📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 অনুমতি গ্রহণ করা: অনুমতির অপেক্ষায় ঘরের দিকে মুখ করিয়া না দাঁড়ানো

📄 অনুমতি গ্রহণ করা: অনুমতির অপেক্ষায় ঘরের দিকে মুখ করিয়া না দাঁড়ানো


অনুমতি গ্রহণ করা: অনুমতির অপেক্ষায় ঘরের দিকে মুখ করিয়া না দাঁড়ানো
ইমাম আহমাদ হযরত আবদুল্লাহ ইব্‌ন বুস্ত্র আল-মাযিনী (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন যে, রাসূলুল্লাহ (স) কাহারও বাড়ীতে তাশরীফ নিলে অনুমতির জন্য দরজা বরাবর ভিতর দিকে মুখ করিয়া দাঁড়াইতেন না বরং দরজার ডান কিংবা বাম পার্শ্বে সরিয়া অপেক্ষা করিতেন ও আস্সালামু আলাইকুম বলিতেন। তিনি অনুমতি পাইলে প্রবেশ করিতেন, অন্যথায় ফিরিয়া যাইতেন। তদানীন্তন সময়ে বাড়ীর দরজায় সাধারণত পর্দার ব্যবস্থা থাকিত না (আহমাদ, ৫খ., পৃ. ২০৯; ৪/১৯০, নং ১৭২৪১)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 অনুমতি গ্রহণের পদ্ধতি

