📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 পাপাচারের কারণে সালামের উত্তর না দেওয়া

📄 পাপাচারের কারণে সালামের উত্তর না দেওয়া


ইমাম আবু দাউদ হযরত 'আবদুল্লাহ ইব্‌ন 'আমর (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন যে, লাল রং-এর এক জোড়া চাদর পরিহিত এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট দিয়া অতিক্রমকালে তাঁহাকে সালাম করিল, কিন্তু তিনি উত্তর দিলেন না ('আওনুল-মা'বুদ শরহু আবী দাউদ, ১১খ., পৃ. ৮১, নং ৪০৬৩)।
ইমাম আহমাদ হযরত 'আম্মার ইবন ইয়াসির (রা) হইতে বর্ণনা করিয়াছেন যে, তিনি বলেন: একবার আমার উভয় হাত ফাটিয়া গিয়াছিল। রাত্রে বাড়ী যাওয়ার পর পরিবারের লোকেরা আমার হাতে যাফরান লেপিয়া দিল। সকালে রাসূলুল্লাহ (স)-এর খিদমতে হাজির হইয়া আমি তাঁহাকে সালাম করিলে তিনি কোন উত্তর দেন নাই ও কোনরূপ অভিবাদনও জানান নাই, বরং বলিলেনঃ হাতের রং ধৌত করিয়া আস। আমি ধৌত করিয়া আসিয়া পুনর্বার সালাম করিলে তিনি উত্তরও দিলেন, অভিবাদনও জানাইলেন এবং বলিলেনঃ ফেরেশতাগণ কাফিরের জানাযা, যাফরানের রং যুক্ত ব্যক্তি ও নাপাক লোকের নিকট উপস্থিত হন না (৫খ., পৃ. ৪১৮;
ইমাম বুখারী আল-আদাবুল মুফরাদে হযরত আবূ সা'ঈদ খুদরী (রা)-এর সূত্রে উল্লেখ করিয়াছেন যে, তিনি বলেন: বাহরায়নের এক আগন্তুক রাসূলুল্লাহ (স)-কে সালাম করিলে তিনি উত্তর প্রদান করেন নাই। কেননা তাহার হাতের আঙ্গুলে স্বর্ণের আংটি ও গায়ে রেশমী জুব্বা ছিল। লোকটি চিন্তিতাবস্থায় প্রত্যাবর্তন করিয়া স্বীয় স্ত্রীকে ঘটনা সম্পর্কে অবহিত করিল। স্ত্রী ব্যাপারটি আঁচ করিতে পারিয়া স্বামীকে বলিল, তোমার আংটি ও জুব্বা দেখিয়া তিনি এইরূপ করিয়াছেন। তুমি এইগুলি ফেলিয়া পুনর্বার যাও। লোকটি তাহাই করিলে রাসূলুল্লাহ (স) তাহার সালামের উত্তর দিয়া বলিলেন, তুমি প্রথমবার আসিয়া সালাম করিলে আমি এইজন্য মুখ ফিরাইয়া লইয়াছিলাম, যেহেতু তোমার হাতে জাহান্নামের একটি আংটি ছিল (পৃ. ৪৫০, নং ১০১২)।

