📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 মেহমানের সাথে অন্তরঙ্গতা ও হাস্যরস

📄 মেহমানের সাথে অন্তরঙ্গতা ও হাস্যরস


রাসূলুল্লাহ (স) মেহমানের সহিত খুবই অন্তরঙ্গ ছিলেন এবং হাস্যরস করিতেন, মেহমানের সহিত হাসিমুখে কথা বলিতেন। তিনি বলিতেন, মেহমানদের সহিত হাসিমুখে সাক্ষাৎ ও কথাবার্তা বলাও একটি সাদাকাহ। বর্ণিত হইয়াছে, একবার তিনি মেহমানের সহিত খেজুর খাইতেছিলেন। খাবারের দস্তরখানে হযরত আলী (রা)-ও ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (স) খেজুরের সব আঁটি হযরত আলী (রা)-এর সামনে রাখিয়া বলিলেন, তুমি তো দেখিতেছি বড্ড পেটুক! হযরত আলী (রা) বলিলেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমি আর কত পেটুক। আপনার সামনে তো আঁটি পর্যন্তও নাই। তখন সবাই হাসিয়া উঠিলেন।
হযরত আনাস (রা) বলেন, একবার এক মেহমান বলিলেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমার কোন সওয়ারী নাই, সুতরাং চড়িয়া বেড়াইবার জন্য আমাকে একটি সওয়ারী দিন। রাসূলুল্লাহ (স) (কৌতুক করিয়া) বলিলেন তোমাকে একটি উষ্ট্রীর বাচ্চা দিব। লোকটি বলিল, উটের বাচ্চা লইয়া আমি কি করিব? রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন, এমন কোন উট আছে কি যাহা কোন উটের গর্ভ হইতে জন্মায় নাই?

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 বিদায়কালে মেহমানকে উপঢৌকন প্রদান

📄 বিদায়কালে মেহমানকে উপঢৌকন প্রদান


রাসূলুল্লাহ (স) ছিলেন অসাধারণ অতিথিপরায়ণ। প্রত্যেক মেহমানকে তিনি অত্যন্ত যত্ন সহকারে আদর-আপ্যায়ন তো করিতেনই, উপরন্তু বিদায়কালে প্রত্যেক মেহমানকে উপযুক্ত পথ-খরচা এবং উপঢৌকন প্রদান করিতেন। ইহা করিতে যাইয়া তিনি কখনও কখনও ঋণগ্রস্ত হইয়া পড়িতেন। রাসূলুল্লাহ (স) তাঁহার ওফাতকালে যেই সংক্ষিপ্ত ওসিয়্যাত করিয়াছিলেন, তন্মধ্যে ইহাও ছিল আমি যেইভাবে মেহমানদিগকে উপঢৌকন প্রদান করিয়াছি, তোমরাও সেইভাবে উহা প্রদান করিও। সাধারণভাবে প্রদত্ত এই পথ-খরচা ও বিদায়ী উপঢৌকনের পরিমাণ ছিল জনপ্রতি পাঁচ উকিয়া রৌপ্য। ইহা ছাড়া অন্যান্য দ্রব্যও প্রদান করা হইত।
হযরত হাবীব ইবন 'উমার সালমানী (রা) বলেন, আমরা সালমানী গোত্রের সাতজন লোক রাসূলুল্লাহ (স)-এর সহিত সাক্ষাতের জন্য মদীনায় হাজির হই। আমরা তিন দিন মদীনায় ছিলাম। রাসূলুল্লাহ (স) তিন দিনই আমাদিগকে মেহমানদারী করেন। যখন বিদায়ের সময় হইল তখন হযরত বিলাল (রা) তাঁহার নির্দেশমত আমাদের প্রত্যেককে জনপ্রতি পাঁচ উকিয়া রৌপ্য প্রদান করিলেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (স) এই বলিয়া ওযরখাহি করিলেন, আজ আমাদের হাতে অর্থ নাই। আমরা বলিলাম, হযরত! ইহার চেয়ে উত্তম মাল আর কী হইতে পারে? তারপর আমরা মাতৃভূমির উদ্দেশে রওয়ানা হইলাম।
