📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 নাজরানবাসীদের উপর যুগপৎভাবে জিযয়া ও সাদাকাত নির্ধারণের তাৎপর্য

📄 নাজরানবাসীদের উপর যুগপৎভাবে জিযয়া ও সাদাকাত নির্ধারণের তাৎপর্য


নাজরান প্রতিনিধি দলকে নিরাপত্তাপত্রে রাসূলুল্লাহ ﷺ তাহাদের উপর নির্দিষ্ট পরিমাণ জিযিয়া ধার্য করিয়াছিলেন—যাহার বিবরণ রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর পত্রাবলী ও ফরমানসমূহের আলোচনায় বিস্তৃতভাবে আসিয়াছে। সহীহ বুখারীতে সাহাবী হযরত হুযায়ফা (রা) হইতে বর্ণিত হইয়াছে : جاء العاقب والسيد صاحبا نجران الى رسول الله ﷺ يريدان ان يلاعنه قال فقال احدهما لصاحبه لا تفعل فو الله لئن كان نبيا فلا عناه لا تفلح نحن ولا عقبنا من بعدنا قال انا نعطيك ما سألتنا وابعث معنا رجلا امينا ولا تبعث معنا الا رجلا امينا فقال بعثن معكم رجلا امينا حق امين فاستصرف لما اصحاب رسول الله ﷺ وقال قم یا ابا عبيدة ابن الجراح فلما قام قال هذا أمين هذه الامة.
“নাজরানের দুই নেতা আল-'আকিব ও আস-সায়্যিদ রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সহিত মুবাহালা করার উদ্দেশ্যে তাঁহার নিকট আসে। সাথীদ্বয়ের একজন অপরজনকে লক্ষ্য করিয়া বলিল, এই কাজটি করিতে যাইও না। কেননা প্রকৃতই তিনি যদি নবী হইয়া থাকেন আর ইহার পরেও আমরা তাঁহার সহিত মুবাহালায় অবতীর্ণ হই, তাহা হইলে আমরা এবং আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম সাফল্য লাভে সমর্থ হইবে না। তাই তাহারা দুইজনে বলিল, আমরা আপনার জিযিয়া প্রদানের দাবি পূরণে সম্মত আছি। আপনি আমাদের সহিত একজন বিশ্বস্ত লোক পাঠাইয়া দিন অবিশ্বস্ত কোন ব্যক্তিকে নহে। জবাবে রাসূলুল্লাহ ﷺ বলিলেন : আমি তোমাদের সহিত অবশ্যই একজন বিশ্বস্ত লোককে প্রেরণ করিব যে আমানতদারীর হক আদায়ে সমর্থ। রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সাহাবীগণ তখন পরম উৎসুক্যভরে তাকাইয়া রহিলেন। নবী কারীম ﷺ বলিলেন, উঠ হে আবূ উবায়দা ইবনুল জাররাহ! তিনি উঠিয়া দাঁড়াইলে তিনি বলিলেন, এই হইল এই উম্মতের বিশ্বস্ততম ব্যক্তি” (আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৫খ., পৃ. ৫৩; আসাহ্হুস সিয়ার, পৃ. ৪৩০)।
সহীহ মুসলিমে হযরত মুগীরা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাকে নাজরানে প্রেরণ করেন। ইউনুস ইন বুকায়র (র) ইবন ইসহাক হইতে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ ﷺ আলী ইব্‌ন আবূ তালিবকে সাদাকাত ও জিযয়া আদায়ের উদ্দেশ্যে নাজরানে প্রেরণ করেন।
আবদুর রউফ দানাপুরী বলেন, কোন কোন বিজ্ঞ ব্যক্তি এই ব্যাপারে প্রশ্ন তুলিয়াছেন যে, তাহা কেমন করিয়া হইতে পারে যে, নাজরানবাসীদের নিকট হইতে যুগপৎভাবে সাদাকা (যাকাত) ও জিয়া উভয়টাই গ্রহণ করা হইবে? সাদাকা বা যাকাত আদায় করা হইয়া থাকে মুসলমানদের নিকট হইতে, আর জিযিয়া লওয়া হয় বিধর্মী যিম্মীদের নিকট হইতে। নাজরানবাসীদের সহিত কৃত চুক্তিতে তাহাদের নিকট হইতে বার্ষিক দুই হাজার জোড়া বস্ত্র লওয়ার কথাই সাব্যস্ত হইয়াছিল। সেখানে আবার যাকাত আদায়ের অবকাশ কোথায়? যাকাত তো বিধর্মীদের নিকট হইতে লওয়ার প্রশ্নই উঠে না। আর যদি ধরিয়াই লওয়া হয় যে, তাহারা ইসলাম গ্রহণ করিয়াছিল
৩৯৩ তাই যাকাত আদায় করা হইয়াছিল, তাহা হইলে প্রশ্ন দেখা দেয়, তাহা হইল তো জিয়া তাহাদের উপর হইতে রহিত হইয়া যাওয়ার কথা। জিযয়া আদায়ের জন্য একাধিক সাহাবীকে প্রেরণের কী অর্থ হইতে পারে?
ইহার জবাব হইর, রাসূলুল্লাহ হযরত খালিদ ইব্‌ন ওয়ালীদ (র)-কে নাজরানে প্রেরণ করিয়াছিলেন বানুল হারিছ ইবন কা'বের নিকট। তখন তাহারা সকলেই ইসলাম গ্রহণ করিয়াছিল। তাহাদের প্রতিনিধি দলও যথারীতি মদীনায় আসিয়া রাসূলুল্লাহ -এর সহিত সাক্ষাত করিয়াছিল এবং তিনি হযরত কায়স ইবন হাসানকে তাহাদের আমীর নিযুক্ত করিয়াছিলেন।
আসল কথা হইতেছে, নাজরানে দুই শ্রেণীর লোক বসবাস করিত। তাহাদের একদল ছিল খৃষ্টান —যাহারা জিয়া কবুল করিয়া সন্ধি করিয়া লয়, কিন্তু ইসলাম গ্রহণ করে নাই। অপর দল ছিল উম্মিয়্যীন, তাহারা ইসলাম গ্রহণ করিয়া লয়। তাই একদলের (মুসলমানদের) নিকট হইতে সাদাকা এবং অপর দল খৃস্টানদের নিকট হইতে জিয়া গ্রহণ করা হইত (আসাহহুস-সিয়ার, পৃ. ৪৩০-৩২)।/

