📄 দুই: উছমান ইবনুল হুওয়ায়রিছ-এর প্রসংগ
খাদীজা (রা) ও ওয়ারাকা ইবন নাওফাল-এর চাচাত ভাই 'উছমান ইবনুল হুওয়ায়রিছ কুরায়শ গোত্রের মধ্যে সবচাইতে বুদ্ধিমান ও সঙ্গতিসম্পন্ন ব্যক্তিদের অন্যতম ছিলেন। ২০ অন্যান্যদের মত তিনিও সত্যানুসন্ধানের জন্য সফর করেন এবং সিরিয়ায় গমন করিয়া সেখানে খৃস্টধর্ম গ্রহণ করেন। তবে তাহার খৃস্টধর্মের দীক্ষা গ্রহণ কোন স্বার্থশূন্য ছিল না। তিনি মক্কার শাসক হইবার জন্য একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন যাহাতে বায়যাণ্টীয় শক্তির সাহায্যে মক্কার শাসন ক্ষমতা হাতে লইয়া ইহার অধিবাসীদিগকে খৃস্টধর্মে দীক্ষিত করিতে পারেন। ২১ ইবন ইসহাকের বর্ণনামতে তিনি বায়যান্টীয় শাসনকর্তার সহিত সাক্ষাৎ করিয়া তাহার জন্য তৎকর্তৃক মক্কা অবরোধের এবং মক্কাবাসী কর্তৃক তাহাকে কর প্রেরণের ব্যবস্থার জন্য প্রস্তাব করেন। তিনি পরামর্শ দেন যে, মক্কাবাসিগণ যদি এই প্রস্তাব মানিয়া লইতে সম্মত না হয় তাহা হইলে বায়যাণ্টীয় শাসক কর্তৃক সিরিয়ার সহিত মক্কার বাণিজ্য বন্ধ করিয়া দিয়া তাহাদিগকে বশ্যতা স্বীকারে বাধ্য করা হইবে। ২২ বায়যাণ্টীয় শাসক স্বাভাবিকভাবে এই পরিকল্পনায় একটি সুযোগের সন্ধান দেখিতে পান, যাহাতে আরবের হৃদয় হিসাবে পরিচিত এবং বাণিজ্যিকভাবে সমৃদ্ধ ও ধর্মীয় দিক দিয়া কেন্দ্রীয় নগরী মক্কাকে করতলগত করিয়া ইহাকে গাস্সানীয় রাজ্যের মত একটি করদ রাজ্যে পরিণত করিতে পারিবেন। তাহার উদ্দেশ্য সাধনে একটি সহজ পথ হিসাবে এই পরিকল্পনা তাহার অন্তরকে নাড়া দিতে পারিয়াছিল। কারণ ত্রিশ বৎসর পূর্বে মক্কা বিজয়ের জন্য আবরাহার সামরিক বাহিনী ব্যর্থ হইয়াছিল। তদনুযায়ী বায়যাণ্টীয় শাসক উছমানকে মক্কার গভর্নর নিযুক্ত করেন ২৩ এবং ইহার অধিবাসীদিগকে তাহার বশ্যতা স্বীকারের জন্য পত্র প্রেরণ করেন। ২৪
উছমান সিরিয়া হইতে এই ক্ষমতা লাভ করিয়া মক্কায় প্রত্যাবর্তন করেন এবং কুরায়শদিগকে তাহাদের শাসক হিসাবে তাহাকে মানিয়া লওয়ার নির্দেশ জারী করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, তাহারা যদি ইহা মানিতে অস্বীকার করে তাহা হইলে বায়যান্টীয় শাসক কর্তৃক সিরিয়ার সহিত বাণিজ্যের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হইবে। ২৫ মক্কাবাসিগণ সর্বজনীনভাবে এই দাবির বিরোধিতা করে এবং তাহার গোত্রভুক্ত জনৈক আসওয়াদ ইব্ন আসাদ ইব্ন আবদুল উয্যা ২৬ এই