একবার মুযায়না কবীলার চার শত লোকের একটি কাফেলা রাসূলুল্লাহ (স)-এর খিদমতে হাজির হইল। রাসূলুল্লাহ (স) তাহাদের উপযুক্ত মেহমানদারী করিলেন। বিদায়কালে রাসূলুল্লাহ (স) হযরত উমার (রা)-কে ডাকিয়া বলিলেন, উমার! উঠ, ইহাদিগকে ঘরে ফিরিবার মত পথ-খরচা দিয়া দাও। হযরত উমার (রা) বলিলেন, আমার কাছে তো আর কিছু নাই। যাহা কিছু খেজুর আছে উহা সকলের প্রয়োজন মিটাইবে না। রাসূলুল্লাহ (স) পুনরায় বলিলেন, উমার! যাও, তাহদিগকে পাথেয় দিয়া দাও। অবশেষে উমার (রা) মেহমানদিগকে লইয়া তাহার গৃহের ছাদের উপরে উঠিলেন। তিনি উঠিয়াই বিস্ময়ের সহিত দেখিলেন যে, উটের পিঠের সমান উচু এক বিশাল খেজুরের স্তূপ। তিনি মেহমানদিগকে বলিলেন, আপনারা নিজ নিজ প্রয়োজন মাফিক খেজুর তুলিয়া নিন। হযরত নু'মান ইব্‌ন্ন মুকাররিন (রা) বলেন, কী বিস্ময়কর! আমরা এত লোক খেজুর লওয়ার পরও সেই স্তূপের একটি খেজুর কমিয়াছে বলিয়া মনে হইল না।
সাহাবী হারিস ইব্‌ন আওফের নেতৃত্বে যু-মুররা গোত্রের একটি প্রতিনিধি দল রাসূলুল্লাহ (স)-এর মেহমান হইল। বিদায়কালে রাসূলুল্লাহ (স) তাহাদের প্রত্যেককে দশ উকিয়া পরিমাণের রৌপ্য এবং সাহাবী হারিছকে বার উকিয়া রৌপ্য প্রদান করিলেন। অনুরূপভাবে যে কেহ তাঁহার মেহমান হইত, বিদায়কালে তিনি তাহাদিগকে কিছু না কিছু পারিতোষিক প্রদান না করিয়া তৃপ্ত হইতেন না। কোন মেহমান তাঁহার জন্য হাদিয়া লইয়া আসিলে তিনি উহার যথার্থ মূল্যায়ন করিতেন এবং বিদায়কালে উহার উপযুক্ত উপঢৌকন প্রদান করিতেন। হযরত আনাস (রা) বলেন, জাহীর ইবন হারাম নামে রাসূলুল্লাহ (স)-এর একজন মরুবাসী প্রিয় সাহাবী ছিলেন। তিনি মাঝে মাঝে রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট বেড়াইতে আসিতেন। আসিবার সময় তিনি গ্রাম হইতে কিছু শাক-সবজী রাসূলুল্লাহ (স)-এর জন্য উপহার হিসাবে লইয়া আসিতেন। তিনি যখন মদীনা হইতে ফিরিয়া যাইবার ইচ্ছা প্রকাশ করিতেন, তখন রাসূলুল্লাহ (স) তাহাকে শহরের কিছু না কিছু জিনিস উপহার দিতেন। তিনি বলিতেন, "জাহীর আমাদের গাঁয়ের বন্ধু আর আমরা তাহার শহরের বন্ধু”।
মেহমানদের আতিথেয়তা এবং তাহাদের সেবা-যত্ন ও উপঢৌকন প্রদান ইত্যাদির ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ (স) সর্বদা তাহাদের মর্যাদার প্রতি বিশেষভাবে খেয়াল রাখিতেন। এই ক্ষেত্রে মেহমানের মর্যাদা, আন্তরিকতা ও তাকওয়ার বিষয়টিও বিশেষভাবে বিবেচনায় আনিতেন।
মেহমানদিগকে উপহার প্রদানকালে পাছে কেহ বাকী রহিল কি না, সেই দিকেও রাসূলুল্লাহ (স) বিশেষভাবে খেয়াল রাখিতেন। তুজীব কবীলার তেরজন মেহমানকে বিদায়কালে তাহদিগকে উপযুক্ত হাদিয়া প্রদান করিয়া রাসূলুল্লাহ (স) জিজ্ঞাসা করিলেন, তোমাদের মধ্যে কেহ বাকী রহিয়া গেল না তো? তাহারা বলিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ একজন তরুণকে আমরা আমাদের মালপত্র এবং বাহন দেখাশুনার জন্য রাখিয়া আসিয়াছি। রাসূলুল্লাহ (স) তাহাকে ডাকাইয়া আনাইলেন এবং অন্যান্যদের মত তাহাকেও উপহার প্রদান করিলেন।
