📄 স্থান পরিচিতি
সিরিয়া সীমান্তের একটি স্থানের নাম মৃ'তা (مؤتة)! আরবীতে এই শব্দটি দুই ধরনে উচ্চারিত হয়। পেশযুক্ত মীম ও হামযাবিহীন ওয়াও বর্ণে সাকিন সহকারে। এইরূপ উচ্চারণের অনুকূলে আল-মুবাররাদ সুদৃঢ় অভিমত পোষণ করিয়াছেন। তবে অনেকে হামযা সহকারে উচ্চারণ করিয়াছেন। ছা'লাবী, আল-জাওহারী ও ইব্ন ফারিস হামযা সহকারে উচ্চারণের পক্ষে দৃঢ় মত পোষণ করিয়াছেন (ফাতহুল-বারী, ৭খ., পৃ. ৫১০)। ছা'লাবী বলেন, হামযাবিহীন মৃতা-র অর্থ হইল পাগল এবং যেই শহরে জা'ফার ইব্ন আবী তালিব (রা) শাহাদত বরণ করিয়াছেন সেই শহরের নাম হইল হামযা সহকারে উচ্চারিত মৃতা (مؤتة)!
আন-নাদর বলেন, হামযাবিহীন মৃতা ঐ ব্যক্তির বেলায় প্রযোজ্য যে উন্মাদ হইবার পর আবার সুস্থ হইয়া উঠে। আল-লাহয়ানী বলেন, মৃতা (হামযাবিহীন) বলা হয় যাহার বিবেকবুদ্ধি লোপ পায়। আর মৃ'তা (হামযা সহকারে) শাম (সিরিয়া) সীমান্তের অন্যতম জনপদ। কেহ কেহ বলেন, মৃ'তা হইল শামের উচ্চভূমিসমূহের একটি স্থান। এই স্থানে তরবারি উপর মোহর অংকন করা হয়। ইহার দিকেই সম্পর্ক করিয়া অনেক তরবারিকে আল-মাশরাফিয়্যা বলিয়া অভিহিত করা হয় (মু'জামুল বুলদান, ৫খ., ২১৯, ২২০)।
ইমাম বুখারী মৃ'তা নামক স্থান সম্পর্কে বলেন, الشام অর্থাৎ মৃ'তা হইল শামের একটি স্থানের নাম (সাহীহুল বুখারী, বাব গাযওয়াতি মৃ'তা মিন আরদিশ-শাম)। ইবন ইসহাক বলেন, মু'তা আল-বালকা' নামক স্থানের পার্শ্বস্থিত একটি স্থানের নাম। আল-কিরমানী বলেন, মু'তা বায়তুল মাকদিস হইতে দুই মারহালা দূরে অবস্থিত ('উমদাতুল কারী, ১৭ খ., ২৬৭)।
কেহ কেহ বলেন, ইহা সিরিয়ার উচ্চভূমির একটি স্থান যাহা "আযরুহ” হইতে বার মাইল দূরত্বে অবস্থিত। এখানে জা'ফার ইবন্ আবী তালিব (রা), যায়দ ইবন হারিছা (রা) ও 'আবদুল্লাহ ইব্ন রাওয়াহা (রা)-এর কবর রহিয়াছে। তাঁহাদের প্রত্যেকের কবরের উপর পৃথক পৃথকভাবে সৌধ নির্মিত রহিয়াছে (মারাসিদুল ইত্তিলা', ৩খ, ১৩৩০)।
কাহারও মতে, “মূ'তা একটি শহর যাহা জর্দানের পূর্বদিকে Dead Sea (মরুসাগর)-এর দক্ষিণ প্রান্ত হইতে পূর্ব অভিমুখে এবং কারাক অঞ্চল হইতে দক্ষিণ দিকে দুই ঘণ্টার পথ দূরত্বে উর্বর সমতল ভূমির কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত" (ইসলামী বিশ্বকোষ, বাংলাদেশ, ২০খ, পৃ. ১)। "উক্ত শহর ৮ম হিজরীর ১ জুমাদাল উলা তারিখের একটি অসম যুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর অসীম সাহসিকতা প্রদর্শনের জন্য বিখ্যাত"।
একটি মতে মৃ'তা হইল সিরিয়ার এলাকাধীন। ইহা বালকা ভূমির শুরুতেই অবস্থিত (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ২৩৫; যাদুল মা'আদ, তা. বি. ২খ., ১৫৫)।
সিরিয়া সীমান্তের একটি স্থানের নাম মৃ'তা (مؤتة)! আরবীতে এই শব্দটি দুই ধরনে উচ্চারিত হয়। পেশযুক্ত মীম ও হামযাবিহীন ওয়াও বর্ণে সাকিন সহকারে। এইরূপ উচ্চারণের অনুকূলে আল-মুবাররাদ সুদৃঢ় অভিমত পোষণ করিয়াছেন। তবে অনেকে হামযা সহকারে উচ্চারণ করিয়াছেন। ছা'লাবী, আল-জাওহারী ও ইব্ন ফারিস হামযা সহকারে উচ্চারণের পক্ষে দৃঢ় মত পোষণ করিয়াছেন (ফাতহুল-বারী, ৭খ., পৃ. ৫১০)। ছা'লাবী বলেন, হামযাবিহীন মৃতা-র অর্থ হইল পাগল এবং যেই শহরে জা'ফার ইব্ন আবী তালিব (রা) শাহাদত বরণ করিয়াছেন সেই শহরের নাম হইল হামযা সহকারে উচ্চারিত মৃতা (مؤتة)!
