📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 ছাকীফ প্রতিনিধি দলের পিছনে তাবলীগী মেহনত

📄 ছাকীফ প্রতিনিধি দলের পিছনে তাবলীগী মেহনত


ছাকীফ গোত্রের ইসলাম গ্রহণের পিছনে যে কেবল রাজনৈতিক আধিপত্য, অর্থনৈতিক অবরোধ ও চাপই সক্রিয় ছিল এমনটি নহে। তাহাদের পিছনে রাসূলুল্লাহ -এর তাবলীগী মেহনত ও ঐকান্তিকতারও বিশেষ অবদান ছিল। তাহাদেরকে মসজিদ বা মসজিদেরই পাশে অবস্থান করান, দ্বিপ্রহর পর্যন্ত তাহাদেরকে নিজের সহিত রাখিয়া কথাবার্তা বলা এবং ইসলামের সৌন্দর্য প্রদর্শন, এমনকি দ্বিপ্রহরের পর যখন সাধারণত তিনি বিশ্রাম গ্রহণ করিতেন সেই সময়টুকুতেই ছাকীফের কনিষ্ঠতম সদস্যকে কুরআন ও মাসআলাদি শিক্ষাদান ইত্যাদি তাহারই প্রমাণ বহন করে। আবূ দাউদ শরীফের এক বর্ণনা হইতে জানা যায়, তিনি 'ইশার নামাযান্তে-যাহা সাধারণত তাঁহার নিদ্রার সময় ছিল-ছাকীফ গোত্রের প্রতিনিধি দলের অবস্থানস্থলে গিয়া ঘণ্টার পর ঘণ্টা তাহাদের সহিত আলাপ করিতেন। মক্কী জীবনে নবী কারীম কুরায়শদের হাতে যে সমস্ত ক্লেশ ভোগ করিয়াছেন এবং মদনী জীধনে বাধ্য হইয়া যে সমস্ত যুদ্ধ করিয়াছেন ঐগুলির অবস্থা বর্ণনা করিতেন এবং সুযোগমত তাবলীগী কথা-বার্তাও বলিতেন (ইসলাম প্রচারের ইতিহাস, শায়খ মুহাম্মদ ইসমাঈল পানিপথী, পৃ. ৩৪৯, ই.ফা. প্রকাশিত, ২০০৪ খৃ.)।
ইসলাম ও ইসলামের নবী সম্পর্কে তাহাদের মনে কোনরূপ ভুল বুঝাবুঝি থাকিয়া থাকিলে তাহা দূর করিয়া ইসলাম গ্রহণের জন্য তাহাদেরকে উদ্বুদ্ধ করাই যে তাঁহার এই সমস্ত ক্লেশ বরণের পিছনে সক্রিয় ছিল তাহা সহজেই বোধগম্য। কেবল রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে পরাজিত করিয়া বশ্যতা স্বীকারে বাধ্য করাই যদি উদ্দেশ্য হইত, তাহা হইলে তাহাদের পিছনে এত শ্রমদানের কোনই প্রয়োজন ছিল না।
