📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 সালাম না দিয়ে প্রবেশকারীর সহিত আচরণ

📄 সালাম না দিয়ে প্রবেশকারীর সহিত আচরণ


আবু দাউদ হযরত কালাদা ইবন হাম্বল (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন, হযরত সাফওয়ান ইবন উমায়্যা একবার তাঁহাকে রাসূলুল্লাহ (স)-এর খিদমতে দুধ, শসা ও একটি হরিণের বাচ্চা হাদিয়াসহ প্রেরণ করিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (স) মক্কার উপত্যকাসমূহের কোন একটিতে অবস্থান করিতেছিলেন। আমি তাঁহার খিদমতে বিনা সালামে উপস্থিত হইলে তিনি বলিলেন: ফিরিয়া যাও ও আস্সালামু 'আলায়কুম বলিয়া পুনর্বার আসন ইহা সাফওয়ান ইবন উমায়‍্যার ইসলাম গ্রহণের পরের ঘটনা ('আওনুল-মা'বূদ শরহে আবী দাউদ, ১৪খ.,)।

আবু দাউদ হযরত কালাদা ইবন হাম্বল (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন, হযরত সাফওয়ান ইবন উমায়্যা একবার তাঁহাকে রাসূলুল্লাহ (স)-এর খিদমতে দুধ, শসা ও একটি হরিণের বাচ্চা হাদিয়াসহ প্রেরণ করিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (স) মক্কার উপত্যকাসমূহের কোন একটিতে অবস্থান করিতেছিলেন। আমি তাঁহার খিদমতে বিনা সালামে উপস্থিত হইলে তিনি বলিলেন: ফিরিয়া যাও ও আস্সালামু 'আলায়কুম বলিয়া পুনর্বার আসন ইহা সাফওয়ান ইবন উমায়‍্যার ইসলাম গ্রহণের পরের ঘটনা ('আওনুল-মা'বূদ শরহে আবী দাউদ, ১৪খ.,)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 মারহাবা বলিয়া অভিবাদন জানানো

📄 মারহাবা বলিয়া অভিবাদন জানানো


৫৫
ইমাম তিরমিযী হযরত 'আলী (রা) হইতে বর্ণনা করিয়াছেন, একদা হযরত 'আম্মার (রা) রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট প্রবেশের অনুমতি চাহিলে তিনি তাঁহার কণ্ঠ চিনিতে পারিয়া বলিলেন: “তায়্যিব মুতপয়্যিব (উত্তম, ভালো ব্যক্তি)-কে "মারহাবা" (ইবনুল 'আরাবী আল- মালিকী, আরিয়াতুল-আহওয়াযী শারহু সুনanিত-তিরমিযী, ১৩খ., পৃ. ২০৭-৮, নং ৩৮০৭)।
ইমাম বুখারী আল-আদাবুল মুফরাদে হযরত 'আইশা (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন যে, একদা হযরত ফাতিমা (রা) পদব্রজে রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট আগমন করিলেন। তাঁহার হাঁটার পদ্ধতি রাসূলুল্লাহ (স)-এর অনুরূপই ছিল। রাসূলুল্লাহ (স) তাঁহাকে আসিতে দেখিয়া বলিলেন: “মারহাবা" (খোশ আমদেদ)! অতঃপর তাঁহাকে নিজের ডান অথবা বাম পার্শ্বে বসাইলেন (পৃ. ৪৫৪, নং ১০৩০)।

