📄 দাস-দাসীদের আতিথ্য গ্রহণ
দাস-দাসীদের গৃহে খাবার গ্রহণ করিতে রাসূলুল্লাহ (স) দ্বিধাবোধ করিতেন না, বরং তাহাদের গৃহে স্বচ্ছন্দে খাবার খাইতেন। বারীরা নাম্নী একজন দাসী ছিলেন। উম্মুল মু'মিনীন 'আইশা (রা) তাহাকে ক্রয় করিয়া মুক্ত করিয়া দিয়াছিলেন। ইরশাদ হইয়াছে ৪
عن عائشة قالت كان في بريرة ثلث سنن احدى السنن انها عتقت فخيرت في زوجها وقال رسول الله ﷺ الولاء لمن اعتق ودخل رسول الله ﷺ والبرمته تفور بلحم فقرب اليه خبز وادم من ادم البيت فقال المار برمة فيها لحم قالوا بلى ولكن ذلك لحم تصدق على بريرة وانت لا تاكل الصدقة قال هو عليها صدقة ولنا هدية (متفق عليه) .
"আইশা (রা) বলেন, বারীরা সম্পর্কে তিনটি বিধান প্রবর্তিত হইয়াছিল। (এক) তাহাকে দাসত্বমুক্ত করা হইয়াছিল, অতঃপর তাহার (গোলাম) স্বামীর বিবাহবন্ধনে থাকার ব্যাপারে তাহাকে এখতিয়ার দেওয়া হইয়াছিল। (দুই) তাহাকে আযাদ করিবার পর রাসূলুল্লাহ (স) বলিয়াছিলেন, যেই ব্যক্তি আযাদ করিবে সে-ই তাহার সম্পদের উত্তরাধিকারী হইবে। (তিন) রাসূলুল্লাহ (স) তাহার গৃহে দাখিল হইয়া দেখিলেন, তাহার হাঁড়িতে গোশত রান্না হইতেছে। অথচ তিনি রাসূলুল্লাহ (স)-কে গৃহের রুটি ও তরকারী খাইতে দিলেন। তিনি তখন বলিলেন, আমি কি হাঁড়িতে গোশত দেখিতেছি না? গৃহের লোকজন বলিল, হাঁ, তবে তাহা সাদাকার গোশত, উহা বারীরা (রা)-কে সাদাকা করা হইয়াছে। আপনি তো সাদাকার মাল ভক্ষণ করেন না। রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন, উহা তাহার জন্য সাদাকা। কিন্তু সে যখন উহা আমাদেরকে দান করিবে তখন তাহা হাদিয়া হিসাবে গণ্য হইবে"।
হাত বদل হইয়া গেলে মালিকানা ও মালের প্রকৃতি বদলাইয়া যাইতে পারে। বারীরা (রা)-কে যখন দেওয়া হইয়াছিল তখন তাহা সাদাকাই ছিল। কিন্তু বারীরা (রা) যখন তাহা হইতে অন্যকে দান করিলেন তখন তাহা সাদাকা থাকিল না।
📄 দাসকে আহার্য দান সাদাকার সমতুল্য
দাস-দাসী ও চাকর-চাকরানীকে যাহা খাওয়ানো হয় তাহা বৃথা মনে করা উচিত নহে বরং উহাতে সাদাকার ছওয়াব পাওয়া যায়।
عن المقدام سمع النبى ﷺ يقول ما اطعمت نفسك فهو صدقة وما اطعمت ولدك وزوجك وخادمك فهو صدقة اخرجه البخاري في ادب المفرد ) .
“মিকদাদ (রা) হইতে বর্ণিত। তিনি রাসুলুল্লাহ (স)-কে বলিতে শুনিয়াছেন: তুমি নিজে যাহা ভক্ষণ কর তাহা সাদাকা, আর যাহা তোমার সন্তান, স্ত্রী ও দাসকে ভক্ষণ করিতে দাও তাহাও সাদাকা"।
عن ابي هريرة قال قال رسول الله ﷺ تصدقوا فقال رجل يا رسول الله عندى دينار قال تصدق به على نفسك قال عندى اخر قال تصدق به على زوجتك قال عندى آخر قال تصدق به على ولدك قال عندى اخر قال تصدق على خادمك قال عندى اخر قال انت ابصر (رواه النسائي - ۲۷۲) .