আরেকটি ব্যাপার লক্ষণীয়, মসজিদ প্রাঙ্গণেই তাঁবু গাড়িয়া অবস্থানকারী উক্ত ছাকীফ প্রতিনিধি দলের মধ্যে যখন বলাবলি হইতে লাগিল, মুহাম্মাদ তো আমাদেরকে তাঁহার রিসালাতের স্বীকৃতি আদায়ের জন্য আহ্বান জানান, কিন্তু নিজের খুতবায় তাহা উল্লেখ করেন না, তখন রাসূলুল্লাহ ঘোষণা করেন: "আমি সর্বাগ্রে সাক্ষ্য দিতেছি যে, আমি আল্লাহর রাসূল।" অর্থাৎ তিনি তাহাদের এইরূপ খুঁটিনাটি আপত্তিকেও গুরুত্ব প্রদান করিয়াছেন এবং যথারীতি উহা নিরসনের মাধ্যমে তাহাদের ধ্যান-ধারণাকে স্পষ্ট করিয়া তোলার ব্যাপারে বিন্দুমাত্র শৈথিল্য বা বে-পরোয়া মনোভাব পোষণ করেন নাই—ছাকীফ প্রতিনিধি দলের সহিত তাঁহার নবী ও রাসূল পরিচিতিই স্বরূপে উদ্ভাসিত হইয়াছে—ইহাতে শাসক বা প্রভুসুলভ কঠোরতা বা উন্নাসিকতার বিন্দুমাত্র স্থান ছিল না।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 আহকাম

📄 আহকাম


ইমাম ইবনুল কায়্যিম (র) ছাকীফ প্রতিনিধি দলের আগমনের বর্ণনা হইতে প্রাপ্ত শিক্ষাবলী ও শরীয়তের বিধান সম্পর্কে লিখেন। ছাকীফ প্রতিনিধি দলের আগমনের বর্ণনায় শরীয়তের অনেক আহকাম নিহিত। সেইগুলি হইল: (১) দারুল হারবের কোন অধিবাসী যদি তাহার স্ব-জাতির প্রতি বিদ্রোহী হইয়া ধন-সম্পদসহ মুসলমানদের সহিত আসিয়া মিলিত হয় তাহা হইলে মুসলমানদের নেতা তথা ইসলামী সরকার সেই ধন-সম্পদে কোনরূপ হস্তক্ষেপ করিবে না। সেই ধন-সম্পদ বিনষ্ট হইয়া গেলেও তাহাকে এইজন্য দায়ী করা হইবে না। রাসূলুল্লাহ মুগীরা ইব্‌ন শু'বাকে বলিয়া দিয়াছিলেন, তোমার ইসলাম তো আমাদের নিকট গ্রহণযোগ্য, তোমার সম্পদে আমাদের কোন কাজ নাই। (২) কাফিরদেরকে মসজিদে অবস্থান করিতে দেওয়া যায় যদি তাহাদের ইসলাম গ্রহণের সম্ভাবনা থাকে এবং তাহাদেরকে কুরআন শারীফ শুনান এবং ইসলামী ইবাদতের সৌন্দর্য প্রদর্শন উদ্দিষ্ট হয়। (৩) দাওয়াতের উদ্দেশ্যে কূটনৈতিক পন্থা অবলম্বন করা যাইতে পারে। (৪) কোন সম্প্রদায়ের নেতৃত্বের অধিকতর উপযুক্ত সে-ই হইবে যে ব্যক্তি আল্লাহ্ কিতাব সম্পর্কে অধিকতর অবগত। (৫) শিরকের স্থানসমূহ ধ্বংস করা জায়েয। কবরের উপর নির্মিত দর্শনীয় ইমারতসমূহের ব্যাপারেও ইহা প্রযোজ্য। (৬) পরিত্যক্ত মন্দির ভাঙ্গিয়া ঐ স্থানে মসজিদ নির্মাণ জায়েয। (৭) তা'আব্বুষ তথা আউযুবিল্লাহ পাঠপূর্বক শয়তানের কুমন্ত্রণা