বিরোধিতায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তিনি সমগ্র কুরায়শ শাখাগোত্রগুলিকে বিরোধিতা করিবার জন্য সংগঠিত করেন। এইভাবে স্বীয় সমর্থন লাভে ব্যর্থ হইয়া উছমান সিরিয়ায় পালাইয়া যাইতে বাধ্য হন। তিনি তবুও তাহার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে হতোদ্যম না হইয়া সিরিয়ার বায়যাণ্টীয় কর্তৃপক্ষকে সিরিয়ার সহিত মক্কার ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ করিয়া দেওয়ার জন্য উসকানি দিতে থাকেন। অতঃপর মক্কার দুইজন প্রসিদ্ধ ব্যবসায়ী সাঈদ ইবনুল আসী ইবন উমায়্যা ও আবূ যে'ব (অর্থাৎ হিশাম ইব্ন শু'বাহ ইব্ন আবদুল্লাহ) সিরিয়া গমন করিলে তাহাদিগকে গ্রেপ্তার করিয়া জেলে অন্তরীণ করিয়া রাখা হয়। আবূ যে'ব জেলখানায় মৃত্যুমুখে পতিত হন। এই অবস্থার প্রেক্ষিতে কুরায়শ নেতা আল-ওয়ালীদ ইবনুল মুগীরা সিরিয়া গমন করেন এবং দীর্ঘ আলাপ-আলোচনার পর সাঈদকে মুক্ত করিতে সক্ষম হন। আল-ওয়ালীদ-এর কূটনৈতিক তৎপরতা এবং আরবদের সহিত বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখিবার বায়যাণ্টীয় কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনে উছমানের পরিকল্পনা সম্পূর্ণ পাল্টাইয়া যায় এবং অল্পকাল পরেই তাহাকে বিষ প্রয়োগে হত্যা করা হয়। একটি তথ্য অনুযায়ী আমর ইব্ন জাফনা আল-গাস্সানী তাহাকে বিষ প্রয়োগে হত্যা করে। এই আমর ছিল বায়যান্টীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিয়োজিত একজন অফিসার যাহাকে মক্কাবাসীদের বাণিজ্য অবরোধ ও মক্কার ব্যবসায়ীদের কারাগারে আটক করিবার দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। ২৭
এইভাবে উছমান ইবনুল হুওয়ায়রিছ-এর ঘটনার পরিসমাপ্তি ঘটে। ইহা অবশ্যই ফিজার যুদ্ধের পরের ঘটনা এবং খুব সম্ভব কা'বাগৃহ পুনর্নির্মাণের নিকটবর্তী সময়ে ইহা ঘটিয়া থাকিবে। মহানবী-এর প্রায় ৩৫ বৎসর বয়সের সময় কা'বাঘর পুনঃনির্মিত হয়। মক্কায় একটি কেন্দ্রীয় ও সিদ্ধান্তদানক্ষম কর্তৃপক্ষের অনুপস্থিতিতে উছমানকে এইরূপ উচ্চাভিলাসী পদক্ষেপ গ্রহণে সম্ভবত প্ররোচিত করিয়াছিল। তাহার পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ায় ইহা প্রমাণিত হয় যে, সেই সময়ে মক্কার শাসনব্যবস্থা যাহাই থাকুক না কেন এবং আন্ত-গোত্রীয় দ্বন্দ্বের প্রকৃতি ও ব্যাপ্তি যেমনই হউক না কেন, কুরায়শ বংশ কোন বৈদেশিক হস্তক্ষেপ হইতে তাহাদের স্বাধীনতা রক্ষার মূল বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করিত।