৫৫
ইমাম তিরমিযী হযরত 'আলী (রা) হইতে বর্ণনা করিয়াছেন, একদা হযরত 'আম্মার (রা) রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট প্রবেশের অনুমতি চাহিলে তিনি তাঁহার কণ্ঠ চিনিতে পারিয়া বলিলেন: “তায়্যিব মুতপয়্যিব (উত্তম, ভালো ব্যক্তি)-কে "মারহাবা" (ইবনুল 'আরাবী আল- মালিকী, আরিয়াতুল-আহওয়াযী শারহু সুনanিত-তিরমিযী, ১৩খ., পৃ. ২০৭-৮, নং ৩৮০৭)।
ইমাম বুখারী আল-আদাবুল মুফরাদে হযরত 'আইশা (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন যে, একদা হযরত ফাতিমা (রা) পদব্রজে রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট আগমন করিলেন। তাঁহার হাঁটার পদ্ধতি রাসূলুল্লাহ (স)-এর অনুরূপই ছিল। রাসূলুল্লাহ (স) তাঁহাকে আসিতে দেখিয়া বলিলেন: “মারহাবা" (খোশ আমদেদ)! অতঃপর তাঁহাকে নিজের ডান অথবা বাম পার্শ্বে বসাইলেন (পৃ. ৪৫৪, নং ১০৩০)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 মুসাফাহা

📄 মুসাফাহা


মুসাফাহা, মু'আনাকা ও চুম্বন ৫৫
মুসাফাহা করার পর হাত আগে পৃথক না করা ৫৬
সার্বিক খোঁজ-খবর নেওয়া ৫৭
আধা পাগল মহিলাকেও সাক্ষাত দান ৫৭
সাক্ষাতপ্রার্থীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন ৫৮
নেতৃস্থানীয় সাক্ষাতপ্রার্থীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন ৫৮
লাব্বায়ক (উপস্থিত) বলিয়া ডাকে সাড়া দেওয়া ৬০
অনুমতি গ্রহণ করা: অনুমতির অপেক্ষায় ঘরের দিকে মুখ করিয়া না দাঁড়ানো ৬০
অনুমতি গ্রহণের পদ্ধতি ৬০
অনুমতি গ্রহণের পদ্ধতি শিক্ষাদান ৬১
উঁকিঝুকির নিন্দা জ্ঞাপন ৬১
রাসূলুল্লাহ (স)-এর ধৈর্য ৬৪
দা'ওয়াতী কার্যে নজিরবিহীন ধৈর্যাবলম্বন ৬৫
মানুষের জুলুম-নির্যাতন ও অসভ্য ব্যবহারে ধৈর্যধারণ ৭০
বেদুঈনদের রুক্ষ ব্যবহারে ধৈর্যাবলম্বন ৭৩
বেআদবি কথা ও ক্রোধের সময় ধৈর্য ৭৫
রাসূলুল্লাহ (স)-এর হত্যার চক্রান্তকারীদের প্রতিশোধ গ্রহণ না করিয়া তাহাদিগকে ক্ষমা প্রদর্শনের সর্বোচ্চ ধৈর্যের পরিচয় দান ৭৭
স্ত্রীগণের ব্যবহারে ধৈর্য ৭৯
অসুস্থতায় ও প্রিয়জনদের মৃত্যুতে ধৈর্যধারণ ৮১
জীবনোপকরণের দৈন্যতায় ধৈর্য ৮৩
ইবাদতে ধৈর্যের অতুলনীয় দৃষ্টান্ত ৮৭
