📄 (২০) নু'আয়ম ইব্ন আওস আদ-দারীর নামে রাসূলুল্লাহ (সা)-এর পত্র
لنعيم بن اوس اخى تميم الدارى ان له حبرى وعينون بالشام سهلها وجبلها ومائها وحرثها وانباطها وبقرها ولعقبه من بعده لا يحاقه فيها
احد ولا يلجه عليهم بظلم ومن ظلمهم واخذ منهم شيئا فإن عليه لعنة الله وملائكة والناس اجمعين وكتب على.
"তামীম আদ-দারীর ভাই নু'আয়ম ইব্ন আওস-এর নামে। হিব্রী এবং 'আয়নূন- যেগুলি সিরিয়া ভূখণ্ডে অবস্থিত, তাহার সমভূমি ও পাহাড়, জলাশয় ও কৃষিভূমি, শস্যভূমি, চারণভূমি তাহারই মালিকানাধীন থাকিবে এবং তাহার পর ঐগুলি তাহার পরবর্তী বংশধরদের দখলে থাকিবে। উহাতে কেহ তাহাকে বাধাগ্রস্ত করিতে পারিবে না। যে তাহাদের প্রতি জুলুম করিবে বা তাহাদের নিকট হইতে কিছু কাড়িয়া লইবে, তাহার প্রতি আল্লাহ, ফেরেশতাকুল এবং সমস্ত মানবজাতির অভিশাপ। লেখক আলী" (তাবাকাত, ১খ., পৃ. ২৬৭; আল-মিস্বাহুল মুদী, পৃ. ৩৯০)।
📄 (২১) আব্বাস ইব্ন মিরদাসের নামে রাসূলুল্লাহ (সা)-এর দানপত্র
بسم الله الرحمن الرحيم هذا ما اعطى محمد النبى عباس بن مرداس السلمی اعطاه مذمورا فمن اخافه فيها فلا حق له فيها وحقه حق وكتب العلاء بن عقبة وشهد.
"বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। ইহা নবী মুহাম্মাদ কর্তৃক আব্বাস ইন্ন মিরদাসকে প্রদত্ত দানপত্র। তিনি তাহাকে দান করিয়াছেন মাযমূর এলাকা। সুতরাং যে ব্যক্তি ইহা ভোগ দখলে তাহার জন্য হুমকি সৃষ্টি করিবে, তাহার সেইরূপ অধিকার নাই। ইহাতে একমাত্র তাহারই অধিকার থাকিবে। আল-'আলা ইব্ন উব্বা পত্রটির লেখক এবং সাক্ষী" (ই'লামুস সাইলীন, পৃ. ৫০; মাকাতীবুর রাসূল, ১খ., পৃ. ৪৯১)।
📄 (২২) বনূ সুলায়মের হারাম ইব্ন আব্দ আওফের নামে প্রদত্ত রাসূলুল্লাহ (সা)-এর দানপত্র
انه اعطاه اذاما وما كان من شواق لا يحل لاحد ان يظلمهم ولا يظلمون احدا وكتب خالد بن سعيد.
"তিনি তাহাকে 'ইযাম ও শাওয়াকে তাহার মালিকানাধীন ভূমি দান করিয়াছেন। কাহারও জন্য তাহাদের প্রতি বাড়াবাড়ি করা বৈধ হইবে না। তাহারাও কাহারও প্রতি জুলুম করিবে না। খালিদ ইবন সা'ঈদ উহা লিপিবদ্ধ করিয়াছেন” (তাবাকাত, ১খ., পৃ. ২৭৪)।
📄 (২৩) রাশিদ ইব্ন আবদি রব-এর নামে রাসূলুল্লাহ (সা)-এর দানপত্র
هذا اما اعطى محمد رسول الله ﷺ راشد بن عبد رب السلمى انه اعطاه علوتين بسهم وعلوة بحجر برهاط لا يحاقه فيها احد ومن حاقه فلا حق له وحقة حق وكتب خالد بن سعيد.
“ইহা আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ কর্তৃক রাশিদ ইব্ন আবদি রব আস্-সুলামীকে প্রদত্ত দানপত্র। তিনি তাহাকে দুই তীরের দূরত্ব পর্যন্ত এবং দুই গুলওয়ার দূরত্ব পর্যন্ত রুহাতের জমি বরাদ্দ করিয়াছেন। উহাতে কেহই তাহার সহিত কলহে প্রবৃত্ত হইতে পারিবে না। যে এই ব্যাপারে তাহার সহিত কলহে প্রবৃত্ত হইবে তাহার কোন অধিকার নাই। একমাত্র তাহারই অধিকার স্বীকৃত। খালিদ ইবন সা'ঈদ উহার লেখক” (তাবাকাতুল কুবরা, ১খ., পৃ. ২৭৪)।
এই পত্র প্রাপক রাশিদ ইব্ন আবদ রব/আবদে রাব্বিহী/রাশিদ ইবন হাম্স নামে পরিচিত একজন সাহাবী ছিলেন বলিয়া ইমাম মুসলিম ইব্ন হাজ্জাজ উল্লেখ করিয়াছেন।