📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 আশ'আরী গোত্রের ইসলাম গ্রহণ

📄 আশ'আরী গোত্রের ইসলাম গ্রহণ


مرحبا با الو وفد غير خزايا ولا ندامی “কোনরূপ অপমান ও অনুশোচনা ব্যতিরেকে এই দলকে আমি সুস্বাগত জানাইতেছি।”
এই প্রতিনিধি দলের মধ্যে এক লোকের পরিচিতি ছিল আশজ্জ আবুদল কায়স হিসাবে যাহার মূল নাম ছিল মুনযির ইন্ন আইয (রা)। তাহার সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ্ বলিয়াছিলেন:
ان فيك خلتين يحبهما الله ورسوله الحلم والااناة. "তোমার মধ্যে এমন দুইটি বৈশিষ্ট্য রহিয়াছে যেইগুলি আল্লাহ্ ও তাঁহার রাসূল ভালবাসেন। উহা হইল ধৈর্য ধারণ ও ধীরে সুস্থে কর্ম সম্পাদন” (আর-রাওদুল উনুফ, ৭খ., পৃ. ৪২৮)।
সহীহ বুখারীতে উহাদের আগমন ও প্রস্থানের বিষয়টি সুন্দরভাবে প্রস্ফুটিত হইয়াছে।
عن ابن عباس قال قدم وفد عبد القيس على رسول الله ﷺ فقال مرحبا بالقوم غير خزايا ولا ندامى فقالوا يا رسول الله ان بيننا وبينك المشركين من مضر وانا لا نصل اليك الا فى اشهر الحرم حدثنا بجمل من الامر أن عملنا به دخلنا الجنة وندعو به من وراءنا قال امركم باربع وانهاكم عن اربع الايمان بالله وهل تدرون ما ایمان بالله شهادة ان لا اله الا الله واقام الصلوة وايتاء الزكوة وصوم رمضان وان تعطوا من المغانم الخمس وانهاكم عن اربع ما انتبذ في الدباء والنقير والحنتم والمزفت.
“আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন আব্বাস (রা) হইতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবদুল কায়স গোত্রের প্রতিনিধিদল রাসূলুল্লাহ্ -এর নিকট আগমন করিল। রাসূলুল্লাহ্ তাহাদেরকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাইয়া বলিলেন, কোন ধরনের অপমান ও অনুতাপ ছাড়াই আপনাদেরকে স্বাগত জানাইতেছি। তাহারা বলিল, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমাদের ও আপনার মধ্যবর্তী স্থানে মুশরিক মুদার গোত্র বাস করে। নিষিদ্ধ মাসগুলি ব্যতীত অন্য কোন সময় আমরা আপনার নিকট পৌঁছিতে সক্ষম নহি। আমাদেরকে কতিপয় বাক্যে কিছু নির্দেশ করুন যাহা আমরা পালন করিলে জান্নাতে প্রবেশ করিব। আর উহা আমরা আমাদের পিছনের লোকদের নিকট পৌঁছাইয়া দিব। রাসূলুল্লাহ্ বলিলেন, আমি তোমাদেরকে চারি জিনিসের আদেশ করিব এবং চারি জিনিস হইতে বারণ করিব। প্রথম হইল, আল্লাহ্র উপর ঈমান আনয়ন। তোমরা কি জান, আল্লাহ্র উপর ঈমান আনয়ন করা কি? লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু সাক্ষ্য দান করা, সালাত কায়েম করা, যাকাত আদায় করা, রমযানের সাওম পালন করা, গানীমাতের মাল হইতে এক-পঞ্চমাংশ দান করা। আমি তোমাদেরকে নিষেধ করিতেছি এমন চারটি জিনিস হইতে যেইগুলিতে নাবীয বানানো হয়, উহা হইল শুকনা লাউয়ের খোলস, বৃক্ষের মূল খোদাই করিয়া যে পাত্র বানানো হয়, সবুজ কলসি ও কালাই করা কোন পাত্র” (বুখারী, প্রাগুক্ত, ২খ., পৃ. ৬২৭)।