হইতে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা এবং থুক দেওয়াতে নামায ভঙ্গ হয় না, বরং ইহা নামাযের পূর্ণতা বিধায়ক (যাদুল-মা'আদ, ৩খ., পৃ. ৪১৪-১৫, মুফতী আযীযুর রহমান অনূদিত উর্দু ভাষ্য)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 বনূ আসাদ গোত্রের নবী (সা)-এর দরবারে আগমন

📄 বনূ আসাদ গোত্রের নবী (সা)-এর দরবারে আগমন


১২. বনূ আসাদ গোত্রের নবী -এর দরবারে আগমন
নবম হিজরীর প্রথমভাগে দশ সদস্যের বনু আসাদ প্রতিনিধি দল মদীনায় নবী -এর দরবারে আগমন করে। কুরায়শদের সহিত মিলিত হইয়া উহারা মুসলমানদের উপর আক্রমণ চালাইত। হাদরামী ইবন আমির, দিরার ইবনুল আযওয়ার, ওয়াবিসা ইবন মা'বাদ, কাতাদা ইবনুল কায়িফ, সালামা ইবন হুবায়শ, তুলায়হা ইব্‌ন খুওয়ায়লিদ, নাফাদাহ্ ইব্‌ন আবদিল্লাহ্ প্রমুখ দশ সদস্যবিশিষ্ট এই প্রতিনিধি দলটি আগমনের পূর্বেই তাহারা ইসলাম গ্রহণ করিয়াছিল। কিন্তু আরবদের মজ্জাগত অহংকার তখনও তাহাদের মধ্যে সক্রিয় ছিল। তাই নবী -এর দরবারে পৌঁছিয়াই দলপতি হাদরামী ইব্‌ন আমির রাসূলুল্লাহ -কে শুনাইয়া দিলেন:
يا رسول الله انا اتيناك نتدرع الليل البهيم فى سنة شهباء ولم تبعث علينا بعثا .
"ইয়া রাসূলাল্লাহ! বিভীষিকাময় কাল রাত্রির বর্ম পরিহিত অবস্থায় এক খরা পীড়িত বৎসরে আমরা আপনার দরবারে উপস্থিত হইয়াছি। আমাদের বিরুদ্ধে আপনার কোন বাহিনী প্রেরণ করা হয় নাই"।
অর্থাৎ আমাদের এই আগমন একান্তই স্বেচ্ছাপ্রণোদিত, কোন বাহিনীর তাড়া খাইয়া ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থায় আমরা আসি নাই- যাহা অন্যদের ক্ষেত্রে ঘটিয়াছে। তাহার ভাবখানা যেন ছিল, আমাদের এই আগমনে আপনি ধন্য হইয়া গিয়াছেন। ইমাম ইবনুল কায়্যিম (র) বলেন, মুহাম্মাদ ইবন কা'ব আল-কুরাযী বলেন, আল্লাহ তা'আলা তাহাদের এই ঔদ্ধত্যপূর্ণ উক্তি সম্পর্কেই মাযিল করেন:
يَمُنُّونَ عَلَيْكَ أَنْ أَسْلَمُوا قُلْ لا تَمُنُّوا عَلَى إِسْلَامَكُمْ بَلِ اللَّهُ يَمُنُّ عَلَيْكُمْ أَنْ هَدَاكُمْ لِلْإِيْمَانِ إِنْ كُنْتُمْ صَادِقِينَ..