"আবূ হুরায়রা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলিয়াছেন: এক ব্যক্তি বলিল, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমার নিকট একটি দীনার আছে। রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন, তুমি তাহা নিজের জন্য ব্যয় কর, উহা সাদাকা হিসাবে গণ্য। লোকটি বলিল, আমার নিকট আরও একটি দীনার আছে। রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন, তোমার স্ত্রীর জন্য তাহা সাদাকা কর। লোকটি বলিল, আমার নিকট আরও একটি দীনার আছে। রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন, তোমার সন্তানের জন্য তাহা সাদাকা কর। লোকটি বলিল, আমায় নিকট আরও একাট দীমার আছে। রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন, তোমার দাসের জন্য তাহা সাদীকা কর। লোকটি বলিল, আমার নিকট আর একটি দীনার আছে। রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন, তুমিই ভাল জান"।
📄 দাস-দাসীকে নিপীড়নের প্রতিদান
সকল অন্যায়-অনাচারের প্রতিশোধ কিয়ামত কালে অন্যায়কারী হইতে গ্রহণ করা হইবে। দাস-দাসীগণকে প্রহার করাও একটি অন্যায় কাজ। ফলে যেই দাস-দাসীকে অযথা অন্যায়ভাবে প্রহার করা হইবে কিয়ামত কালে প্রহারকারী মনিব হউক আয় অন্য কেহ হউক উহার প্রতিশোধ গ্রহণ করা হইবে।
عن عمار بن ياسر قال لا يضرب احد عبدا له وهو ظالم له الا اقيد منه يوم القيامة (رواه البخاري في أدب المفرد - (۱۷۲) .
"আম্মার ইবন ইয়াসির (রা) বলেন, কেহ যেন তাহার দাসকে নির্যাতনকারী হিসাবে প্রহার না করে। যদি কেহ এইরূপ করে তাহা হইলে কিয়ামত দিবসে তাহার প্রতিশোধ লওয়া হইবে"।
عن أم سلمة أن النبي ﷺ كان في بيتها فدعا وصيفة له او لها قابطت فاستبان الغضب في وجهه فقامت ام سلمة الى الحجاب فوجدت الوصيفة تلعب ومعه سواك فقال لولا خشيت القود يوم القيامة لا وجعتك بهذا السواك زاد محمد بن الهيثم تلعب ببهيمة قال فلما اتيت بها النبي ﷺ قلت يا رسول الله انها لتحلف ما سمعتك قالت وفي يده سواك (ادب المفرد - ١٨٤ ) .
"উর্দু সালামা (রা) হইতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) তাঁহার গৃহে অবস্থান রত ছিলেন। তিনি তাঁহার বা উন্মু সালামার দাসীকে ডাকিলেন। সে আসিতে বিলম্ব করিল। উহাতে রাসূলুল্লাহ (স)-এর মুখমণ্ডলে অসন্তুষ্টির ভাব পরিলক্ষিত হইল। উদ্বু সালামা (রা) তখন উঠিয়া পর্দার ঐ পাশে গেলেন এবং তাহাকে খেলায় রত দেখিলেন। রাসূলুল্লাহ (স)-এর হাতে ছিল একটি মিসওয়াক। তখন তিনি বলিলেন, কিয়ামত দিবসে প্রতিশোধ গ্রহণের আশঙ্কা না থাকিলে অবশ্যই আমি এই মিসওয়াক দ্বারা তোমাকে প্রহার করিতাম। মুহাম্মাদ ইব্দুল হায়ছামের বর্ণনায় আরও রহিয়াছে, সে একটি ছাগলছানা লইয়া খেলা করিতেছিল। উম্মু সালামা (রা) বলেন, আমি তাহাকে লইয়া রাসুলুল্লাহ (স)-এর নিকট উপস্থিত হইয়া বলিলাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! সে শপথ করিয়া বলিতেছে যে, আপনার ডাক সে শুনে নাই। তিনি বলেন, তখন তাঁহার হাতে একটি মিসওয়াক ছিল"।
عن ابي هريرة قال قال رسول الله ﷺ من ضرب ضربا اقتص منه يوم القيامة. "আবু হুরায়রা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলিয়াছেন, কোন ব্যক্তি অপরকে প্রহার করিলে কিয়ামতের দিন তাহার নিকট হইতে প্রতিশোধ গ্রহণ করা হইবে"।
📄 দাসদের প্রতি রাসূলুল্লাহ (স)-এর মহানুভবতা
অধীনস্থ লোকদের কাজকর্মে ভুল-ত্রুটি হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু রাসূলুল্লাহ (س) উহাদের প্রতি এতই সহানুভূতিশীল ছিলেন যে, কোন কাজে ত্রুটি হইলেও তাহাদেরকে ভর্ৎসনা করা তো দূরের কথা, কোন কৈফিয়তও চাহিতেন না।
عن انس قال قدم رسول الله ﷺ المدينة ليس له خادم فاخذ ابو طلحة بيدي فانطلق بي الى رسول الله ﷺ فقال يا رسول الله ان انسا غلام كيس فليخدمك فخدمته في السفر والحضر ما قال بي لشيئ صنعته لم صنعت هكذا ولا لشيئ لم اصنعه لم لم تصنع هذا هكذا رواه البخاري -۳۸۸) .
