📄 (দুই) তাঁহার দ্বিতীয় মু'জিযা ছিল তামার প্রস্রবণ
আল্লাহ তা'আলা বিভিন্ন তৈজসপত্র তৈরীর কাজে ব্যবহারের জন্য ভূগর্ভস্থ শক্ত তামার ধাতুকে তাঁহার জন্য পানির ন্যায় বহমান করিয়া তরল পদার্থে পরিণত করিয়া দেন। এই তামার প্রস্রবণ নিজ গতিতে ভূগর্ভস্থ পানির ন্যায় উৎসারিত হইত এবং উহা উত্তপ্তও ছিল না। অনায়াসেই উহা দ্বারা বিভিন্ন পাত্র তৈরী করা যাইত। এই তামার প্রস্রবণটি ইয়ামান হইতে উৎসারিত হইয়াছিল (দ্র. ৩৪: ১২)।
(তিন) আল্লাহ তা'আলা হযরত সুলায়মান (আ)-কে মু'জিযাস্বরূপ এক নজীরবিহীন সাম্রাজ্যের অধিকারী করিয়াছিলেন। তাঁহার রাজত্ব শুধু গোটা বিশ্বের মানবজাতির উপরই নহে বরং জিন জাতি, প্রাণী জগত, এক কথায় সমস্ত কিছুর উপর প্রতিষ্ঠিত ছিল (দ্র. ৩৪: ১৩)।
(চার) হযরত সুলায়মান (আ)-কে আল্লাহ তা'আলা সকল প্রাণীজগতের জীব জন্তুর ও পক্ষীকুলের ভাষা বুঝিবার ক্ষমতা দান করিয়াছিলেন। তাঁহার শাসনাধীন সকল জীব-জন্তু তাহাদের নিজ সুবিধা-অসুবিধা সরাসরি নবী সুলায়মান (আ)-কে অবহিত করিত এবং তিনি তাহাদের সকল সমস্যার সমাধান দিতেন। এই প্রসঙ্গে পিপীলিকার এবং হুদহুদ পাখির আলোচনা পবিত্র কুরআন বিবৃত হইয়াছে (দ্র. ২৭: ১৬-৩১)।