এই ঘটনা প্রসংগে প্রাচ্যবিদগণ বেশ কিছু সংখ্যক ধারণা পোষণ করিয়া লয়। ওয়াট ইসলামের উত্থানকে মক্কার রাজনীতি ও উচ্চ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ব্যাখ্যা করিতে পছন্দ করেন। তিনি দুইটি বৃহৎ শক্তিধর রাষ্ট্র বায়যান্টীয় ও পারস্য সাম্রাজ্যের মধ্যে মক্কার নিরপেক্ষতার নীতিকে এই বিষয়টির সহিত সম্পৃক্ত করেন। তিনি বলেন, অন্যান্য কারণ থাকা সত্ত্বেও মক্কাবাসিগণ উছমান ইবনুল হুওয়ায়রিছকে প্রত্যাখ্যান করে। কারণ তাহারা মনে করে যে, তাহাদের নিরপেক্ষতার নীতি হইতে সরিয়া আসা বিজ্ঞজনোচিত হইবে না। ওয়াটের নিরপেক্ষতার তত্ত্বের সামগ্রিকভাবে অগ্রহণযোগ্যতার বিষয়টি সম্পর্কে পূর্বেই উল্লেখ করা হইয়াছে। এখানে শুধু এইটুকুই যোগ করা যাইতে পারে যে, অপর ক্ষমতাশালী রাষ্ট্র পারস্য সাম্রাজ্য মক্কাকে তাহাদের নিয়ন্ত্রণে আনয়নের কোনরূপ উদ্যোগ গ্রহণ করে নাই। তাই এই দুই শক্তিশালী রাষ্ট্রের মধ্যে কোন নিরপেক্ষতার নীতি অবলম্বনের প্রশ্ন বর্তমান ক্ষেত্রে উঠিতে পারে না। উছমান-এর অভিসন্দির বিপক্ষে মক্কার বিরুদ্ধতার সাধারণ কারণ উছমানের জ্ঞাতি আসওয়াদ-এর মতে, মক্কার স্বাধীন সত্তা। মক্কা কখনও এইরূপ কোন বাদশাহর অধীনে শাসিত হয় নাই এবং এইরূপ কোন অধীনতা মানিয়া লয় নাই। ২৯ দুইটি বৃহৎ শক্তির মধ্যে নিরপেক্ষতার নীতি অবলম্বনের বিষয়টির সহিত মক্কা কর্তৃক উছমানের প্রতারণাপূর্ণ দাবি প্রত্যাখ্যানকে ব্যাখ্যা করিবার প্রয়োজন হয় না, যখন সে একটি প্রতিষ্ঠিত ধর্মকে পরিত্যাগ ও একটি বৈদেশিক শক্তির ক্রীড়নকে পরিণত হইয়াছিল। এই অসৎ পরিকল্পনার উদ্দেশ্য এমন ছিল যে, সে কেবল মক্কার শাসকই হইবে না, সেখানকার প্রতিষ্ঠিত ধর্মের পরিবর্তে খৃস্টধর্মের প্রচলন করিবে। যদি তাহার ধর্মবিশ্বাস পরিত্যাগ নাও করিত এবং এমনকি বিদেশী অনুচর হিসাবে কাজ করিত, তবুও মক্কাবাসীদের প্রতিক্রিয়া একই রকম হইত।
ওয়াট হিলফুল ফুযূল সম্পর্কে তাহার তত্ত্বের সহিত এই ঘটনার একটি যোগসূত্র সৃষ্টি করিতে প্রয়াস পাইয়াছেন। তাই তিনি বলেন যে, হিল্ল্ফ-এর বাহিরে যদি বনু উমায়্যা ও বনূ মাখযূম গোত্র উছমান-এর বিরোধিতা করিবার জন্য আগাইয়া আসিত তাহা হইলে "ইহা ফুযূলের মৈত্রীবদ্ধতাকে মহাজীবন দান করিতে পারিত"। কিন্তু "নেতৃত্বদানের জন্য আসাদ গোত্রের একজন সদস্যকে পাওয়ার ফলে এইরূপ একটি পরিণতি এড়ান গিয়াছিল"।