📄 রোগীর জন্য দু'আ করা
মহানবী (স) রুগ্ন ব্যক্তিকে দেখিতে গিয়া তাহার জন্য দু'আ করিতেন، তাহাকে আশান্বিত করিতেন এবং তাহাকে অভয় দিতেন। 'আইশা (রা) বলেন، রাসূলুল্লাহ (س) রুগ্ন ব্যক্তিকে দেখিতে গেলে বা তাহাকে তাঁহার নিকট উপস্থিত করা হইলে তিনি বলিতেন: أَذْهِبِ الْبَأْسَ رَبِّ النَّاسِ اشْفِ وَأَنْتَ الشَّافِى لَا شِفَاءٌ إِلَّا شِفَاؤُكَ شِفَاءٌ لَا يَغَادِرُ سَقَمًا .
“اے لوگوں کے رب! تکلیف کو دور کر اور شفا دے۔ تو ہی شفا دینے والا ہے۔ تیری شفا کے سوا کوئی شفا نہیں (ایسی شفا عطا فرما) جو کوئی بیماری باقی نہ چھوڑے” (بخاری، کتاب المرض، باب دعا العائد للمریض، حدیث نمبر 5675؛ مسلم، کتاب السلام، باب استحباب رقیۃ المریض، حدیث نمبر 5707/46؛ 5709/47؛ ابو داؤد، طب، باب 17، حدیث نمبر 3883؛ باب 19، حدیث نمبر 3890؛ مزید دیکھیں: ترمذی، ابن ماجہ، مسند احمد، 121، صفحہ 76 اور 381)۔
ابن عباس (رضی اللہ عنہما) سے روایت ہے کہ نبی (ص) نے فرمایا: کوئی شخص جب کسی بیمار کی عیادت کرے اور وہ حالت نزع میں نہ ہو، تو اسے سات بار یہ کہنا چاہیے: أَسْأَلُ اللهَ الْعَظِيمَ رَبِّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ أَنْ يُشْفِيكَ. “میں اللہ سے دعا کرتا ہوں، جو عظیم عرش کے رب ہیں، کہ وہ تمہیں شفا دے۔” یقیناً اللہ اسے اس بیماری سے شفا دے گا۔ (ابو داؤد، جنازے، باب الدعاء للمریض، حدیث نمبر 3106)۔
عن جابر بن عبد الله قال قال رسول الله ﷺ من عاد مريضا لم يزل يخوض في الرحمة حتى يرجع فاذا جلس اغتمس فيها .
"جابر بن عبد اللہ (رضی اللہ عنہما) فرماتے ہیں کہ رسول اللہ (ص) نے فرمایا: جو شخص کسی بیمار کی عیادت کرتا ہے، وہ واپس آنے تک رحمت میں ڈوبا رہتا ہے، اور جب وہ بیٹھتا ہے تو اس میں غرق ہو جاتا ہے" (مسند احمد، 321، صفحہ 304، حدیث نمبر 14310؛ مؤطا امام مالک، بنگالی ترجمہ، 221، صفحہ 665، کتاب العین (بد نظر)، باب عیادۃ المرضی، حدیث نمبر 17)۔
📄 রুগ্ন ব্যক্তির নিকট দু'আ চাওয়া
রোগাক্রান্ত অবস্থায় মু’মিন ব্যক্তির দু’আ কবুল হয়। অতএব তাহাকে দেখিতে যাইয়া তাহাকে দু’আ করিতে বলা উচিৎ।
عن عمر بن الخطاب قال قال لى النبى ﷺ اذا دخلت على مريض فمره ان يدعو لك فان دعاءه كدعاء الملائكة .
“উমার ইবনুল খাত্তাব (রা) বলেন، নবী (স) আমাকে বলিলেন: তুমি কোন রোগীকে দেখিতে গেলে তাহাকে তোমার জন্য দু’আ করিতে অনুরোধ করিও। কেননা তাহার দু’আ ফেরেশতাগণের দু’আর অনুরূপ” (ইবন মাজা، জানা'ইয، ১ম বাব، নং ১৪৪১)।
📄 রুগ্ন ব্যক্তিকে সান্ত্বনাদান
মহানবী (স) রুগ্ন ব্যক্তিকে দেখিতে গেলে তাহাকে প্রশান্তিদায়ক কথা শুনাইতেন، জীবন সম্পর্কে আশান্বিত করিতেন এবং কখনও নিরাশ করিতেন না।
عن ابي سعيد الخدري قال قال رسول الله ﷺ اذا دخلتم على المريض فنفسوا له في الاجل فان ذلك لا يرد شيئا وهو يطيب بنفس المريض .
"আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রা) বলেন، রাসূলুল্লাহ (س) বলিয়াছেন: তোমরা রুগ্ন ব্যক্তিকে দেখিতে গেলে তাহার দীর্ঘায়ু কামনা করিবে। যদিও তাহা (তাকদীরের) কিছুই প্রতিরোধ করিতে পারে না، তবুও তাহাতে রোগীর অন্তর শান্ত্বনা লাভ করে” (তিরমিযী، تিব্ব، সর্বশেষ বাব، নং ২০৩৬؛ ইবন মাজা، জানা'ইয، ১ম বাব، নং ১৪৩৮)۔
📄 রোগীর নিকট অবস্থান
রোগীর সহিত দেখা-সাক্ষাতের সুন্নাত নিয়ম এই যে، তাহার কুশলাদি জিজ্ঞাসা করার পর তাহার নিকট বেশিক্ষণ অপেক্ষা করিবে না، যাহাতে রোগীর এবং তাহার পরিবারের লোকজনের কষ্ট না হয় বা তাহারা বিরক্ত না হয়। আনাস (রা) বলেন، রাসূলুল্লাহ (س) বলিয়াছেন: অল্পক্ষণ রোগীর নিকট অবস্থান করিবে। অপর বর্ণনায় আছে، রোগীর সহিত স্বল্পক্ষণ অবস্থান করিয়া উঠিয়া যাওয়া উত্তম" (বায়হাকীর শু'আবুল ঈমান-এর বরাতে মিশকাতুল মাসাবীহ، বঙ্গানু، کتاب الجنارز، باب 'ایادت المال، ৩য় ফাসল، নং ১৫০৪/৬৮)۔
ইবন 'আব্বাস (রা) বলেন، রোগগ্রস্ত ব্যক্তির সহিত দেখা-সাক্ষাতের সুন্নাত নিয়ম হইল، তাহার নিকট অল্প সময় অবস্থান করা এবং তথায় শোরগোল না করা (রাজীন-এর বরাতে মিশকাত، জানা'ইয، باب 'ایادت المال، ৩য় ফাসল، নং ১৫০৩/৬۷)۔