📄 অনুমতি গ্রহণের পদ্ধতি


অনুমতি গ্রহণের পদ্ধতি
ইমাম আবু দাউদ হযরত কায়স ইবন সা'দ (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন, তিনি বলেন : একদা রাসূলুল্লাহ (স) সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে আমাদের বাড়ীতে আগমন পূর্বক অনুমতি গ্রহণের ইচ্ছায় "আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু” বলিলেন। আমার আব্বা মৃদুস্বরে সালামের উত্তর দিলেন। আমি বলিলাম, রাসূলুল্লাহ (স)-কে অনুমতি দিলেন না? তিনি বলিলেন, অপেক্ষা কর, তিনি আমাদিগকে আরও অধিক সালাম করিবেন। অতঃপর আবার বলিলেন: “আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।” এইবারও আমার আব্বা অনুচ্চ আওয়াজে জবাব প্রদান করিলেন। অতঃপর তৃতীয় বার তিনি বলিলেন: "আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু"। এইবারও আমার আব্বা অতি স্বল্প আওয়াজে জবাব প্রদান করিলেন। কিন্তু মহানবী (স) জবাব শ্রবণ না করিতে পারিয়া প্রত্যাবর্তন করিতে লাগিলেন। হযরত সা'দ (রা) বাহির হইয়া পিছন দিক হইতে তাঁহার সহিত
মিলিত হইয়া বলিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি আপনার সবকয়টি সালামই শ্রবণ করিয়াছি, সঙ্গে সঙ্গে উত্তরও দিয়াছি, তবে অনুচ্চ আওয়াজে। উদ্দেশ্য ছিল, যেন আপনি আরও অধিক সালাম দ্বারা আমাদিগকে ধন্য করেন। অতঃপর নবী করীম (স) হযরত সা'দ-এর বাড়ীতে গেলেন। হযরত সা'দ পানির ব্যবস্থা করিলে রাসূলুল্লাহ (স) গোসল করিলেন। হযরত সা'দ কুসুম রংয়ের একটি চাদর দিলে রাসূলুল্লাহ (স) উহা গায়ে জড়াইলেন ও স্বীয় হস্তদ্বয় উঠাইয়া দু'আ করিলেনঃ হে আল্লাহ! সা'দের, পরিবারে আপনার রহমত ও বরকত নাযিল করুন। অতঃপর তিনি অল্প আহার করিয়া রওয়ানা দিলে হযরত সা'দ তাঁহার আরোহণের জন্য আরামদায়ক ও সহজে আরোহণযোগ্য একটি গাধা পেশ করিলেন। রাসূলুল্লাহ (স) উহার পিঠে আরোহণ করিলে সা'দ বলিলেন, হে কায়স। তুমি রাসূলুল্লাহ (স)-এর সঙ্গে যাও। কায়স বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) আমাকে বলিলেন: আমার সঙ্গে আরোহণ কর। আমি অস্বীকার করিলে তিনি বলিলেন: হয়ত আমার সঙ্গে আরোহণ করিয়া যাইবে, না হয় ফিরিয়া যাইবে (এমন হইবে না যে, আমি সওয়ার হইয়া চলিব অথচ তুমি পদব্রজে চলিবে)।
অনুমতি গ্রহণের পদ্ধতি শিক্ষাদান