আন-নাদর বলেন, হামযাবিহীন মৃতা ঐ ব্যক্তির বেলায় প্রযোজ্য যে উন্মাদ হইবার পর আবার সুস্থ হইয়া উঠে। আল-লাহয়ানী বলেন, মৃতা (হামযাবিহীন) বলা হয় যাহার বিবেকবুদ্ধি লোপ পায়। আর মৃ'তা (হামযা সহকারে) শাম (সিরিয়া) সীমান্তের অন্যতম জনপদ। কেহ কেহ বলেন, মৃ'তা হইল শামের উচ্চভূমিসমূহের একটি স্থান। এই স্থানে তরবারি উপর মোহর অংকন করা হয়। ইহার দিকেই সম্পর্ক করিয়া অনেক তরবারিকে আল-মাশরাফিয়্যা বলিয়া অভিহিত করা হয় (মু'জামুল বুলদান, ৫খ., ২১৯, ২২০)।
ইমাম বুখারী মৃ'তা নামক স্থান সম্পর্কে বলেন, الشام অর্থাৎ মৃ'তা হইল শামের একটি স্থানের নাম (সাহীহুল বুখারী, বাব গাযওয়াতি মৃ'তা মিন আরদিশ-শাম)। ইবন ইসহাক বলেন, মু'তা আল-বালকা' নামক স্থানের পার্শ্বস্থিত একটি স্থানের নাম। আল-কিরমানী বলেন, মু'তা বায়তুল মাকদিস হইতে দুই মারহালা দূরে অবস্থিত ('উমদাতুল কারী, ১৭ খ., ২৬৭)।
কেহ কেহ বলেন, ইহা সিরিয়ার উচ্চভূমির একটি স্থান যাহা "আযরুহ” হইতে বার মাইল দূরত্বে অবস্থিত। এখানে জা'ফার ইবন্ আবী তালিব (রা), যায়দ ইবন হারিছা (রা) ও 'আবদুল্লাহ ইব্ন রাওয়াহা (রা)-এর কবর রহিয়াছে। তাঁহাদের প্রত্যেকের কবরের উপর পৃথক পৃথকভাবে সৌধ নির্মিত রহিয়াছে (মারাসিদুল ইত্তিলা', ৩খ, ১৩৩০)।
কাহারও মতে, “মূ'তা একটি শহর যাহা জর্দানের পূর্বদিকে Dead Sea (মরুসাগর)-এর দক্ষিণ প্রান্ত হইতে পূর্ব অভিমুখে এবং কারাক অঞ্চল হইতে দক্ষিণ দিকে দুই ঘণ্টার পথ দূরত্বে উর্বর সমতল ভূমির কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত" (ইসলামী বিশ্বকোষ, বাংলাদেশ, ২০খ, পৃ. ১)। "উক্ত শহর ৮ম হিজরীর ১ জুমাদাল উলা তারিখের একটি অসম যুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর অসীম সাহসিকতা প্রদর্শনের জন্য বিখ্যাত"।
একটি মতে মৃ'তা হইল সিরিয়ার এলাকাধীন। ইহা বালকা ভূমির শুরুতেই অবস্থিত (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ২৩৫; যাদুল মা'আদ, তা. বি. ২খ., ১৫৫)।
সিরিয়া সীমান্তের একটি স্থানের নাম মৃ'তা (مؤتة)! আরবীতে এই শব্দটি দুই ধরনে উচ্চারিত হয়। পেশযুক্ত মীম ও হামযাবিহীন ওয়াও বর্ণে সাকিন সহকারে। এইরূপ উচ্চারণের অনুকূলে আল-মুবাররাদ সুদৃঢ় অভিমত পোষণ করিয়াছেন। তবে অনেকে হামযা সহকারে উচ্চারণ করিয়াছেন। ছা'লাবী, আল-জাওহারী ও ইব্ন ফারিস হামযা সহকারে উচ্চারণের পক্ষে দৃঢ় মত পোষণ করিয়াছেন (ফাতহুল-বারী, ৭খ., পৃ. ৫১০)। ছা'লাবী বলেন, হামযাবিহীন মৃতা-র অর্থ হইল পাগল এবং যেই শহরে জা'ফার ইব্ন আবী তালিব (রা) শাহাদত বরণ করিয়াছেন সেই শহরের নাম হইল হামযা সহকারে উচ্চারিত মৃতা (مؤتة)!
আন-নাদর বলেন, হামযাবিহীন মৃতা ঐ ব্যক্তির বেলায় প্রযোজ্য যে উন্মাদ হইবার পর আবার সুস্থ হইয়া উঠে। আল-লাহয়ানী বলেন, মৃতা (হামযাবিহীন) বলা হয় যাহার বিবেকবুদ্ধি লোপ পায়। আর মৃ'তা (হামযা সহকারে) শাম (সিরিয়া) সীমান্তের অন্যতম জনপদ। কেহ কেহ বলেন, মৃ'তা হইল শামের উচ্চভূমিসমূহের একটি স্থান। এই স্থানে তরবারি উপর মোহর অংকন করা হয়। ইহার দিকেই সম্পর্ক করিয়া অনেক তরবারিকে আল-মাশরাফিয়্যা বলিয়া অভিহিত করা হয় (মু'জামুল বুলদান, ৫খ., ২১৯, ২২০)।
ইমাম বুখারী মৃ'তা নামক স্থান সম্পর্কে বলেন, الشام অর্থাৎ মৃ'তা হইল শামের একটি স্থানের নাম (সাহীহুল বুখারী, বাব গাযওয়াতি মৃ'তা মিন আরদিশ-শাম)। ইবন ইসহাক বলেন, মু'তা আল-বালকা' নামক স্থানের পার্শ্বস্থিত একটি স্থানের নাম। আল-কিরমানী বলেন, মু'তা বায়তুল মাকদিস হইতে দুই মারহালা দূরে অবস্থিত ('উমদাতুল কারী, ১৭ খ., ২৬৭)।
কেহ কেহ বলেন, ইহা সিরিয়ার উচ্চভূমির একটি স্থান যাহা "আযরুহ” হইতে বার মাইল দূরত্বে অবস্থিত। এখানে জা'ফার ইবন্ আবী তালিব (রা), যায়দ ইবন হারিছা (রা) ও 'আবদুল্লাহ ইব্ন রাওয়াহা (রা)-এর কবর রহিয়াছে। তাঁহাদের প্রত্যেকের কবরের উপর পৃথক পৃথকভাবে সৌধ নির্মিত রহিয়াছে (মারাসিদুল ইত্তিলা', ৩খ, ১৩৩০)।
কাহারও মতে, “মূ'তা একটি শহর যাহা জর্দানের পূর্বদিকে Dead Sea (মরুসাগর)-এর দক্ষিণ প্রান্ত হইতে পূর্ব অভিমুখে এবং কারাক অঞ্চল হইতে দক্ষিণ দিকে দুই ঘণ্টার পথ দূরত্বে উর্বর সমতল ভূমির কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত" (ইসলামী বিশ্বকোষ, বাংলাদেশ, ২০খ, পৃ. ১)। "উক্ত শহর ৮ম হিজরীর ১ জুমাদাল উলা তারিখের একটি অসম যুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর অসীম সাহসিকতা প্রদর্শনের জন্য বিখ্যাত"।
একটি মতে মৃ'তা হইল সিরিয়ার এলাকাধীন। ইহা বালকা ভূমির শুরুতেই অবস্থিত (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ২৩৫; যাদুল মা'আদ, তা. বি. ২খ., ১৫৫)।
সিরিয়া সীমান্তের একটি স্থানের নাম মৃ'তা (مؤتة)! আরবীতে এই শব্দটি দুই ধরনে উচ্চারিত হয়। পেশযুক্ত মীম ও হামযাবিহীন ওয়াও বর্ণে সাকিন সহকারে। এইরূপ উচ্চারণের অনুকূলে আল-মুবাররাদ সুদৃঢ় অভিমত পোষণ করিয়াছেন। তবে অনেকে হামযা সহকারে উচ্চারণ করিয়াছেন। ছা'লাবী, আল-জাওহারী ও ইব্ন ফারিস হামযা সহকারে উচ্চারণের পক্ষে দৃঢ় মত পোষণ করিয়াছেন (ফাতহুল-বারী, ৭খ., পৃ. ৫১০)। ছা'লাবী বলেন, হামযাবিহীন মৃতা-র অর্থ হইল পাগল এবং যেই শহরে জা'ফার ইব্ন আবী তালিব (রা) শাহাদত বরণ করিয়াছেন সেই শহরের নাম হইল হামযা সহকারে উচ্চারিত মৃতা (مؤتة)!