"উহারা আত্মসমর্পণ করিয়া তোমাকে ধন্য করিয়াছে মনে করে। বল, তোমাদের আত্মসমর্পণ আমাকে ধন্য করিয়াছে মনে করিও না, বরং আল্লাহই ঈমানের দিকে পরিচালিত করিয়া তোমাদেরকে ধন্য করিয়াছেন, যদি তোমরা সত্যবাদী হও” (৪৯: ১৭)।
বানুর-রাতিয়্যা নামক শাখা কবীলার লোকজনও তাহাদের সাথে ছিল। উহাতে রুক্ষতা বা কঠোরতার অর্থ নিহিত থাকায় নবী কারীম বনূ রুশদা (সুমতিপ্রাপ্ত গোত্র) নামে তাহাদের নামকরণ করিয়া দেন। 'তাবাকাতে' বানুর রাতিয়্যা স্থলে 'বানুষ যানিয়্যা' শব্দ রহিয়াছে। অনুরূপ পূর্বোক্ত প্রতিনিধি দলের নামে 'নাফাদাহ্' স্থলে নাকাদাহ্ বলিয়া উক্ত হইয়াছে।
নবী কারীম নাফাদাহ্-এর নিকট এমন একটি উস্ত্রী লইয়া আসিতে বলেন যাহা সহজে আরোহণীয় এবং শাবক ছাড়াই সহজে দোহনযোগ্য। কিন্তু নাফাদাহ অনেক খোঁজাখুজি করিয়াও তাহা যোগাড় করিতে পারিতেছিলেন না। অবশেষে সিনান ইব্‌ন যুহায়র নামক তাঁহার এক চাচাত ভাইয়ের নিকট এইরূপ একটি উস্ত্রী পাওয়া গেল। নাফাদাহ্ তাহাই আনিয়া রাসূলুল্লাহ
-এর খিদমতে উপস্থিত করিলেন। তিনি তাঁহাকে উহা দোহন করিতে বলিলেন। নাফাদাহ সেই মতে দুধ দোহন করিয়া রাসূলুল্লাহ -এর খিদমতে পেশ করিলে তিনি নিজে উহা পান করিয়া দোহনকারী নাফাদাহকে উহার অবশিষ্টাংশ পান করিতে দিলেন এবং দু'আ করিলেন: “হে আল্লাহ! আপনি উহাতে বরকত দিন এবং যে উহা দান করিয়াছে তাহাকেও বরকত দান করুন!”
তখন নাফাদাহ বলিলেন: “ইয়া রাসূলাল্লাহ! এবং যে উহা লইয়া আসিয়াছে তাহাকেও।” তখন রাসূলুল্লাহ বলিলেন, “এবং যে উহা লইয়া আসিয়াছে তাহাকেও” (দ্র. আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৫খ., পৃ. ৭৯; তাবাকাত, ২খ., ১ম স., পৃ. ২৯২)।
ঐ প্রতিনিধি দলটি রাসূলুল্লাহ -কে তিনটি ব্যাপারে প্রশ্ন করে: (১) 'ইয়াফাহ পক্ষীয় মাধ্যমে ভালমন্দ নির্ধারণ, (২) কুহানাহ্ – গণকের গণনার মাধ্যমে ভবিষ্যত সম্পর্কে ধারণা অর্জন, (৩) কঙ্কর নিক্ষেপের মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয়- ইহাতে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ মূল্যের বিনিময়ে অনেকগুলি বস্তুর মধ্যে কোন একটি বস্তু কঙ্কর নিক্ষেপের দ্বারা নির্ধারিত করিয়া লওয়া, অর্থাৎ যে বস্তুটির উপর কঙ্কর পড়িবে ক্রেতা তাহারই মালিক হইয়া যাইবে। অথবা একটি নির্দিষ্ট মূল্যের বিনিময়ে ক্রেতা তাহার কঙ্কর ছুড়িয়া মারিবে। যতদূর পর্যন্ত উহা যাইবে, ততটুকু জায়গার মালিক সে হইয়া যাইবে। ঐগুলি জাহিলী যুগে প্রচলিত ছিল।
রাসূলুল্লাহ এইগুলি হইতে তাহাদেরকে বারণ করেন। তাহারা রামাল বিদ্যা সম্পর্কেও তাঁহাকে প্রশ্ন করিলে তিনি বলেন, উহা কোন এক নবীর শিক্ষা ছিল। ইহার সুযোগ এখন আর নাই (উয়ূনুল আছার, ৬খ., পৃ. ২৫০-১; আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ৪৩৮-৯)।