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 সুদী কারবার যিম্মা (নিরাপত্তা) বাতিলকারী

📄 সুদী কারবার যিম্মা (নিরাপত্তা) বাতিলকারী


নাজরান প্রতিনিধি দলকে প্রদত্ত অভয় পত্রের একটি ধারা ছিল, তোমাদের মধ্যকার কোন ব্যক্তি যদি সূদ খায় তবে তাহার ব্যাপারে আমার কোন যিম্মা থাকিবে না। ইহা হইতে জানা গেল যে, যিম্মীগণ অমুসলিম হইলেও সূদের সমাজবিধ্বংসী ও মানবতা বিরোধী কার্যকলাপের অধিকার ইসলামী রাষ্ট্র তাহাদেরকে কোনমতে দিতে পারে না। নাজরান চুক্তির মাধ্যমে এই সত্যটি বিশ্ববাসী সর্বপ্রথম জানিতে পারে। ইহা সর্বধর্মের পরিপন্থী কাজ (আসাহহুস-সিয়ার, পৃ. ৪৩২)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 নাজরান প্রতিনিধি দল আগমনের বিবরণ হইতে প্রাপ্ত শর'ঈ আহকাম

📄 নাজরান প্রতিনিধি দল আগমনের বিবরণ হইতে প্রাপ্ত শর'ঈ আহকাম


ইমাম ইবনুল কায়্যিম (র) ১২টি শর'ঈ হুকুম (বিধান) এই ঘটনা হইতে পাওয়া যায় বলিয়া লিখিয়াছেন। ঐ গুলি হইল: (১) আহলে কিতাব তথা ইয়াহুদী খৃস্টানগণ মুসলমানদের মসজিদে প্রবেশ করিতে এবং তাহাদের নিজস্ব পদ্ধতিতে উহাতে প্রার্থনাও করিতে পারেন। ইহাতে কাহারও দ্বিমত নাই। (২) কাফির কেবল এই স্বীকারোক্তি দ্বারা যে, মুহাম্মাদ আল্লাহ্র রাসূল, ইসলামে দাখিল হইতে পারিবে না। এই ব্যাপারে ইমাম আহমাদ (র) হইতে তিনটি রিওয়ায়াত পাওয়া যায়- (ক) তাহাকে মুসলমান সাব্যস্ত করা হইবে। (খ) তাহাকে ততক্ষণ পর্যন্ত মুসলমান বলা যাইবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না সে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ-এর স্বীকারোক্তি করিবে। (গ) আমরা ইহা এইজন্য বলিয়াছি যে, আহলে কিতাব সর্বসম্মতিক্রমে এই কথা স্বীকার করে যে, আখেরী যমানায় আখেরী নবীর আবির্ভাব ঘটিবে এবং তাহাদের পণ্ডিতগণের ইহাতেও দিদ্বমত ছিল না যে, আবদুল্লাহ্র পুত্র মুহাম্মাদ -ই আখেরী যমানার নবী। কেবল রাজ্য লিন্সার জন্য অর্থাৎ তাহাদের রাজ্যক্ষমতা হারাইবার ভয়েই তাহারা ইসলাম গ্রহণ করিতে পারে নাই। (৩) আহলে কিতাবদের সহিত বাহাছ-মুনাযারা বা বিতর্ক প্রতিযোগিতা জায়েয বরং উহা মুস্তাহাব ও ওয়াজিব। অবশ্য এই শর্তে যে, তাহাদের ঈমান আনয়নের আশা ও সম্ভাবনা থাকে। আমি (ইবনুল কায়্যিম) তাহাদের সহিত অনেক বাহাছ করিয়াছি।
