📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 রুগ্ন ব্যক্তিকে দেখিতে যাওয়ার ফযীলত

📄 রুগ্ন ব্যক্তিকে দেখিতে যাওয়ার ফযীলত


রুগ্ন ব্যক্তির সহিত দেখা-সাক্ষাত، তাহার খোঁজ-খবর লওয়া এবং প্রয়োজনে তাহার সেবা-শুশ্রূষা করার গুরুত্ব ও ফযীলাত অপরিসীম। নিম্নোক্ত হাদীছ হইতে ইহার গুরুত্ব অনুধাবন করা যায়:
عن ابي هريرة قال قال رسول الله ﷺ ان الله عز وجل يقول يوم القيامة يا ابن آدم مرضت فلم تعدني قال يا رب كيف أعودك وانت رب العالمين قال اما علمت ان عبدى فلانا مرض فلم تعده اما علمت انك لوعدته لوجدتني عنده .
"আবূ হুরায়রা (রা) বলেন، রাসূলুল্লাহ (س) বলিয়াছেন: মহামহিম আল্লাহ কিয়ামতের দিন বলিবেন، হে আদম সন্তান! আমি পীড়িত হইয়াছিলাম، কিন্তু তুমি আমাকে সেবা কর নাই। সে বলিবে، হে প্রভু! আমি কিভাবে আপনার সেবা করিতাম، অথচ আপনি তো বিশ্বজাহানের প্রতিপালক! তিনি বলিবেন، তুমি কি জানিতে না যে، আমার অমুক বান্দা রোগাক্রান্ত হইয়াছিল। কিন্তু তুমি তাহার সেবা কর নাই। তুমি কি জানিতে না، তুমি যদি তাহার সেবা করিতে তবে অবশ্যই আমাকে তাহার নিকট পাইতে” (মুসলিম، کتاب البر والسلہ.......، باب فضل عيادۃ المريض، নং ৬৫৫৬/৪৩)۔
মহানবী (স) আরও বলেন، "কোন ব্যক্তি উত্তমরূপে উযূ করার পর পুণ্য লাভের আশায় তাহার মুসলিম ভাইয়ের সহিত সাক্ষাত করিতে গেলে তাহাকে জাহান্নাম হইতে সত্তর বৎসরের দূরত্বে রাখা হইবে” (আবূ দাউদ، জানা'ইয، বাব فِی فضل العیاده، নং ۳۰۹۷)۔
মহানবী (س) আরও বলেন: "কোন মুসলিম ব্যক্তি তাহার অসুস্থ মুসলিম ভাইকে দেখিতে গেলে সে (যতক্ষণ তাহার নিকট অবস্থান করে ততক্ষণ) যেন জান্নাতের ফল আহরণ করিতে থাকে” (তিরমিযী، জানা'ইয، ২য় বাব، নং ৯০৯؛ আরও দ্র. مسلم، ابن ماجہ، مسند احمد)۔
হযرت علی (রা) বলেন، আমি রাসূলুল্লাহ (س)-কে বলিতে শুনিয়াছি: কোন মুসলমান অপর (অসুস্থ) মুসলমানকে দিনের প্রথমভাগে দেখিতে গেলে সত্তর হাজার ফেরেশতা সন্ধ্যা পর্যন্ত তাহার জন্য দু'আ করিতে থাকে। যদি সে সন্ধ্যাবেলা তাহাকে দেখিতে যায় তবে সত্তর হাজার ফেরেশতা ভোর পর্যন্ত তাহার জন্য দু'আ করিতে থাকে এবং তাহার জন্য জান্নাতে একটি ফলের বাগান তৈরি হয়” (তিরমিযী، জানা'ইয، ২য় বাব، নং ۹۱۱؛ ابو داؤد، জানা'ইয، ২য় বাব، নং ۳۰۹۸؛ ابن ماجہ، জানা'ইয، ২য় বাব، নং ۱۴৪২)۔
ابو হুরায়রা (را) বলেন، রাসূলুল্লাহ (س) বলিয়াছেন: "کوئی شخص بیمار شخص کی عیادت کرے تو آسمان سے ایک پکارنے والا اسے پکارتا ہے، تو نے اچھا کام کیا، تیرا راستہ بابرکت ہو اور تو نے جنت میں ایک ٹھکانہ بنا لیا" (ابن ماجہ، جنازے، دوسرا باب، حدیث نمبر 1443)۔