উক্ত প্রতিনিধি দলের সদস্য তুলায়হা হযরত আবু বকরের আমলে নবুওয়ত দাবি করিয়াছিল, অবশ্য তওবা করিয়া সে পুনরায় ইসলামে ফিরিয়া আসে।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 বাহরা প্রতিনিধি দলের নবী (সা)-এর দরবারে আগমন

📄 বাহরা প্রতিনিধি দলের নবী (সা)-এর দরবারে আগমন


১৩. বাহরা প্রতিনিধি দলের নবী -এর দরবারে আগমন
ইবন সা'দ বলেন, দুবা'আ বিনতু যুবায়র ইবন আবদিল মুত্তালিব বলেন, ইয়ামানের বাহরা গোত্রের ১৩ সদস্যবিশিষ্ট প্রতিনিধি দল নবী দরবারে আগমন করে। প্রথমে তাহারা মিকদাদ (রা)-এর দ্বারপ্রান্তে আসিয়া তাহাদের সওয়ারী থামায়। তিনি তখন বনূ জাযীলার মহল্লায় বসবাস করিতেন। তিনি ঘর হইতে বাহির হইয়া তাহাদেরকে স্বাগতম জানান এবং নিজ বাড়ির একটি ঘরে তাহাদেরকে স্থান দেন। তারপর তাহারা নবী দরবারে যান।
মিকদাদ তনয়ার বর্ণনা হইতে জানা যায়, তাহাদের আগমনের পূর্বেই মিকদাদ (রা) একটি বড় পাত্রে খেজুর ও পনীর নির্মিত সুস্বাদু 'হায়স' তৈয়ার করিয়াছিলেন। তিনি উহা অতিথিগণের সম্মুখে উপস্থিত করেন। তাহারা অত্যন্ত তৃপ্তি সহকারে উহা আহার করেন। উহার অবশিষ্ট অংশ একটি পেয়ালায় করিয়া আমরা আমাদের দাসী সিদরার মাধ্যমে নবী কারীম -এর জন্য প্রেরণ করি। তিনি তখন হযরত উম্মে সালামার গৃহে অবস্থান করিতেছিলেন। উহা দেখিয়াই তিনি বলিলেন, দুবা'আ কি উহা পাঠাইয়াছে? আচ্ছা, রাখিয়া যাও। তারপর তিনি ঘরে আগত মেহমানদের অবস্থা জিজ্ঞাসা করিলেন। অতঃপর উপস্থিত সকলকে লইয়া তৃপ্তির সহিত উহা খাইলেন। সিদরাও
তাঁহাদের সাথে খাইল। তারপর উহার অবশিষ্টাংশ সিদরাকে দিয়া বলিলেন: লইয়া যাও, মেহমানদেরকে উহা দ্বারাই আপ্যায়িত করিও।
সিদরা বলেন, আমি ঐ অবশিষ্ট হায়স লইয়া ঘরে ফিরিয়া গেলাম এবং যতদিন ঐ মেহমানরা ছিলেন উহা দ্বারাই তাহাদেরকে আপ্যায়ন করিলাম, কিন্তু উহার পরিমাণ একটুও হ্রাস পাইল না। মেহমানগণ হযরত মিকদাদ (রা)-কে লক্ষ্য করিয়া বলেন, এমন সুস্বাদু খাবার তাহারা জীবনে খান নাই। হযরত মিকদাদ (রা) বলিলেন, রাসূলুল্লাহ-এর পবিত্র হাতের বরকতে উহা এত সুস্বাদু ও বরকতপূর্ণ হইয়াছে। এই কথা শুনিয়া তাহাদের দৃঢ় বিশ্বাস জন্মায় যে, সত্য সত্যই তিনি আল্লাহ্র রাসূল। ফলে তাহাদের সকলেই ইসলাম গ্রহণ করেন। কিছুদিন মদীনায় অবস্থান করিয়া তাঁহারা দীনের প্রয়োজনীয় মাসয়ালাদি শিক্ষা গ্রহণ করেন। অতঃপর তাঁহাদের প্রস্থান কালে অন্যান্য প্রতিনিধি দলের মত তাঁহাদেরকেও উপঢৌকন ও পাথেয়াদি প্রদান করেন (আসাহহুস্ সিয়ার, পৃ. ৪৩৯-৪০)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00