৩০ কোন উৎস গ্রন্থের সমর্থন ছাড়াই ইহা সম্পূর্ণ একটি অনুমান মাত্র। হিলফুল ফুযূল শুরু হইতেই দুর্বল ও অকার্যকর এইরূপ ধারণা ছিল সম্পূর্ণরূপে ত্রুটিপূর্ণ। এই ধারণার ভিত্তিহীনতা সম্পর্কে পূর্বেই আলোকপাত করা হইয়াছে। ৩১ উছমানের নিজের গোত্র বনূ আসাদ অবশ্যই হিল্ল্ফ-এর অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু উৎস গ্রন্থাদিতে এমন কোন ইঙ্গিত পাওয়া যায় না যে, এই দলের স্বার্থে তিনি কাজ করিয়াছিলেন। হিলফ্টভুক্ত অন্যান্য গোত্রসমূহ তাহাদের অবস্থানের উন্নতি ঘটাইবার জন্য তাহার এই প্রচেষ্টাকে কোনভাবেই বিবেচনাপ্রসূত বলিয়া দেখে নাই অথবা উৎস গ্রন্থাদিতে এমন কোন ইঙ্গিত নাই যে, উমায়্যা ও মাখযূমের মত গোত্রসমূহ হিল্ফের সহিত তাহাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতার আলোকে বিষয়টিকে বিবেচনা করিয়াছে এবং তাহা ছাড়া উছমানের বিরোধিতা করিবার জন্য বনূ আসাদ গোত্রের কাহাকেও অগ্রণী ভূমিকা পালনের উদ্দেশ্যে পাওয়ার কোন চেষ্টা করে নাই। যদি ঘটনাটি হিল্ফ ও তাহাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলির কোন বিষয় হইত তাহা হইলে ইহা বিশ্বাস করিবার কোন কারণ ছিল না যে, বনু আসাদ গোত্রের আল-আসওয়াদ ইব্ন আসাদ-এর মত একজন নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তি তাহার গোত্রীয় স্বার্থ অনুধাবনে ব্যর্থ হইবেন এবং তাহার পরিবর্তে বিপক্ষ দলের হাতের ক্রীড়নকে পরিণত হইবেন। অধিকন্তু ইহাও বিশ্বাসযোগ্য নয় যে, তাহার স্বীয় গোত্রের অন্যান্য নেতৃবর্গও তাহাকে ঐ ভূমিকা পালনের জন্য সমর্থন দান করিবেন। ওয়াট ঘটনাটির এইসব দিক উপেক্ষা করিয়া একটি অনুমানের উপর আরেকটি অনুমান দাঁড় করাইয়াছেন। এই সকল অনুমান এইরূপ ধরিয়া লওয়া ধারণার উপর প্রতিষ্ঠিত যে, হিল্ল্ফ-এর নেতৃবর্গ তাহাদের প্রতিদ্বন্দ্বিগণের ছল-চাতুরী যেন না বুঝিবার মত যথেষ্ট পরিমাণে বোকা ছিলেন। তবে যাহাই ঘটুক না কেন-বনূ মাখযূম ও বনূ উমায়্যার লোকেরা এই ঘটনার বিষয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে পর্দার অন্তরালে ছিল- ওয়াট-এর এই প্রাথমিক ধারণা ছিল ভ্রান্ত। কারণ বনূ মাখযূম গোত্রের অধিপতি আল-ওয়ালীদ ইবনুল মুগীরা প্রকৃতপক্ষে এই ঘটনার চূড়ান্ত দৃশ্যে প্রধান ভূমিকা পালন করেন এবং তিনিই উছমানের পতন ঘটান।