উল্লেখ্য যে, এই সকল পাত্রের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা আসল উদ্দেশ্য ছিল না। তখনকার যুগে এই সকল পাত্রের সাহায্যে মাদক জাতীয় জিনিস তৈরি, হইত। মদ পানে মানুষ এতই আসক্ত ছিল যে, মদ ব্যতীত তাহাদের স্বাভাবিক জীবনের কল্পনাই করা যাইত না। এই আসক্তিকে কৌশলে নিয়ন্ত্রণ করার নিমিত্তে তাহাদেরকে মদ তৈরীর উক্ত সরঞ্জাম হইতে নিষেধ করা হইয়াছিল। পরবর্তীকালে নিষেধাজ্ঞা রহিত হইয়া যায়।
বাহরায়নের আবদুল কায়স জনপদেই মসজিদে নববীর পর প্রথম জুমু'আর সালাত আদায় করা হইয়াছিল। এই সম্পর্কে বর্ণিত হইয়াছে:
عن ابن عباس قال اول جمعة جمعت بعد جمعة جمعت في مسجد رسول الله ﷺ في مسجد عبد القيس بجواثي من البحرين "আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন আব্বাস (রা) হইতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্-এর মসজিদে জুমু'আর সালাত আদায় করিবার পর সর্বপ্রথম আবদুল কায়স গোত্রের মসজিদ, যাহা বাহরায়নের জাওয়াছা নামক স্থানে ছিল, যেখানে জুমুআর সালাত অনুষ্ঠিত হয়" (বুখারী, ২খ., পৃ. ৬২৭)।
এই আবদুল কায়স গোত্রের ইসলাম গ্রহণের কাজে ব্যস্ত থাকায় রাসূলুল্লাহ্ যোহরের ফরয পরবর্তী দুই রাকাআত সুন্নাত আদায় করিতে না পারিয়া তাহা আসরের ফরয আদায় করিবার পর কাযা করিয়াছিলেন। উহা দেখিয়া অনেকের ধারণা হইয়াছিল যে, রাসূলুল্লাহ্ আসরের পরও দুই রাকাআত সুন্নাতের বিধান প্রবর্তন করিয়াছেন। কিন্তু তিনি এই ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হইলে ইরশাদ করিয়াছিলেন:
انه اتاني اناس من عبد القيس بالاسلام من قومهم فشغلوني عن الركعتين اللتين بعد الظهر فهما هاتان "আমার নিকট আবদুল কায়স গোত্রের কতিপয় লোক ইসলাম গ্রহণ করিবার নিমিত্তে আগমন করিয়াছিল। তাহাদের সহিত ব্যস্ত থাকায় যুহরের ফরয পরবর্তী দুই রাক্'আত সুন্নাত আমি আদায় করিতে পারি নাই। আসর সালাতের পরে যেই দুই রাকাআত সুন্নাত আদায় করিতে তোমরা আমাকে দেখিয়াছিলে উহা হইল সেই দুই রাকাআত” (বুখারী, প্রাগুক্ত)।
ইয়ামানের একটি সম্ভ্রান্ত গোত্র ছিল আশ'আরী গোত্র। বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আবূ মূসা আল-আশ'আরী (রা) ছিলেন এই গোত্রীয় একজন সাহাবী। রাসূলুল্লাহ্ -এর নবুওয়াতের দা'ওয়াত তাহাদের নিকট পৌঁছিলে সেইখান হইতে ৫৩ ব্যক্তি মদীনায় হিজরতের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। আবূ মূসা আশ'আরী (রা)-ও সেই কাফেলায় ছিলেন। তাঁহারা একটি জাহাজে আরোহণ করিয়া রওয়ানা করিয়াছিলেন। কিন্তু সামুদ্রিক বায়ু অনুকূল না হওয়ায় জাহাজটি হাবশায় (আবিসিনিয়ায়) গিয়া পৌঁছে। সেইখানে হযরত জা'ফার (রা) পূর্ব হইতেই অবস্থান করিতেছিলেন। তিনি উহাদিগকে লইয়া আরব অভিমুখে রওয়ানা করিলেন। সেই সময় খায়বার