কখনও কখনও রাসূলুল্লাহ (স)-এর সহিত সাক্ষাৎ করিতে আসা মেহমানগণ তাহাদের পূর্ব পরিচিতির কারণে কোন কোন সাহাবীর গৃহে অবস্থান করিতেন। ইহাদের প্রতিও রাসূলুল্লাহ (স) বিশেষভাবে খেয়াল রাখিতেন, ইহাদের মেহমানদারী এবং সেবা-যত্নের খোঁজ-খবর লইতেন এবং সাধ্যমত তিনি নিজেও এই সকল মেহমানের আদর-আপ্যায়নে শরীক হইতেন। সাহাবী হযরত রুওয়ায়ফি' (রা) বলেন, আমি ছিলাম আরবের বালী গোত্রের লোক। একবার বালী গোত্রের একটি প্রতিনিধি দল আমার বাড়ীতে মেহমান হইল। তাহারা রাসূলুল্লাহ (স)-এর সহিত সাক্ষাতের জন্য আসিয়াছিল। তাহারা তিন দিন আমার বাড়ীতে ছিল। একদিন রাসূলুল্লাহ (স) আমার বাড়ীতে আসিয়া মেহমানদের আপ্যায়নের জন্য কিছু খেজুর দিয়া গেলেন, অতঃপর বিদায়কালেও তিনি তাহাদের প্রত্যেককে উপযুক্ত উপঢৌকন প্রদান করিলেন।
হযরত আলী (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) তাঁহার নিকট আগত মেহমানদের উপযুক্ত সম্মান করিতেন। তিনি কাহারও সহিত স্বীয় আন্তরিকতা ও প্রফুল্লচিত্ততার ক্ষেত্রে তারতম্য করিতেন না। তিনি প্রত্যেকের খোঁজ-খবর লইতেন। তিনি মেহমানদের সহিত নিরহংকারভাবে বসিতেন। তাঁহার নিকট আগত কেহই এই কথা অনুভব করিত না যে, সে ছাড়া অন্য কেহ তাঁহার বেশী প্রিয়। তিনি ছিলেন নম্র ও বিনয়ী। তিনি প্রত্যেক মেহমানকে প্রয়োজন মাফিক সময় দিতেন। মেহমান প্রয়োজনের কথা জানাইলে তাহা পূরণের জন্য তিনি সাধ্যমত চেষ্টা করিতেন অথবা কোমল ভাষায় সান্ত্বনা দিতেন। তিনি মেহমানদের অসংলগ্ন কথাবার্তা ও অযাচিত ব্যবহারে ধৈর্য ধারণ করিতেন। অপর একটি রিওয়ায়াতে হযরত আলী (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) ছিলেন সামাজিকতা পালনে তৎপর। তাই যে কেহ তাঁহার সহিত মিশিত এবং তাঁহার সমাদর দেখিত, সে-ই তাঁহাকে অত্যধিক ভালবাসিত।
হ হযরত জারীর ইব্‌ন আবদুল্লাহ বাজালী (রা) বলেন, আমি একদিন রাসূলুল্লাহ (স)-এর গৃহে আগমন করিয়া দেখিলাম, গৃহে অনেক লোক। রাসূলুল্লাহ (স) আমাকে দেখিয়া তাঁহার চাদর মোবারক বাড়াইয়া দিয়া বলিলেন, "ইহা বিছাইয়া বসিয়া যাও। আমি রাসূলুল্লাহ (স)-এর চাদর মোবারক হাতে পাইয়া উহাকে আমার সিনায় লাগাইলাম এবং চুমু খাইলাম। বলিলাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাকে যেই উষ্ণ সমাদর করিলেন, আল্লাহ আপনাকে অনুরূপ সমাদর করুন। তিনি উত্তরে বলিলেন, শোন! যখন তোমাদের নিকট কোন সম্মানিত ব্যক্তি আগমন করে তখন তোমরা তাহাকে যথাযথ সমাদর করিবে”।
হযরত জারীর ইব্‌ন আবদুল্লাহ (রা) আরও বলেন, ইসলামে দীক্ষিত হইবার পর যখনই আমি রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট আসিতাম, তিনি আমাকে অভ্যর্থনা জানাইতেন। আমাকে গ্রহণ করিবার সময় সর্বদা আমি তাঁহার মুখে হাসি বিচ্ছুরিত হইতে দেখিতাম।
হযরত জাহজাহ আল-গিফারী (রা) বলেন, আমি যখন পৌত্তলিক ছিলাম, ঐ সময় একবার আমি মদীনায় আসি এবং রাসূলুল্লাহ (স)-এর মেহমান হিসাবে তাঁহার গৃহে অবস্থান করি। রাত্রি বেলা তাঁহার পালিত সব কয়টি ছাগলের দুধ আমি দোহন করিয়া পান করি। ইহার জন্য রাসূলুল্লাহ (স) আমাকে একটি কথাও বলেন নাই। ঐ রাত্রে তিনি ও তাঁহার পরিবারের সকলে অভুক্ত অবস্থায় ঘুমাইয়া পড়েন।
হযরত ইব্‌ন আব্বাস (রা) বর্ণিত একটি হাদীছে রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, যে ব্যক্তি সালাত আদায় করে, যাকাত প্রদান করে, রমযান মাসে সিয়াম আদায় করে এবং মেহমানের আদর-আপ্যায়ন করে সে বেহেশতে প্রবেশ করিবে।
রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, ফেরেশতাগণ ঐ ব্যক্তির জন্য রহমতের দু'আ করিতে থাকেন যতক্ষণ পর্যন্ত মেহমানের জন্য তাহার দস্তরখান বিছানো থাকে।
যাহারা কৃপণতা করে, মেহমানদারী করে না, তাহাদের সম্বন্ধে রাসূলুল্লাহ (স) কঠোর বাণী উচ্চারণ করিয়াছেন। তিনি বলিয়াছেন, لا خير فيمن لا يضيف "যে ব্যক্তি মেহমানের আদর-আপ্যায়ন করে না তাহার মধ্যে কল্যাণ নাই”।
তিনি আরও বলেন, যদি তোমরা কোন কওমের নিকট অবতরণ কর, আর তাহারা তোমাদের যথাযথ আতিথেয়তা আঞ্জাম দেয় তবে তাহা গ্রহণ কর। আর যদি তাহারা তোমাদের মেহমানদারী না করে তাহা হইলে তোমরা তাহাদের অবস্থা মাফিক মেহমানের হক আদায় করিয়া লও।
আসহাবে সুফফা ছিলেন মুসলমানদের স্থায়ী মেহমান। রাসূলুল্লাহ (স) বলিতেন, তোমাদের মধ্যে যাহার দুইজনকে আহার করাইবার সামর্থ্য আছে, সে তাহাদের তিনজনকে সাথে লইবে। যাহার চারজনের আহার করাইবার সামর্থ্য রহিয়াছে, সে তাহাদের পাঁচজনকে সাথে লইবে। রাসূলুল্লাহ (স)-এর এই ঘোষণা শুনিয়া কোন সাহাবী একজন, কোন সাহাবী দুইজন, কোন সাহাবী তিনজন, এইভাবে প্রত্যেকেই আপন আপন সামর্থ্যানুযায়ী তাঁহাদিগকে নিজেদের মেহমান হিসাবে নিজ নিজ গৃহে লইয়া যাইতেন।
হযরত আবূ হুরায়রা (রা) বলেন, একদিন এক ক্ষুধার্ত ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট আসিয়া খাবার চাহিল। তিনি আহারের জন্য তাহাকে তাঁহার এক স্ত্রীর গৃহে পাঠাইলেন। সেখান হইতে জবাব আসিল, গৃহে পানি ছাড়া আর কোন খাবার নাই। তিনি তাহাকে আর এক স্ত্রীর নিকট পাঠাইলেন। সেখান হইতেও একই জবাব আসিল। এইভাবে সকল স্ত্রীর নিকট হইতে একই জবাব আসিল। অবশেষে তিনি উপস্থিত সাহাবীগণকে সম্বোধন করিয়া বলিলেন, কে আছ, আজ রাত এই মেহমানের আদর-আপ্যায়ন করিবে? একজন আনসারী সাহাবী দাঁড়াইয়া বলিলেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমি তৈরী আছি। আনসারী সাহাবী মেহমানকে সাথে লইয়া নিজ গৃহে পৌঁছিলেন। তখন তাঁহার গৃহে তাঁহার শিশু সন্তানদের খাবার ছাড়া আর কোন খাবারই ছিল না। অবশেষে তাঁহারা কৌশলে শিশু সন্তানদিগকে অভুক্ত রাখিয়াই ঘুম পাড়াইয়া দিলেন এবং ঐ খাবারই মেহমানের সম্মুখে উপস্থিত করিলেন। আনসারী সাহাবী তাঁহার স্ত্রীকে বলিলেন, শোন! মেহমান যখন দস্তরখানে বসিবে তখন বাতি নিভাইয়া দিবে এবং আমরা ভান করিব যেন মেহমান বুঝিতে পারে, আমরাও খাবার খাইতেছি। এইভাবে তাহারা মেহমানের সমাদর করিলেন এবং নিজেরা অভুক্ত রাত্র কাটাইলেন। পরের দিন সকালে রাসূলুল্লাহ (স) আনসারী সাহাবীকে ডাকিয়া বলিলেন, তোমরা স্বামী-স্ত্রী মেহমানের যেই আদর-আপ্যায়ন করিয়াছ, ইহাতে আল্লাহ অত্যন্ত সন্তুষ্ট হইয়াছেন। তিনি তোমাদের শানে এই আয়াত নাযিল করিয়াছেন:
وَيُؤْثِرُونَ عَلَى أَنْفُسِهِمْ وَلَوْ كَانَ بِهِمْ خَصَاصَةٌ.
"আর তাহারা তাহাদিগকে (মেহমানদিগকে) নিজেদের উপর প্রাধান্য দেয় নিজেরা অভাবগ্রস্থ হইলেও"।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00