রণাঙ্গনে অপরিসীম ধৈর্যাবলম্বন ৮৯
উহুদ যুদ্ধে মারাত্মক আহত হওয়া সত্ত্বেও চরম ধৈর্য ৮৯
হুনায়নের যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (স)-এর ধৈর্য ৯১
সচ্চরিত্রে ধৈর্যাবলম্বন ৯২
ধৈর্য সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (স)-এর বাণী ৯৩
page_008.jpg
ইমাম আহমাদ আবূ দাউদের বরাতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলিয়াছেন: আমি হযরত বারা'আ ইবন 'আযিব (রা)-এর সহিত সাক্ষাত করিলাম। তিনি আমাকে সালাম করিয়া আমার হাত ধরিলেন (মুসাফাহা করিলেন) এবং আমার চেহারার প্রতি তাকাইয়া হাসি দিলেন, অতঃপর বলিলেন, তুমি কি জান আমি কেন এইরূপ করিয়াছি? আমি বলিলাম, না। তবে আপনি তো উত্তম কাজই করিয়া থাকেন। তিনি বলিলেন: আমি এইরূপ করিয়াছি এইজন্য যে, একদিন আমি রাসূলুল্লাহ (স)-এর সহিত সাক্ষাত করিলে তিনি আমার সহিত এইরূপই করিয়াছিলেন যেইরূপ আমি তোমার সাথে করিলাম। তখন তিনি আমাকে এইরূপ করার কারণ জানি কি না জিজ্ঞাসা করিলেন। আমি তোমার মতই উত্তর দিয়াছিলাম। তিনি বলিয়াছিলেন: যদি দুইজন মুসলমান পরস্পর সাক্ষাতকালে সালামান্তে একে অপরের হাত ধরে (মুসাফাহা করে) তাহা হইলে আল্লাহ পাক তাহাদের হাত ধরেন ও মুসলমানদ্বয়ের হাত সরানোর পূর্বেই তাহাদের গুনাহ ক্ষমা করিয়া দেন (৫খ., পৃ. ৩৬৭, নং ১৮০৭৭)।
ইমাম নাসাঈ হযরত হুযায়ফা (রা) হইতে বর্ণনা করিয়াছেন যে, রাসূলুল্লাহ (স)-এর কোন সাহাবার সঙ্গে সাক্ষাত হইলে তাঁহাকে স্পর্শ (মুসাফাহা) করিতেন ও তাঁহার জন্য দু'আ করিতেন (সুবুলুল হুদা ওয়ার-রাশাদ, ৭খ., পৃ. ১৫০)।
ইমাম আহমাদ আনাযা গোত্রের এক লোক হইতে বর্ণনা করিয়াছেন যে, হযরত আবু যার (রা)-কে সিরিয়া হইতে পাঠাইয়া দেওয়ার পর লোকটি তাঁহাকে বলিল, আমি আপনাকে আখেরী নবী (স)-এর একখানা হাদীছ জিজ্ঞাসা করিতে চাই। হযরত আবূ যার (রা) বলিলেন, অবশ্যই বলিব, তবে যদি কোন গোপনীয় বিষয় না হয়। লোকটি বলিল, কোন গোপনীয় বিষয় নয়। তাহা হইল: আপনারা রাসূলুল্লাহ (স)-এর সহিত সাক্ষাত করিলে তিনি কি আপনাদের সহিত মুসাফাহা করিতেন? তিনি বলিলেন, আমি এমন কোন দিন সাক্ষাত করি নাই যে, তিনি