আন-নাদর বলেন, হামযাবিহীন মৃতা ঐ ব্যক্তির বেলায় প্রযোজ্য যে উন্মাদ হইবার পর আবার সুস্থ হইয়া উঠে। আল-লাহয়ানী বলেন, মৃতা (হামযাবিহীন) বলা হয় যাহার বিবেকবুদ্ধি লোপ পায়। আর মৃ'তা (হামযা সহকারে) শাম (সিরিয়া) সীমান্তের অন্যতম জনপদ। কেহ কেহ বলেন, মৃ'তা হইল শামের উচ্চভূমিসমূহের একটি স্থান। এই স্থানে তরবারি উপর মোহর অংকন করা হয়। ইহার দিকেই সম্পর্ক করিয়া অনেক তরবারিকে আল-মাশরাফিয়্যা বলিয়া অভিহিত করা হয় (মু'জামুল বুলদান, ৫খ., ২১৯, ২২০)।
ইমাম বুখারী মৃ'তা নামক স্থান সম্পর্কে বলেন, الشام অর্থাৎ মৃ'তা হইল শামের একটি স্থানের নাম (সাহীহুল বুখারী, বাব গাযওয়াতি মৃ'তা মিন আরদিশ-শাম)। ইবন ইসহাক বলেন, মু'তা আল-বালকা' নামক স্থানের পার্শ্বস্থিত একটি স্থানের নাম। আল-কিরমানী বলেন, মু'তা বায়তুল মাকদিস হইতে দুই মারহালা দূরে অবস্থিত ('উমদাতুল কারী, ১৭ খ., ২৬৭)।
কেহ কেহ বলেন, ইহা সিরিয়ার উচ্চভূমির একটি স্থান যাহা "আযরুহ” হইতে বার মাইল দূরত্বে অবস্থিত। এখানে জা'ফার ইবন্ আবী তালিব (রা), যায়দ ইবন হারিছা (রা) ও 'আবদুল্লাহ ইব্ন রাওয়াহা (রা)-এর কবর রহিয়াছে। তাঁহাদের প্রত্যেকের কবরের উপর পৃথক পৃথকভাবে সৌধ নির্মিত রহিয়াছে (মারাসিদুল ইত্তিলা', ৩খ, ১৩৩০)।
কাহারও মতে, “মূ'তা একটি শহর যাহা জর্দানের পূর্বদিকে Dead Sea (মরুসাগর)-এর দক্ষিণ প্রান্ত হইতে পূর্ব অভিমুখে এবং কারাক অঞ্চল হইতে দক্ষিণ দিকে দুই ঘণ্টার পথ দূরত্বে উর্বর সমতল ভূমির কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত" (ইসলামী বিশ্বকোষ, বাংলাদেশ, ২০খ, পৃ. ১)। "উক্ত শহর ৮ম হিজরীর ১ জুমাদাল উলা তারিখের একটি অসম যুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর অসীম সাহসিকতা প্রদর্শনের জন্য বিখ্যাত"।
একটি মতে মৃ'তা হইল সিরিয়ার এলাকাধীন। ইহা বালকা ভূমির শুরুতেই অবস্থিত (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ২৩৫; যাদুল মা'আদ, তা. বি. ২খ., ১৫৫)।
📄 যুদ্ধের কারণ
শুরাহবীল ইবন 'আমর আল-গাসসানী ছিল রোম সম্রাট কর্তৃক নিযুক্ত সিরিয়ার শাসক। রাসূলুল্লাহ (স) বানু লাহাবের আল-হারিছ ইবন 'উমায়র আল-আযদীকে বুসরার শাসকের নিকট তাঁহার একখানা চিঠিসহ প্রেরণ করেন। শুরাহবীল তাহাকে বন্দী করে এবং হত্যা করে। রাসূলুল্লাহ (স) এই সংবাদ পাইয়া খুবই মর্মাহত হইলেন এবং এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি একটি সেনাঅভিযান প্রেরণ করিলেন (যাদুল মা'আদ, ২খ., ১৫৫)। দূত হত্যা অমার্জনীয় অপরাধ, অন্যদিকে শুরাহবীলের এই কাজটি ছিল মদীনার ইসলামী রাষ্ট্রের প্রতি হুমকিস্বরূপ। কৃত এই অন্যায় ও অপরাধের প্রতিবিধানকল্পে রাসূলুল্লাহ (স) ৩ হাজার সেনার একটি বাহিনী প্রেরণ করেন (ইসলামী বিশ্বকোষ, ২০খ., পৃ. ১)।
স্থানটি যদিও অনেক দূরবর্তী এবং দেশের সীমার বাহিরে ছিল, এতদসত্ত্বেও বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব আরোপ করিয়া রাসূলুল্লাহ (স) সেনা অভিযান পরিচালনা করেন (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ২৩৫)। হারিছ ইবন 'উমায়র আল-আযদী রওয়ানা হইয়া মু'তা নামক স্থানে পৌছিলে শুরাহবীল তাহার মুখামুখী হইয়া জিজ্ঞাসা করিল, কোথায় যাইতেছ? তিনি বলিলেন, শামে যাইতেছি। সে বলিল, সম্ভবত "তুমি মুহাম্মাদের দূত"। তিনি ইতিবাচক জওয়াব দিলেন। ইহাতে সে হারিছ (রা)-কে হত্যা করে। ইতোপূর্বে রাসূলুল্লাহ (স)-এর কোন দূতকে হত্যা করা হয় নাই। রাজ-দরবারের দূতগণের নিরাপত্তা সর্বজন স্বীকৃত ছিল (মাদারিজুন নুবুওয়া, ৪৫৩)।
শুরাহবীল ইবন 'আমর আল-গাসসানী ছিল রোম সম্রাট কর্তৃক নিযুক্ত সিরিয়ার শাসক। রাসূলুল্লাহ (স) বানু লাহাবের আল-হারিছ ইবন 'উমায়র আল-আযদীকে বুসরার শাসকের নিকট তাঁহার একখানা চিঠিসহ প্রেরণ করেন। শুরাহবীল তাহাকে বন্দী করে এবং হত্যা করে। রাসূলুল্লাহ (স) এই সংবাদ পাইয়া খুবই মর্মাহত হইলেন এবং এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি একটি সেনাঅভিযান প্রেরণ করিলেন (যাদুল মা'আদ, ২খ., ১৫৫)। দূত হত্যা অমার্জনীয় অপরাধ, অন্যদিকে শুরাহবীলের এই কাজটি ছিল মদীনার ইসলামী রাষ্ট্রের প্রতি হুমকিস্বরূপ। কৃত এই অন্যায় ও অপরাধের প্রতিবিধানকল্পে রাসূলুল্লাহ (স) ৩ হাজার সেনার একটি বাহিনী প্রেরণ করেন (ইসলামী বিশ্বকোষ, ২০খ., পৃ. ১)।
স্থানটি যদিও অনেক দূরবর্তী এবং দেশের সীমার বাহিরে ছিল, এতদসত্ত্বেও বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব আরোপ করিয়া রাসূলুল্লাহ (স) সেনা অভিযান পরিচালনা করেন (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ২৩৫)। হারিছ ইবন 'উমায়র আল-আযদী রওয়ানা হইয়া মু'তা নামক স্থানে পৌছিলে শুরাহবীল তাহার মুখামুখী হইয়া জিজ্ঞাসা করিল, কোথায় যাইতেছ? তিনি বলিলেন, শামে যাইতেছি। সে বলিল, সম্ভবত "তুমি মুহাম্মাদের দূত"। তিনি ইতিবাচক জওয়াব দিলেন। ইহাতে সে হারিছ (রা)-কে হত্যা করে। ইতোপূর্বে রাসূলুল্লাহ (স)-এর কোন দূতকে হত্যা করা হয় নাই। রাজ-দরবারের দূতগণের নিরাপত্তা সর্বজন স্বীকৃত ছিল (মাদারিজুন নুবুওয়া, ৪৫৩)।