ইমাম আবূ দাউদ হযরত রিব'ঈ ইব্‌ন হিরাশ (রা) হইতে বর্ণনা করেন যে, বানু 'আমের গোত্রের জনৈক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (স)-এর সহিত সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে আগমন করিল। তিনি তখন বাসায় ছিলেন। লোকটি বাসার নিকট যাইয়া বলিল, আমি কি প্রবেশ করিব? রাসূলুল্লাহ (স) খাদেমকে বলিলেন: লোকটির নিকট যাইয়া তাহাকে অনুমতি গ্রহণের পদ্ধতি শিখাইয়া দাও। তাহাকে বল, সে যেন এইভাবে বলে: আস্সালামু আলাইকুম। আমি কি প্রবেশ করিতে পারি? আগন্তুক রাসূলুল্লাহ (স)-এর এই কথা শুনিয়া বলিল: আস্সালামু আলাইকুম। আমি কি আসিতে পারি? অতঃপর রাসূলুল্লাহ (স) তাহাকে প্রবেশের অনুমতি প্রদান করিলেন (৮খ., পৃ. ৫৬, নং ৫১৬৬)।
ইমাম বুখারী হযরত জাবির ইব্‌ন আবদিল্লাহ (রা) হইতে বর্ণনা করিয়াছেন, তিনি বলেন: একদা আমি আমার আব্বার ঋণ সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনার জন্য রাসূলুল্লাহ (স)-এর খিদমতে হাজির হইলাম। দরজায় আওয়াজ করিলে রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেনঃ কে? উত্তরে বলিলাম, আমি। অতঃপর তিনি এই কথা বলিতে বলিতে বাহিরে আসিলেন, "আমি, আমি”। অর্থাৎ নাম না বলিয়া শুধু আমি বলাকে তিনি অপছন্দ করিয়াছেন (১১খ., পৃ. ৩৭; ৬২৫০)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 অনুমতি গ্রহণের পদ্ধতি শিক্ষাদান

📄 অনুমতি গ্রহণের পদ্ধতি শিক্ষাদান


ইমাম আবূ দাউদ হযরত রিব'ঈ ইব্‌ন হিরাশ (রা) হইতে বর্ণনা করেন যে, বানু 'আমের গোত্রের জনৈক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (স)-এর সহিত সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে আগমন করিল। তিনি তখন বাসায় ছিলেন। লোকটি বাসার নিকট যাইয়া বলিল, আমি কি প্রবেশ করিব? রাসূলুল্লাহ (স) খাদেমকে বলিলেন: লোকটির নিকট যাইয়া তাহাকে অনুমতি গ্রহণের পদ্ধতি শিখাইয়া দাও। তাহাকে বল, সে যেন এইভাবে বলে: আস্সালামু আলাইকুম। আমি কি প্রবেশ করিতে পারি? আগন্তুক রাসূলুল্লাহ (স)-এর এই কথা শুনিয়া বলিল: আস্সালামু আলাইকুম। আমি কি আসিতে পারি? অতঃপর রাসূলুল্লাহ (স) তাহাকে প্রবেশের অনুমতি প্রদান করিলেন (৮খ., পৃ. ৫৬, নং ৫১৬৬)।
ইমাম বুখারী হযরত জাবির ইব্‌ন আবদিল্লাহ (রা) হইতে বর্ণনা করিয়াছেন, তিনি বলেন: একদা আমি আমার আব্বার ঋণ সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনার জন্য রাসূলুল্লাহ (স)-এর খিদমতে হাজির হইলাম। দরজায় আওয়াজ করিলে রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেনঃ কে? উত্তরে বলিলাম, আমি। অতঃপর তিনি এই কথা বলিতে বলিতে বাহিরে আসিলেন, "আমি, আমি”। অর্থাৎ নাম না বলিয়া শুধু আমি বলাকে তিনি অপছন্দ করিয়াছেন (১১খ., পৃ. ৩৭; ৬২৫০)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 উঁকিঝুকির নিন্দা জ্ঞাপন

