📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 অন্যের নিকট সালাম পৌঁছানো

📄 অন্যের নিকট সালাম পৌঁছানো


ইমাম মুসলিম হযরত আবূ হুরায়রা (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন যে, রাসূলুল্লাহ (স) বলিয়াছেন: একদা হযরত জিবরাঈল (আ) তাশরীফ আনিয়া বলিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! হযরত খাদীজা (রা) খাবার, তরকারী ও পানীয়সহ কিছুক্ষণের মধ্যেই আপনার নিকট আগমন করিবেন। তিনি আসিলে আপনি তাঁহার নিকট আপনার রব ও আমার পক্ষ হইতে সালাম পৌঁছাইয়া তাঁহাকে মোতির তৈরী এমন একটি জান্নাতের সুসংবাদ জানাইবেন যেইখানে না থাকিবে কোন হিংসা, না কোনরূপ কষ্ট-ক্লেশ (ইকমাল শারহে মুসলিম, ৮খ., পৃ. ২৮৪, নং ২৪৩২)।
নাসাঈ হযরত আনাস (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন যে, একদা হযরত জিবরাঈল (আ) রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট আগমন পূর্বক বলিলেন, আল্লাহ তা'আলা খাদীজাকে সালাম বলিতেছেন। ইহা শ্রবণ করিয়া হযরত খাদীজা (রা) বলিলেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা স্বয়ং সালাম, আর হযরত জিবরাঈলের উপর আল্লাহর শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হউক (কিতাবুস-সুনান আল-কুবরা, ৫খ., পৃ. ৯৪, নং ৮৩৫৯)।

ইমাম মুসলিম হযরত আবূ হুরায়রা (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন যে, রাসূলুল্লাহ (স) বলিয়াছেন: একদা হযরত জিবরাঈল (আ) তাশরীফ আনিয়া বলিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! হযরত খাদীজা (রা) খাবার, তরকারী ও পানীয়সহ কিছুক্ষণের মধ্যেই আপনার নিকট আগমন করিবেন। তিনি আসিলে আপনি তাঁহার নিকট আপনার রব ও আমার পক্ষ হইতে সালাম পৌঁছাইয়া তাঁহাকে মোতির তৈরী এমন একটি জান্নাতের সুসংবাদ জানাইবেন যেইখানে না থাকিবে কোন হিংসা, না কোনরূপ কষ্ট-ক্লেশ (ইকমাল শারহে মুসলিম, ৮খ., পৃ. ২৮৪, নং ২৪৩২)।
নাসাঈ হযরত আনাস (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন যে, একদা হযরত জিবরাঈল (আ) রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট আগমন পূর্বক বলিলেন, আল্লাহ তা'আলা খাদীজাকে সালাম বলিতেছেন। ইহা শ্রবণ করিয়া হযরত খাদীজা (রা) বলিলেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা স্বয়ং সালাম, আর হযরত জিবরাঈলের উপর আল্লাহর শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হউক (কিতাবুস-সুনান আল-কুবরা, ৫খ., পৃ. ৯৪, নং ৮৩৫৯)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 সালাম পৌছাইলে উহার উত্তর

📄 সালাম পৌছাইলে উহার উত্তর


ইমাম আহমাদ গালিব আল-কাত্তানের বরাতে বর্ণনা করিয়াছেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট আসিয়া আরয করিল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার আব্বা আপনার নিকট সালাম পাঠাইয়াছেন। রাসূলুল্লাহ (স) ইহার উত্তরে বলিলেন: ওয়া 'আলায়কা ওয়া আলা আবীকাস্-সালাম (তোমার ও তোমার পিতার উপর সালাম) (৫খ., পৃ. ৫০৪, নং ২২৫৯৪)।

ইমাম আহমাদ গালিব আল-কাত্তানের বরাতে বর্ণনা করিয়াছেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট আসিয়া আরয করিল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার আব্বা আপনার নিকট সালাম পাঠাইয়াছেন। রাসূলুল্লাহ (স) ইহার উত্তরে বলিলেন: ওয়া 'আলায়কা ওয়া আলা আবীকাস্-সালাম (তোমার ও তোমার পিতার উপর সালাম) (৫খ., পৃ. ৫০৪, নং ২২৫৯৪)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 অমুসলিমকে সালাম প্রদানের পদ্ধতি

📄 অমুসলিমকে সালাম প্রদানের পদ্ধতি


আবদুর রায্যাক হযরত মা'মার (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন যে, মহানবী (স) বলিয়াছেন, তুমি কোন অমুসলিমের গৃহে প্রবেশ করিলে এইভাবে সালাম করিবে: "আস্সালামু 'আলা মানিত্তাবা'আল হুদা” (সৎপথ অনুসারীর উপর শান্তি বর্ষিত হউক)।
* ইব্‌ন আবী শায়বা আবূ মালিকের সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন, মুশরিকদেরকে সালাম করিলে বলিবে: 'আস্সালামু 'আলায়না ওয়া আলা 'ইবাদিল্লাহিস্-সালিহীন” (আমাদের ও আল্লাহর নেক বান্দাদের উপর সালাম)। ইহাতে তাহারা মনে করিবে যে, তুমি সালাম করিয়াছ অথচ তুমি তাহাদের হইতে সালামকে ফিরাইয়া লইয়াছ (ফাতহুল-বারী, ১১খ., পৃঃ ৪৬-৪৯, নং ৬২৫৭সং হাদীছের টীকা)।

