📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 যুদ্ধের কারণ

📄 যুদ্ধের কারণ


শুরাহবীল ইবন 'আমর আল-গাসসানী ছিল রোম সম্রাট কর্তৃক নিযুক্ত সিরিয়ার শাসক। রাসূলুল্লাহ (স) বানু লাহাবের আল-হারিছ ইবন 'উমায়র আল-আযদীকে বুসরার শাসকের নিকট তাঁহার একখানা চিঠিসহ প্রেরণ করেন। শুরাহবীল তাহাকে বন্দী করে এবং হত্যা করে। রাসূলুল্লাহ (স) এই সংবাদ পাইয়া খুবই মর্মাহত হইলেন এবং এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি একটি সেনাঅভিযান প্রেরণ করিলেন (যাদুল মা'আদ, ২খ., ১৫৫)। দূত হত্যা অমার্জনীয় অপরাধ, অন্যদিকে শুরাহবীলের এই কাজটি ছিল মদীনার ইসলামী রাষ্ট্রের প্রতি হুমকিস্বরূপ। কৃত এই অন্যায় ও অপরাধের প্রতিবিধানকল্পে রাসূলুল্লাহ (স) ৩ হাজার সেনার একটি বাহিনী প্রেরণ করেন (ইসলামী বিশ্বকোষ, ২০খ., পৃ. ১)।
স্থানটি যদিও অনেক দূরবর্তী এবং দেশের সীমার বাহিরে ছিল, এতদসত্ত্বেও বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব আরোপ করিয়া রাসূলুল্লাহ (স) সেনা অভিযান পরিচালনা করেন (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ২৩৫)। হারিছ ইবন 'উমায়র আল-আযদী রওয়ানা হইয়া মু'তা নামক স্থানে পৌছিলে শুরাহবীল তাহার মুখামুখী হইয়া জিজ্ঞাসা করিল, কোথায় যাইতেছ? তিনি বলিলেন, শামে যাইতেছি। সে বলিল, সম্ভবত "তুমি মুহাম্মাদের দূত"। তিনি ইতিবাচক জওয়াব দিলেন। ইহাতে সে হারিছ (রা)-কে হত্যা করে। ইতোপূর্বে রাসূলুল্লাহ (স)-এর কোন দূতকে হত্যা করা হয় নাই। রাজ-দরবারের দূতগণের নিরাপত্তা সর্বজন স্বীকৃত ছিল (মাদারিজুন নুবুওয়া, ৪৫৩)।

শুরাহবীল ইবন 'আমর আল-গাসসানী ছিল রোম সম্রাট কর্তৃক নিযুক্ত সিরিয়ার শাসক। রাসূলুল্লাহ (স) বানু লাহাবের আল-হারিছ ইবন 'উমায়র আল-আযদীকে বুসরার শাসকের নিকট তাঁহার একখানা চিঠিসহ প্রেরণ করেন। শুরাহবীল তাহাকে বন্দী করে এবং হত্যা করে। রাসূলুল্লাহ (স) এই সংবাদ পাইয়া খুবই মর্মাহত হইলেন এবং এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি একটি সেনাঅভিযান প্রেরণ করিলেন (যাদুল মা'আদ, ২খ., ১৫৫)। দূত হত্যা অমার্জনীয় অপরাধ, অন্যদিকে শুরাহবীলের এই কাজটি ছিল মদীনার ইসলামী রাষ্ট্রের প্রতি হুমকিস্বরূপ। কৃত এই অন্যায় ও অপরাধের প্রতিবিধানকল্পে রাসূলুল্লাহ (স) ৩ হাজার সেনার একটি বাহিনী প্রেরণ করেন (ইসলামী বিশ্বকোষ, ২০খ., পৃ. ১)।
স্থানটি যদিও অনেক দূরবর্তী এবং দেশের সীমার বাহিরে ছিল, এতদসত্ত্বেও বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব আরোপ করিয়া রাসূলুল্লাহ (স) সেনা অভিযান পরিচালনা করেন (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ২৩৫)। হারিছ ইবন 'উমায়র আল-আযদী রওয়ানা হইয়া মু'তা নামক স্থানে পৌছিলে শুরাহবীল তাহার মুখামুখী হইয়া জিজ্ঞাসা করিল, কোথায় যাইতেছ? তিনি বলিলেন, শামে যাইতেছি। সে বলিল, সম্ভবত "তুমি মুহাম্মাদের দূত"। তিনি ইতিবাচক জওয়াব দিলেন। ইহাতে সে হারিছ (রা)-কে হত্যা করে। ইতোপূর্বে রাসূলুল্লাহ (স)-এর কোন দূতকে হত্যা করা হয় নাই। রাজ-দরবারের দূতগণের নিরাপত্তা সর্বজন স্বীকৃত ছিল (মাদারিজুন নুবুওয়া, ৪৫৩)।

শুরাহবীল ইবন 'আমর আল-গাসসানী ছিল রোম সম্রাট কর্তৃক নিযুক্ত সিরিয়ার শাসক। রাসূলুল্লাহ (স) বানু লাহাবের আল-হারিছ ইবন 'উমায়র আল-আযদীকে বুসরার শাসকের নিকট তাঁহার একখানা চিঠিসহ প্রেরণ করেন। শুরাহবীল তাহাকে বন্দী করে এবং হত্যা করে। রাসূলুল্লাহ (স) এই সংবাদ পাইয়া খুবই মর্মাহত হইলেন এবং এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি একটি সেনাঅভিযান প্রেরণ করিলেন (যাদুল মা'আদ, ২খ., ১৫৫)। দূত হত্যা অমার্জনীয় অপরাধ, অন্যদিকে শুরাহবীলের এই কাজটি ছিল মদীনার ইসলামী রাষ্ট্রের প্রতি হুমকিস্বরূপ। কৃত এই অন্যায় ও অপরাধের প্রতিবিধানকল্পে রাসূলুল্লাহ (স) ৩ হাজার সেনার একটি বাহিনী প্রেরণ করেন (ইসলামী বিশ্বকোষ, ২০খ., পৃ. ১)।
স্থানটি যদিও অনেক দূরবর্তী এবং দেশের সীমার বাহিরে ছিল, এতদসত্ত্বেও বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব আরোপ করিয়া রাসূলুল্লাহ (স) সেনা অভিযান পরিচালনা করেন (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ২৩৫)। হারিছ ইবন 'উমায়র আল-আযদী রওয়ানা হইয়া মু'তা নামক স্থানে পৌছিলে শুরাহবীল তাহার মুখামুখী হইয়া জিজ্ঞাসা করিল, কোথায় যাইতেছ? তিনি বলিলেন, শামে যাইতেছি। সে বলিল, সম্ভবত "তুমি মুহাম্মাদের দূত"। তিনি ইতিবাচক জওয়াব দিলেন। ইহাতে সে হারিছ (রা)-কে হত্যা করে। ইতোপূর্বে রাসূলুল্লাহ (স)-এর কোন দূতকে হত্যা করা হয় নাই। রাজ-দরবারের দূতগণের নিরাপত্তা সর্বজন স্বীকৃত ছিল (মাদারিজুন নুবুওয়াত, ৪৫৩)।

শুরাহবীল ইবন 'আমর আল-গাসসানী ছিল রোম সম্রাট কর্তৃক নিযুক্ত সিরিয়ার শাসক। রাসূলুল্লাহ (স) বানু লাহাবের আল-হারিছ ইবন 'উমায়র আল-আযদীকে বুসরার শাসকের নিকট তাঁহার একখানা চিঠিসহ প্রেরণ করেন। শুরাহবীল তাহাকে বন্দী করে এবং হত্যা করে। রাসূলুল্লাহ (স) এই সংবাদ পাইয়া খুবই মর্মাহত হইলেন এবং এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি একটি সেনাঅভিযান প্রেরণ করিলেন (যাদুল মা'আদ, ২খ., ১৫৫)। দূত হত্যা অমার্জনীয় অপরাধ, অন্যদিকে শুরাহবীলের এই কাজটি ছিল মদীনার ইসলামী রাষ্ট্রের প্রতি হুমকিস্বরূপ। কৃত এই অন্যায় ও অপরাধের প্রতিবিধানকল্পে রাসূলুল্লাহ (স) ৩ হাজার সেনার একটি বাহিনী প্রেরণ করেন (ইসলামী বিশ্বকোষ, ২০খ., পৃ. ১)।
স্থানটি যদিও অনেক দূরবর্তী এবং দেশের সীমার বাহিরে ছিল, এতদসত্ত্বেও বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব আরোপ করিয়া রাসূলুল্লাহ (স) সেনা অভিযান পরিচালনা করেন (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ২৩৫)। হারিছ ইবন 'উমায়র আল-আযদী রওয়ানা হইয়া মু'তা নামক স্থানে পৌছিলে শুরাহবীল তাহার মুখামুখী হইয়া জিজ্ঞাসা করিল, কোথায় যাইতেছ? তিনি বলিলেন, শামে যাইতেছি। সে বলিল, সম্ভবত "তুমি মুহাম্মাদের দূত"। তিনি ইতিবাচক জওয়াব দিলেন। ইহাতে সে হারিছ (রা)-কে হত্যা করে। ইতোপূর্বে রাসূলুল্লাহ (স)-এর কোন দূতকে হত্যা করা হয় নাই। রাজ-দরবারের দূতগণের নিরাপত্তা সর্বজন স্বীকৃত ছিল (মাদারিজুন নুবুওয়াত, ৪৫৩)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 সেনা অভিযানের কাল