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 বানূ হানীফা গোত্রের ইসলাম গ্রহণ

📄 বানূ হানীফা গোত্রের ইসলাম গ্রহণ


বিজিত হইয়া গিয়াছিল। রাসূলুল্লাহ্ সেইখানে তখনও রহিয়া গিয়াছিলেন। ফলে আশ'আরী গোত্রটি খায়বারেই রাসূলুল্লাহ্ (স)-এর নিকট উপস্থিত হয় এবং তাঁহার নিকট ইসলামের বায়'আত গ্রহণ করে। এই সম্পর্কে সহীহ মুসলিমের বর্ণনাটি নিম্নরূপ:
عن ابي موسى قال بلغنا مخرج رسول الله ﷺ ونحن باليمن فخرجنا مهاجرين اليه انا واخوان لى انا اصغرهما احدهما ابو بردة والآخر ابو رهم اما قال بضعا واما قال ثلاثة وخمسين او اثنين وخمسين رجلا من قومي قال فركبنا سفينة فالقتنا سفينتنا الى النجاشي بالحبشة فوافقنا جعفر بن ابي طالب واصحابه عنده فقال جعفر ان رسول الله ﷺ بعثنا ههنا وامرنا بالاقامة فاقيموا معنا قال فاقمنا معه حتى قدمنا جميعا قال فوافقنا رسول الله ﷺ حين افتتح خیبر..... الى اخره. "আবূ মূসা (রা) হইতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের নিকট রাসূলুল্লাহ্-এর হিজরতের কথা পৌঁছিল। আমরা তখন ইয়ামানে ছিলাম। আমি ও আমার বড় দুই ভাই যথাক্রমে আবু বুরদা ও আবূ রুহম হিজরতের উদ্দেশ্যে বাহির হইলাম। আমাদের সহিত ৫৩ সদস্যের বা ৫২ জনের একটি কাফেলা ছিল। আমরা নৌযানে আরোহণ করিয়া রওয়ানা করিলাম। কিন্তু আমাদেরকে নৌযান লইয়া গেল নাজ্জাশীর হাবশায়। সেইখানে আমরা জা'ফার ইবন আবী তালিব (রা) ও তাঁহার সঙ্গীগণের সাক্ষাত লাভ করিলাম। জা'ফার (রা) আমাদিগকে বলিলেন, রাসূলুল্লাহ্ আমাদেরকে এখানে প্রেরণ করিয়াছেন এবং এখানে অবস্থান করিবার নির্দেশ দিয়াছেন। সুতরাং আপনারাও আমাদের সহিত এখানে অবস্থান করুন। আবূ মূসা আশ'আরী (রা) বলেন, তাহার কথায় আমরা সেইখানে অবস্থান করিলাম। অতঃপর সম্মিলিতভাবে সকলেই রাসূলুল্লাহ্ -এর দরবারে উপস্থিত হইলাম। তখন তিনি সবেমাত্র খায়বার বিজয় সম্পন্ন করিয়াছিলেন” (মুসলিম, ২খ., পৃ. ৩০৪)।
দশম হিজরী সনে বানু হানীফা গোত্র রাসূলুল্লাহ্ -এর নিকট আগমন করিয়া ইসলাম গ্রহণ করিয়াছিল। ইবন ইসহাক বলেন, বানু হানীফা গোত্রের এই প্রতিনিধি দলের সহিত মুসায়লামাতুল কায্যাবও শরীক ছিল। তাহারা মদীনায় আসিয়া আল-হারিছের কন্যা আনসার গোত্রীয় এক মহিলার গৃহে মেহমান হইয়াছিল। বর্ণিত আছে যে, বানু হানীফার এই প্রতিনিধিদল যখন রাসূলুল্লাহ্-এর নিকট আগমন করে তখন মুসায়লামাতুল কায্যাবকে তাহারা কাপড়ের আচ্ছাদনে ঢাকিয়া রাখিয়াছিল। পরিচয় গোপন রাখিয়া যখন সে দরবারে নবৃওয়াতের নিকটবর্তী হয় তখন রাসূলুল্লাহ্-এর সহিত কথা বলে। তিনি তখন সাহাবায়ে কিরামের এক মজলিসে উপবিষ্ট ছিলেন। তাঁহার হাতে ছিল খেজুরের একটি ডাল। সে তাঁহার নিকট কিছু চাহিলে তিনি তাহাকে বলিলেন, তোমাকে এই ডালের ছালও দেওয়া যাইবে না। ইন্ন ইসহাক আরও বলেন, আমার নিকট বানু হানীফা গোত্রের এক শায়খ মুসায়লামার এই দলে
শরীক হওয়া সম্পর্কে ভিন্ন তথ্য প্রদান করিয়াছেন। তিনি বলিয়াছেন বানু হানীফা গোত্র যখন রাসূলুল্লাহ্-এর নিকট আগমন করিয়াছিল তখন তাহাদের সহিত মুসায়লামাতুল কায্যাব ছিল না; বরং সে ছিল প্রতিনিধি দলের জন্য নির্মিত শিবির ও বাহনের দেখা-শোনার কাজে নিয়োজিত। বানু হানীফা গোত্র ইসলাম গ্রহণ করিবার পর তাহারা বলিল, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের এক সহযাত্রী আমাদের শিবির ও সওয়ার-দেখা শোনার কাজে নিয়োজিত থাকায় আপনার সমীপে উপস্থিত হইতে পারে নাই। রাসূলুল্লাহ্ তখন বলিলেন, তোমাদিগকে যাহা কিছুর আদেশ দেওয়া হইয়াছে উহা তাহার জন্যও প্রযোজ্য হইবে। অতঃপর কাফেলা যখন ইয়ামামায় প্রত্যাবর্তন করিল তখন মুসায়লামা মুরতাদ হইয়া গেল এবং মিথ্যা নবুওয়াতের দাবি করিয়া বসিল।
অতঃপর সে বানু হানীফা হইতে সালাতের বিধান রহিত করিয়া দেয়, মদ পান ও যেনা বৈধ বলিয়া ঘোষণা দেয়। তবে মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ্ যে নবী উহা অস্বীকার করে নাই বরং উহার পক্ষে সাক্ষী প্রদান করে (তাবারী, তারীখুল উমাম ওয়াল মুলuk, প্রাগুক্ত, ৩খ., পৃ. ১৩৭)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 গাসসান গোত্রের ইসলাম গ্রহণ