আবদুর রায্যাক হযরত মা'মার (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন যে, মহানবী (স) বলিয়াছেন, তুমি কোন অমুসলিমের গৃহে প্রবেশ করিলে এইভাবে সালাম করিবে: "আস্সালামু 'আলা মানিত্তাবা'আল হুদা” (সৎপথ অনুসারীর উপর শান্তি বর্ষিত হউক)।
* ইব্‌ন আবী শায়বা আবূ মালিকের সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন, মুশরিকদেরকে সালাম করিলে বলিবে: 'আস্সালামু 'আলায়না ওয়া আলা 'ইবাদিল্লাহিস্-সালিহীন” (আমাদের ও আল্লাহর নেক বান্দাদের উপর সালাম)। ইহাতে তাহারা মনে করিবে যে, তুমি সালাম করিয়াছ অথচ তুমি তাহাদের হইতে সালামকে ফিরাইয়া লইয়াছ (ফাতহুল-বারী, ১১খ., পৃঃ ৪৬-৪৯, নং ৬২৫৭সং হাদীছের টীকা)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 অমুসলিমের সালামের জবাব দেওয়ার পদ্ধতি

📄 অমুসলিমের সালামের জবাব দেওয়ার পদ্ধতি


ইমাম আবূ দাউদ হযরত আনাস (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন, একদা সহাবায়ে কিরাম নবী করীম (স)-কে জিজ্ঞাসা করিলেন, অমুসলিমগণ আমাদিগকে সালাম করিলে আমরা কিভাবে জবাব দিব? রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন, তোমরা শুধু বলিবে: "ওয়া 'আলাইকুম" (১৪খ., পৃ. ৭৮, নং ৫১৯৬)।
• ইমাম বুখারী ও মুসলিম হযরত 'আইশা (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন, একদা ইয়াহুদীদের একটি দল রাসূলুল্লাহ (স)-কে এই বলিয়া সালাম করিল, আসসামু 'আলাইকা" (আপনার ধ্বংস হউক)। রাসূলুল্লাহ (স) উত্তরে বলিলেনঃ "ওয়া' আলাইকুম" (তোমাদিগের উপরই)। হযরত 'আইশা (রা) বলেন, ইহা শ্রবণ করিয়া আমি বলিলাম, আসামু 'আলাইকুম ওয়া লা'আনাকুমুল্লাহ ওয়া গাদাবা আলায়কুম (তোমাদিগের ধ্বংস হউক, আল্লাহ তোমাদিগকে অভিসম্পাত করুন ও তাঁহার ক্রোধ আরোপ করুন)। ইহা শ্রবণ করিয়া মহানবী (স) ইরশাদ করিলেন: হে আইশা! তোমার জন্য উচিত কোমল ব্যবহার করা ও অশ্রাব্য গালমন্দ হইতে বাঁচিয়া থাকা। হযরত 'আইশা (র) বলিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি কি শুনেন নাই তাহারা আপনাকে কী বলিয়াছে? তিনি বলিলেন: আমি কী উত্তর দিয়াছি তুমি কি শুন নাই? তাহাদের কথা তাহাদের দিকেই ফিরাইয়া দিয়াছি। অথচ আমার বিপক্ষে তাহাদের দু'আ বিফল যাইবে, পক্ষান্তরে তাহাদের বিরুদ্ধে আমার দু'আ গ্রহণযোগ্য (বুখারী, ১১খ., পৃ. ২০৩, নং ৬৪০১; মুসলিম, ৭খ., পৃ. ৩২৮, নং ২১৬৫)।

ইমাম আবূ দাউদ হযরত আনাস (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন, একদা সহাবায়ে কিরাম নবী করীম (স)-কে জিজ্ঞাসা করিলেন, অমুসলিমগণ আমাদিগকে সালাম করিলে আমরা কিভাবে জবাব দিব? রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন, তোমরা শুধু বলিবে: "ওয়া 'আলাইকুম" (১৪খ., পৃ. ৭৮, নং ৫১৯৬)।
• ইমাম বুখারী ও মুসলিম হযরত 'আইশা (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন, একদা ইয়াহুদীদের একটি দল রাসূলুল্লাহ (স)-কে এই বলিয়া সালাম করিল, আসসামু 'আলাইকা" (আপনার ধ্বংস হউক)। রাসূলুল্লাহ (স) উত্তরে বলিলেনঃ "ওয়া' আলাইকুম" (তোমাদিগের উপরই)। হযরত 'আইশা (রা) বলেন, ইহা শ্রবণ করিয়া আমি বলিলাম, আসামু 'আলাইকুম ওয়া লা'আনাকুমুল্লাহ ওয়া গাদাবা আলায়কুম (তোমাদিগের ধ্বংস হউক, আল্লাহ তোমাদিগকে অভিসম্পাত করুন ও তাঁহার ক্রোধ আরোপ করুন)। ইহা শ্রবণ করিয়া মহানবী (স) ইরশাদ করিলেন: হে আইশা! তোমার জন্য উচিত কোমল ব্যবহার করা ও অশ্রাব্য গালমন্দ হইতে বাঁচিয়া থাকা। হযরত 'আইশা (র) বলিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি কি শুনেন নাই তাহারা আপনাকে কী বলিয়াছে? তিনি বলিলেন: আমি কী উত্তর দিয়াছি তুমি কি শুন নাই? তাহাদের কথা তাহাদের দিকেই ফিরাইয়া দিয়াছি। অথচ আমার বিপক্ষে তাহাদের দু'আ বিফল যাইবে, পক্ষান্তরে তাহাদের বিরুদ্ধে আমার দু'আ গ্রহণযোগ্য (বুখারী, ১১খ., পৃ. ২০৩, নং ৬৪০১; মুসলিম, ৭খ., পৃ. ৩২৮, নং ২১৬৫)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00