📄 সেনা অভিযানের কাল


'উরওয়া হইতে "মাগাযী আবিল আসওয়াদ"-এ বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ (স) সেনাদলকে মৃ'তার দিকে প্রেরণ করিয়াছিলেন ৮ম হিজরীর জুমাদাল উলা মাসে। ইবন ইসহাক ও মূসা ইব্‌ন 'উকবা প্রমুখ মাগাযী গ্রন্থকারগণ অনুরূপ অভিমত প্রকাশ করিয়াছেন। ইহাতে তাঁহাদের মধ্যে কোন মতবিরোধ নাই। তবে "খলীফা” তাঁহার ইতিহাস গ্রন্থে উল্লেখ করিয়াছেন যে, এই অভিযান, সপ্তম হিজরী সনে পরিচালিত হইয়াছিল (ফাতহুল বারী, ৭খ., ৫১১)। মুহাম্মাদ ইন্ন ইসহাক "উমরাতুল কাদার" কথা উল্লেখ করিবার পর বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) যুল-হিজ্জা মাসের অবশিষ্ট দিনগুলি এবং মুহাররম, সাফার, রাবী'উল আওয়াল ও রবী'উছছানী মাস পর্যন্ত মদীনায় অবস্থান করিবার পর জুমাদাল উলা মাসে সেই সৈন্যদলকে শামের দিকে প্রেরণ করেন, যাহারা মৃ'তা অভিযানে আক্রান্ত হইয়াছিলেন। মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক আরও বলেন, 'উরওয়া বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) মৃ'তা অভিমুখে ৮ম হিজরী সনের জুমাদাল উলা মাসে সৈন্যবাহিনী প্রেরণ করিয়া যায়দ ইব্‌ন হারিছা (রা)-কে তাহাদের সেনাপতি নিযুক্ত করিয়ছিলেন (ইব্‌ন কাছীর, আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., ২৪১)।

'উরওয়া হইতে "মাগাযী আবিল আসওয়াদ"-এ বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ (স) সেনাদলকে মৃ'তার দিকে প্রেরণ করিয়াছিলেন ৮ম হিজরীর জুমাদাল উলা মাসে। ইবন ইসহাক ও মূসা ইব্‌ন 'উকবা প্রমুখ মাগাযী গ্রন্থকারগণ অনুরূপ অভিমত প্রকাশ করিয়াছেন। ইহাতে তাঁহাদের মধ্যে কোন মতবিরোধ নাই। তবে "খলীফা” তাঁহার ইতিহাস গ্রন্থে উল্লেখ করিয়াছেন যে, এই অভিযান, সপ্তম হিজরী সনে পরিচালিত হইয়াছিল (ফাতহুল বারী, ৭খ., ৫১১)। মুহাম্মাদ ইন্ন ইসহাক "উমরাতুল কাদার" কথা উল্লেখ করিবার পর বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) যুল-হিজ্জা মাসের অবশিষ্ট দিনগুলি এবং মুহাররম, সাফার, রাবী'উল আওয়াল ও রবী'উছছানী মাস পর্যন্ত মদীনায় অবস্থান করিবার পর জুমাদাল উলা মাসে সেই সৈন্যদলকে শামের দিকে প্রেরণ করেন, যাহারা মৃ'তা অভিযানে আক্রান্ত হইয়াছিলেন। মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক আরও বলেন, 'উরওয়া বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) মৃ'তা অভিমুখে ৮ম হিজরী সনের জুমাদাল উলা মাসে সৈন্যবাহিনী প্রেরণ করিয়া যায়দ ইব্‌ন হারিছা (রা)-কে তাহাদের সেনাপতি নিযুক্ত করিয়ছিলেন (ইব্‌ন কাছীর, আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., ২৪১)।

'উরওয়া হইতে "মাগাযী আবিল আসওয়াদ"-এ বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ (স) সেনাদলকে মৃ'তার দিকে প্রেরণ করিয়াছিলেন ৮ম হিজরীর জুমাদাল উলা মাসে। ইবন ইসহাক ও মূসা ইব্‌ন 'উকবা প্রমুখ মাগাযী গ্রন্থকারগণ অনুরূপ অভিমত প্রকাশ করিয়াছেন। ইহাতে তাঁহাদের মধ্যে কোন মতবিরোধ নাই। তবে "খলীফা” তাঁহার ইতিহাস গ্রন্থে উল্লেখ করিয়াছেন যে, এই অভিযান, সপ্তম হিজরী সনে পরিচালিত হইয়াছিল (ফাতহুল বারী, ৭খ., ৫১১)। মুহাম্মাদ ইন্ন ইসহাক "উমরাতুল কাদার" কথা উল্লেখ করিবার পর বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) যুল-হিজ্জা মাসের অবশিষ্ট দিনগুলি এবং মুহাররম, সাফার, রাবী'উল আওয়াল ও রবী'উছছানী মাস পর্যন্ত মদীনায় অবস্থান করিবার পর জুমাদাল উলা মাসে সেই সৈন্যদলকে শামের দিকে প্রেরণ করেন, যাহারা মৃ'তা অভিযানে আক্রান্ত হইয়াছিলেন। মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক আরও বলেন, 'উরওয়া বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) মৃ'তা অভিমুখে ৮ম হিজরী সনের জুমাদাল উলা মাসে সৈন্যবাহিনী প্রেরণ করিয়া যায়দ ইব্‌ন হারিছা (রা)-কে তাহাদের সেনাপতি নিযুক্ত করিয়ছিলেন (ইব্‌ন কাছীর, আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., ২৪১)।

'উরওয়া হইতে "মাগাযী আবিল আসওয়াদ"-এ বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ (স) সেনাদলকে মৃ'তার দিকে প্রেরণ করিয়াছিলেন ৮ম হিজরীর জুমাদাল উলা মাসে। ইবন ইসহাক ও মূসা ইব্‌ন 'উকবা প্রমুখ মাগাযী গ্রন্থকারগণ অনুরূপ অভিমত প্রকাশ করিয়াছেন। ইহাতে তাঁহাদের মধ্যে কোন মতবিরোধ নাই। তবে "খলীফা” তাঁহার ইতিহাস গ্রন্থে উল্লেখ করিয়াছেন যে, এই অভিযান, সপ্তম হিজরী সনে পরিচালিত হইয়াছিল (ফাতহুল বারী, ৭খ., ৫১১)। মুহাম্মাদ ইন্ন ইসহাক "উমরাতুল কাদার" কথা উল্লেখ করিবার পর বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) যুল-হিজ্জা মাসের অবশিষ্ট দিনগুলি এবং মুহাররম, সাফার, রাবী'উল আওয়াল ও রবী'উছছানী মাস পর্যন্ত মদীনায় অবস্থান করিবার পর জুমাদাল উলা মাসে সেই সৈন্যদলকে শামের দিকে প্রেরণ করেন, যাহারা মৃ'তা অভিযানে আক্রান্ত হইয়াছিলেন। মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক আরও বলেন, 'উরওয়া বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) মৃ'তা অভিমুখে ৮ম হিজরী সনের জুমাদাল উলা মাসে সৈন্যবাহিনী প্রেরণ করিয়া যায়দ ইব্‌ন হারিছা (রা)-কে তাহাদের সেনাপতি নিযুক্ত করিয়ছিলেন (ইব্‌ن কাছীর, আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., ২৪১)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 সেনাপতি নিয়োগ