শুরাহবীল ইবন 'আমর আল-গাসসানী ছিল রোম সম্রাট কর্তৃক নিযুক্ত সিরিয়ার শাসক। রাসূলুল্লাহ (স) বানু লাহাবের আল-হারিছ ইবন 'উমায়র আল-আযদীকে বুসরার শাসকের নিকট তাঁহার একখানা চিঠিসহ প্রেরণ করেন। শুরাহবীল তাহাকে বন্দী করে এবং হত্যা করে। রাসূলুল্লাহ (স) এই সংবাদ পাইয়া খুবই মর্মাহত হইলেন এবং এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি একটি সেনাঅভিযান প্রেরণ করিলেন (যাদুল মা'আদ, ২খ., ১৫৫)। দূত হত্যা অমার্জনীয় অপরাধ, অন্যদিকে শুরাহবীলের এই কাজটি ছিল মদীনার ইসলামী রাষ্ট্রের প্রতি হুমকিস্বরূপ। কৃত এই অন্যায় ও অপরাধের প্রতিবিধানকল্পে রাসূলুল্লাহ (স) ৩ হাজার সেনার একটি বাহিনী প্রেরণ করেন (ইসলামী বিশ্বকোষ, ২০খ., পৃ. ১)।
স্থানটি যদিও অনেক দূরবর্তী এবং দেশের সীমার বাহিরে ছিল, এতদসত্ত্বেও বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব আরোপ করিয়া রাসূলুল্লাহ (স) সেনা অভিযান পরিচালনা করেন (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ২৩৫)। হারিছ ইবন 'উমায়র আল-আযদী রওয়ানা হইয়া মু'তা নামক স্থানে পৌছিলে শুরাহবীল তাহার মুখামুখী হইয়া জিজ্ঞাসা করিল, কোথায় যাইতেছ? তিনি বলিলেন, শামে যাইতেছি। সে বলিল, সম্ভবত "তুমি মুহাম্মাদের দূত"। তিনি ইতিবাচক জওয়াব দিলেন। ইহাতে সে হারিছ (রা)-কে হত্যা করে। ইতোপূর্বে রাসূলুল্লাহ (স)-এর কোন দূতকে হত্যা করা হয় নাই। রাজ-দরবারের দূতগণের নিরাপত্তা সর্বজন স্বীকৃত ছিল (মাদারিজুন নুবুওয়াত, ৪৫৩)।
শুরাহবীল ইবন 'আমর আল-গাসসানী ছিল রোম সম্রাট কর্তৃক নিযুক্ত সিরিয়ার শাসক। রাসূলুল্লাহ (স) বানু লাহাবের আল-হারিছ ইবন 'উমায়র আল-আযদীকে বুসরার শাসকের নিকট তাঁহার একখানা চিঠিসহ প্রেরণ করেন। শুরাহবীল তাহাকে বন্দী করে এবং হত্যা করে। রাসূলুল্লাহ (স) এই সংবাদ পাইয়া খুবই মর্মাহত হইলেন এবং এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি একটি সেনাঅভিযান প্রেরণ করিলেন (যাদুল মা'আদ, ২খ., ১৫৫)। দূত হত্যা অমার্জনীয় অপরাধ, অন্যদিকে শুরাহবীলের এই কাজটি ছিল মদীনার ইসলামী রাষ্ট্রের প্রতি হুমকিস্বরূপ। কৃত এই অন্যায় ও অপরাধের প্রতিবিধানকল্পে রাসূলুল্লাহ (স) ৩ হাজার সেনার একটি বাহিনী প্রেরণ করেন (ইসলামী বিশ্বকোষ, ২০খ., পৃ. ১)।
স্থানটি যদিও অনেক দূরবর্তী এবং দেশের সীমার বাহিরে ছিল, এতদসত্ত্বেও বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব আরোপ করিয়া রাসূলুল্লাহ (স) সেনা অভিযান পরিচালনা করেন (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ২৩৫)। হারিছ ইবন 'উমায়র আল-আযদী রওয়ানা হইয়া মু'তা নামক স্থানে পৌছিলে শুরাহবীল তাহার মুখামুখী হইয়া জিজ্ঞাসা করিল, কোথায় যাইতেছ? তিনি বলিলেন, শামে যাইতেছি। সে বলিল, সম্ভবত "তুমি মুহাম্মাদের দূত"। তিনি ইতিবাচক জওয়াব দিলেন। ইহাতে সে হারিছ (রা)-কে হত্যা করে। ইতোপূর্বে রাসূলুল্লাহ (স)-এর কোন দূতকে হত্যা করা হয় নাই। রাজ-দরবারের দূতগণের নিরাপত্তা সর্বজন স্বীকৃত ছিল (মাদারিজুন নুবুওয়াত, ৪৫৩)।
📄 সেনা অভিযানের কাল
'উরওয়া হইতে "মাগাযী আবিল আসওয়াদ"-এ বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ (স) সেনাদলকে মৃ'তার দিকে প্রেরণ করিয়াছিলেন ৮ম হিজরীর জুমাদাল উলা মাসে। ইবন ইসহাক ও মূসা ইব্ন 'উকবা প্রমুখ মাগাযী গ্রন্থকারগণ অনুরূপ অভিমত প্রকাশ করিয়াছেন। ইহাতে তাঁহাদের মধ্যে কোন মতবিরোধ নাই। তবে "খলীফা” তাঁহার ইতিহাস গ্রন্থে উল্লেখ করিয়াছেন যে, এই অভিযান, সপ্তম হিজরী সনে পরিচালিত হইয়াছিল (ফাতহুল বারী, ৭খ., ৫১১)। মুহাম্মাদ ইন্ন ইসহাক "উমরাতুল কাদার" কথা উল্লেখ করিবার পর বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) যুল-হিজ্জা মাসের অবশিষ্ট দিনগুলি এবং মুহাররম, সাফার, রাবী'উল আওয়াল ও রবী'উছছানী মাস পর্যন্ত মদীনায় অবস্থান করিবার পর জুমাদাল উলা মাসে সেই সৈন্যদলকে শামের দিকে প্রেরণ করেন, যাহারা মৃ'তা অভিযানে আক্রান্ত হইয়াছিলেন। মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক আরও বলেন, 'উরওয়া বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) মৃ'তা অভিমুখে ৮ম হিজরী সনের জুমাদাল উলা মাসে সৈন্যবাহিনী প্রেরণ করিয়া যায়দ ইব্ন হারিছা (রা)-কে তাহাদের সেনাপতি নিযুক্ত করিয়ছিলেন (ইব্ন কাছীর, আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., ২৪১)।
'উরওয়া হইতে "মাগাযী আবিল আসওয়াদ"-এ বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ (স) সেনাদলকে মৃ'তার দিকে প্রেরণ করিয়াছিলেন ৮ম হিজরীর জুমাদাল উলা মাসে। ইবন ইসহাক ও মূসা ইব্ন 'উকবা প্রমুখ মাগাযী গ্রন্থকারগণ অনুরূপ অভিমত প্রকাশ করিয়াছেন। ইহাতে তাঁহাদের মধ্যে কোন মতবিরোধ নাই। তবে "খলীফা” তাঁহার ইতিহাস গ্রন্থে উল্লেখ করিয়াছেন যে, এই অভিযান, সপ্তম হিজরী সনে পরিচালিত হইয়াছিল (ফাতহুল বারী, ৭খ., ৫১১)। মুহাম্মাদ ইন্ন ইসহাক "উমরাতুল কাদার" কথা উল্লেখ করিবার পর বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) যুল-হিজ্জা মাসের অবশিষ্ট দিনগুলি এবং মুহাররম, সাফার, রাবী'উল আওয়াল ও রবী'উছছানী মাস পর্যন্ত মদীনায় অবস্থান করিবার পর জুমাদাল উলা মাসে সেই সৈন্যদলকে শামের দিকে প্রেরণ করেন, যাহারা মৃ'তা অভিযানে আক্রান্ত হইয়াছিলেন। মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক আরও বলেন, 'উরওয়া বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) মৃ'তা অভিমুখে ৮ম হিজরী সনের জুমাদাল উলা মাসে সৈন্যবাহিনী প্রেরণ করিয়া যায়দ ইব্ন হারিছা (রা)-কে তাহাদের সেনাপতি নিযুক্ত করিয়ছিলেন (ইব্ন কাছীর, আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., ২৪১)।
