📄 অমুসলিমকে সালাম প্রদানের পদ্ধতি
আবদুর রায্যাক হযরত মা'মার (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন যে, মহানবী (স) বলিয়াছেন, তুমি কোন অমুসলিমের গৃহে প্রবেশ করিলে এইভাবে সালাম করিবে: "আস্সালামু 'আলা মানিত্তাবা'আল হুদা” (সৎপথ অনুসারীর উপর শান্তি বর্ষিত হউক)।
* ইব্ন আবী শায়বা আবূ মালিকের সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন, মুশরিকদেরকে সালাম করিলে বলিবে: 'আস্সালামু 'আলায়না ওয়া আলা 'ইবাদিল্লাহিস্-সালিহীন” (আমাদের ও আল্লাহর নেক বান্দাদের উপর সালাম)। ইহাতে তাহারা মনে করিবে যে, তুমি সালাম করিয়াছ অথচ তুমি তাহাদের হইতে সালামকে ফিরাইয়া লইয়াছ (ফাতহুল-বারী, ১১খ., পৃঃ ৪৬-৪৯, নং ৬২৫৭সং হাদীছের টীকা)।
আবদুর রায্যাক হযরত মা'মার (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন যে, মহানবী (স) বলিয়াছেন, তুমি কোন অমুসলিমের গৃহে প্রবেশ করিলে এইভাবে সালাম করিবে: "আস্সালামু 'আলা মানিত্তাবা'আল হুদা” (সৎপথ অনুসারীর উপর শান্তি বর্ষিত হউক)।
* ইব্ন আবী শায়বা আবূ মালিকের সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন, মুশরিকদেরকে সালাম করিলে বলিবে: 'আস্সালামু 'আলায়না ওয়া আলা 'ইবাদিল্লাহিস্-সালিহীন” (আমাদের ও আল্লাহর নেক বান্দাদের উপর সালাম)। ইহাতে তাহারা মনে করিবে যে, তুমি সালাম করিয়াছ অথচ তুমি তাহাদের হইতে সালামকে ফিরাইয়া লইয়াছ (ফাতহুল-বারী, ১১খ., পৃঃ ৪৬-৪৯, নং ৬২৫৭সং হাদীছের টীকা)।
📄 অমুসলিমের সালামের জবাব দেওয়ার পদ্ধতি
ইমাম আবূ দাউদ হযরত আনাস (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন, একদা সহাবায়ে কিরাম নবী করীম (স)-কে জিজ্ঞাসা করিলেন, অমুসলিমগণ আমাদিগকে সালাম করিলে আমরা কিভাবে জবাব দিব? রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন, তোমরা শুধু বলিবে: "ওয়া 'আলাইকুম" (১৪খ., পৃ. ৭৮, নং ৫১৯৬)।
• ইমাম বুখারী ও মুসলিম হযরত 'আইশা (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন, একদা ইয়াহুদীদের একটি দল রাসূলুল্লাহ (স)-কে এই বলিয়া সালাম করিল, আসসামু 'আলাইকা" (আপনার ধ্বংস হউক)। রাসূলুল্লাহ (স) উত্তরে বলিলেনঃ "ওয়া' আলাইকুম" (তোমাদিগের উপরই)। হযরত 'আইশা (রা) বলেন, ইহা শ্রবণ করিয়া আমি বলিলাম, আসামু 'আলাইকুম ওয়া লা'আনাকুমুল্লাহ ওয়া গাদাবা আলায়কুম (তোমাদিগের ধ্বংস হউক, আল্লাহ তোমাদিগকে অভিসম্পাত করুন ও তাঁহার ক্রোধ আরোপ করুন)। ইহা শ্রবণ করিয়া মহানবী (স) ইরশাদ করিলেন: হে আইশা! তোমার জন্য উচিত কোমল ব্যবহার করা ও অশ্রাব্য গালমন্দ হইতে বাঁচিয়া থাকা। হযরত 'আইশা (র) বলিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি কি শুনেন নাই তাহারা আপনাকে কী বলিয়াছে? তিনি বলিলেন: আমি কী উত্তর দিয়াছি তুমি কি শুন নাই? তাহাদের কথা তাহাদের দিকেই ফিরাইয়া দিয়াছি। অথচ আমার বিপক্ষে তাহাদের দু'আ বিফল যাইবে, পক্ষান্তরে তাহাদের বিরুদ্ধে আমার দু'আ গ্রহণযোগ্য (বুখারী, ১১খ., পৃ. ২০৩, নং ৬৪০১; মুসলিম, ৭খ., পৃ. ৩২৮, নং ২১৬৫)।
ইমাম আবূ দাউদ হযরত আনাস (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন, একদা সহাবায়ে কিরাম নবী করীম (স)-কে জিজ্ঞাসা করিলেন, অমুসলিমগণ আমাদিগকে সালাম করিলে আমরা কিভাবে জবাব দিব? রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন, তোমরা শুধু বলিবে: "ওয়া 'আলাইকুম" (১৪খ., পৃ. ৭৮, নং ৫১৯৬)।