📄 সেনাপতি নিয়োগ


এই যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (স) ধারাবাহিকভাবে তিনজন সেনাপতি নির্বাচন করিয়াছিলেন। এই তিনজনের অনুপস্থিতিতে চতুর্থ সেনাপতি নির্বাচনের দায়িত্ব উপস্থিত মুসলমানগণের উপর ন্যস্ত করিয়াছিলেন। তাহাদিগের মধ্যে সর্বপ্রথম হইলেন যায়দ ইব্‌ন হারিছা (রা), তিনি শাহাদাত বরণ করিলে মহানবী (সা-এর চাচাত ভাই জা'ফার ইব্‌ন আবূ তালিব (রা), তিনিও শহীদ হইলে কবি 'আবদুল্লাহ ইবন রাওয়াহা (রা) নেতৃত্ব গ্রহণ করিবেন। একমাত্র এই অভিযানেই রাসূলুল্লাহ (স) পর্যায়ক্রমে তিনজন সাহাবীকে সেনাপতি নিয়োগ করিয়াছিলেন (ইসলামী বিশ্বকোষ, ২০খ., (পৃ. ১)। আল-ওয়াকিদী তদীয় সূত্রে আল-হাকাম হইতে নিম্নোক্ত রিওয়ায়তটি বর্ণনা করিয়াছেন। আল-হাকাম বলেন:
جَاءَ النُّعْمَانُ بْنُ فَنْحَصِ الْيَهُودِيُّ فَوَقَفَ عَلَى رَسُولِ اللهِ ﷺ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ زَيْدُ بْنُ حَارِثَةَ أَمِيرُ النَّاسِ فَإِنْ قُتِلَ زَيْدٌ فَجَعْفَرُ بْنُ أَبِي طَالِبٍ فَإِنْ قُتِلَ جَعْفَرُ فَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَوَاحَةَ فَإِنْ قُتِلَ عَبْدَ اللهِ بْنُ رَوَاحَةَ فَلْيَرْتَضِ الْمُسْلِمُونَ بَيْنَهُمْ رَجُلاً فَلْيَجْعَلُوهُ عَلَيْهِمْ فَقَالَ النُّعْمَانُ أَبَا الْقَاسِمِ إِنْ كُنْتَ نَبِيًّا فَلَوْ سَمَّيْتَ مَنْ سَمَّيْتَ قَلِيلًا أَوْ كَثِيرًا أَصِيبُوا جَمِيعًا إِنَّ الْأَنْبِيَاءَ فِي بَنِي إِسْرَائِيلَ كَانُوا إِذَا سَمُّوا الرَّجُلَ عَلَى الْقَوْمِ فَقَالُوا إِنْ أَصِيْبَ - فُلانٌ فَفُلَانٌ فَلَوْ سَمُوا مِائَةً أَصِيبُوا جَمِيعًا ثُمَّ جَعَلَ يَقُولُ لِزَيْدٍ أَعْهُدُ فَإِنَّكَ لَا تَرْجِعُ أَبَدًا إِنْ كَانَ مُحَمَّدٌ نَبِيًّا فَقَالَ زَيْدٌ أَشْهَدُ أَنَّهُ نَبِيُّ صَادِقُ بَارُ (رواه البيهقي).
"নু'মান ইব্‌ন ফানহাস ইয়াহুদী আসিয়া লোকজনের সঙ্গে রাসূলুল্লাহ (স)-এর সামনে দাঁড়াইল। এই সময় রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন, যায়দ ইবন হারিছা সৈন্যবাহিনীর সেনাপতি, যায়দ শহীদ হইলে জা'ফার ইব্‌ন আবী তালিব, জা'ফার শহীদ হইলে আবদুল্লাহ ইব্‌ন রাওয়াহা, আবদুল্লাহ ইব্‌ন রাওয়াহা শহীদ হইলে মুসলিমগণ তাহাদের পছন্দমত এক ব্যক্তিকে তাহাদিগের সেনাপতি নিযুক্ত করিবে। ইহা শুনিয়া নু'মান বলিল, হে আবুল কাসিম! আপনি যদি নবী হইয়া থাকেন তাহা হইলে আপনি যতজনের নাম উচ্চারণ করিলেন সকলেই শহীদ হইবে। বানী ইসরাঈলের নবীগণ যখন কোন ব্যক্তিকে কোন গোত্রের উপর নির্ধারণ করিয়া দিতেন তখন যদি তাহারা বলিতেন অমুক নিহত হইবে তাহা হইলে সে নিহত হইত। তাহারা যদি এক শত ব্যক্তির নাম উচ্চারণ করিতেন তাহা হইলে সকলেই নিহত হইত। অতঃপর নু'মান যায়দ (রা)-কে বলিল, আমি শপথ করিয়া বলিতেছি, যদি মুহাম্মাদ নবী হইয়া থাকেন তাহা হইলে তুমি কখনও ফিরিয়া আসিবে না। তাহার উত্তরে যায়দ (রা) বলিলেন, আমি সাক্ষ্য দিতেছি যে, তিনি সত্যবাদী পুণ্যবান নবী" (বায়হাকী আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., ২৪১)।
সীরাতবিদগণ বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ (স) যায়দ (রা)-কে সেনাপতি নিযুক্ত করিলেন তখন জা'ফার ইব্‌ন আবী তালিব আরয করিলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার এই আশা ছিল না যে, আপনি সেনাপতি নিযুক্ত করিতে আমার উপর যায়দকে প্রাধান্য দিবেন। রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন, হে জা'ফার! তুমি অভিযানে রওয়ানা হও এবং আল্লাহ্র রাসূলের আদেশের অনুগত হও। তুমি একথা অবগত নও যে, তোমার কল্যাণ কোন কাজে রহিয়াছে (মাদারিজুন নুবুওয়া, ২খ., ৪৫৪)।

এই যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (স) ধারাবাহিকভাবে তিনজন সেনাপতি নির্বাচন করিয়াছিলেন। এই তিনজনের অনুপস্থিতিতে চতুর্থ সেনাপতি নির্বাচনের দায়িত্ব উপস্থিত মুসলমানগণের উপর ন্যস্ত করিয়াছিলেন। তাহাদিগের মধ্যে সর্বপ্রথম হইলেন যায়দ ইব্‌ন হারিছা (রা), তিনি শাহাদাত বরণ করিলে মহানবী (সা-এর চাচাত ভাই জা'ফার ইব্‌ন আবূ তালিব (রা), তিনিও শহীদ হইলে কবি 'আবদুল্লাহ ইবন রাওয়াহা (রা) নেতৃত্ব গ্রহণ করিবেন। একমাত্র এই অভিযানেই রাসূলুল্লাহ (স) পর্যায়ক্রমে তিনজন সাহাবীকে সেনাপতি নিয়োগ করিয়াছিলেন (ইসলামী বিশ্বকোষ, ২০খ., (পৃ. ১)। আল-ওয়াকিদী তদীয় সূত্রে আল-হাকাম হইতে নিম্নোক্ত রিওয়ায়তটি বর্ণনা করিয়াছেন। আল-হাকাম বলেন:
جَاءَ النُّعْمَانُ بْنُ فَنْحَصِ الْيَهُودِيُّ فَوَقَفَ عَلَى رَسُولِ اللهِ ﷺ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ زَيْدُ بْنُ حَارِثَةَ أَمِيرُ النَّاسِ فَإِنْ قُتِلَ زَيْدٌ فَجَعْفَرُ بْنُ أَبِي طَالِبٍ فَإِنْ قُتِلَ جَعْفَرُ فَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَوَاحَةَ فَإِنْ قُتِلَ عَبْدَ اللهِ بْنُ رَوَاحَةَ فَلْيَرْتَضِ الْمُسْلِمُونَ بَيْنَهُمْ رَجُلاً فَلْيَجْعَلُوهُ عَلَيْهِمْ فَقَالَ النُّعْمَانُ أَبَا الْقَاسِمِ إِنْ كُنْتَ نَبِيًّا فَلَوْ سَمَّيْتَ مَنْ سَمَّيْتَ قَلِيلًا أَوْ كَثِيرًا أَصِيبُوا جَمِيعًا إِنَّ الْأَنْبِيَاءَ فِي بَنِي إِسْرَائِيلَ كَانُوا إِذَا سَمُّوا الرَّجُلَ عَلَى الْقَوْمِ فَقَالُوا إِنْ أَصِيْبَ - فُلانٌ فَفُلَانٌ فَلَوْ سَمُوا مِائَةً أَصِيبُوا جَمِيعًا ثُمَّ جَعَلَ يَقُولُ لِزَيْدٍ أَعْهُدُ فَإِنَّكَ لَا تَرْجِعُ أَبَدًا إِنْ كَانَ مُحَمَّدٌ نَبِيًّا فَقَالَ زَيْدٌ أَشْهَدُ أَنَّهُ نَبِيُّ صَادِقُ بَارُ (رواه البيهقي).
"নু'মান ইব্‌ন ফানহাস ইয়াহুদী আসিয়া লোকজনের সঙ্গে রাসূলুল্লাহ (স)-এর সামনে দাঁড়াইল। এই সময় রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন, যায়দ ইবন হারিছা সৈন্যবাহিনীর সেনাপতি, যায়দ শহীদ হইলে জা'ফার ইব্‌ন আবী তালিব, জা'ফার শহীদ হইলে আবদুল্লাহ ইব্‌ন রাওয়াহা, আবদুল্লাহ ইব্‌ন রাওয়াহা শহীদ হইলে মুসলিমগণ তাহাদের পছন্দমত এক ব্যক্তিকে তাহাদিগের সেনাপতি নিযুক্ত করিবে। ইহা শুনিয়া নু'মান বলিল, হে আবুল কাসিম! আপনি যদি নবী হইয়া থাকেন তাহা হইলে আপনি যতজনের নাম উচ্চারণ করিলেন সকলেই শহীদ হইবে। বানী ইসরাঈলের নবীগণ যখন কোন ব্যক্তিকে কোন গোত্রের উপর নির্ধারণ করিয়া দিতেন তখন যদি তাহারা বলিতেন অমুক নিহত হইবে তাহা হইলে সে নিহত হইত। তাহারা যদি এক শত ব্যক্তির নাম উচ্চারণ করিতেন তাহা হইলে সকলেই নিহত হইত। অতঃপর নু'মান যায়দ (রা)-কে বলিল, আমি শপথ করিয়া বলিতেছি, যদি মুহাম্মাদ নবী হইয়া থাকেন তাহা হইলে তুমি কখনও ফিরিয়া আসিবে না। তাহার উত্তরে যায়দ (রা) বলিলেন, আমি সাক্ষ্য দিতেছি যে, তিনি সত্যবাদী পুণ্যবান নবী" (বায়হাকী আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., ২৪১)।
সীরাতবিদগণ বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ (স) যায়দ (রা)-কে সেনাপতি নিযুক্ত করিলেন তখন জা'ফার ইব্‌ন আবী তালিব আরয করিলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার এই আশা ছিল না যে, আপনি সেনাপতি নিযুক্ত করিতে আমার উপর যায়দকে প্রাধান্য দিবেন। রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন, হে জা'ফার! তুমি অভিযানে রওয়ানা হও এবং আল্লাহ্র রাসূলের আদেশের অনুগত হও। তুমি একথা অবগত নও যে, তোমার কল্যাণ কোন কাজে রহিয়াছে (মাদারিজুন নুবুওয়া, ২খ., ৪৫৪)।