মুসাফাহা, মু'আনাকা ও চুম্বন ৫৫
মুসাফাহা করার পর হাত আগে পৃথক না করা ৫৬
সার্বিক খোঁজ-খবর নেওয়া ৫৭
আধা পাগল মহিলাকেও সাক্ষাত দান ৫৭
সাক্ষাতপ্রার্থীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন ৫৮
নেতৃস্থানীয় সাক্ষাতপ্রার্থীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন ৫৮
লাব্বায়ক (উপস্থিত) বলিয়া ডাকে সাড়া দেওয়া ৬০
অনুমতি গ্রহণ করা: অনুমতির অপেক্ষায় ঘরের দিকে মুখ করিয়া না দাঁড়ানো ৬০
অনুমতি গ্রহণের পদ্ধতি ৬০
অনুমতি গ্রহণের পদ্ধতি শিক্ষাদান ৬১
উঁকিঝুকির নিন্দা জ্ঞাপন ৬১
রাসূলুল্লাহ (স)-এর ধৈর্য ৬৪
দা'ওয়াতী কার্যে নজিরবিহীন ধৈর্যাবলম্বন ৬৫
মানুষের জুলুম-নির্যাতন ও অসভ্য ব্যবহারে ধৈর্যধারণ ৭০
বেদুঈনদের রুক্ষ ব্যবহারে ধৈর্যাবলম্বন ৭৩
বেআদবি কথা ও ক্রোধের সময় ধৈর্য ৭৫
রাসূলুল্লাহ (স)-এর হত্যার চক্রান্তকারীদের প্রতিশোধ গ্রহণ না করিয়া তাহাদিগকে ক্ষমা প্রদর্শনের সর্বোচ্চ ধৈর্যের পরিচয় দান ৭৭
স্ত্রীগণের ব্যবহারে ধৈর্য ৭৯
অসুস্থতায় ও প্রিয়জনদের মৃত্যুতে ধৈর্যধারণ ৮১
জীবনোপকরণের দৈন্যতায় ধৈর্য ৮৩
ইবাদতে ধৈর্যের অতুলনীয় দৃষ্টান্ত ৮৭
রণাঙ্গনে অপরিসীম ধৈর্যাবলম্বন ৮৯
উহুদ যুদ্ধে মারাত্মক আহত হওয়া সত্ত্বেও চরম ধৈর্য ৮৯
হুনায়নের যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (স)-এর ধৈর্য ৯১
সচ্চরিত্রে ধৈর্যাবলম্বন ৯২
ধৈর্য সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (স)-এর বাণী ৯৩
page_008.jpg
ইমাম আহমাদ আবূ দাউদের বরাতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলিয়াছেন: আমি হযরত বারা'আ ইবন 'আযিব (রা)-এর সহিত সাক্ষাত করিলাম। তিনি আমাকে সালাম করিয়া আমার হাত ধরিলেন (মুসাফাহা করিলেন) এবং আমার চেহারার প্রতি তাকাইয়া হাসি দিলেন, অতঃপর বলিলেন, তুমি কি জান আমি কেন এইরূপ করিয়াছি? আমি বলিলাম, না। তবে আপনি তো উত্তম কাজই করিয়া থাকেন। তিনি বলিলেন: আমি এইরূপ করিয়াছি এইজন্য যে, একদিন আমি রাসূলুল্লাহ (স)-এর সহিত সাক্ষাত করিলে তিনি আমার সহিত এইরূপই করিয়াছিলেন যেইরূপ আমি তোমার সাথে করিলাম। তখন তিনি আমাকে এইরূপ করার কারণ জানি কি না জিজ্ঞাসা করিলেন। আমি তোমার মতই উত্তর দিয়াছিলাম। তিনি বলিয়াছিলেন: যদি দুইজন মুসলমান পরস্পর সাক্ষাতকালে সালামান্তে একে অপরের হাত ধরে (মুসাফাহা করে) তাহা হইলে আল্লাহ পাক তাহাদের হাত ধরেন ও মুসলমানদ্বয়ের হাত সরানোর পূর্বেই তাহাদের গুনাহ ক্ষমা করিয়া দেন (৫খ., পৃ. ৩৬৭, নং ১৮০৭৭)।
ইমাম নাসাঈ হযরত হুযায়ফা (রা) হইতে বর্ণনা করিয়াছেন যে, রাসূলুল্লাহ (স)-এর কোন সাহাবার সঙ্গে সাক্ষাত হইলে তাঁহাকে স্পর্শ (মুসাফাহা) করিতেন ও তাঁহার জন্য দু'আ করিতেন (সুবুলুল হুদা ওয়ার-রাশাদ, ৭খ., পৃ. ১৫০)।
ইমাম আহমাদ আনাযা গোত্রের এক লোক হইতে বর্ণনা করিয়াছেন যে, হযরত আবু যার (রা)-কে সিরিয়া হইতে পাঠাইয়া দেওয়ার পর লোকটি তাঁহাকে বলিল, আমি আপনাকে আখেরী নবী (স)-এর একখানা হাদীছ জিজ্ঞাসা করিতে চাই। হযরত আবূ যার (রা) বলিলেন, অবশ্যই বলিব, তবে যদি কোন গোপনীয় বিষয় না হয়। লোকটি বলিল, কোন গোপনীয় বিষয় নয়। তাহা হইল: আপনারা রাসূলুল্লাহ (স)-এর সহিত সাক্ষাত করিলে তিনি কি আপনাদের সহিত মুসাফাহা করিতেন? তিনি বলিলেন, আমি এমন কোন দিন সাক্ষাত করি নাই যে, তিনি