'উরওয়া হইতে "মাগাযী আবিল আসওয়াদ"-এ বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ (স) সেনাদলকে মৃ'তার দিকে প্রেরণ করিয়াছিলেন ৮ম হিজরীর জুমাদাল উলা মাসে। ইবন ইসহাক ও মূসা ইব্ন 'উকবা প্রমুখ মাগাযী গ্রন্থকারগণ অনুরূপ অভিমত প্রকাশ করিয়াছেন। ইহাতে তাঁহাদের মধ্যে কোন মতবিরোধ নাই। তবে "খলীফা” তাঁহার ইতিহাস গ্রন্থে উল্লেখ করিয়াছেন যে, এই অভিযান, সপ্তম হিজরী সনে পরিচালিত হইয়াছিল (ফাতহুল বারী, ৭খ., ৫১১)। মুহাম্মাদ ইন্ন ইসহাক "উমরাতুল কাদার" কথা উল্লেখ করিবার পর বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) যুল-হিজ্জা মাসের অবশিষ্ট দিনগুলি এবং মুহাররম, সাফার, রাবী'উল আওয়াল ও রবী'উছছানী মাস পর্যন্ত মদীনায় অবস্থান করিবার পর জুমাদাল উলা মাসে সেই সৈন্যদলকে শামের দিকে প্রেরণ করেন, যাহারা মৃ'তা অভিযানে আক্রান্ত হইয়াছিলেন। মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক আরও বলেন, 'উরওয়া বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) মৃ'তা অভিমুখে ৮ম হিজরী সনের জুমাদাল উলা মাসে সৈন্যবাহিনী প্রেরণ করিয়া যায়দ ইব্ন হারিছা (রা)-কে তাহাদের সেনাপতি নিযুক্ত করিয়ছিলেন (ইব্ন কাছীর, আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., ২৪১)।
'উরওয়া হইতে "মাগাযী আবিল আসওয়াদ"-এ বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ (স) সেনাদলকে মৃ'তার দিকে প্রেরণ করিয়াছিলেন ৮ম হিজরীর জুমাদাল উলা মাসে। ইবন ইসহাক ও মূসা ইব্ন 'উকবা প্রমুখ মাগাযী গ্রন্থকারগণ অনুরূপ অভিমত প্রকাশ করিয়াছেন। ইহাতে তাঁহাদের মধ্যে কোন মতবিরোধ নাই। তবে "খলীফা” তাঁহার ইতিহাস গ্রন্থে উল্লেখ করিয়াছেন যে, এই অভিযান, সপ্তম হিজরী সনে পরিচালিত হইয়াছিল (ফাতহুল বারী, ৭খ., ৫১১)। মুহাম্মাদ ইন্ন ইসহাক "উমরাতুল কাদার" কথা উল্লেখ করিবার পর বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) যুল-হিজ্জা মাসের অবশিষ্ট দিনগুলি এবং মুহাররম, সাফার, রাবী'উল আওয়াল ও রবী'উছছানী মাস পর্যন্ত মদীনায় অবস্থান করিবার পর জুমাদাল উলা মাসে সেই সৈন্যদলকে শামের দিকে প্রেরণ করেন, যাহারা মৃ'তা অভিযানে আক্রান্ত হইয়াছিলেন। মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক আরও বলেন, 'উরওয়া বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) মৃ'তা অভিমুখে ৮ম হিজরী সনের জুমাদাল উলা মাসে সৈন্যবাহিনী প্রেরণ করিয়া যায়দ ইব্ন হারিছা (রা)-কে তাহাদের সেনাপতি নিযুক্ত করিয়ছিলেন (ইব্ن কাছীর, আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., ২৪১)।
📄 সেনাপতি নিয়োগ
এই যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (স) ধারাবাহিকভাবে তিনজন সেনাপতি নির্বাচন করিয়াছিলেন। এই তিনজনের অনুপস্থিতিতে চতুর্থ সেনাপতি নির্বাচনের দায়িত্ব উপস্থিত মুসলমানগণের উপর ন্যস্ত করিয়াছিলেন। তাহাদিগের মধ্যে সর্বপ্রথম হইলেন যায়দ ইব্ন হারিছা (রা), তিনি শাহাদাত বরণ করিলে মহানবী (সা-এর চাচাত ভাই জা'ফার ইব্ন আবূ তালিব (রা), তিনিও শহীদ হইলে কবি 'আবদুল্লাহ ইবন রাওয়াহা (রা) নেতৃত্ব গ্রহণ করিবেন। একমাত্র এই অভিযানেই রাসূলুল্লাহ (স) পর্যায়ক্রমে তিনজন সাহাবীকে সেনাপতি নিয়োগ করিয়াছিলেন (ইসলামী বিশ্বকোষ, ২০খ., (পৃ. ১)। আল-ওয়াকিদী তদীয় সূত্রে আল-হাকাম হইতে নিম্নোক্ত রিওয়ায়তটি বর্ণনা করিয়াছেন। আল-হাকাম বলেন:
جَاءَ النُّعْمَانُ بْنُ فَنْحَصِ الْيَهُودِيُّ فَوَقَفَ عَلَى رَسُولِ اللهِ ﷺ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ زَيْدُ بْنُ حَارِثَةَ أَمِيرُ النَّاسِ فَإِنْ قُتِلَ زَيْدٌ فَجَعْفَرُ بْنُ أَبِي طَالِبٍ فَإِنْ قُتِلَ جَعْفَرُ فَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَوَاحَةَ فَإِنْ قُتِلَ عَبْدَ اللهِ بْنُ رَوَاحَةَ فَلْيَرْتَضِ الْمُسْلِمُونَ بَيْنَهُمْ رَجُلاً فَلْيَجْعَلُوهُ عَلَيْهِمْ فَقَالَ النُّعْمَانُ أَبَا الْقَاسِمِ إِنْ كُنْتَ نَبِيًّا فَلَوْ سَمَّيْتَ مَنْ سَمَّيْتَ قَلِيلًا أَوْ كَثِيرًا أَصِيبُوا جَمِيعًا إِنَّ الْأَنْبِيَاءَ فِي بَنِي إِسْرَائِيلَ كَانُوا إِذَا سَمُّوا الرَّجُلَ عَلَى الْقَوْمِ فَقَالُوا إِنْ أَصِيْبَ - فُلانٌ فَفُلَانٌ فَلَوْ سَمُوا مِائَةً أَصِيبُوا جَمِيعًا ثُمَّ جَعَلَ يَقُولُ لِزَيْدٍ أَعْهُدُ فَإِنَّكَ لَا تَرْجِعُ أَبَدًا إِنْ كَانَ مُحَمَّدٌ نَبِيًّا فَقَالَ زَيْدٌ أَشْهَدُ أَنَّهُ نَبِيُّ صَادِقُ بَارُ (رواه البيهقي).