এই যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (স) ধারাবাহিকভাবে তিনজন সেনাপতি নির্বাচন করিয়াছিলেন। এই তিনজনের অনুপস্থিতিতে চতুর্থ সেনাপতি নির্বাচনের দায়িত্ব উপস্থিত মুসলমানগণের উপর ন্যস্ত করিয়াছিলেন। তাহাদিগের মধ্যে সর্বপ্রথম হইলেন যায়দ ইব্‌ন হারিছা (রা), তিনি শাহাদাত বরণ করিলে মহানবী (সা-এর চাচাত ভাই জা'ফার ইব্‌ন আবূ তালিব (রা), তিনিও শহীদ হইলে কবি 'আবদুল্লাহ ইবন রাওয়াহা (রা) নেতৃত্ব গ্রহণ করিবেন। একমাত্র এই অভিযানেই রাসূলুল্লাহ (স) পর্যায়ক্রমে তিনজন সাহাবীকে সেনাপতি নিয়োগ করিয়াছিলেন (ইসলামী বিশ্বকোষ, ২০খ., (পৃ. ১)। আল-ওয়াকিদী তদীয় সূত্রে আল-হাকাম হইতে নিম্নোক্ত রিওয়ায়তটি বর্ণনা করিয়াছেন। আল-হাকাম বলেন:
جَاءَ النُّعْمَانُ بْنُ فَنْحَصِ الْيَهُودِيُّ فَوَقَفَ عَلَى رَسُولِ اللهِ ﷺ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ زَيْدُ بْنُ حَارِثَةَ أَمِيرُ النَّاسِ فَإِنْ قُتِلَ زَيْدٌ فَجَعْفَرُ بْنُ أَبِي طَالِبٍ فَإِنْ قُتِلَ جَعْفَرُ فَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَوَاحَةَ فَإِنْ قُتِلَ عَبْدَ اللهِ بْنُ رَوَاحَةَ فَلْيَرْتَضِ الْمُسْلِمُونَ بَيْنَهُمْ رَجُلاً فَلْيَجْعَلُوهُ عَلَيْهِمْ فَقَالَ النُّعْمَانُ أَبَا الْقَاسِمِ إِنْ كُنْتَ نَبِيًّا فَلَوْ سَمَّيْتَ مَنْ سَمَّيْتَ قَلِيلًا أَوْ كَثِيرًا أَصِيبُوا جَمِيعًا إِنَّ الْأَنْبِيَاءَ فِي بَنِي إِسْرَائِيلَ كَانُوا إِذَا سَمُّوا الرَّجُلَ عَلَى الْقَوْمِ فَقَالُوا إِنْ أَصِيْبَ - فُلانٌ فَفُلَانٌ فَلَوْ سَمُوا مِائَةً أَصِيبُوا جَمِيعًا ثُمَّ جَعَلَ يَقُولُ لِزَيْدٍ أَعْهُدُ فَإِنَّكَ لَا تَرْجِعُ أَبَدًا إِنْ كَانَ مُحَمَّدٌ نَبِيًّا فَقَالَ زَيْدٌ أَشْهَدُ أَنَّهُ نَبِيُّ صَادِقُ بَارُ (رواه البيهقي).
"নু'মান ইব্‌ন ফানহাস ইয়াহুদী আসিয়া লোকজনের সঙ্গে রাসূলুল্লাহ (স)-এর সামনে দাঁড়াইল। এই সময় রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন, যায়দ ইবন হারিছা সৈন্যবাহিনীর সেনাপতি, যায়দ শহীদ হইলে জা'ফার ইব্‌ন আবী তালিব, জা'ফার শহীদ হইলে আবদুল্লাহ ইব্‌ন রাওয়াহা, আবদুল্লাহ ইব্‌ন রাওয়াহা শহীদ হইলে মুসলিমগণ তাহাদের পছন্দমত এক ব্যক্তিকে তাহাদিগের সেনাপতি নিযুক্ত করিবে। ইহা শুনিয়া নু'মান বলিল, হে আবুল কাসিম! আপনি যদি নবী হইয়া থাকেন তাহা হইলে আপনি যতজনের নাম উচ্চারণ করিলেন সকলেই শহীদ হইবে। বানী ইসরাঈলের নবীগণ যখন কোন ব্যক্তিকে কোন গোত্রের উপর নির্ধারণ করিয়া দিতেন তখন যদি তাহারা বলিতেন অমুক নিহত হইবে তাহা হইলে সে নিহত হইত। তাহারা যদি এক শত ব্যক্তির নাম উচ্চারণ করিতেন তাহা হইলে সকলেই নিহত হইত। অতঃপর নু'মান যায়দ (রা)-কে বলিল, আমি শপথ করিয়া বলিতেছি, যদি মুহাম্মাদ নবী হইয়া থাকেন তাহা হইলে তুমি কখনও ফিরিয়া আসিবে না। তাহার উত্তরে যায়দ (রা) বলিলেন, আমি সাক্ষ্য দিতেছি যে, তিনি সত্যবাদী পুণ্যবান নবী" (বায়হাকী আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., ২৪১)।
সীরাতবিদগণ বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ (স) যায়দ (রা)-কে সেনাপতি নিযুক্ত করিলেন তখন জা'ফার ইব্‌ন আবী তালিব আরয করিলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার এই আশা ছিল না যে, আপনি সেনাপতি নিযুক্ত করিতে আমার উপর যায়দকে প্রাধান্য দিবেন। রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন, হে জা'ফার! তুমি অভিযানে রওয়ানা হও এবং আল্লাহ্র রাসূলের আদেশের অনুগত হও। তুমি একথা অবগত নও যে, তোমার কল্যাণ কোন কাজে রহিয়াছে (মাদারিজুন নুবুওয়াত, ২খ., ৪৫৪)।