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 রোগীর জন্য দু'আ করা

📄 রোগীর জন্য দু'আ করা


মহানবী (স) রুগ্ন ব্যক্তিকে দেখিতে গিয়া তাহার জন্য দু'আ করিতেন، তাহাকে আশান্বিত করিতেন এবং তাহাকে অভয় দিতেন। 'আইশা (রা) বলেন، রাসূলুল্লাহ (س) রুগ্ন ব্যক্তিকে দেখিতে গেলে বা তাহাকে তাঁহার নিকট উপস্থিত করা হইলে তিনি বলিতেন: أَذْهِبِ الْبَأْسَ رَبِّ النَّاسِ اشْفِ وَأَنْتَ الشَّافِى لَا شِفَاءٌ إِلَّا شِفَاؤُكَ شِفَاءٌ لَا يَغَادِرُ سَقَمًا .
“اے لوگوں کے رب! تکلیف کو دور کر اور شفا دے۔ تو ہی شفا دینے والا ہے۔ تیری شفا کے سوا کوئی شفا نہیں (ایسی شفا عطا فرما) جو کوئی بیماری باقی نہ چھوڑے” (بخاری، کتاب المرض، باب دعا العائد للمریض، حدیث نمبر 5675؛ مسلم، کتاب السلام، باب استحباب رقیۃ المریض، حدیث نمبر 5707/46؛ 5709/47؛ ابو داؤد، طب، باب 17، حدیث نمبر 3883؛ باب 19، حدیث نمبر 3890؛ مزید دیکھیں: ترمذی، ابن ماجہ، مسند احمد، 121، صفحہ 76 اور 381)۔
ابن عباس (رضی اللہ عنہما) سے روایت ہے کہ نبی (ص) نے فرمایا: کوئی شخص جب کسی بیمار کی عیادت کرے اور وہ حالت نزع میں نہ ہو، تو اسے سات بار یہ کہنا چاہیے: أَسْأَلُ اللهَ الْعَظِيمَ رَبِّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ أَنْ يُشْفِيكَ. “میں اللہ سے دعا کرتا ہوں، جو عظیم عرش کے رب ہیں، کہ وہ تمہیں شفا دے۔” یقیناً اللہ اسے اس بیماری سے شفا دے گا۔ (ابو داؤد، جنازے، باب الدعاء للمریض، حدیث نمبر 3106)۔
عن جابر بن عبد الله قال قال رسول الله ﷺ من عاد مريضا لم يزل يخوض في الرحمة حتى يرجع فاذا جلس اغتمس فيها .
"جابر بن عبد اللہ (رضی اللہ عنہما) فرماتے ہیں کہ رسول اللہ (ص) نے فرمایا: جو شخص کسی بیمار کی عیادت کرتا ہے، وہ واپس آنے تک رحمت میں ڈوبا رہتا ہے، اور جب وہ بیٹھتا ہے تو اس میں غرق ہو جاتا ہے" (مسند احمد، 321، صفحہ 304، حدیث نمبر 14310؛ مؤطا امام مالک، بنگالی ترجمہ، 221، صفحہ 665، کتاب العین (بد نظر)، باب عیادۃ المرضی، حدیث نمبر 17)۔

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 রুগ্ন ব্যক্তির নিকট দু'আ চাওয়া

📄 রুগ্ন ব্যক্তির নিকট দু'আ চাওয়া


রোগাক্রান্ত অবস্থায় মু’মিন ব্যক্তির দু’আ কবুল হয়। অতএব তাহাকে দেখিতে যাইয়া তাহাকে দু’আ করিতে বলা উচিৎ।
عن عمر بن الخطاب قال قال لى النبى ﷺ اذا دخلت على مريض فمره ان يدعو لك فان دعاءه كدعاء الملائكة .
“উমার ইবনুল খাত্তাব (রা) বলেন، নবী (স) আমাকে বলিলেন: তুমি কোন রোগীকে দেখিতে গেলে তাহাকে তোমার জন্য দু’আ করিতে অনুরোধ করিও। কেননা তাহার দু’আ ফেরেশতাগণের দু’আর অনুরূপ” (ইবন মাজা، জানা'ইয، ১ম বাব، নং ১৪৪১)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 রুগ্ন ব্যক্তিকে সান্ত্বনাদান

📄 রুগ্ন ব্যক্তিকে সান্ত্বনাদান


মহানবী (স) রুগ্ন ব্যক্তিকে দেখিতে গেলে তাহাকে প্রশান্তিদায়ক কথা শুনাইতেন، জীবন সম্পর্কে আশান্বিত করিতেন এবং কখনও নিরাশ করিতেন না।
عن ابي سعيد الخدري قال قال رسول الله ﷺ اذا دخلتم على المريض فنفسوا له في الاجل فان ذلك لا يرد شيئا وهو يطيب بنفس المريض .
"আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রা) বলেন، রাসূলুল্লাহ (س) বলিয়াছেন: তোমরা রুগ্ন ব্যক্তিকে দেখিতে গেলে তাহার দীর্ঘায়ু কামনা করিবে। যদিও তাহা (তাকদীরের) কিছুই প্রতিরোধ করিতে পারে না، তবুও তাহাতে রোগীর অন্তর শান্ত্বনা লাভ করে” (তিরমিযী، تিব্ব، সর্বশেষ বাব، নং ২০৩৬؛ ইবন মাজা، জানা'ইয، ১ম বাব، নং ১৪৩৮)۔

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00