"আনাস (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (স) মদীনায় আগমন করিলেন। তাঁহার কোন খাদেম ছিল না। তাই আবূ তালহা (রা) আমাকে হাতে ধরিয়া রাসূলুল্লাহ (স)-এর দরবারে উপস্থিত হইয়া বলিলেন, হে আল্লাহর রাসূল। আনাস বুদ্ধিমান বালক। সে আপনার সেবায় নিয়োজিত থাকিবে। আনাস (রা) বলেন, সেই হইতে আমি সফরে ও আবাসে তাঁহার সেবারত থাকি। আমি কোন কাজ করিয়া ফেলিলে রাসূলুল্লাহ (স) বলেন নাই, তুমি উহা এইরূপ করিলে কেন? আর কোন কাজ না করিলেও তিনি বলেন নাই, উহা করিলে না কেন"।
عن عائشة قالت ما ضرب رسول الله ﷺ بيده شيئا قط الا ان يجاهد في سبيل الله ولا ضرب خادما ولا امرأة رواه الترمذي في الشمائل (۳۳). "আইশা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) নিজ হাত দ্বারা কাহাকেও কখনও প্রহার করেন নাই, আল্লাহর রাস্তায় জিহاد ব্যতীত। তিনি কোন খাদেম ও মহিলাকেও প্রহার করেন নাই"।
সাধারণত দাসদাসীকে মারপিট না করিবার জন্য রাসূলুল্লাহ (স) নির্দেশ দিয়াছেন। কোন কোন ক্ষেত্রে দাস-দাসীকে প্রহার করিবার অপরাধে প্রহৃতকে আযাদ করিয়া দিবার জন্য তিনি প্রহারকারীকে নির্দেশ প্রদান করিয়াছেন। তবে সদাচরণ বা শিষ্টাচার শিক্ষা দিবার জন্য তিনি হালকা প্রহার করিবার অনুমতি দিয়াছেন বলিয়া বর্ণিত রহিয়াছে। অবশ্য প্রহার করিবার অনুমতির ক্ষেত্রে তিনি সম্মানিত স্থান, যথা মুখমণ্ডলে আঘাত না করিতে সতর্ক করিয়া দিয়াছেন। এই প্রসঙ্গে নিম্নোক্ত হাদীছগুলি প্রণিধানযোগ্য:
عن ابي امامة قال اقبل النبي ﷺ معه غلامان فوهب احدهما لعلى وقال لا تضربه فاني نهيت عن ضرب أهل الصلاة واني رأيته يصلى منذ اقبلنا واعطى ابا ذر غلاما وقال استوص به معروفا فاعتقه فقال ما فعل قال امرتني ان استوصی به خیرا فاعتقته (رواه البخاري في ادب المفرد - ١٤٣) .
"আবূ উমামা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) দুইটি গোলামসহ আগমন করিলেন। তিনি উহার একটি আলী (রা)-কে প্রদান করিয়া বলিলেন, তাহাকে প্রহার করিও না। কারণ কোন নামাযীকে প্রহার করিবার ব্যাপারে আমাকে নিষেধ করা হইয়াছে। সে আমাদের নিকট আসিবার পর হইতে আমি তাহাকে সালাত আদায় করিতে দেখিয়াছি। তিনি অপর গোলামটি আবূ যার (را)-কে দিয়া বলিলেন, তাহার সহিত সদয় আচরণ করিও। অতএব তিনি গোলামটিকে আযاد করিয়া দিলেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (س) জিজ্ঞাসা করিলেন, গোলামটিকে কি করিয়াছ? আবূ যার (রা) বলিলেন, আপনি আমাকে তাহার সহিত সদয় আচরণ করিতে বলিয়াছিলেন। তাই আমি তাহাকে দাসত্বমুক্ত করিয়া দিয়াছি”।
عن أبي مسعود الانصارى قال كنت اضرب غلاما لى فسمعت من خلفي صوتا اعلم ابا مسعود الله اقدر عليك منك عليه فالتفت فاذا هو رسول الله ﷺ فقلت يا رسول الله هو حر لوجه الله فقال اما لولم تفعل للفحتك النار أو لمستك النار (رواه مسلم -٥١) .