এই যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (স) ধারাবাহিকভাবে তিনজন সেনাপতি নির্বাচন করিয়াছিলেন। এই তিনজনের অনুপস্থিতিতে চতুর্থ সেনাপতি নির্বাচনের দায়িত্ব উপস্থিত মুসলমানগণের উপর ন্যস্ত করিয়াছিলেন। তাহাদিগের মধ্যে সর্বপ্রথম হইলেন যায়দ ইব্‌ন হারিছা (রা), তিনি শাহাদাত বরণ করিলে মহানবী (সা-এর চাচাত ভাই জা'ফার ইব্‌ন আবূ তালিব (রা), তিনিও শহীদ হইলে কবি 'আবদুল্লাহ ইবন রাওয়াহা (রা) নেতৃত্ব গ্রহণ করিবেন। একমাত্র এই অভিযানেই রাসূলুল্লাহ (স) পর্যায়ক্রমে তিনজন সাহাবীকে সেনাপতি নিয়োগ করিয়াছিলেন (ইসলামী বিশ্বকোষ, ২০খ., (পৃ. ১)। আল-ওয়াকিদী তদীয় সূত্রে আল-হাকাম হইতে নিম্নোক্ত রিওয়ায়তটি বর্ণনা করিয়াছেন। আল-হাকাম বলেন:
جَاءَ النُّعْمَانُ بْنُ فَنْحَصِ الْيَهُودِيُّ فَوَقَفَ عَلَى رَسُولِ اللهِ ﷺ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ زَيْدُ بْنُ حَارِثَةَ أَمِيرُ النَّاسِ فَإِنْ قُتِلَ زَيْدٌ فَجَعْفَرُ بْنُ أَبِي طَالِبٍ فَإِنْ قُتِلَ جَعْفَرُ فَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَوَاحَةَ فَإِنْ قُتِلَ عَبْدَ اللهِ بْنُ رَوَاحَةَ فَلْيَرْتَضِ الْمُسْلِمُونَ بَيْنَهُمْ رَجُلاً فَلْيَجْعَلُوهُ عَلَيْهِمْ فَقَالَ النُّعْمَانُ أَبَا الْقَاسِمِ إِنْ كُنْتَ نَبِيًّا فَلَوْ سَمَّيْتَ مَنْ سَمَّيْتَ قَلِيلًا أَوْ كَثِيرًا أَصِيبُوا جَمِيعًا إِنَّ الْأَنْبِيَاءَ فِي بَنِي إِسْرَائِيلَ كَانُوا إِذَا سَمُّوا الرَّجُلَ عَلَى الْقَوْمِ فَقَالُوا إِنْ أَصِيْبَ - فُلانٌ فَفُلَانٌ فَلَوْ سَمُوا مِائَةً أَصِيبُوا جَمِيعًا ثُمَّ جَعَلَ يَقُولُ لِزَيْدٍ أَعْهُدُ فَإِنَّكَ لَا تَرْجِعُ أَبَدًا إِنْ كَانَ مُحَمَّدٌ نَبِيًّا فَقَالَ زَيْدٌ أَشْهَدُ أَنَّهُ نَبِيُّ صَادِقُ بَارُ (رواه البيهقي).
"নু'মান ইব্‌ন ফানহাস ইয়াহুদী আসিয়া লোকজনের সঙ্গে রাসূলুল্লাহ (স)-এর সামনে দাঁড়াইল। এই সময় রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন, যায়দ ইবন হারিছা সৈন্যবাহিনীর সেনাপতি, যায়দ শহীদ হইলে জা'ফার ইব্‌ن আবী তালিব, জা'ফার শহীদ হইলে আবদুল্লাহ ইব্‌ন রাওয়াহা, আবদুল্লাহ ইব্‌ن রাওয়াহা শহীদ হইলে মুসলিমগণ তাহাদের পছন্দমত এক ব্যক্তিকে তাহাদিগের সেনাপতি নিযুক্ত করিবে। ইহা শুনিয়া নু'মান বলিল, হে আবুল কাসিম! আপনি যদি নবী হইয়া থাকেন তাহা হইলে আপনি যতজনের নাম উচ্চারণ করিলেন সকলেই শহীদ হইবে। বানী ইসরাঈলের নবীগণ যখন কোন ব্যক্তিকে কোন গোত্রের উপর নির্ধারণ করিয়া দিতেন তখন যদি তাহারা বলিতেন অমুক নিহত হইবে তাহা হইলে সে নিহত হইত। তাহারা যদি এক শত ব্যক্তির নাম উচ্চারণ করিতেন তাহা হইলে সকলেই নিহত হইত। অতঃপর নু'মান যায়দ (রা)-কে বলিল, আমি শপথ করিয়া বলিতেছি, যদি মুহাম্মাদ নবী হইয়া থাকেন তাহা হইলে তুমি কখনও ফিরিয়া আসিবে না। তাহার উত্তরে যায়দ (রা) বলিলেন, আমি সাক্ষ্য দিতেছি যে, তিনি সত্যবাদী পুণ্যবান নবী" (বায়হাকী আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., ২৪১)।
সীরাতবিদগণ বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ (স) যায়দ (রা)-কে সেনাপতি নিযুক্ত করিলেন তখন জা'ফার ইব্‌ن আবী তালিব আরয করিলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার এই আশা ছিল না যে, আপনি সেনাপতি নিযুক্ত করিতে আমার উপর যায়দকে প্রাধান্য দিবেন। রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন, হে জা'ফার! তুমি অভিযানে রওয়ানা হও এবং আল্লাহ্র রাসূলের আদেশের অনুগত হও। তুমি একথা অবগত নও যে, তোমার কল্যাণ কোন কাজে রহিয়াছে (মাদারিজুন নুবুওয়াত, ২খ., ৪৫৪)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 আবদুল্লাহ ইব্‌ন রাওয়াহা (রা)-এর ক্রন্দন

📄 আবদুল্লাহ ইব্‌ন রাওয়াহা (রা)-এর ক্রন্দন


ইবন ইসহাক বলেন, রওয়ানা করিবার প্রাক্কালে লোকজন যখন রাসূলুল্লাহ (স) কর্তৃক নিযুক্ত সেনাপতিগণকে বিদায়ী সম্ভাষণ জানাইতে লাগিলেন তখন আবদুল্লাহ ইব্‌ন রাওয়াহা (রা) কাঁদিতে লাগিলেন। তাঁহার ক্রন্দনে লোকজন জিজ্ঞাসা করিল, হে রাওয়াহা পুত্র! কোন জিনিস আপনাকে ক্রন্দন করিতে উদ্বুদ্ধ করিল? তিনি উত্তরে বলিয়াছিলেন, জানিয়া রাখ, আল্লাহ্র কসম! আমার কাছে দুনিয়ার কোন লোভ-লালসা নাই, তোমাদের ভালবাসাও আমাকে ক্রন্দন করিতে উদ্বুদ্ধ করে নাই। তবে আমি রাসূলুল্লাহ (স)-কে আল্লাহর কিতাবের একখানা আয়াত পাঠ করিতে শুনিয়াছি যাহাতে তিনি জাহান্নামের কথা স্মরণ করাইয়া দিয়াছেন। আয়াতটি এই :
وَإِنْ مِّنْكُمْ إِلا وَارِدُهَا كَانَ عَلَى رَبِّكَ حَتْمًا مَّقْضِيًّا .
"এবং তোমাদের প্রত্যেকেই উহা অতিক্রম করিবে। ইহা তোমাদের প্রতিপালকের অনিবার্য সিদ্ধান্ত” (১৯: ৭১)।
আমি জানি না, সেখানে অবতরণ করিবার পর আমার কি হইবে। মুসলিমগণ তদুত্তরে বলিলেন, আল্লাহ আপনাদের সঙ্গী হইবেন, আপনাদের কষ্ট লাঘব করিবেন এবং আমাদের নিকট আপনাদিগকে পুণ্যবান ও বিজয়ী হিসাবে ফিরাইয়া আনিবেন। তাহাদের এই কথা শুনিয়া 'আবদুল্লাহ ইব্‌ন রাওয়াহা নিম্নোক্ত কবিতা আবৃত্তি করিলেন:
وَلَكِنِّي أَسْأَلُ الرَّحْمَنَ مَغْفِرَةً - وَضَرْبَةً ذَاتَ فَرْعٍ تَقْذِفُ الذِّبَكَا أوْ طَعْنَةً بِيَدِى حَرَانَ مُجْهِزَةٍ - بِحَرْبَةٍ تَنْفَدُ الْأَحْشَاءَ وَالْكَبَدَا حَتَّى يَقُولُوا إِذَا مَرُّوا عَلَى جَدَتَيْ - يَا أَرْشَدَهُ اللَّهُ مِنْ غَازٍ وَقَدْ رَشَدًا .
"কিন্তু আমি পরম দয়ালু আল্লাহ্র নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং এমন আঘাত হানার যাহা রক্তের ফোয়ারা বহাইয়া দিতে সক্ষম হয়।
"অথবা আমার হাতের দ্বারা কোন কট্টর কাফিরের উপর এমন প্রচণ্ড আঘাত যাহা নাড়ি-ভুঁড়ি ও কলিজা ভেদ করিবে।
"ইহার ফলে লোকেরা আমার কবর অতিক্রমকালে বলিবে, আল্লাহ এই যোদ্ধাকে সরল পথ প্রদর্শন করুন এবং প্রকৃতপক্ষে সে সরল পথ প্রাপ্ত ছিল"।
ইবন ইসহাক বলেন, ইহার পর লোকজন অভিযানের জন্য প্রস্তুত হইলে 'আবদুল্লাহ ইব্‌ন রাওয়াহা (রা) রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট হাজির হইলেন। রাসূলুল্লাহ (স) তাহাকে বিদায় জানাইলে 'আবদুল্লাহ (রা) কবিতার আকারে বলিলেন: فَثَبَّتَ اللهُ مَا أَتَاكَ مِنْ حَسَنٍ - تَثْبِيتَ مُوسَى وَنَصْرًا كَالَّذِي نُصِرُوا إِنِّي تَفَرَّسْتُ فِيكَ الخَيْرَ نَافِلَةً - اللهُ يَعْلَمُ أَنَّى ثَابِتُ الْبَصَرِ أَنْتَ الرَّسُولُ فَمَنْ يُحْرَمُ نَوَافِلَهُ - وَالْوَجْهُ مِنْهُ فَقَدْ أَزْرَى بِهِ الْقَدَرُ.
“(হে আল্লাহর রাসূল!) আল্লাহ আপনাকে যেই সৌন্দর্য দান করিয়াছেন তাহাতে তিনি আপনাকে সুদৃঢ় রাখুন, যেইভাবে মূসা (আ) ও তাঁহার সাহায্যকারিগণকে সুদৃঢ় রাখিয়ছিলেন।
"আমি স্বীয় অন্তরদৃষ্টিতে দেখিয়াছি যে, আপনার মধ্যে প্রভূত কল্যাণ রহিয়াছে। আল্লাহ সম্যক জ্ঞাত আছেন যে, আমি যাহা বলিতেছি তাহা নিশ্চিতভাবে জানিয়াই বলিতেছি।
"আপনি আল্লাহ্র রাসূল। সুতরাং যেই ব্যক্তি তাঁহার কল্যাণসমূহ ও সন্তুষ্টি হইতে বঞ্চিত থাকিবে তাহার ভাগ্যই মন্দ"।
ইবন হিশাম বলেন, আমাকে জনৈক কাব্যবিশারদ পংক্তিগুলি এইভাবে শিখাইয়াছেন: أنتَ الرَّسُولُ فَمَنْ يُحْرَمُ نَوَافِلَهُ - وَالْوَجْهَ مِنْهُ فَقَدْ أَزْرَى بهِ الْقَدَرُ فَثَبَّتَ اللهُ مَا أَتَاكَ مِنْ مُحْسِن - فِي الْمُرْسَلِينَ وَنَصْرًا كَالَّذِي نُصِرُوا إِنِّي تَفَرَّسْتُ فِيكَ الْخَيْرَ نَافِلَةِ - فِرَاسَةِ خَالِفَتْ فِيكَ الَّذِي نَظَرُوا .
"আপনি আল্লাহ্র রাসূল! যেই ব্যক্তি তাঁহার কল্যাণ সন্তুষ্টি হইতে বঞ্চিত থাকিবে তাহার ভাগ্যই মন্দ।
"রাসূলদিগের মধ্যে আল্লাহ আপনার গুণাবলী স্থায়ী করুন পূর্ববর্তী সাহায্যপ্রাপ্ত রাসূলগণের মত আল্লাহ আপনাকে সাহায্য করুন।
"আমার দিব্যজ্ঞানে আমি বুঝিতে পরিয়াছি যে, আপনার মধ্যে প্রভূত কল্যাণ নিহিত আছে। আমার এ প্রজ্ঞা আপনার সম্পর্কে মুশরিকদের সম্পূর্ণ বিপরীত"।
ইবন ইসহাক বলেন, অতঃপর মুসলিম বাহিনী রওয়ানা করিল। রাসূলুল্লাহ (স) তাহদিগকে বিদায় জানাইতে বাহির হইয়া আসেন। তাহাদিগকে বিদায় দিয়া ফিরিয়া আসিলে 'আবদুল্লাহ ইব্‌ন রাওয়াহা (রা) কবিতার মাধ্যমে বলেন: خَلْفَ السَّلَامِ عَلَى امْرَى وَدَعْتُهُ - فِي النَّخْلِ خَيْرَ مُشَيِّعِ وَخَلِيل:
"বিদায়লগ্নে সেই মহান ব্যক্তিত্বের উপর সালাম বর্ষিত হউক যাঁহার দ্বারা আমি বিদায়ী সম্ভাষণে ভূষিত হইলাম। তিনি হইলেন সর্বোত্তম বিদায় সম্ভাষণকারী ও পরীক্ষিত বন্ধু" (আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., ২২১, ১৪২; ইব্‌ন হিশাম, আস-সীরাতুন নাবabিয়্যা, ৩খ., ২৫৯, ২৬০)।