(৪) আল্লাহ্ মাখলুক বা সৃষ্টি কিছুকে তাঁহার স্তরের ঊর্ধ্বে স্থান দিবে, সে শিরকের অপরাধে অপরাধী হইবে। উহা রাসূলুল্লাহ -এর দাওয়াতের পরিপন্থী কাজ। আর রাসূলুল্লাহ باسم الرب ابراهيم واسحاق বলিয়া তাহাদেরকে পত্র লিখিয়াছেন, বলা হইয়াছে উহা সঠিক নহে। বরং হিরাক্লিয়াসকে পত্র প্রেরণকালে তিনি লিখিয়াছিলেন, بسم الله الرحمن الرحيم ইহাই তাঁহার সুন্নাত বা চিরাচরিত রীতি।
(৫) এই ঘটনা হইতে জানা গেল, কাফিরদের দূতের সালামের জবাব না দেওয়া বা পত্রের উত্তর না দিয়া তাহাদের অবমাননা করা জায়েয আছে। বিশেষত যখন তাহারা অহংকারী বেশে আগমন করে।
(৬) আহলে বাতিল বা বাতিলপন্থিগণ যখন বিতর্ককালে জিদ ও হঠকারিতার পরিচয় দেয় তখন তাহাদের সহিত বিতর্ক করা জায়েয।
(৭) আহলে কিতাবের সহিত মালের বিনিময়ে সন্ধি করা জায়েয। উহাকে জিযয়ার মাল বলা হইবে। কিন্তু রাসূলুল্লাহ যখন ইয়ামানবাসীদের সহিত সন্ধি করেন তখন তাহাদের প্রত্যেক বালেগ ব্যক্তির উপর এক দীনার হিসাবে ধার্য করিয়াছিলেন। উভয় ঘটনায় পার্থক্য ছিল এই যে, নাজরানবাসীদের মধ্যকার কেহই মুসলমান ছিল না, পক্ষান্তরে ইয়ামান ছিল দারুল ইসলাম। সেখানে ইয়াহুদীরাও বাস করিত। তাহাদের উপর রাসূলুল্লাহ জিযয়া ধার্য করিয়াছিলেন। উভয় ক্ষেত্রেই কাফিরদের নিকট হইতে প্রাপ্ত মাল জিযয়া বলা হইবে।
(৮) মুসলমানদের ইমাম বা নেতার পক্ষে কাফিরদের উপর এইরূপ শর্ত আরোপ করা বৈধ যে, তাহারা মুসলমান দূতদের ব্যয়ভার বহন করিবে।
(৯) সন্ধির পর অস্ত্রসম্ভার প্রভৃতি সন্ধিবদ্ধ কাফিরদের নিকট হইতে ধার লওয়া জায়েয।
(১০) ইমামের জন্য কাফিরদের সূদী কারবার বন্ধ করা জায়েয। কেননা উহা তাহাদের ধর্মেও নিষিদ্ধ।
(১১) চুক্তিকালে কাফিরদিগকে নসীহত করা জায়েয—যাহাতে তাহাদের আত্মশুদ্ধি হইতে পারে।
(১২) চুক্তির পর ইসলামের স্বার্থে কোন 'আলিমকে কাফিরদের এলাকায় ইসলাম প্রচারার্থে প্রেরণ জায়েয (যাদুল-মা'আদ ২খ., পৃ. ৪১৮-২০ উর্দু সং-মুফতী আযীযুর রহমান অনুদিত, মাকতাবায়ে বুরহান, জামে মসজিদ, দিল্লী ১৩৯৮/ ১৯৭৮)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 আবদুল কায়স গোত্রের প্রতিনিধি দলের আগমন