• ইমাম বুখারী ও মুসলিম হযরত 'আইশা (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন, একদা ইয়াহুদীদের একটি দল রাসূলুল্লাহ (স)-কে এই বলিয়া সালাম করিল, আসসামু 'আলাইকা" (আপনার ধ্বংস হউক)। রাসূলুল্লাহ (স) উত্তরে বলিলেনঃ "ওয়া' আলাইকুম" (তোমাদিগের উপরই)। হযরত 'আইশা (রা) বলেন, ইহা শ্রবণ করিয়া আমি বলিলাম, আসামু 'আলাইকুম ওয়া লা'আনাকুমুল্লাহ ওয়া গাদাবা আলায়কুম (তোমাদিগের ধ্বংস হউক, আল্লাহ তোমাদিগকে অভিসম্পাত করুন ও তাঁহার ক্রোধ আরোপ করুন)। ইহা শ্রবণ করিয়া মহানবী (স) ইরশাদ করিলেন: হে আইশা! তোমার জন্য উচিত কোমল ব্যবহার করা ও অশ্রাব্য গালমন্দ হইতে বাঁচিয়া থাকা। হযরত 'আইশা (র) বলিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি কি শুনেন নাই তাহারা আপনাকে কী বলিয়াছে? তিনি বলিলেন: আমি কী উত্তর দিয়াছি তুমি কি শুন নাই? তাহাদের কথা তাহাদের দিকেই ফিরাইয়া দিয়াছি। অথচ আমার বিপক্ষে তাহাদের দু'আ বিফল যাইবে, পক্ষান্তরে তাহাদের বিরুদ্ধে আমার দু'আ গ্রহণযোগ্য (বুখারী, ১১খ., পৃ. ২০৩, নং ৬৪০১; মুসলিম, ৭খ., পৃ. ৩২৮, নং ২১৬৫)।
📄 সালাম না দিয়ে প্রবেশকারীর সহিত আচরণ
আবু দাউদ হযরত কালাদা ইবন হাম্বল (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন, হযরত সাফওয়ান ইবন উমায়্যা একবার তাঁহাকে রাসূলুল্লাহ (স)-এর খিদমতে দুধ, শসা ও একটি হরিণের বাচ্চা হাদিয়াসহ প্রেরণ করিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (স) মক্কার উপত্যকাসমূহের কোন একটিতে অবস্থান করিতেছিলেন। আমি তাঁহার খিদমতে বিনা সালামে উপস্থিত হইলে তিনি বলিলেন: ফিরিয়া যাও ও আস্সালামু 'আলায়কুম বলিয়া পুনর্বার আসন ইহা সাফওয়ান ইবন উমায়্যার ইসলাম গ্রহণের পরের ঘটনা ('আওনুল-মা'বূদ শরহে আবী দাউদ, ১৪খ.,)।
আবু দাউদ হযরত কালাদা ইবন হাম্বল (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন, হযরত সাফওয়ান ইবন উমায়্যা একবার তাঁহাকে রাসূলুল্লাহ (স)-এর খিদমতে দুধ, শসা ও একটি হরিণের বাচ্চা হাদিয়াসহ প্রেরণ করিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (স) মক্কার উপত্যকাসমূহের কোন একটিতে অবস্থান করিতেছিলেন। আমি তাঁহার খিদমতে বিনা সালামে উপস্থিত হইলে তিনি বলিলেন: ফিরিয়া যাও ও আস্সালামু 'আলায়কুম বলিয়া পুনর্বার আসন ইহা সাফওয়ান ইবন উমায়্যার ইসলাম গ্রহণের পরের ঘটনা ('আওনুল-মা'বূদ শরহে আবী দাউদ, ১৪খ.,)।
📄 মারহাবা বলিয়া অভিবাদন জানানো
৫৫
ইমাম তিরমিযী হযরত 'আলী (রা) হইতে বর্ণনা করিয়াছেন, একদা হযরত 'আম্মার (রা) রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট প্রবেশের অনুমতি চাহিলে তিনি তাঁহার কণ্ঠ চিনিতে পারিয়া বলিলেন: “তায়্যিব মুতপয়্যিব (উত্তম, ভালো ব্যক্তি)-কে "মারহাবা" (ইবনুল 'আরাবী আল- মালিকী, আরিয়াতুল-আহওয়াযী শারহু সুনanিত-তিরমিযী, ১৩খ., পৃ. ২০৭-৮, নং ৩৮০৭)।
ইমাম বুখারী আল-আদাবুল মুফরাদে হযরত 'আইশা (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন যে, একদা হযরত ফাতিমা (রা) পদব্রজে রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট আগমন করিলেন। তাঁহার হাঁটার পদ্ধতি রাসূলুল্লাহ (স)-এর অনুরূপই ছিল। রাসূলুল্লাহ (স) তাঁহাকে আসিতে দেখিয়া বলিলেন: “মারহাবা" (খোশ আমদেদ)! অতঃপর তাঁহাকে নিজের ডান অথবা বাম পার্শ্বে বসাইলেন (পৃ. ৪৫৪, নং ১০৩০)।
৫৫
ইমাম তিরমিযী হযরত 'আলী (রা) হইতে বর্ণনা করিয়াছেন, একদা হযরত 'আম্মার (রা) রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট প্রবেশের অনুমতি চাহিলে তিনি তাঁহার কণ্ঠ চিনিতে পারিয়া বলিলেন: “তায়্যিব মুতপয়্যিব (উত্তম, ভালো ব্যক্তি)-কে "মারহাবা" (ইবনুল 'আরাবী আল- মালিকী, আরিয়াতুল-আহওয়াযী শারহু সুনanিত-তিরমিযী, ১৩খ., পৃ. ২০৭-৮, নং ৩৮০৭)।
ইমাম বুখারী আল-আদাবুল মুফরাদে হযরত 'আইশা (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন যে, একদা হযরত ফাতিমা (রা) পদব্রজে রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট আগমন করিলেন। তাঁহার হাঁটার পদ্ধতি রাসূলুল্লাহ (স)-এর অনুরূপই ছিল। রাসূলুল্লাহ (স) তাঁহাকে আসিতে দেখিয়া বলিলেন: “মারহাবা" (খোশ আমদেদ)! অতঃপর তাঁহাকে নিজের ডান অথবা বাম পার্শ্বে বসাইলেন (পৃ. ৪৫৪, নং ১০৩০)।