📄 গাসসান গোত্রের ইসলাম গ্রহণ


আরব খৃস্টানদের একটি গোত্রের নাম ছিল গাস্সান। রোম সম্রাট কায়সারের পক্ষ হইতে উহারা আরবের একটি অঞ্চল শাসন করিত। ১০ম হিজরীর রামাযান মাসে গাসসান গোত্রাধীন তিন ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্-এর নিকট আগমন করিয়া ইসলাম গ্রহণ করিল। তাঁহারা তাৎক্ষণিকভাবে অবশ্য মন্তব্য করিয়াছিলেন যে, আমাদের গোত্রের অন্যান্যরা ইসলাম গ্রহণ করে কিনা তাহা আল্লাহ্ তা'আলাই ভাল জানেন। উহারা তো বড়ই ক্ষমতা প্রিয় এবং রোম সম্রাট কায়সারের একনিষ্ঠ ভক্ত। সে যাহাই হউক রাসূলুল্লাহ্ তাহাদের প্রতি সাধারণ প্রতিনিধি দলের ন্যায় আচরণ করিয়াছিলেন এবং প্রত্যাবর্তন কালে অন্যান্যদলের মত উপঢৌকন দান করিয়াছিলেন। কিন্তু তাহাদের গোত্রের লোকেরা ইসলাম গ্রহণ করে নাই। তবে তাহারা মনে প্রাণে গোপনে মুসলিম ছিল। দুই জন ঈমান অবস্থাতেই ইনতিকাল করেন। তৃতীয় ব্যক্তি হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব (রা)-এর শাসন কালীন সময়ে ইয়ারমুকের যুদ্ধে হযরত আবূ উবায়দা ইবনুল জাররাহ (রা)-এর সহিত সাক্ষাত করিয়া নিজের ইসলাম গ্রহণ করিবার কথা তাহাকে অবহিত করিলে তিনি তাঁহাকে খুবই সমাদর করেন (দানাপুরী, আসাহহুস সিয়ার, প্রাগুক্ত, পৃ. ৪৪৮)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 সালমান গোত্রে ইসলামের দা'ওয়াত

📄 সালমান গোত্রে ইসলামের দা'ওয়াত


রাসূলুল্লাহ্-এর নিকট সালামান প্রতিনিধি দল আগমন করিল। তাহারা সাতজন ছিলেন। তাঁহারা সকলেই ইসলাম গ্রহণ করিলেন। হাবীব ইবন উমার (রা) এই দলের এক সদস্য ছিলেন। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ -কে তখন জিজ্ঞাসা করিয়াছিলাম, সর্বোত্তম আমল কোনটি? তিনি উত্তর দিলেন, সময় মত সালাত আদায় করা। এই প্রতিনিধিদল সেই দিন রাসূলূল্লাহ্ -এর সহিত জু'হর ও 'আসর এই দুই ওয়াক্তের সালাত আদায় করিয়াছিলেন। এই দুই সালাতের ব্যাপারে হাবীব (রা)-এর অভিমত ছিল যে, তুলনামূলকভাবে জু'হর হইতে আসরের সালাত সংক্ষিপ্ত ছিল। তাঁহারা স্বীয় এলাকায় অনাবৃষ্টির অভিযোগ করিলে রাসূলুল্লাহ্
তাহাদের দেশে বৃষ্টি হওয়ার জন্য দু'আ করিলেন। অতঃপর আমরা সেখানে তিন দিন অবস্থান করিলাম। তিন দিনই আমরা রাসূলুল্লাহ্-এর মেহমান ছিলাম। ফিরিবার সময় বিলাল (রা)-কে রাসূলুল্লাহ্ আমাদের প্রত্যেককে পাঁচ ওকিয়া (পাঁচ আউন্স) রৌপ্য প্রদানের নির্দেশ দিলেন। তাহার নিকট অন্য কোন সম্পদ না থাকায় ক্ষমা চাহিলেন। আমরা ভাবিলাম যাহা পাইয়াছি তাহা হইতে উত্তম পাওনা আর কি হইতে পারে। ফিরিয়া দেখিলাম বৃষ্টির জন্য যেই দিন রাসূলুল্লাহ্ দু'আ করিয়াছিলেন, সেই দিনই বৃষ্টি হইয়াছিল। উহারা দশম হিজরীর শাওয়াল মাসে আগমন করিয়াছিলেন (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ৪৪৯)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00