📄 উঁকিঝুকির নিন্দা জ্ঞাপন


ইমাম বুখারী আল-আদাবুল মুফরাদে হযরত আনাস (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন, এক বেদুঈন রাসূলুল্লাহ (স)-এর বাড়িতে আসিয়া সামান্য একটু দরজা খুলিল। রাসূলুল্লাহ (স) ইহা লক্ষ্য করিতে পারিয়া একটি তীর অথবা সরু কাঠি দিয়া বেদুঈনের চোখ আঘাত করিতে উদ্যত
হইলেন। ইতোমধ্যে বেদুঈন সারিয়া পড়িলে রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন : (বুঝিয়া লও) তুমি যদি দরজার ফাঁক দিয়া চাহিয়া থাকিতে তাহা হইলে আমি তোমার চক্ষু ফুটা করিয়া দিতাম (পৃ. ৪৭৯, নং ১০৯১)।
ইমাম বুখারী আল-আদাবুল মুফরাদে হযরত সাহল ইবন সা'দ (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন, জনৈক ব্যক্তি দরজার ছিদ্র দিয়া রাসূলুল্লাহ (স)-এর বাড়ির ভিতরে উঁকি দিয়া দেখিল। তখন রাসূলুল্লাহ (স) লোহার একটি কাঠি দিয়া মাথা চুলকাইতেছিলেন। তিনি লোকটিকে দেখিয়া বলিলেন: আমি যদি জানিতে পারিতাম যে, তুমি এইভাবে ছিদ্র দিয়া দেখিতেছ, তাহা হইলে এই কাঠি দিয়া তোমার চোখ বিদ্ধ করিতাম। তিনি ইহাও বলিলেনঃ অনুমতি নেওয়ার বিধান তো এইজন্যই দেওয়া হইয়াছে যেন ভিতরে দেখা না যায় (পৃ. ৪৬৯, নং ১০৭০)।
গ্রন্থপঞ্জী : (১) ইব্‌ন কাছীর, তাফসীরুল কুরআনিল আজীম, দারুল জীল, বৈরূত, তা.বি., ১খ., পৃ. ৫০৩-৪; (২) ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূতী, আদ-দুররু'ل-মানছুর ফিত-তাফসীরিল- মাছুর, দারু'ل-মারিফা, বৈরূত, তা.বি., ৬খ., পৃ. ২৫০; (৩) মুহাম্মাদ ইব্‌ন ইসমা'ঈল বুখারী, সাহীহ আল-বুখারী, ফাতহু'ল-বারীসহ, দারুর-রায়‍্যান লিত্-তুরাছ, কায়রো ১৯৮৮ খৃ., ১০খ., পৃ. ৪৪০-৪৪; হাদীছ নং ৫৯৯৮; ১১খ., পৃ. ২০, ২৮, ৩৪, ৩৭, ২০৩; হাদীছ নং যথাক্রমে ৬২৩৫, ৬২৪৪, ৬২৪৭, ৬২৫০, ৬৪০১; ইরশাদু'স্-সারী, দারু'ল-কুতুব আল-ইলমিয়্যা, বৈরূত ১৯৯৬ খৃ., ১৩খ., পৃ. ২৯; হাদীছ নং ৫৯৯৭; (৪) মুসলিম ইব্‌ন হাজ্জাজ, সহীহ্ মুসলিম, শারহু ইকমালু ইকমালিল মুসলিম, দারুল-কুতুব আল-ইসলামিয়্যা, বৈরূত ১৯৯৪ খৃ., ৭খ., পৃ. ৩২৮, ৩৩৩; হাদীছ নং যথাক্রমে ২১৬৫, ২১৬৮; ৮খ., পৃ. ২৮৩, ৫৯৮, হাদীছ নং যথাক্রমে ২৪৩২, ২৬২৬; (৫) আবু-ঈসা আত-তিরমিযী, আল-জামি', শারহু আরিযাতিল- আহওয়াযী, দারু ইহয়াই- তুরাছ আল-আরাবী, বৈরূত, তা.বি., ১৩খ., পৃ. ১১৯, ২০৭, ২২০, হাদীছ নং যথাক্রমে ৩৬৫০, ৩৮০৭, ৩৮২৯; (৬) আবূ দাউদ আল-আশ'আছী, সুনান আবী দাউد, শারহু 'আওনু'ল- মা'বুদ, দারুল-কুতুব আল-ইলমিয়্যা, বৈরূত তা.বি., ১১খ., পৃ. ৮১, হাদীছ নং ৪০৬৩; ১৩খ, পৃ. ১০৩; হা. নং ৪৭৮৩; ১৪খ., পৃ. ৫৫, ৫৯, ৭৪, ৭৮; হাদীছ নং যথাক্রমে ৫১৬৫, ৫১৭৪, ৫১৯১-৩, ৫১৯৬; (৭) আবূ আবদির-রহমান আহমاد ইব্‌ন শু'আয়ب আন্-নাসাঈ, কিতাবুস সুনان আল-কুবরা, তাহকীক, ড. আবদুল গাফফার সুলায়মান আল- বুন্দারী ও সায়্যিদ কাসরাবী হাসান, দারুল-কুতুব আল-ইলমিয়্যা, বৈহৃত ১৯৯১ খৃ., ৫খ., পৃ. ৯৪, হাদীছ নং ৮৩৫৯; (৮) ইবন মাজা, আস-সুনান লি-ইবন মাজা, তাহকীক ফু'আদ আবদুল বাকী, দারুত-তুরাছ আল- আরাবী, তা.বি., ২খ., পৃ. ১২২০, হাদীছ নং ৩৭০১; (৯) ইমাম আহমাদ ইবন হাম্বাল, মুসনাদু ইমাম আহমاد ইব্‌ন হাম্বাল, দারু ইহয়াইত-তুরাছ আল-আরাবী, বৈরূত ১৯৯৩ খৃ., ২খ., পৃ. ২২৮, হাদীছ নং ৫৬৭৭; ৫খ., পৃ.