"আবূ মাস'উদ আল-আনসারী (را) বলেন, আমি আমার একটি গোলামকে প্রহার করিতেছিলাম। তখন আমি আমার পিছن হইতে একটি ধ্বনি শুনিতে পাইলাম। আবু মাসউদকে জানাইয়া দাও, এই দাসের উপর তোমার যেই ক্ষমতা রহিয়াছে আল্লাহ তোমার উপর তাহার হইতে অধিক ক্ষমতাবান। আমি ফিরিয়া তাকাইয়া দেখিলাম, তিনি হইলেন রাসূলুল্লাহ (س)। আমি তাঁহাকে বলিলাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! আল্লাহর উদ্দেশ্যে সে স্বাধীন। রাসূলুল্লাহ (س) বলিলেন, জানিয়া রাখ! যদি তুমি উহা না করিতে তাহা হইলে জাহান্নামের আগুন তোমাকে গ্রাস করিয়া লইত অথবা বলিলেন, তোমাকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করিত”।
عن معاوية بن سويد قال لطمت مولى لنا فهربت ثم جئت قبيل الظهر فصليت خلف ابی فدعاه ودعاني ثم قال امتثل منه فعفا ثم قال كنا بنى مقرن على عهد رسول الله ﷺ ليس لنا الاخادم واحد فلطمها احدنا فبلغ ذلك النبي ﷺ فقال اعتقوها قالوا ليس لهم خادم غيرها قال فليستخدموها فاذا استغنوا عنها فليخلوها سبيلها (رواه مسلم - ٥١ ) .
"মু'আবিয়া ইব্ن সুওয়ায়দ (রা) বলেন, আমি আমাদের গোলামকে চপেটাঘাত করিয়া পালাইয়া গিয়াছিলাম। অতঃপর যুহরের কিছুক্ষণ পূর্বে আমি ফিরিয়া আসিয়া আমার পিতার পিছনে সালাত আদায় করিলাম। তিনি আমাকে ও গোলামটিকে ডাকিলেন। অতঃপর গোলামটিকে বলিলেন, তোমাকে যেই পরিমাণ আঘাত সে করিয়াছে অনুরূপ তাহাকে আঘাত কর। সে ক্ষমা করিয়া দিল। তিনি বলিলেন, রাসূলুল্লাহ (س)-এর যুগে আমাদের মুকায়রিন পরিবারের একটিমাত্র দাস ছিল। দাসটিকে আমাদের একজন চপেটাঘাত করিল। এই সংবাদ রাসূলুল্লাহ্ (স)-এর নিকট পৌঁছিলে তিনি বলিলেন, তাহাকে দাসত্বমুক্ত করিয়া দাও। তাহারা আরয করিল, এই গোলাম ছাড়া তাহাদের অন্য গোলাম নাই। তিনি বলিলেন, তাহা হইলে আপাতত উহারা তাহার সেবা গ্রহণ করুক। তাহার পর তাহারা আত্মনির্ভরশীল হইয়া গেলে তাহাকে আযাদ করিয়া দিও"।
عن زازان ان ابن عمر دعا بغلام له فراى بظهره اثرا فقال له اوجعتك قال لا قال فانت عتيق قال ثم اخذ شيئا من الارض فقال مالي فيه من الاجر ما يزن هذا اني سمعت رسول الله ﷺ يقول من ضرب غلاما له حدا لم ياته او لطمه فان كفارته ان يعتقه (رواه مسلم ٥١) .
"যাযান (র) হইতে বর্ণিত: ইব্ন 'উমার (রা) তাঁহার গোলামকে ডাকিলেন (যাহাকে তিনি কোন কারণবশত প্রহার করিয়াছিলেন)। তাহার পৃষ্ঠদেশে আঘাতের চিহ্ন দেখিয়া তিনি জিজ্ঞাসা করিলেন, আহত স্থানে কি তুমি ব্যথা অনুভব করিতেছ। সে নাসূচক উত্তর দিল। তিনি বলিলেন, তুমি মুক্ত। অতঃপর তিনি ভূমি হইতে ক্ষুদ্র একটি জিনিস হাতে নিয়া বলিলেন, এই জিনিসটির ওযন পরিমাণ ছওয়াবও এই মুক্তিদানের কারণে আমার লাভ হইবে না (গোলামটিকে পূর্বে প্রহার করিবার কারণে): আমি রাসূলুল্লাহ (স)-কে বলিতে শুনিয়াছি, যেই ব্যক্তি তাহার দাসকে বিনা অপরাধে প্রহার করিল অথবা তাহাকে চপেটাঘাত করিল, উহার কাফফারা হইল তাহাকে মুক্ত করিয়া দেওয়া”।
عن ابي هريرة عن النبي ﷺ قال اذا ضرب احدكم خادمه فليجتنب الوجه (ادب المفرد ) .
"আবূ হুরায়রা (রা) হইতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলিয়াছেন, তোমাদের কেহ নিজ খাদেমকে প্রহার করিলে সে যেন তাহার মুখমণ্ডল পরিহার করে"।