📄 আবদুল কায়স গোত্রের প্রতিনিধি দলের আগমন


এই গোত্রটি ছিল বাহ্রায়নের একটি বিশাল ও প্রসিদ্ধ গোত্র—যেখানে বহু পূর্বেই ইসলাম পৌঁছিয়া গিয়াছিল। উল্লেখ্য, মসজিদে নববীর পূর্বেই বাহ্রায়নের জুওয়াছায় সর্বপ্রথম জুমার জামা'আত অনুষ্ঠিত হইয়াছিল। সর্বপ্রথম এই কবীলারাতের ব্যক্তি ৫ম হিজরীতে বা তাহারও পূর্বে নবী দরবারে হাযির হয়। রাসূলুল্লাহ তাহাদের পরিচয় জিজ্ঞাসা করিলে তাহারা বলে, আমরা রাবী'আ বংশের লোক। তিনি তাহাদেরকে ইবন সা'দের ভাষ্যমতে:
مرحبا بهم نعم القوم عبد القيس . বলিয়া এবং মুসলিম শরীফের বর্ণনানুসারে :
مرحبا بالقوم او بالوفد غير خزايا ولا ندامي.
বলিয়া স্বাগতম জানাইলেন- যাহার অর্থ হইল "সেই কওম বা গোত্রকে স্বাগতম যাহারা অপমানিত বা লজ্জিত ও অনুতপ্ত হইয়া আসে নাই (বরং স্বতঃস্ফূর্তভাবে ইসলাম গ্রহণ করিয়া আসিয়াছে)"। তখন প্রতিনিধি দলের সদস্যগণ আরয করেন:
يا رسول الله انا لا نستطيع ان نأتيك الا في شهر الحرام وبيننا وبينك هذا الحي من كفار مضر فمرنا بامر خصل نخبر به من ورائنا وندخل به الجنة .
"ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমরা যুদ্ধ নিষিদ্ধ হারাম মাসগুলি ব্যতীত অন্য মাসে আপনার খিদমতে আসিতে সমর্থ হই না। কারণ আমাদের ও আপনার মধ্যবর্তী স্থানে মুদার বংশীয় কাফির জনপদ অন্তরায়রূপে বিদ্যমান। তাই আপনি আমাদেরকে সিদ্ধান্তকারী ব্যাপারসমূহ সম্পর্কে অবহিত করুন-যাহা আমরা আমাদের পশ্চাতে যাহারা রহিয়া গিয়াছে তাহাদেরকে অবহিত করিব এবং উহার দ্বারা আমরা জান্নাতবাসী হইব।"
আব্বাস (রা) বলেন:
وسألوه عن الاشربة فامرهم باربع ونهاهم عن اربع امرهم بالايمان بالله وحده واقام الصلوة وايتاء الزكوة وصيام رمضان وان تعطوا من المغنم الخمس ونهاهم عن اربع الحنتم والدباء والنقير والمزفة وقال احفظوهن واخبروا بهن من وراءكم.
"প্রতিনিধি দলের সদস্যগণ তাঁহাকে পানীয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। তিনি তাহাদেরকে চারিটি বিষয়ের নির্দেশ দান করেন এবং চারিটি ব্যাপার হইত বারণ করেন। তিনি তাহাদেরকে আদেশ করেন একক আল্লাহর প্রতি ঈমান আনয়নের, নামায কায়েমের, যাকাত প্রদানের, রমযান মাসে রোযা রাখিবার এবং গনীমতের মালের এক-পঞ্চমাংশ (খুমুস) দানের এবং লাউয়ের খোল, গাছের খোদিত কাণ্ড হইতে প্রস্তুত পাত্র, সবুজ রঙের পালিশ দেওয়া কলস এবং আলকাতরা মাখান কলসে রক্ষিত পানীয় (নবীয বা ফলের রস) পান হইতে তিনি তাহাদেরকে বারণ করেন। তোমরা এই ব্যাপারগুলির সংরক্ষণ করিবে এবং তোমাদের পশ্চাতবর্তীদিগকে এইগুলি অবহিত করিবে”। বুখারী ও মুসলিম উভয় কিতাবেই এই বর্ণনা রহিয়াছে, তবে পাঠ বুখারীর (সহীহ আল-বুখারী, ১খ., পৃ. ১৩)।
মুসলিমের বর্ণনায় আরও আছে: রাসূলুল্লাহ ঐ সময় উক্ত প্রতিনিধি দলের নেতা মুনযির উরফে আশাজ্জকে লক্ষ্য করিয়া বলেন:
ان فيك خصلتين عثبهما الله.
"তোমার মধ্যে এমন দুইটা অভ্যাস রহিয়াছে যাহা আল্লাহ্ অত্যন্ত পসন্দ করেন।" তাঁহার জিজ্ঞাসার জবাবে রাসূলুল্লাহর ঐ দুইটি গুণের উল্লেখ করেন: সহিষ্ণুতা ও ধৈর্য। তখন আশাজ্জ তাঁহাকে আবার প্রশ্ন করেন, ঐগুলি কি সাধনা অর্জিত, নাকি জন্মগত ইয়া রাসূলাল্লাহ! তিনি বলেন, জন্মগত এবং সহজাত। তখন তিনি আল্লাহ্র এ দানের জন্য তাঁহার প্রশংসা ও শোকর আদায় করেন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00