"নু'মান ইব্ন ফানহাস ইয়াহুদী আসিয়া লোকজনের সঙ্গে রাসূলুল্লাহ (স)-এর সামনে দাঁড়াইল। এই সময় রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন, যায়দ ইবন হারিছা সৈন্যবাহিনীর সেনাপতি, যায়দ শহীদ হইলে জা'ফার ইব্ন আবী তালিব, জা'ফার শহীদ হইলে আবদুল্লাহ ইব্ন রাওয়াহা, আবদুল্লাহ ইব্ন রাওয়াহা শহীদ হইলে মুসলিমগণ তাহাদের পছন্দমত এক ব্যক্তিকে তাহাদিগের সেনাপতি নিযুক্ত করিবে। ইহা শুনিয়া নু'মান বলিল, হে আবুল কাসিম! আপনি যদি নবী হইয়া থাকেন তাহা হইলে আপনি যতজনের নাম উচ্চারণ করিলেন সকলেই শহীদ হইবে। বানী ইসরাঈলের নবীগণ যখন কোন ব্যক্তিকে কোন গোত্রের উপর নির্ধারণ করিয়া দিতেন তখন যদি তাহারা বলিতেন অমুক নিহত হইবে তাহা হইলে সে নিহত হইত। তাহারা যদি এক শত ব্যক্তির নাম উচ্চারণ করিতেন তাহা হইলে সকলেই নিহত হইত। অতঃপর নু'মান যায়দ (রা)-কে বলিল, আমি শপথ করিয়া বলিতেছি, যদি মুহাম্মাদ নবী হইয়া থাকেন তাহা হইলে তুমি কখনও ফিরিয়া আসিবে না। তাহার উত্তরে যায়দ (রা) বলিলেন, আমি সাক্ষ্য দিতেছি যে, তিনি সত্যবাদী পুণ্যবান নবী" (বায়হাকী আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., ২৪১)।
সীরাতবিদগণ বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ (স) যায়দ (রা)-কে সেনাপতি নিযুক্ত করিলেন তখন জা'ফার ইব্ন আবী তালিব আরয করিলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার এই আশা ছিল না যে, আপনি সেনাপতি নিযুক্ত করিতে আমার উপর যায়দকে প্রাধান্য দিবেন। রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন, হে জা'ফার! তুমি অভিযানে রওয়ানা হও এবং আল্লাহ্র রাসূলের আদেশের অনুগত হও। তুমি একথা অবগত নও যে, তোমার কল্যাণ কোন কাজে রহিয়াছে (মাদারিজুন নুবুওয়া, ২খ., ৪৫৪)।
এই যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (স) ধারাবাহিকভাবে তিনজন সেনাপতি নির্বাচন করিয়াছিলেন। এই তিনজনের অনুপস্থিতিতে চতুর্থ সেনাপতি নির্বাচনের দায়িত্ব উপস্থিত মুসলমানগণের উপর ন্যস্ত করিয়াছিলেন। তাহাদিগের মধ্যে সর্বপ্রথম হইলেন যায়দ ইব্ন হারিছা (রা), তিনি শাহাদাত বরণ করিলে মহানবী (সা-এর চাচাত ভাই জা'ফার ইব্ন আবূ তালিব (রা), তিনিও শহীদ হইলে কবি 'আবদুল্লাহ ইবন রাওয়াহা (রা) নেতৃত্ব গ্রহণ করিবেন। একমাত্র এই অভিযানেই রাসূলুল্লাহ (স) পর্যায়ক্রমে তিনজন সাহাবীকে সেনাপতি নিয়োগ করিয়াছিলেন (ইসলামী বিশ্বকোষ, ২০খ., (পৃ. ১)। আল-ওয়াকিদী তদীয় সূত্রে আল-হাকাম হইতে নিম্নোক্ত রিওয়ায়তটি বর্ণনা করিয়াছেন। আল-হাকাম বলেন:
جَاءَ النُّعْمَانُ بْنُ فَنْحَصِ الْيَهُودِيُّ فَوَقَفَ عَلَى رَسُولِ اللهِ ﷺ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ زَيْدُ بْنُ حَارِثَةَ أَمِيرُ النَّاسِ فَإِنْ قُتِلَ زَيْدٌ فَجَعْفَرُ بْنُ أَبِي طَالِبٍ فَإِنْ قُتِلَ جَعْفَرُ فَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَوَاحَةَ فَإِنْ قُتِلَ عَبْدَ اللهِ بْنُ رَوَاحَةَ فَلْيَرْتَضِ الْمُسْلِمُونَ بَيْنَهُمْ رَجُلاً فَلْيَجْعَلُوهُ عَلَيْهِمْ فَقَالَ النُّعْمَانُ أَبَا الْقَاسِمِ إِنْ كُنْتَ نَبِيًّا فَلَوْ سَمَّيْتَ مَنْ سَمَّيْتَ قَلِيلًا أَوْ كَثِيرًا أَصِيبُوا جَمِيعًا إِنَّ الْأَنْبِيَاءَ فِي بَنِي إِسْرَائِيلَ كَانُوا إِذَا سَمُّوا الرَّجُلَ عَلَى الْقَوْمِ فَقَالُوا إِنْ أَصِيْبَ - فُلانٌ فَفُلَانٌ فَلَوْ سَمُوا مِائَةً أَصِيبُوا جَمِيعًا ثُمَّ جَعَلَ يَقُولُ لِزَيْدٍ أَعْهُدُ فَإِنَّكَ لَا تَرْجِعُ أَبَدًا إِنْ كَانَ مُحَمَّدٌ نَبِيًّا فَقَالَ زَيْدٌ أَشْهَدُ أَنَّهُ نَبِيُّ صَادِقُ بَارُ (رواه البيهقي).