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 মু'আনাকা ও চুম্বন

📄 মু'আনাকা ও চুম্বন


আমার সাথে মুসাফাহা করেন নাই। একদিন তিনি আমার নিকট লোক পাঠাইলেন। আমি বাড়ীতে ছিলাম না। আস্যর পর খবর জানিতে পারিয়া রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট পৌছিলাম। তিনি খাটিয়ার উপর বসা ছিলেন। তিনি আমাকে দেখিয়া জড়াইয়া ধরিলেন (মু'আনাকা করিলেন), সেই ভালোবাসার পরশ আমার জন্য তাবৎ বন্ধুকুলের তুলনায় উত্তম ছিল (৬খ., পৃ. ২১১, নং ২০৯৬৫)।
ইমাম বুখারী হযরত আবু হুরায়রা (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন যে, একদা নবী কারীম (স) হযরত হাসান (রা)-কে চুম্বন করিলেন। সেখানে আল-আকরা ইব্‌ন হাবিস আত-তামীমী উপবিষ্ট ছিলেন। আকরা বলিলেন, আমার ১০টি সন্তান রহিয়াছে অথচ আমি একটিকেও চুম্বন করি নাই। ইহা শ্রবণ করিয়া রাসূলুল্লাহ (স) তাঁহার প্রতি তাকাইলেন ও বলিলেন: যে দয়া করে না সে দয়া পায় না (ইরশাদুস-সারী শরহু সহীহ বুখারী, ১৩খ., পৃ. ২৯, নং ৫৯৯৭)।
ইমাম বুখারী হযরত 'আইশা (রা) হইতে বর্ণনা করিয়াছেন, তিনি বলেন: একদা কতক বেদুঈন নবী কারীম (স)-এর নিকট আগমন পূর্বক জিজ্ঞাসা করিল, আপনারা কি বাচ্চাদেরকে চুম্বন করিয়া থাকেন? উপস্থিত সাহাবায়ে কেরাম জবাব দিলেন, হাঁ, করিয়া থাকি। তাহারা বলিল, আল্লাহ্র কসম! আমরা তো চুম্বন করি না। ইহা শুনিয়া নবী কারীম (স) বলিলেন: আল্লাহ তা'আলা যদি তোমাদের অন্তর হইতে দয়ামায়া বাহির করিয়া নেন তাহা হইলে আমি তো উহা তোমাদের অন্তরে সৃষ্টি করিতে পারিষ না (১০খ., পৃ. ৪৪০-৪৪, নং ৫৯৯৮)।
ইবন সা'দ হযরত শা'বী (র)-এর বরাতে বর্ণনা করিয়াছেন যে, রাসূলুল্লাহ (স) খায়বার হইতে প্রত্যাবর্তন করার পর হযরত জা'ফার ইব্‌ন আবী তালিব মাদীনায় আগমন করিয়া তাহার সহিত সাক্ষাত করিলেন। রাসূলুল্লাহ (স) তাঁহাকে জড়াইয়া ধরিয়া মু'আনাকা করিয়া তাঁহার ললাটে চুম্বন করিলেন ও বলিলেন: কোনটার আনন্দ উপভোগ করিব, জা'ফারের আগমনের, না খায়বার বিজয়ের (আত-তাবাকাতুল-কুবরা, ৪খ., পৃ. ৩৩৬)।
ইবন হাজার ইমাম তিরমিযী (র)-এর বরাতে উল্লেখ করিয়াছেন, হযরত আইশা (রা) বলেন, হযরত যায়দ ইব্‌ন হারিছা মদীনায় আগমন পূর্বক রাসূলুল্লাহ (স)-এর সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে বাড়িতে আসিয়া দরজায় আওয়াজ করিলেন। রাসূলুল্লাহ (স) আমার ঘরে অবস্থান করিতেছিলেন। আমি লক্ষ্য করিলাম, তিনি খালি গায়েই তাঁহার উদ্দেশ্যে বাহির হইয়া পড়িলেন, তাঁহার কাপড় মাটিতে হেঁচড়াইতেছিল। অতঃপর মু'আনাকা করিয়া তাঁহাকে চুম্বন করিলেন। সেই দিন ব্যতীত আর কখনও তাঁহাকে খালি গায়ে বাহির হইতে দেখা যায় নাই (আল-ইসাবা, ২খ., পৃ. ৪৯, নং ২৮৯৭১)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00