এই প্রসংগে তৃতীয় অনুমানটি মূলত মারগোলিয়থের সৃষ্ট এবং পরবর্তীতে ওয়াট ইহা গ্রহণ করেন। ইহা এইরূপ যে, উছমান ইবনুল হুওয়ায়রিছ-এর ঘটনার প্রেক্ষিতে মুহাম্মাদ তাহার খৃস্টধর্ম অথবা ইয়াহুদী ধর্ম গ্রহণের ফলে যে রাজনৈতিক জটিলতার সৃষ্টি হইয়াছিল সে সম্পর্কে সতর্ক ছিলেন। তাই তিনি (মুহাম্মাদ) এইরূপ রাজনৈতিক জটিলতামুক্ত এক আল্লাহ্ ইবাদতের ধর্ম প্রচলনে আগাইয়া আসেন। স্পষ্টতই এইরূপ ধারণার আর একটি ভিত্তি পাওয়া যায় যে, মুহাম্মাদ নবী হওয়ার জন্য সচেতনভাবে সুচিন্তিত পদক্ষেপ গ্রহণ করিয়াছিলেন।
এইরূপ অনুমানের ত্রুটি সম্বন্ধে পূর্বেই উল্লেখ করা হইয়াছে। ৩২ ইহা ছাড়া ওয়াটের এই ব্যাখ্যা আর একটি প্রতারণাদোষে দুষ্ট। ইহা এইরূপ অর্থ প্রকাশ যে, সেই সময়কার খৃস্টধর্ম ও ইয়াহুদী ধর্ম স্পষ্ট ও সন্দেহাতীতভাবে একশ্বরবাদের প্রচারকার্যে নিয়োজিত ছিল। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এই দুইটি ধর্মের ভূমিকা তাহা ছিল না এবং সত্য অনুসন্ধানকারীদের আচরণের মাধ্যমে ইহা বিস্তারিত প্রকাশ করা হইয়াছে। এই দুইটি ধর্মের সত্যতা অনুসন্ধানকারীদের অধিকাংশই কোন সন্তোষজনক ফলাফল লাভ করিতে না পারিয়া ইহাদের কোনটিকেই গ্রহণ করা হইতে বিরত থাকে। এই তথ্য প্রমাণ করে যে, খৃস্টধর্ম ও ইয়াহুদী ধর্মের বিকল্প-এক আল্লাহর ইবাদতের কোন ধর্ম প্রচারের জন্য মুহাম্মাদ-কে রাজনৈতিক বিবেচনার আশ্রয় গ্রহণ করিতে হইবে। ওয়াটের বর্ণনা মোতাবেক ইসলাম শুধু আরবদের নিকট কোন বিকল্প এক আল্লাহ্ ইবাদতের ধর্মমাত্র ছিল না, যাহা খৃষ্টধর্ম ও ইয়াহুদীদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা হারাইয়া আসিয়াছে। ৩৬
টিকাঃ
২০. আল-ফাসী, আল-ইকদুছ-ছামীন ইত্যাদি, ১খ., পৃ. ১৫৩।
২১. মুহাম্মাদ ইব্ন হাবীব আল-বাগদাদী, কিতাবুল মুনাম্মিক ফী আখবার কুরায়শ, সম্পা. খুরশিদ আহমাদ ফরিক, বৈরূত ১৯৮৫ খৃ., পৃ. ১৫৪।
২২. সুহায়লী, আল-রাওদুল উনুফ, ১খ., পৃ. ২৫৫।
২৩. পূর্বোক্ত বরাত।
২৪. গ্রাগুক্ত, আরও দ্র. আল-ফাসী, পূর্বোক্ত।
২৫. পূর্বোক্ত বরাত।
২৬. তিনি উছমানের চাচা হন। তবে আল-ফাসী ঐ বিরোধিতাকারী ব্যক্তিকে আবূ জাম'আহ নামে অভিহিত করিয়া উছমান-এর চাচাত ভাই হিসাবে বর্ণনা করিয়াছেন।
২৭. সুহায়লী, পূর্বোক্ত।
২৮. ওয়াট, এম, এট এম. পৃ. ১৬।
২৯. সুহায়লী, পূর্বোক্ত।
৩০. ওয়াট, এম, এট এম, ১৬।
৩১. প্রাগুক্ত, পৃ. ২২৭-২২৮।
৩২. প্রাগুক্ত, পরিচ্ছেদ ১০।
৩৩. ওয়াট, Muhamad's Mecca, পৃ. ৩৮।