"নু'মান ইব্ন ফানহাস ইয়াহুদী আসিয়া লোকজনের সঙ্গে রাসূলুল্লাহ (স)-এর সামনে দাঁড়াইল। এই সময় রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন, যায়দ ইবন হারিছা সৈন্যবাহিনীর সেনাপতি, যায়দ শহীদ হইলে জা'ফার ইব্ন আবী তালিব, জা'ফার শহীদ হইলে আবদুল্লাহ ইব্ন রাওয়াহা, আবদুল্লাহ ইব্ন রাওয়াহা শহীদ হইলে মুসলিমগণ তাহাদের পছন্দমত এক ব্যক্তিকে তাহাদিগের সেনাপতি নিযুক্ত করিবে। ইহা শুনিয়া নু'মান বলিল, হে আবুল কাসিম! আপনি যদি নবী হইয়া থাকেন তাহা হইলে আপনি যতজনের নাম উচ্চারণ করিলেন সকলেই শহীদ হইবে। বানী ইসরাঈলের নবীগণ যখন কোন ব্যক্তিকে কোন গোত্রের উপর নির্ধারণ করিয়া দিতেন তখন যদি তাহারা বলিতেন অমুক নিহত হইবে তাহা হইলে সে নিহত হইত। তাহারা যদি এক শত ব্যক্তির নাম উচ্চারণ করিতেন তাহা হইলে সকলেই নিহত হইত। অতঃপর নু'মান যায়দ (রা)-কে বলিল, আমি শপথ করিয়া বলিতেছি, যদি মুহাম্মাদ নবী হইয়া থাকেন তাহা হইলে তুমি কখনও ফিরিয়া আসিবে না। তাহার উত্তরে যায়দ (রা) বলিলেন, আমি সাক্ষ্য দিতেছি যে, তিনি সত্যবাদী পুণ্যবান নবী" (বায়হাকী আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., ২৪১)।
সীরাতবিদগণ বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ (স) যায়দ (রা)-কে সেনাপতি নিযুক্ত করিলেন তখন জা'ফার ইব্ন আবী তালিব আরয করিলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার এই আশা ছিল না যে, আপনি সেনাপতি নিযুক্ত করিতে আমার উপর যায়দকে প্রাধান্য দিবেন। রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন, হে জা'ফার! তুমি অভিযানে রওয়ানা হও এবং আল্লাহ্র রাসূলের আদেশের অনুগত হও। তুমি একথা অবগত নও যে, তোমার কল্যাণ কোন কাজে রহিয়াছে (মাদারিজুন নুবুওয়া, ২খ., ৪৫৪)।
এই যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (স) ধারাবাহিকভাবে তিনজন সেনাপতি নির্বাচন করিয়াছিলেন। এই তিনজনের অনুপস্থিতিতে চতুর্থ সেনাপতি নির্বাচনের দায়িত্ব উপস্থিত মুসলমানগণের উপর ন্যস্ত করিয়াছিলেন। তাহাদিগের মধ্যে সর্বপ্রথম হইলেন যায়দ ইব্ন হারিছা (রা), তিনি শাহাদাত বরণ করিলে মহানবী (সা-এর চাচাত ভাই জা'ফার ইব্ন আবূ তালিব (রা), তিনিও শহীদ হইলে কবি 'আবদুল্লাহ ইবন রাওয়াহা (রা) নেতৃত্ব গ্রহণ করিবেন। একমাত্র এই অভিযানেই রাসূলুল্লাহ (স) পর্যায়ক্রমে তিনজন সাহাবীকে সেনাপতি নিয়োগ করিয়াছিলেন (ইসলামী বিশ্বকোষ, ২০খ., (পৃ. ১)। আল-ওয়াকিদী তদীয় সূত্রে আল-হাকাম হইতে নিম্নোক্ত রিওয়ায়তটি বর্ণনা করিয়াছেন। আল-হাকাম বলেন:
جَاءَ النُّعْمَانُ بْنُ فَنْحَصِ الْيَهُودِيُّ فَوَقَفَ عَلَى رَسُولِ اللهِ ﷺ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ زَيْدُ بْنُ حَارِثَةَ أَمِيرُ النَّاسِ فَإِنْ قُتِلَ زَيْدٌ فَجَعْفَرُ بْنُ أَبِي طَالِبٍ فَإِنْ قُتِلَ جَعْفَرُ فَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَوَاحَةَ فَإِنْ قُتِلَ عَبْدَ اللهِ بْنُ رَوَاحَةَ فَلْيَرْتَضِ الْمُسْلِمُونَ بَيْنَهُمْ رَجُلاً فَلْيَجْعَلُوهُ عَلَيْهِمْ فَقَالَ النُّعْمَانُ أَبَا الْقَاسِمِ إِنْ كُنْتَ نَبِيًّا فَلَوْ سَمَّيْتَ مَنْ سَمَّيْتَ قَلِيلًا أَوْ كَثِيرًا أَصِيبُوا جَمِيعًا إِنَّ الْأَنْبِيَاءَ فِي بَنِي إِسْرَائِيلَ كَانُوا إِذَا سَمُّوا الرَّجُلَ عَلَى الْقَوْمِ فَقَالُوا إِنْ أَصِيْبَ - فُلانٌ فَفُلَانٌ فَلَوْ سَمُوا مِائَةً أَصِيبُوا جَمِيعًا ثُمَّ جَعَلَ يَقُولُ لِزَيْدٍ أَعْهُدُ فَإِنَّكَ لَا تَرْجِعُ أَبَدًا إِنْ كَانَ مُحَمَّدٌ نَبِيًّا فَقَالَ زَيْدٌ أَشْهَدُ أَنَّهُ نَبِيُّ صَادِقُ بَارُ (رواه البيهقي).