ইমাম আবু দাউদ হযরত 'আবদুল্লাহ ইব্‌ন 'আমর (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন যে, লাল রং-এর এক জোড়া চাদর পরিহিত এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট দিয়া অতিক্রমকালে তাঁহাকে সালাম করিল, কিন্তু তিনি উত্তর দিলেন না ('আওনুল-মা'বুদ শরহু আবী দাউদ, ১১খ., পৃ. ৮১, নং ৪০৬৩)।
ইমাম আহমাদ হযরত 'আম্মার ইবন ইয়াসির (রা) হইতে বর্ণনা করিয়াছেন যে, তিনি বলেন: একবার আমার উভয় হাত ফাটিয়া গিয়াছিল। রাত্রে বাড়ী যাওয়ার পর পরিবারের লোকেরা আমার হাতে যাফরান লেপিয়া দিল। সকালে রাসূলুল্লাহ (স)-এর খিদমতে হাজির হইয়া আমি তাঁহাকে সালাম করিলে তিনি কোন উত্তর দেন নাই ও কোনরূপ অভিবাদনও জানান নাই, বরং বলিলেনঃ হাতের রং ধৌত করিয়া আস। আমি ধৌত করিয়া আসিয়া পুনর্বার সালাম করিলে তিনি উত্তরও দিলেন, অভিবাদনও জানাইলেন এবং বলিলেনঃ ফেরেশতাগণ কাফিরের জানাযা, যাফরানের রং যুক্ত ব্যক্তি ও নাপাক লোকের নিকট উপস্থিত হন না (৫খ., পৃ. ৪১৮;
ইমাম বুখারী আল-আদাবুল মুফরাদে হযরত আবূ সা'ঈদ খুদরী (রা)-এর সূত্রে উল্লেখ করিয়াছেন যে, তিনি বলেন: বাহরায়নের এক আগন্তুক রাসূলুল্লাহ (স)-কে সালাম করিলে তিনি উত্তর প্রদান করেন নাই। কেননা তাহার হাতের আঙ্গুলে স্বর্ণের আংটি ও গায়ে রেশমী জুব্বা ছিল। লোকটি চিন্তিতাবস্থায় প্রত্যাবর্তন করিয়া স্বীয় স্ত্রীকে ঘটনা সম্পর্কে অবহিত করিল। স্ত্রী ব্যাপারটি আঁচ করিতে পারিয়া স্বামীকে বলিল, তোমার আংটি ও জুব্বা দেখিয়া তিনি এইরূপ করিয়াছেন। তুমি এইগুলি ফেলিয়া পুনর্বার যাও। লোকটি তাহাই করিলে রাসূলুল্লাহ (স) তাহার সালামের উত্তর দিয়া বলিলেন, তুমি প্রথমবার আসিয়া সালাম করিলে আমি এইজন্য মুখ ফিরাইয়া লইয়াছিলাম, যেহেতু তোমার হাতে জাহান্নামের একটি আংটি ছিল (পৃ. ৪৫০, নং ১০১২)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 অন্যের নিকট সালাম পৌঁছানো

📄 অন্যের নিকট সালাম পৌঁছানো


ইমাম মুসলিম হযরত আবূ হুরায়রা (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন যে, রাসূলুল্লাহ (স) বলিয়াছেন: একদা হযরত জিবরাঈল (আ) তাশরীফ আনিয়া বলিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! হযরত খাদীজা (রা) খাবার, তরকারী ও পানীয়সহ কিছুক্ষণের মধ্যেই আপনার নিকট আগমন করিবেন। তিনি আসিলে আপনি তাঁহার নিকট আপনার রব ও আমার পক্ষ হইতে সালাম পৌঁছাইয়া তাঁহাকে মোতির তৈরী এমন একটি জান্নাতের সুসংবাদ জানাইবেন যেইখানে না থাকিবে কোন হিংসা, না কোনরূপ কষ্ট-ক্লেশ (ইকমাল শারহে মুসলিম, ৮খ., পৃ. ২৮৪, নং ২৪৩২)।
নাসাঈ হযরত আনাস (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন যে, একদা হযরত জিবরাঈল (আ) রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট আগমন পূর্বক বলিলেন, আল্লাহ তা'আলা খাদীজাকে সালাম বলিতেছেন। ইহা শ্রবণ করিয়া হযরত খাদীজা (রা) বলিলেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা স্বয়ং সালাম, আর হযরত জিবরাঈলের উপর আল্লাহর শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হউক (কিতাবুস-সুনান আল-কুবরা, ৫খ., পৃ. ৯৪, নং ৮৩৫৯)।