ইবন ইসহাক বলেন, রওয়ানা করিবার প্রাক্কালে লোকজন যখন রাসূলুল্লাহ (স) কর্তৃক নিযুক্ত সেনাপতিগণকে বিদায়ী সম্ভাষণ জানাইতে লাগিলেন তখন আবদুল্লাহ ইব্‌ন রাওয়াহা (রা) কাঁদিতে লাগিলেন। তাঁহার ক্রন্দনে লোকজন জিজ্ঞাসা করিল, হে রাওয়াহা পুত্র! কোন জিনিস আপনাকে ক্রন্দন করিতে উদ্বুদ্ধ করিল? তিনি উত্তরে বলিয়াছিলেন, জানিয়া রাখ, আল্লাহ্র কসম! আমার কাছে দুনিয়ার কোন লোভ-লালসা নাই, তোমাদের ভালবাসাও আমাকে ক্রন্দন করিতে উদ্বুদ্ধ করে নাই। তবে আমি রাসূলুল্লাহ (স)-কে আল্লাহর কিতাবের একখানা আয়াত পাঠ করিতে শুনিয়াছি যাহাতে তিনি জাহান্নামের কথা স্মরণ করাইয়া দিয়াছেন। আয়াতটি এই :
وَإِنْ مِّنْكُمْ إِلا وَارِدُهَا كَانَ عَلَى رَبِّكَ حَتْمًا مَّقْضِيًّا .
"এবং তোমাদের প্রত্যেকেই উহা অতিক্রম করিবে। ইহা তোমাদের প্রতিপালকের অনিবার্য সিদ্ধান্ত” (১৯: ৭১)।
আমি জানি না, সেখানে অবতরণ করিবার পর আমার কি হইবে। মুসলিমগণ তদুত্তরে বলিলেন, আল্লাহ আপনাদের সঙ্গী হইবেন, আপনাদের কষ্ট লাঘব করিবেন এবং আমাদের নিকট আপনাদিগকে পুণ্যবান ও বিজয়ী হিসাবে ফিরাইয়া আনিবেন। তাহাদের এই কথা শুনিয়া 'আবদুল্লাহ ইব্‌ন রাওয়াহা নিম্নোক্ত কবিতা আবৃত্তি করিলেন:
وَلَكِنِّي أَسْأَلُ الرَّحْمَنَ مَغْفِرَةً - وَضَرْبَةً ذَاتَ فَرْعٍ تَقْذِفُ الذِّبَكَا أوْ طَعْنَةً بِيَدِى حَرَانَ مُجْهِزَةٍ - بِحَرْبَةٍ تَنْفَدُ الْأَحْشَاءَ وَالْكَبَدَا حَتَّى يَقُولُوا إِذَا مَرُّوا عَلَى جَدَتَيْ - يَا أَرْشَدَهُ اللَّهُ مِنْ غَازٍ وَقَدْ رَشَدًا .
"কিন্তু আমি পরম দয়ালু আল্লাহ্র নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং এমন আঘাত হানার যাহা রক্তের ফোয়ারা বহাইয়া দিতে সক্ষম হয়।
"অথবা আমার হাতের দ্বারা কোন কট্টর কাফিরের উপর এমন প্রচণ্ড আঘাত যাহা নাড়ি-ভুঁড়ি ও কলিজা ভেদ করিবে।
"ইহার ফলে লোকেরা আমার কবর অতিক্রমকালে বলিবে, আল্লাহ এই যোদ্ধাকে সরল পথ প্রদর্শন করুন এবং প্রকৃতপক্ষে সে সরল পথ প্রাপ্ত ছিল"।
ইবন ইসহাক বলেন, ইহার পর লোকজন অভিযানের জন্য প্রস্তুত হইলে 'আবদুল্লাহ ইব্‌ন রাওয়াহা (রা) রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট হাজির হইলেন। রাসূলুল্লাহ (স) তাহাকে বিদায় জানাইলে 'আবদুল্লাহ (রা) কবিতার আকারে বলিলেন: فَثَبَّتَ اللهُ مَا أَتَاكَ مِنْ حَسَنٍ - تَثْبِيْتَ مُوسَى وَنَصْرًا كَالَّذِي نُصِرُوا إِنِّي تَفَرَّسْتُ فِيكَ الخَيْرَ نَافِلَةً - اللهُ يَعْلَمُ أَنَّى ثَابِتُ الْبَصَرِ أَنْتَ الرَّسُولُ فَمَنْ يُحْرَمُ نَوَافِلَهُ - وَالْوَجْهُ مِنْهُ فَقَدْ أَزْرَى بِهِ الْقَدَرُ.
“(হে আল্লাহর রাসূল!) আল্লাহ আপনাকে যেই সৌন্দর্য দান করিয়াছেন তাহাতে তিনি আপনাকে সুদৃঢ় রাখুন, যেইভাবে মূসা (আ) ও তাঁহার সাহায্যকারিগণকে সুদৃঢ় রাখিয়ছিলেন।
"আমি স্বীয় অন্তরদৃষ্টিতে দেখিয়াছি যে, আপনার মধ্যে প্রভূত কল্যাণ রহিয়াছে। আল্লাহ সম্যক জ্ঞাত আছেন যে, আমি যাহা বলিতেছি তাহা নিশ্চিতভাবে জানিয়াই বলিতেছি।
"আপনি আল্লাহ্র রাসূল। সুতরাং যেই ব্যক্তি তাঁহার কল্যাণসমূহ ও সন্তুষ্টি হইতে বঞ্চিত থাকিবে তাহার ভাগ্যই মন্দ"।
ইবন হিশাম বলেন, আমাকে জনৈক কাব্যবিশারদ পংক্তিগুলি এইভাবে শিখাইয়াছেন: أنتَ الرَّسُولُ فَمَنْ يُحْرَمُ نَوَافِلَهُ - وَالْوَجْهَ مِنْهُ فَقَدْ أَزْرَى بهِ الْقَدَرُ فَثَبَّتَ اللهُ مَا أَتَاكَ مِنْ مُحْسِن - فِي الْمُرْسَلِينَ وَنَصْرًا كَالَّذِي نُصِرُوا إِنِّي تَفَرَّسْتُ فِيكَ الْخَيْرَ نَافِلَةِ - فِرَاسَةِ خَالِفَتْ فِيكَ الَّذِي نَظَرُوا .
"আপনি আল্লাহ্র রাসূল! যেই ব্যক্তি তাঁহার কল্যাণ সন্তুষ্টি হইতে বঞ্চিত থাকিবে তাহার ভাগ্যই মন্দ।
"রাসূলদিগের মধ্যে আল্লাহ আপনার গুণাবলী স্থায়ী করুন পূর্ববর্তী সাহায্যপ্রাপ্ত রাসূলগণের মত আল্লাহ আপনাকে সাহায্য করুন।
"আমার দিব্যজ্ঞানে আমি বুঝিতে পরিয়াছি যে, আপনার মধ্যে প্রভূত কল্যাণ নিহিত আছে। আমার এ প্রজ্ঞা আপনার সম্পর্কে মুশরিকদের সম্পূর্ণ বিপরীত"।
ইবন ইসহাক বলেন, অতঃপর মুসলিম বাহিনী রওয়ানা করিল। রাসূলুল্লাহ (স) তাহদিগকে বিদায় জানাইতে বাহির হইয়া আসেন। তাহাদিগকে বিদায় দিয়া ফিরিয়া আসিলে 'আবদুল্লাহ ইব্‌ন রাওয়াহা (রা) কবিতার মাধ্যমে বলেন: خَلْفَ السَّلَامِ عَلَى امْرَى وَدَعْتُهُ - فِي النَّخْلِ خَيْرَ مُشَيِّعِ وَخَلِيل:
"বিদায়লগ্নে সেই মহান ব্যক্তিত্বের উপর সালাম বর্ষিত হউক যাঁহার দ্বারা আমি বিদায়ী সম্ভাষণে ভূষিত হইলাম। তিনি হইলেন সর্বোত্তম বিদায় সম্ভাষণকারী ও পরীক্ষিত বন্ধু" (আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., ২২১, ১৪২; ইব্‌ন হিশাম, আস-সীরাতুন নাবabিয়্যা, ৩খ., ২৫৯, ২৬০)।