"নু'মান ইব্ন ফানহাস ইয়াহুদী আসিয়া লোকজনের সঙ্গে রাসূলুল্লাহ (স)-এর সামনে দাঁড়াইল। এই সময় রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন, যায়দ ইবন হারিছা সৈন্যবাহিনীর সেনাপতি, যায়দ শহীদ হইলে জা'ফার ইব্ন আবী তালিব, জা'ফার শহীদ হইলে আবদুল্লাহ ইব্ন রাওয়াহা, আবদুল্লাহ ইব্ন রাওয়াহা শহীদ হইলে মুসলিমগণ তাহাদের পছন্দমত এক ব্যক্তিকে তাহাদিগের সেনাপতি নিযুক্ত করিবে। ইহা শুনিয়া নু'মান বলিল, হে আবুল কাসিম! আপনি যদি নবী হইয়া থাকেন তাহা হইলে আপনি যতজনের নাম উচ্চারণ করিলেন সকলেই শহীদ হইবে। বানী ইসরাঈলের নবীগণ যখন কোন ব্যক্তিকে কোন গোত্রের উপর নির্ধারণ করিয়া দিতেন তখন যদি তাহারা বলিতেন অমুক নিহত হইবে তাহা হইলে সে নিহত হইত। তাহারা যদি এক শত ব্যক্তির নাম উচ্চারণ করিতেন তাহা হইলে সকলেই নিহত হইত। অতঃপর নু'মান যায়দ (রা)-কে বলিল, আমি শপথ করিয়া বলিতেছি, যদি মুহাম্মাদ নবী হইয়া থাকেন তাহা হইলে তুমি কখনও ফিরিয়া আসিবে না। তাহার উত্তরে যায়দ (রা) বলিলেন, আমি সাক্ষ্য দিতেছি যে, তিনি সত্যবাদী পুণ্যবান নবী" (বায়হাকী আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., ২৪১)।
সীরাতবিদগণ বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ (স) যায়দ (রা)-কে সেনাপতি নিযুক্ত করিলেন তখন জা'ফার ইব্ন আবী তালিব আরয করিলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার এই আশা ছিল না যে, আপনি সেনাপতি নিযুক্ত করিতে আমার উপর যায়দকে প্রাধান্য দিবেন। রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন, হে জা'ফার! তুমি অভিযানে রওয়ানা হও এবং আল্লাহ্র রাসূলের আদেশের অনুগত হও। তুমি একথা অবগত নও যে, তোমার কল্যাণ কোন কাজে রহিয়াছে (মাদারিজুন নুবুওয়াত, ২খ., ৪৫৪)।
এই যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (স) ধারাবাহিকভাবে তিনজন সেনাপতি নির্বাচন করিয়াছিলেন। এই তিনজনের অনুপস্থিতিতে চতুর্থ সেনাপতি নির্বাচনের দায়িত্ব উপস্থিত মুসলমানগণের উপর ন্যস্ত করিয়াছিলেন। তাহাদিগের মধ্যে সর্বপ্রথম হইলেন যায়দ ইব্ন হারিছা (রা), তিনি শাহাদাত বরণ করিলে মহানবী (সা-এর চাচাত ভাই জা'ফার ইব্ন আবূ তালিব (রা), তিনিও শহীদ হইলে কবি 'আবদুল্লাহ ইবন রাওয়াহা (রা) নেতৃত্ব গ্রহণ করিবেন। একমাত্র এই অভিযানেই রাসূলুল্লাহ (স) পর্যায়ক্রমে তিনজন সাহাবীকে সেনাপতি নিয়োগ করিয়াছিলেন (ইসলামী বিশ্বকোষ, ২০খ., (পৃ. ১)। আল-ওয়াকিদী তদীয় সূত্রে আল-হাকাম হইতে নিম্নোক্ত রিওয়ায়তটি বর্ণনা করিয়াছেন। আল-হাকাম বলেন:
جَاءَ النُّعْمَانُ بْنُ فَنْحَصِ الْيَهُودِيُّ فَوَقَفَ عَلَى رَسُولِ اللهِ ﷺ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ زَيْدُ بْنُ حَارِثَةَ أَمِيرُ النَّاسِ فَإِنْ قُتِلَ زَيْدٌ فَجَعْفَرُ بْنُ أَبِي طَالِبٍ فَإِنْ قُتِلَ جَعْفَرُ فَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَوَاحَةَ فَإِنْ قُتِلَ عَبْدَ اللهِ بْنُ رَوَاحَةَ فَلْيَرْتَضِ الْمُسْلِمُونَ بَيْنَهُمْ رَجُلاً فَلْيَجْعَلُوهُ عَلَيْهِمْ فَقَالَ النُّعْمَانُ أَبَا الْقَاسِمِ إِنْ كُنْتَ نَبِيًّا فَلَوْ سَمَّيْتَ مَنْ سَمَّيْتَ قَلِيلًا أَوْ كَثِيرًا أَصِيبُوا جَمِيعًا إِنَّ الْأَنْبِيَاءَ فِي بَنِي إِسْرَائِيلَ كَانُوا إِذَا سَمُّوا الرَّجُلَ عَلَى الْقَوْمِ فَقَالُوا إِنْ أَصِيْبَ - فُلانٌ فَفُلَانٌ فَلَوْ سَمُوا مِائَةً أَصِيبُوا جَمِيعًا ثُمَّ جَعَلَ يَقُولُ لِزَيْدٍ أَعْهُدُ فَإِنَّكَ لَا تَرْجِعُ أَبَدًا إِنْ كَانَ مُحَمَّدٌ نَبِيًّا فَقَالَ زَيْدٌ أَشْهَدُ أَنَّهُ نَبِيُّ صَادِقُ بَارُ (رواه البيهقي).
"নু'মান ইব্ন ফানহাস ইয়াহুদী আসিয়া লোকজনের সঙ্গে রাসূলুল্লাহ (স)-এর সামনে দাঁড়াইল। এই সময় রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন, যায়দ ইবন হারিছা সৈন্যবাহিনীর সেনাপতি, যায়দ শহীদ হইলে জা'ফার ইব্ن আবী তালিব, জা'ফার শহীদ হইলে আবদুল্লাহ ইব্ন রাওয়াহা, আবদুল্লাহ ইব্ن রাওয়াহা শহীদ হইলে মুসলিমগণ তাহাদের পছন্দমত এক ব্যক্তিকে তাহাদিগের সেনাপতি নিযুক্ত করিবে। ইহা শুনিয়া নু'মান বলিল, হে আবুল কাসিম! আপনি যদি নবী হইয়া থাকেন তাহা হইলে আপনি যতজনের নাম উচ্চারণ করিলেন সকলেই শহীদ হইবে। বানী ইসরাঈলের নবীগণ যখন কোন ব্যক্তিকে কোন গোত্রের উপর নির্ধারণ করিয়া দিতেন তখন যদি তাহারা বলিতেন অমুক নিহত হইবে তাহা হইলে সে নিহত হইত। তাহারা যদি এক শত ব্যক্তির নাম উচ্চারণ করিতেন তাহা হইলে সকলেই নিহত হইত। অতঃপর নু'মান যায়দ (রা)-কে বলিল, আমি শপথ করিয়া বলিতেছি, যদি মুহাম্মাদ নবী হইয়া থাকেন তাহা হইলে তুমি কখনও ফিরিয়া আসিবে না। তাহার উত্তরে যায়দ (রা) বলিলেন, আমি সাক্ষ্য দিতেছি যে, তিনি সত্যবাদী পুণ্যবান নবী" (বায়হাকী আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., ২৪১)।
সীরাতবিদগণ বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ (স) যায়দ (রা)-কে সেনাপতি নিযুক্ত করিলেন তখন জা'ফার ইব্ن আবী তালিব আরয করিলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার এই আশা ছিল না যে, আপনি সেনাপতি নিযুক্ত করিতে আমার উপর যায়দকে প্রাধান্য দিবেন। রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন, হে জা'ফার! তুমি অভিযানে রওয়ানা হও এবং আল্লাহ্র রাসূলের আদেশের অনুগত হও। তুমি একথা অবগত নও যে, তোমার কল্যাণ কোন কাজে রহিয়াছে (মাদারিজুন নুবুওয়াত, ২খ., ৪৫৪)।