২০৯, ২১০, ৩৬৭, ৪১৮, ৫০৪; হাদীছ নং যথাক্রমে ১৭২৪১, ১৭২৫১, ১৮০৭৭, ১৮৪০৬, ২২২৫৮; (১০) ইমাম বুখারী, আল-আদাবুল মুফরাদ, তাহকীক মুহাম্মাদ হিশাম আল-বুরহানী, ইমারাত, ১৯৮১ খৃ., পৃ. ৪৫০, ৪৫৯, ৪৬৯, ৪৭৯, হাদীছ নং যথাক্রমে ১০১২, ১০৪৭, ১০৭০, ১০৯১; (১১) হাফিয তাবরানী, আল-মু'জামুল-কাবীর, দারু ইহয়াইত-তুরাছ আল-আরাবী, কায়রো ১৯৮০ খৃ., ১৭খ., পৃ. ১৬০; হাদীছ নং ৪২২; (১২) হাফিজ আবূ মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আবুল শায়খ, আখলাকুন্নবী ওয়া আদাবুহু, দারুল মুসলিম, রিয়াদ ১৯৯৮ খৃ., ১খ., পৃ. ১৩০, ৪৪৬; হাদীছ সং ২৩, ১৫৬; (১৩) হাকেম আন-নিশাপুরী, আল-মুসতাদরাক, দারুল কুতুব আল-ইলমিয়্যা, বৈরূত ১৯৯০ খৃ., ৪খ., পৃ. ৩২৪; হাদীছ নং ১১৩/৭৭৯১;
(১৩) 'আল্লামা কাসতাল্লানী, শারহুল আল্লামা যুরকানী আলাল-মাওয়াহিব, দারুল কুতুব আল-ইলমিয়্যা, বৈরূত ১৯৯৬ খৃ., ৬খ., পৃ. ২৮-৩০; (১৪) শারফুদ্দীন তীবী, শারহু মিশকাত, ইদারাতুল- কুরআন ওয়াল-'উলূম আল-'ইলমিয়্যা, করাচী ১৪১৩ হি., ৪খ., পৃ. ১০৯, হাদীছ নং ১৯১১; (১৫) মুহাম্মাদ ইবন সা'দ, আত্-তাবাকাতুল-কুবরা, দারু ইহয়াইত-তুরাছ আল-আরাবী, বৈরূত ১৯৯৬ খৃ., ৪খ., পৃ. ৩৩৬; (১৬) ইব্‌ন হাজার 'আসকালানী, আল-ইসাবা, দারুল-কুতুব আল-ইলমিয়্যা, বৈরুত ৯৯৫ খৃ., ২খ., পৃ. ৪৯৭, ক্রমিক নং ২৮৬৭; (১৭) মুহাম্মাদ ইব্‌ন ইউসুফ আস-সালিহী আশ-শামী, সুবুলল-হুদা ওয়ার-রাশাদ, দারুল-কুতুব আল-ইলমিয়্যা, বৈরূত ১৯৯৩ খৃ., ৭খ., পৃ. ১২, ১২১-৪, ১৪০-৫০; ৯খ., পৃ. ৩৯৯-৪০০; (১৮) মুহাম্মাদ ইউসুফ কান্ধলভী, হায়াতুস-সাহাবা, ২খ., পৃ. ৩৮৩-৫, ২২৫-৩৫, ২৭১-৮; (১৯) আবূ বকর আহমাদ ইবন হুসায়ন আল-বায়হাকী, দালাইলুন-নুবুওয়াত, দারুল-কুতুব আল-ইলমিয়্যা, বৈরূত ১৯৮৬ খৃ., ১খ., পৃ. ৩২০;
(২০) মওলানা আহমাদ শিহাবুদ্দীন আল-খাফাজী, শারহুশ শিফা, মাতবা'আতুল আযহারিয়া আল-মিসরিয়া ১৩২৭ হি., ২খ., পৃ. ৬৭-৭৩; (২১) ইবনুল কায়্যিম আল-জাওযিয়্যা, যাদুল মা'আদ, বৈরূত ১৯৯৮ খৃ., ২খ., পৃ. ৩৭৫-৯৫; (২২) ইবনুল-জাওয়ী, আল-ওয়াফা বি-আহওয়ালিল-মুসতাফা, বৈরূত ১৯৮৮ খৃ., পৃ. ৪২১-৬৫; (২৩) যাহাবী, আস-সীরাহ আন-নাবাবিয়্যা, দারুল কুতুব আল-ইলমিয়্যা, বৈরূত ১৯৮২ খৃ., ২খ., পৃ. ৩২২-৪; (২৪) সায়্যিদ আবুল হাঁসান আলী আন-নাদবী, আস-সীরাতুন-নাবাবিয়্যা, দারুশ শুরুক, জেদ্দা তা.বি., পৃ. ৪৪২-৫; (২৫) ইব্‌ন কাছীর, শামাইলুর-রাসূল, দারুল-মা'রিফা, বৈরূত তা.বি., পৃ. ৬৬-৭৩।
নূর মুহাম্মদ

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00