্মি শ্রেণী শূন্য সমাজ’ প্রতিষ্ঠা বলিয়া আখ্যায়িত করিয়াছেন কিন্তু বাউন্সের এই থিওরী সম্পূর্ণ অর্ভসংঘাতময়। কারণ গুলিখিত কার্যক্রম দ্বায়ী যেই জিনিসটি অস্তিত্ব নিতি করিবে তাহা শ্রেণী শূন্য সমাজ নহে, বরং উৎপাদনের স্কিল কবজরি উপর এক শ্রেণীর কর্তৃত্ব খতম হইয়া অপর এক শ্রেণীর কর্তৃত্ব কায়েম হইবে। ইহা শ্রেণীর অবলুপ্তি নহে বরং কেবল শ্রেণীর স্থিতি বদল পার্থক্য শুধু এইটুকু যে, প্রথমে এই কউতু মালিকানার দামে চলিস্তা এখন তাইাস্টলিবে ব্যবস্থাপনার শীর্ষে। শ্রেণীমুক্ত সমাজ বলিতে স্মার্কস যাহা দাখি করিয়াছেন, তাহা মূলত মুজিপতিদের ঘালিফানীর বদলে স্বর্মিত লিষ্ঠ শ্রেণীর মালিকানাবিশিষ্ট সমাজ ব্যতীত আর অন্য কিছু নচ্ছে। বাকী একক্ষ জিনিসকে এক স্থানে কল্যাণকর বলেন, আধার জন্য স্থানে বলেন অকল্যাণকর। ‘জর্জ ধনাট্যদের বিরুটদ্ধ বর্ণনাতীত-বৃন্দ ও কঠোর মনোভাবের কারণে তিনি তাহার চিন্তার এই অন্তর্সংঘাতকে আঁচ করিতে পারেন-সাইন আই তিনি একই প্রকৃতির। দুইটি বিষয়েরা এঙ্কটিকে বলিয়াছেন লুণ্ঠন আগল্পটিকে করিয়াছেন সামাজিক ব্যবস্থাপনা চাকরি: জ্যারীচ তড়া চ্যাবর্তী স্যারীলেশচ ১৫-(১৩) ভাবিলন এব
চন্ডী জাল কুরআন এই সব ধরনের স্বস্তি সংঘোষ্ঠ। সুইজে সম্পূর্ণ। পবিত্র আল-কুরআনের একটি বর্ণনা অপারচিয়া? অহিত্য কখনও লংঘাতুয়েন আসে নাগগোটা কুরআনে কারীমের, রাষ্ট্ৰীব সম্ভার। পরস্পর বসয়ন্ত্রক, এফ্রাই সূত্রে গাঁথায়াগ্রাই অবিষয়টিী: আল-কুরআনের-কচ্চত্যতার বস্তিষ্ঠ দলীল। (চাচাদী কারাশি 'জালির একই কিনলীর্বিচী চন্ডী শাহাজাস কষ্ট।