ইবন ইসহাক বলেন, রওয়ানা করিবার প্রাক্কালে লোকজন যখন রাসূলুল্লাহ (স) কর্তৃক নিযুক্ত সেনাপতিগণকে বিদায়ী সম্ভাষণ জানাইতে লাগিলেন তখন আবদুল্লাহ ইব্‌ন রাওয়াহা (রা) কাঁদিতে লাগিলেন। তাঁহার ক্রন্দনে লোকজন জিজ্ঞাসা করিল, হে রাওয়াহা পুত্র! কোন জিনিস আপনাকে ক্রন্দন করিতে উদ্বুদ্ধ করিল? তিনি উত্তরে বলিয়াছিলেন, জানিয়া রাখ, আল্লাহ্র কসম! আমার কাছে দুনিয়ার কোন লোভ-লালসা নাই, তোমাদের ভালবাসাও আমাকে ক্রন্দন করিতে উদ্বুদ্ধ করে নাই। তবে আমি রাসূলুল্লাহ (স)-কে আল্লাহর কিতাবের একখানা আয়াত পাঠ করিতে শুনিয়াছি যাহাতে তিনি জাহান্নামের কথা স্মরণ করাইয়া দিয়াছেন। আয়াতটি এই :
وَإِنْ مِّنْكُمْ إِلا وَارِدُهَا كَانَ عَلَى رَبِّكَ حَتْمًا مَّقْضِيًّا .
"এবং তোমাদের প্রত্যেকেই উহা অতিক্রম করিবে। ইহা তোমাদের প্রতিপালকের অনিবার্য সিদ্ধান্ত” (১৯: ৭১)।
আমি জানি না, সেখানে অবতরণ করিবার পর আমার কি হইবে। মুসলিমগণ তদুত্তরে বলিলেন, আল্লাহ আপনাদের সঙ্গী হইবেন, আপনাদের কষ্ট লাঘব করিবেন এবং আমাদের নিকট আপনাদিগকে পুণ্যবান ও বিজয়ী হিসাবে ফিরাইয়া আনিবেন। তাহাদের এই কথা শুনিয়া 'আবদুল্লাহ ইব্‌ন রাওয়াহা নিম্নোক্ত কবিতা আবৃত্তি করিলেন:
وَلَكِنِّي أَسْأَلُ الرَّحْمَنَ مَغْفِرَةً - وَضَرْبَةً ذَاتَ فَرْعٍ تَقْذِفُ الذِّبَكَا أوْ طَعْنَةً بِيَدِى حَرَانَ مُجْهِزَةٍ - بِحَرْبَةٍ تَنْفَدُ الْأَحْشَاءَ وَالْكَبَدَا حَتَّى يَقُولُوا إِذَا مَرُّوا عَلَى جَدَتَيْ - يَا أَرْشَدَهُ اللَّهُ مِنْ غَازٍ وَقَدْ رَشَدًا .
"কিন্তু আমি পরম দয়ালু আল্লাহ্র নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং এমন আঘাত হানার যাহা রক্তের ফোয়ারা বহাইয়া দিতে সক্ষম হয়।
"অথবা আমার হাতের দ্বারা কোন কট্টর কাফিরের উপর এমন প্রচণ্ড আঘাত যাহা নাড়ি-ভুঁড়ি ও কলিজা ভেদ করিবে।
"ইহার ফলে লোকেরা আমার কবর অতিক্রমকালে বলিবে, আল্লাহ এই যোদ্ধাকে সরল পথ প্রদর্শন করুন এবং প্রকৃতপক্ষে সে সরল পথ প্রাপ্ত ছিল"।
ইবন ইসহাক বলেন, ইহার পর লোকজন অভিযানের জন্য প্রস্তুত হইলে 'আবদুল্লাহ ইব্‌ন রাওয়াহা (রা) রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট হাজির হইলেন। রাসূলুল্লাহ (স) তাহাকে বিদায় জানাইলে 'আবদুল্লাহ (রা) কবিতার আকারে বলিলেন:
فَثَبَّتَ اللهُ مَا أَتَاكَ مِنْ حَسَنٍ - تَثْبِيْتَ مُوسَى وَنَصْرًا كَالَّذِي نُصِرُوا إِنِّي تَفَرَّسْتُ فِيكَ الخَيْرَ نَافِلَةً - اللهُ يَعْلَمُ أَنَّى ثَابِتُ الْبَصَرِ أَنْتَ الرَّسُولُ فَمَنْ يُحْرَمُ نَوَافِلَهُ - وَالْوَجْهُ مِنْهُ فَقَدْ أَزْرَى بِهِ الْقَدَرُ.
“(হে আল্লাহর রাসূল!) আল্লাহ আপনাকে যেই সৌন্দর্য দান করিয়াছেন তাহাতে তিনি আপনাকে সুদৃঢ় রাখুন, যেইভাবে মূসা (আ) ও তাঁহার সাহায্যকারিগণকে সুদৃঢ় রাখিয়ছিলেন।
"আমি স্বীয় অন্তরদৃষ্টিতে দেখিয়াছি যে, আপনার মধ্যে প্রভূত কল্যাণ রহিয়াছে। আল্লাহ সম্যক জ্ঞাত আছেন যে, আমি যাহা বলিতেছি তাহা নিশ্চিতভাবে জানিয়াই বলিতেছি।
"আপনি আল্লাহ্র রাসূল। সুতরাং যেই ব্যক্তি তাঁহার কল্যাণসমূহ ও সন্তুষ্টি হইতে বঞ্চিত থাকিবে তাহার ভাগ্যই মন্দ"।
ইবন হিশাম বলেন, আমাকে জনৈক কাব্যবিশারদ পংক্তিগুলি এইভাবে শিখাইয়াছেন:
أنتَ الرَّسُولُ فَمَنْ يُحْرَمُ نَوَافِلَهُ - وَالْوَجْهَ مِنْهُ فَقَدْ أَزْرَى بهِ الْقَدَرُ فَثَبَّتَ اللهُ مَا أَتَاكَ مِنْ مُحْسِن - فِي الْمُرْسَلِينَ وَنَصْرًا كَالَّذِي نُصِرُوا إِنِّي تَفَرَّسْتُ فِيكَ الْخَيْرَ نَافِلَةِ - فِرَاسَةِ خَالِفَتْ فِيكَ الَّذِي نَظَرُوا .
"আপনি আল্লাহ্র রাসূল! যেই ব্যক্তি তাঁহার কল্যাণ সন্তুষ্টি হইতে বঞ্চিত থাকিবে তাহার ভাগ্যই মন্দ।
"রাসূলদিগের মধ্যে আল্লাহ আপনার গুণাবলী স্থায়ী করুন পূর্ববর্তী সাহায্যপ্রাপ্ত রাসূলগণের মত আল্লাহ আপনাকে সাহায্য করুন।
"আমার দিব্যজ্ঞানে আমি বুঝিতে পরিয়াছি যে, আপনার মধ্যে প্রভূত কল্যাণ নিহিত আছে। আমার এ প্রজ্ঞা আপনার সম্পর্কে মুশরিকদের সম্পূর্ণ বিপরীত"।
ইবন ইসহাক বলেন, অতঃপর মুসলিম বাহিনী রওয়ানা করিল। রাসূলুল্লাহ (স) তাহদিগকে বিদায় জানাইতে বাহির হইয়া আসেন। তাহাদিগকে বিদায় দিয়া ফিরিয়া আসিলে 'আবদুল্লাহ ইব্‌ন রাওয়াহা (রা) কবিতার মাধ্যমে বলেন:
خَلْفَ السَّلَامِ عَلَى امْرَى وَدَعْتُهُ - فِي النَّخْلِ خَيْرَ مُشَيِّعِ وَخَلِيل:
"বিদায়লগ্নে সেই মহান ব্যক্তিত্বের উপর সালাম বর্ষিত হউক যাঁহার দ্বারা আমি বিদায়ী সম্ভাষণে ভূষিত হইলাম। তিনি হইলেন সর্বোত্তম বিদায় সম্ভাষণকারী ও পরীক্ষিত বন্ধু" (আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., ২২১, ১৪২; ইব্‌ন হিশাম, আস-সীরাতুন নাবابিয়্যা, ৩খ., ২৫৯, ২৬০)।