ইমাম মুসলিম হযরত আবূ হুরায়রা (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন যে, রাসূলুল্লাহ (স) বলিয়াছেন: একদা হযরত জিবরাঈল (আ) তাশরীফ আনিয়া বলিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! হযরত খাদীজা (রা) খাবার, তরকারী ও পানীয়সহ কিছুক্ষণের মধ্যেই আপনার নিকট আগমন করিবেন। তিনি আসিলে আপনি তাঁহার নিকট আপনার রব ও আমার পক্ষ হইতে সালাম পৌঁছাইয়া তাঁহাকে মোতির তৈরী এমন একটি জান্নাতের সুসংবাদ জানাইবেন যেইখানে না থাকিবে কোন হিংসা, না কোনরূপ কষ্ট-ক্লেশ (ইকমাল শারহে মুসলিম, ৮খ., পৃ. ২৮৪, নং ২৪৩২)।
নাসাঈ হযরত আনাস (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন যে, একদা হযরত জিবরাঈল (আ) রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট আগমন পূর্বক বলিলেন, আল্লাহ তা'আলা খাদীজাকে সালাম বলিতেছেন। ইহা শ্রবণ করিয়া হযরত খাদীজা (রা) বলিলেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা স্বয়ং সালাম, আর হযরত জিবরাঈলের উপর আল্লাহর শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হউক (কিতাবুস-সুনান আল-কুবরা, ৫খ., পৃ. ৯৪, নং ৮৩৫৯)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 সালাম পৌছাইলে উহার উত্তর

📄 সালাম পৌছাইলে উহার উত্তর


ইমাম আহমাদ গালিব আল-কাত্তানের বরাতে বর্ণনা করিয়াছেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট আসিয়া আরয করিল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার আব্বা আপনার নিকট সালাম পাঠাইয়াছেন। রাসূলুল্লাহ (স) ইহার উত্তরে বলিলেন: ওয়া 'আলায়কা ওয়া আলা আবীকাস্-সালাম (তোমার ও তোমার পিতার উপর সালাম) (৫খ., পৃ. ৫০৪, নং ২২৫৯৪)।

ইমাম আহমাদ গালিব আল-কাত্তানের বরাতে বর্ণনা করিয়াছেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট আসিয়া আরয করিল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার আব্বা আপনার নিকট সালাম পাঠাইয়াছেন। রাসূলুল্লাহ (স) ইহার উত্তরে বলিলেন: ওয়া 'আলায়কা ওয়া আলা আবীকাস্-সালাম (তোমার ও তোমার পিতার উপর সালাম) (৫খ., পৃ. ৫০৪, নং ২২৫৯৪)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 অমুসলিমকে সালাম প্রদানের পদ্ধতি

📄 অমুসলিমকে সালাম প্রদানের পদ্ধতি


আবদুর রায্যাক হযরত মা'মার (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন যে, মহানবী (স) বলিয়াছেন, তুমি কোন অমুসলিমের গৃহে প্রবেশ করিলে এইভাবে সালাম করিবে: "আস্সালামু 'আলা মানিত্তাবা'আল হুদা” (সৎপথ অনুসারীর উপর শান্তি বর্ষিত হউক)।
* ইব্‌ন আবী শায়বা আবূ মালিকের সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন, মুশরিকদেরকে সালাম করিলে বলিবে: 'আস্সালামু 'আলায়না ওয়া আলা 'ইবাদিল্লাহিস্-সালিহীন” (আমাদের ও আল্লাহর নেক বান্দাদের উপর সালাম)। ইহাতে তাহারা মনে করিবে যে, তুমি সালাম করিয়াছ অথচ তুমি তাহাদের হইতে সালামকে ফিরাইয়া লইয়াছ (ফাতহুল-বারী, ১১খ., পৃঃ ৪৬-৪৯, নং ৬২৫৭সং হাদীছের টীকা)।

আবদুর রায্যাক হযরত মা'মার (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন যে, মহানবী (স) বলিয়াছেন, তুমি কোন অমুসলিমের গৃহে প্রবেশ করিলে এইভাবে সালাম করিবে: "আস্সালামু 'আলা মানিত্তাবা'আল হুদা” (সৎপথ অনুসারীর উপর শান্তি বর্ষিত হউক)।
* ইব্‌ন আবী শায়বা আবূ মালিকের সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন, মুশরিকদেরকে সালাম করিলে বলিবে: 'আস্সালামু 'আলায়না ওয়া আলা 'ইবাদিল্লাহিস্-সালিহীন” (আমাদের ও আল্লাহর নেক বান্দাদের উপর সালাম)। ইহাতে তাহারা মনে করিবে যে, তুমি সালাম করিয়াছ অথচ তুমি তাহাদের হইতে সালামকে ফিরাইয়া লইয়াছ (ফাতহুল-বারী, ১১খ., পৃঃ ৪৬-৪৯, নং ৬২৫৭সং হাদীছের টীকা)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00