ইবন ইসহাক বলেন, রওয়ানা করিবার প্রাক্কালে লোকজন যখন রাসূলুল্লাহ (স) কর্তৃক নিযুক্ত সেনাপতিগণকে বিদায়ী সম্ভাষণ জানাইতে লাগিলেন তখন আবদুল্লাহ ইব্‌ن রাওয়াহা (রা) কাঁদিতে লাগিলেন। তাঁহার ক্রন্দনে লোকজন জিজ্ঞাসা করিল, হে রাওয়াহা পুত্র! কোন জিনিস আপনাকে ক্রন্দন করিতে উদ্বুদ্ধ করিল? তিনি উত্তরে বলিয়াছিলেন, জানিয়া রাখ, আল্লাহ্র কসম! আমার কাছে দুনিয়ার কোন লোভ-লালসা নাই, তোমাদের ভালবাসাও আমাকে ক্রন্দন করিতে উদ্বুদ্ধ করে নাই। তবে আমি রাসূলুল্লাহ (স)-কে আল্লাহর কিতাবের একখানা আয়াত পাঠ করিতে শুনিয়াছি যাহাতে তিনি জাহান্নামের কথা স্মরণ করাইয়া দিয়াছেন। আয়াতটি এই :
وَإِنْ مِّنْكُمْ إِلا وَارِدُهَا كَانَ عَلَى رَبِّكَ حَتْمًا مَّقْضِيًّا .
"এবং তোমাদের প্রত্যেকেই উহা অতিক্রম করিবে। ইহা তোমাদের প্রতিপালকের অনিবার্য সিদ্ধান্ত” (১৯: ৭১)।
আমি জানি না, সেখানে অবতরণ করিবার পর আমার কি হইবে। মুসলিমগণ তদুত্তরে বলিলেন, আল্লাহ আপনাদের সঙ্গী হইবেন, আপনাদের কষ্ট লাঘব করিবেন এবং আমাদের নিকট আপনাদিগকে পুণ্যবান ও বিজয়ী হিসাবে ফিরাইয়া আনিবেন। তাহাদের এই কথা শুনিয়া 'আবদুল্লাহ ইব্‌ন রাওয়াহা নিম্নোক্ত কবিতা আবৃত্তি করিলেন:
وَلَكِنِّي أَسْأَلُ الرَّحْمَنَ مَغْفِرَةً - وَضَرْبَةً ذَاتَ فَرْعٍ تَقْذِفُ الذِّبَكَا أوْ طَعْنَةً بِيَدِى حَرَانَ مُجْهِزَةٍ - بِحَرْبَةٍ تَنْفَدُ الْأَحْشَاءَ وَالْكَبَدَا حَتَّى يَقُولُوا إِذَا مَرُّوا عَلَى جَدَتَيْ - يَا أَرْشَدَهُ اللَّهُ مِنْ غَازٍ وَقَدْ رَشَدًا .
"কিন্তু আমি পরম দয়ালু আল্লাহ্র নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং এমন আঘাত হানার যাহা রক্তের ফোয়ারা বহাইয়া দিতে সক্ষম হয়।
"অথবা আমার হাতের দ্বারা কোন কট্টর কাফিরের উপর এমন প্রচণ্ড আঘাত যাহা নাড়ি-ভুঁড়ি ও কলিজা ভেদ করিবে।
"ইহার ফলে লোকেরা আমার কবর অতিক্রমকালে বলিবে, আল্লাহ এই যোদ্ধাকে সরল পথ প্রদর্শন করুন এবং প্রকৃতপক্ষে সে সরল পথ প্রাপ্ত ছিল"।
ইবন ইসহাক বলেন, ইহার পর লোকজন অভিযানের জন্য প্রস্তুত হইলে 'আবদুল্লাহ ইব্‌ন রাওয়াহা (রা) রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট হাজির হইলেন। রাসূলুল্লাহ (স) তাহাকে বিদায় জানাইলে 'আবদুল্লাহ (রা) কবিতার আকারে বলিলেন:
فَثَبَّتَ اللهُ مَا أَتَاكَ مِنْ حَسَنٍ - تَثْبِيْتَ مُوسَى وَنَصْرًا كَالَّذِي نُصِرُوا إِنِّي تَفَرَّسْتُ فِيكَ الخَيْرَ نَافِلَةً - اللهُ يَعْلَمُ أَنَّى ثَابِتُ الْبَصَرِ أَنْتَ الرَّسُولُ فَمَنْ يُحْرَمُ نَوَافِلَهُ - وَالْوَجْهُ مِنْهُ فَقَدْ أَزْرَى بِهِ الْقَدَرُ.
“(হে আল্লাহর রাসূল!) আল্লাহ আপনাকে যেই সৌন্দর্য দান করিয়াছেন তাহাতে তিনি আপনাকে সুদৃঢ় রাখুন, যেইভাবে মূসা (আ) ও তাঁহার সাহায্যকারিগণকে সুদৃঢ় রাখিয়ছিলেন।
"আমি স্বীয় অন্তরদৃষ্টিতে দেখিয়াছি যে, আপনার মধ্যে প্রভূত কল্যাণ রহিয়াছে। আল্লাহ সম্যক জ্ঞাত আছেন যে, আমি যাহা বলিতেছি তাহা নিশ্চিতভাবে জানিয়াই বলিতেছি।
"আপনি আল্লাহ্র রাসূল। সুতরাং যেই ব্যক্তি তাঁহার কল্যাণসমূহ ও সন্তুষ্টি হইতে বঞ্চিত থাকিবে তাহার ভাগ্যই মন্দ"।
ইবন হিশাম বলেন, আমাকে জনৈক কাব্যবিশারদ পংক্তিগুলি এইভাবে শিখাইয়াছেন:
أنتَ الرَّسُولُ فَمَنْ يُحْرَمُ نَوَافِلَهُ - وَالْوَجْهَ مِنْهُ فَقَدْ أَزْرَى بهِ الْقَدَرُ فَثَبَّتَ اللهُ مَا أَتَاكَ مِنْ مُحْسِن - فِي الْمُرْسَلِينَ وَنَصْرًا كَالَّذِي نُصِرُوا إِنِّي تَفَرَّسْتُ فِيكَ الْخَيْرَ نَافِلَةِ - فِرَاسَةِ خَالِفَتْ فِيكَ الَّذِي نَظَرُوا .
"আপনি আল্লাহ্র রাসূল! যেই ব্যক্তি তাঁহার কল্যাণ সন্তুষ্টি হইতে বঞ্চিত থাকিবে তাহার ভাগ্যই মন্দ।
"রাসূলদিগের মধ্যে আল্লাহ আপনার গুণাবলী স্থায়ী করুন পূর্ববর্তী সাহায্যপ্রাপ্ত রাসূলগণের মত আল্লাহ আপনাকে সাহায্য করুন।
"আমার দিব্যজ্ঞানে আমি বুঝিতে পরিয়াছি যে, আপনার মধ্যে প্রভূত কল্যাণ নিহিত আছে। আমার এ প্রজ্ঞা আপনার সম্পর্কে মুশরিকদের সম্পূর্ণ বিপরীত"।
ইবন ইসহাক বলেন, অতঃপর মুসলিম বাহিনী রওয়ানা করিল। রাসূলুল্লাহ (স) তাহদিগকে বিদায় জানাইতে বাহির হইয়া আসেন। তাহাদিগকে বিদায় দিয়া ফিরিয়া আসিলে 'আবদুল্লাহ ইব্‌ن রাওয়াহা (রা) কবিতার মাধ্যমে বলেন:
خَلْفَ السَّلَامِ عَلَى امْرَى وَدَعْتُهُ - فِي النَّخْلِ خَيْرَ مُشَيِّعِ وَخَلِيل:
"বিদায়লগ্নে সেই মহান ব্যক্তিত্বের উপর সালাম বর্ষিত হউক যাঁহার দ্বারা আমি বিদায়ী সম্ভাষণে ভূষিত হইলাম। তিনি হইলেন সর্বোত্তম বিদায় সম্ভাষণকারী ও পরীক্ষিত বন্ধু" (আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., ২২১, ১৪২; ইব্‌ن হিশাম, আস-সীরাতুন নাবابিয়্যা, ৩খ., ২৫৯, ২৬০)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00